শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৪৯, রবিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২১

ঘরের ভিতরে সতেজ সবজির চাষ

শাইখ সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
ঘরের ভিতরে সতেজ সবজির চাষ

২০০৬ সালের কথা। জাপানের কৃষি কার্যক্রম ঘুরে দেখে আসার সুযোগ পেয়েছিলাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান সরকার দেশটির অর্থনৈতিক পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু করে। এর আগে জাপানের মোট কৃষিজমির প্রায় ৮০ শতাংশই ছিল জমিদারদের হাতে। জাপান সরকার মোট কৃষিজমির দুই-তৃতীয়াংশ কিনে তা কম দামে ক্ষুদ্র কৃষকের কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করে। এতে ক্ষুদ্র কৃষক বেশ উপকৃত হয়। সংস্কারের আগে জাপানে মোট কৃষিজমির মাত্র ২৩ শতাংশের মালিকানা ছিল কৃষকের এবং সংস্কারের পর দেশটির মোট জমির পুরোটার মালিক হয় কৃষক। চিরতরে জমিদারি প্রথা বন্ধে কৃষিজমির মালিকানার ওপর সীমা আরোপ করে জাপান সরকার। এ কারণে দীর্ঘ ৫০ বছর জাপানের কৃষিতে বেসরকারি করপোরেশনগুলোর বিনিয়োগের কোনো সুযোগ ছিল না। ১৯৬৫ সালে জাপানে কৃষকের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ১০ লাখ। ৫০ বছরের ব্যবধানে ২০১৫ সালে তা কমে দাঁড়ায় ২০ লাখের নিচে। দেশটিতে কৃষি খাতে দুশ্চিন্তার আর এক বড় কারণ হলো কৃষকের বয়স। জাপানের কৃষি খাতে বর্তমানে প্রতি ১০ জন কৃষকের মধ্যে ছয়জনেরই বয়স ৬০-এর ওপর। অন্যদিকে তরুণদের মধ্যেও কৃষিকে সার্বক্ষণিক পেশা হিসেবে গ্রহণে অনীহা দেখা দেয়। ফলে জাপানের কৃষিকে বৃদ্ধ কৃষকদের পক্ষে টেনে নেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। একদিকে প্রয়োজন হয় ব্যাপক যান্ত্রিকীকরণের। অন্যদিকে তরুণদের আগ্রহী করতে কৃষিকে করপোরেটরূপে উপস্থাপনার প্রয়োজনীয়তাও দেখা দেয়। জাপান সরকার কৃষিতে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করে। যার ফলে কৃষিতে করপোরেট অংশগ্রহণ এবং ব্যাপক যান্ত্রিকীকরণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার অনেকটা আশার আলো সঞ্চার করে। বেশ কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান দেশটির কৃষি ও কৃষিপ্রযুক্তিতে বিনিয়োগ শুরু করে। তার পর থেকে আমূল পাল্টে যেতে থাকে জাপানের কৃষি।

বলছিলাম ২০০৬ সালে জাপানের কৃষি ব্যবস্থাপনার কিছুটা খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছিল। সেখানে দেখেছিলাম পাসোনা-টু নামের একটি প্রতিষ্ঠান অবসরে যাওয়া বয়স্ক মানুষের জন্য বিকল্প কৃষি অনুশীলনের পদ্ধতি হিসেবে মাটি থেকে ৩০ ফুট নিচে নিয়ন্ত্রিত এলইডি আলো, বাতাস ও তাপমাত্রায় হাইড্রোপনিক কৃষিকাজ ব্যবস্থাপনা তৈরি করেছিল। সেটি ছিল মাটিবিহীন কৃষি। এরপর এ কৃষির দৌড় বিস্তৃত হয়েছে বহুদূর। ইউরোপ, আমেরিকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সবখানেই দেখেছি মাটিবিহীন কৃষির অনুশীলন চলছে। এটি কৃষির সংজ্ঞা পাল্টে দেওয়া এক উদ্ভাবন। ভেবেছি আমাদের দেশে কখন শুরু হবে আধুনিক প্রযুক্তির ও রকম কৃষি। বিদেশে দেখে আসা প্রযুক্তি দেশেও পরিচিত করে তোলার এক অদম্য ইচ্ছা আমার। যেখানে যে প্রযুক্তি দেখেছি তা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি টেলিভিশনে। সেটা ছড়িয়ে গেছে। যেমন ঘরের ভিতর মাছ চাষেরও বহু প্রযুক্তি এসেছে। মানুষের খাদ্য উৎপাদন থেকে এ তৎপরতা পৌঁছেছে ঘরের ভিতর প্রাণিসম্পদের ঘাস উৎপাদন পর্যন্ত। বিদেশের ছাদকৃষি কিংবা প্রযুক্তিনির্ভর ভার্টিক্যাল ফার্মিংয়ের দৌড় দেখে বহু আগেই মনে হয়েছে অদূর ভবিষ্যতে বাসাবাড়ি ভাড়া নেওয়া হবে বসবাসের জন্য নয়, কৃষি উৎপাদনের জন্য। আর সে ভাবনাই সত্য হয়ে ধরা দিল খোদ ঢাকা শহরেই। এ জনবহুল শহরের এক বাড়ি রূপান্তরিত হয়েছে অনন্য এক সবজিবাগানে। ঘরের ভিতরে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চাষ হচ্ছে নানান বিদেশি সবজি।

বাড়িটি ঢাকার মিরপুরে। একসময়ের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি ভাড়া নিয়ে চার তরুণ উদ্যোক্তা গড়ে তুলেছেন ভার্টিক্যাল ফার্ম। নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফার্ম ইমাজিনেশন’। সত্যি সত্যিই এ শহরের জন্য এটি যেন এক কল্পনাচিত্রই বলা চলে। ঘরের ভিতর হাইড্রোপনিক সিস্টেমে ভার্টিক্যাল ফার্মে উৎপাদন হচ্ছে লেটুস, বক চয়, বেসিল, সেলারি, ক্যাপসিকাম, চেরি, টমেটোসহ বেশ কয়েক রকমের সালাদ ও সবজি ফসল। এ আয়োজন উন্নত বিশ্বের সর্বাধুনিক কৃষি আয়োজনগুলোর মতোই। এটি দেখে যুক্তরাজ্যের নিউজার্সিতে অবস্থিত বৃহৎ একটি ভার্টিক্যাল ফার্মের কথা মনে পড়ে যায়। যেটি অ্যারোফার্ম নামে পরিচিত। সেখানেও বিশাল বিশাল কক্ষে স্তরে স্তরে সাজানো ট্রেতে উৎপাদিত হচ্ছে নানা রকমের সবুজ সবজি। সাধারণ কৃষির তুলনায় সেখানে ৯৫ ভাগ পানি কম ব্যবহার হচ্ছে। পরিমিত আলো ও তাপের জন্য ব্যবহার হচ্ছে বিশেষায়িত এলইডি আলো।

অ্যারোফার্মের বিশাল পরিধির তুলনায় আমাদের মিরপুরের এ আয়োজন কোনো অংশেই কম নয়। ভিন্ন ভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকেই কয়েকজন উদ্যোক্তা কৃষির এমন স্বপ্ন দেখেছেন। উদ্যোক্তাদের অন্যতম পারভীন আক্তার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করা এ উদ্যোক্তা কাজ করেছেন দেশি-বিদেশি নানান গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে। এমনকি শৈশব থেকে বেড়েও উঠেছেন শহরে। কিন্তু টেলিভিশনের কৃষিবিষয়ক অনুষ্ঠানে দেখা আধুনিক স্মার্ট প্রযুক্তির কৃষি অনুশীলন তাকে দারুণভাবে মোহিত করে। তার চিন্তায় আগামীর কৃষিবাণিজ্যের একটা রূপ বাস্তবিক ও প্রায়োগিকভাবেই প্রতীয়মান হয়। পারভীন বলছিলেন টেলিভিশন ও ইউটিউবে আমার বিভিন্ন প্রতিবেদন দেখেই তিনি এমন উদ্যোগ নিতে সাহসী হয়ে ওঠেন। পারভীনের কাছে জানতে চাই কৃষি নিয়ে এমন ভাবনা কেন মাথায় এলো? ‘করোনা একটা বিষয় প্রচন্ডভাবে সত্য বলে প্রমাণ করে দিয়েছে তা হলো, নিরাপদ খাদ্যের চাহিদা মানুষের সবচেয়ে বেশি। এই সময়ে উন্নত দেশগুলোকেও খাদ্য ঘাটতির ভিতর দিয়ে যেতে হয়েছে। আবার যারা কভিডে আক্রান্ত হয়েছেন তারা বুঝতে পেরেছেন নিরাপদ খাদ্য ছাড়া শরীরের শক্ত ইমিউন সিস্টেম গড়ে তোলা সম্ভব নয়। ফলে এখন থেকে সতেজ নিরাপদ খাদ্যের চাহিদা দিন দিন বাড়বে। এ দুটি ব্যাপার মাথায় রেখে আমার মনে হয়েছে আপনার দেখানো উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার এখন দারুণ সময়।’- বেশ দৃঢ়তা পারভীনের কণ্ঠে।

বাড়ির একটা কক্ষে চলছে প্লাস্টিকের তৈরি বিশেষ কাপে ককোপিট ঢেলে বীজ বপনের কাজ। যেমনটা কারখানায় হয়। একেকজনের একেকটি অংশের কাজ। একজন ট্রেতে সাজিয়ে নিচ্ছেন প্লাস্টিকের কাপ। দুজন কাপগুলোয় ভরে দিচ্ছেন প্রয়োজনীয় ককোপিট। আর কেউ হয়তো বুনে দিচ্ছেন কাক্সিক্ষত বীজ। আবার কেউ সারি সারি করে সাজিয়ে রাখছেন ট্রেগুলো। একটু হাঁটতেই করিডোর। করিডোর ধরে এগোতেই তিনটি ছোট ছোট কক্ষ। একেকটি কক্ষে নিচ থেকে ওপর অবধি সাজানো স্টিলের ট্রে, কিংবা প্লাস্টিকের পাইপ কেটে বানানো বিশেষ ডায়াস। সেখানে চাষ হচ্ছে সবুজ সবজি লেটুস, বকচয়, বেসিল ইত্যাদি। বিজ্ঞান মেনেই ঘনত্বে উৎপাদন করা হচ্ছে এসব সবজি। এক একটা ট্রেতে এক ধরনের ফসল। বকচয় কেউ বা বলে পকচয় একটি বিদেশি সবজি। বিশেষ করে চীনাদের খুব প্রিয়। স্যুপ কিংবা সালাদে খুব ব্যবহৃত হয়। পারভীন জানালেন ইউরোপিয়ানরা বার্গারেও খায়। বকচয় উৎপাদন হতে সময় লাগে সাড়ে তিন মাস। এক একটির পাইকারি বাজারমূল্য ৫০ টাকা। যা খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকা দরে।

পারভীনকে নিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম ৪ হাজার বর্গফুটের ফ্লোরে তিনটি রুমে তাদের পরীক্ষামূলক ঘরোয়া কৃষির কাজকারবার। ৪০টি র‌্যাকে প্রতি মাসে গড়ে ৮০০ সবজি উৎপাদন নিশ্চিত হচ্ছে। হাইড্রোপনিক পদ্ধতি হলেও শতভাগ ‘গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিস’ অনুসরণ করছেন তারা। ফলে ফসলের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোনো প্রশ্নই থাকছে না। উৎপাদনের প্রক্রিয়াটি উৎসাহব্যঞ্জক। প্রতিটি কক্ষে শতভাগ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু রয়েছে। আলো, পানি, বাতাস সবকিছুরই পরিমিত ব্যবহার হচ্ছে এ উৎপাদন ব্যবস্থায়। পারভীন বলছিলেন, নতুন প্রজন্মকে নতুন কৃষির সঙ্গে পরিচয় ঘটিয়ে দেওয়াও একটি লক্ষ্য তাদের। সেখানে পারভীনের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ে রাদিয়া, রিয়ানাসহ বেশ কয়েকজন তরুণ কাজ করছিলেন গভীর মনোযোগে। তাদের সঙ্গেও কথা হলো। আধুনিক এ প্রযুক্তির কৃষিতে দারুণ আগ্রহ তাদের। শার্ট, প্যান্ট, জুতা পরেই দিব্যি কাজ করা যাচ্ছে সেখানে। এ উদ্যোগ নিয়ে দারুণ আশাবাদী তারাও। স্বপ্ন দেখছেন এমন কৃষি উদ্যোগে ভবিষ্যৎ গড়ার। ছাদে একটি কক্ষে পারভীনের অফিসঘর। তার পাশেই ছাদের ওপরও নেওয়া হয়েছে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ। গড়ে তোলা হয়েছে কাচের দেয়ালে ঘেরা ছোট্ট গ্রিনহাউস। সেখানে চাষ হচ্ছে চেরি টমেটো ও নানা রঙের ক্যাপসিকাম। গ্রিনহাউসটির মধ্যে ফসল উৎপাদনের বিশেষত্ব হলো কোনো কৃত্রিম আলোয় নয়, প্রাকৃতিক আলো ও তাপমাত্রাই এখানে ফসলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি দেখে মনে হলো ছাদের ওপর প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করে বিভিন্ন ফসলের জাত গবেষণার একটি গ্রিনহাউসের কথা। সেটি ছিল বেসরকারি কৃষি-শিল্প প্রতিষ্ঠান এসিআইর মলিক্যুলার ল্যাবের ছাদে। তবে এ ফার্ম ইমাজিনেশনে ফসলের উৎপাদন ব্যয় কমাতে নেওয়া হয়েছে নানা কৌশল। সবকিছু তৈরি করা হয়েছে দেশি উপাদানে।

পারভীনের অফিসে বসে তাজা লেটুস, বকচয়, চেরি টমেটো আর ক্যাপসিকামের সালাদ খেতে খেতে কথা হচ্ছিল। জানতে চাইলাম এ ফার্ম নিয়ে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? তিনি বললেন, এটি আসলে একটা পরীক্ষামূলক উদ্যোগ। নিজেদের দেশি উপকরণ ব্যবহার করে গত দেড়টি বছর ধরে ট্রায়াল অ্যান্ড এররের মধ্য দিয়ে তার দল একটা সফল কাঠামো তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি যেমন ঢাকার একটি বাড়িতে বসে এমন সতেজ সবজি উৎপাদন করে বাজারজাত করতে পারছেন। এখানে উৎপাদিত সবজির বাজারে বিপুল চাহিদা। তার একার পক্ষে তা সাপ্লাই দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি এ উদ্যোগ তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান। উৎসাহীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করতে চান যুবশক্তি। পারভীনের চোখে এক অদম্য আশার আলো।

প্রিয় পাঠক! পৃথিবীর প্রাচীনতম বিজ্ঞান কৃষি। কালের বিবর্তনে মানুষের স্বভাব ও খাদ্য অন্বেষণের একটি বিশেষ ক্রিয়ায় পরিণত হয় বিষয়টি। কিন্তু বিজ্ঞান ছাড়া ফসলের একটি দানা কিংবা খাদ্যের কোনো উপকরণই পাওয়া সম্ভব নয়। পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ছে। বর্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদার কথা চিন্তা করেই অল্প জায়গায় বেশি উৎপাদনের পাশাপাশি কতটা স্বাস্থ্যসম্মত ফসল উৎপাদন করা যায় সে বিষয়ে তৎপর হয়ে উঠেছেন বিশ্বের নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে বড় বড় শিল্পোদ্যোক্তারা। বিজ্ঞানই সবার সামনে মেলে ধরছে উৎপাদনের সহজ সমাধান। বিষয়গুলো সূক্ষ্মভাবে অনুসরণটাই সবচেয়ে বড় কথা। পারভীন আক্তার যেভাবে ইনডোর ফার্মিংয়ের নানা বিষয় ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার আলোকে ব্যাখ্যা করলেন তা যথেষ্টই আশাজাগানিয়া। আমার বিশ্বাস, এ চিত্র দেখে অনেকেই উদ্যোগী হতে চাইবেন ভার্টিক্যাল ফার্মিংয়ে। তাদের উদ্দেশে বলি, বিজ্ঞানভিত্তিক এ উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিষয়গুলো গভীরভাবে জানা-বোঝা অত্যন্ত জরুরি। শুধু লাভের লক্ষ্য নয়, বরং ভালো কিছু করার লক্ষ্য থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে এগিয়ে গেলে সাফল্য আসবেই।

লেখক : মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়