শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:১৯, মঙ্গলবার, ০৪ জানুয়ারি, ২০২২

জিয়া বীরউত্তম মুক্তিযোদ্ধা, খালেদা জিয়া নন

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
জিয়া বীরউত্তম মুক্তিযোদ্ধা, খালেদা জিয়া নন

করোনার মহাপ্রাদুর্ভাবের মধ্যেই ২০২১ পার করে এলাম। সবাই আশা করব করোনার ২০২১-এর চেয়ে ২০২২ সাল নিশ্চয়ই স্বস্তির ও আনন্দের হবে, হবে গণতন্ত্রের, মানুষের কল্যাণের। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের হুমকিতে আবার সারা পৃথিবী নড়েচড়ে উঠেছে। আমাদের দেশে ওমিক্রনের প্রভাব পড়বে কি না সে শুধু জগৎস্রষ্টা আল্লাহ রব্বুল আলামিনই জানেন। একজন মানুষ হিসেবে আশা করব আমরা ভালো থাকব, স্বস্তিতে থাকব। যদিও রাজনৈতিকভাবে দেশ তেমন স্বস্তিতে নেই, শান্তিতে নেই। কেন যেন সবাই লাগামহীন কথাবার্তা বলেন। কারও প্রতি কারও খুব একটা সমীহ বা সৌজন্য নেই। যে যেভাবে পারেন, যার মুখে যা আসে তা-ই বলেন। সবই কেমন যেন ফ্রিস্টাইল। আমি আন্তরিকভাবেই লিখেছিলাম, বেগম খালেদা জিয়া সত্যিই কি মুক্তিযোদ্ধা? নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বলার তার কি কোনো সুযোগ আছে? তিনি নিশ্চয়ই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী। কিন্তু তিনি মুক্তিযোদ্ধা নন, মুক্তিযোদ্ধা বলে তাঁকে সম্মানিত নয় নতুন প্রশ্নের মুখে ফেলা হচ্ছে। খুব সম্ভবত ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির এক মস্তবড় জনসভায় আমাকে অনেকটা ব্যঙ্গ করেই ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া ১ নম্বর নারী মুক্তিযোদ্ধা’। বিস্মিত না হয়ে পারিনি, আজকের ফখরুল ইসলাম আর মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ফখরুল ইসলাম এক নন, এক অবস্থানেও নন। তাই কিছুদিন যাবৎ বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর তার চেষ্টা বা উদ্দেশ্য পুরোপুরি বুঝতে পারছি না। বেগম খালেদা জিয়া এক দিনের জন্যও পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিলেন না। হ্যাঁ এটা ঠিক, বেগম খালেদা জিয়াকে জিয়াউর রহমানের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য দুবার চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি যাননি বা যেতে পারেননি এটা ভিন্ন কথা। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তিনি যদি পা না বাড়িয়ে থাকেন সেটা কোনো দোষের নয়, তিনি পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দি ছিলেন তাই তাঁর কিছুই করার ছিল না। অত বড় একটা পশুশক্তির হাতে যারা বন্দি ছিলেন তাঁরাই শুধু বলতে পারেন তাঁদের জীবন কতটা দুর্বিষহ। বেগম জিয়ার পাকিস্তান হানাদারদের হাতে বন্দি থাকাই প্রমাণ করে জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে হঠাৎই জড়িয়ে পড়েছিলেন, তাৎক্ষণিকভাবে পরিবার-পরিজনের কথা, তাদের নিরাপত্তার কথাও ভাবার সুযোগ পাননি। অন্যদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর মা-ভাই-বোনসহ আটক ছিলেন। আটক অবস্থাতেই সন্তান জন্ম দেন। আল্লাহর কি কুদরত, পাকিস্তান হানাদারদের হাতে বন্দি দুজন সম্মানিত মহিলা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। একেই বলে আল্লাহর কুদরত। কিন্তু বিএনপি মহাসচিব হঠাৎ বেগম খালেদা জিয়াকে কেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বানানোর চেষ্টা করছেন, তা-ও আবার ১ নম্বর নারী মুক্তিযোদ্ধা- এর কোনো মানে বুঝতে পারছি না। বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিযোদ্ধা এটা ভাবীকালে কী করে প্রমাণ করা হবে বা করা যাবে বুঝতে পারছি না। তবে শত বছর পর বেগম খালেদা জিয়ার নাম যদি মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় ওঠে তাহলে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগবে তিনি কোথায় যুদ্ধ করেছেন, কী অস্ত্রে যুদ্ধ করেছেন অথবা অস্ত্রশস্ত্র না নিয়েই যদি মুক্তিযুদ্ধে শরিক হয়ে থাকেন তাহলে সেটা কোথায়- নিশ্চয়ই জায়গাটি খোঁজার চেষ্টা হবে। কিন্তু যখন দেখা যাবে তিনি সব সময় ক্যান্টনমেন্টে ছিলেন তখন আরও প্রশ্ন উঠবে তাহলে কি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যান্টনমেন্টগুলো মুক্তিযুদ্ধের ক্যাম্প ছিল? হ্যাঁ এটা ঠিক, পাকিস্তানি অফিসাররা কিছু কিছু বইপত্রে লিখেছেন যাতে অনেকটাই তখনকার অবস্থা বেরিয়ে এসেছে। কী এক পাকিস্তানি কর্নেল বা ব্রিগেডিয়ারের বই পড়েছিলাম। তার তিন-চার বছরের ছেলে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর দিকে ‘জয় বাংলা, জয় বাংলা’ বলে বাড়িঘর মাথায় তুলত। এটা ঠিক, মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় ‘জয় বাংলা, জয় বাংলা’ স্লোগানে পূর্ব পাকিস্তানের আকাশ-বাতাস, নদী-নালা, খাল-বিল উত্তাল ছিল। যে জয় বাংলা ছিল বাঙালির শ্বাস-প্রশ্বাস। সঠিকভাবে চালাতে বা চলতে না পারার কারণে স্লোগানটি সমগ্র জাতির না হয়ে এখন একমাত্র আওয়ামী লীগের দলীয় স্লোগানে পরিণত হয়েছে। সেই স্লোগানও আবার আওয়ামী লীগের ভক্ত-অনুরক্ত-কর্মী বাহিনীর কণ্ঠে বুক উজাড় করা মনে হয় না। স্লোগান তুলতে হয় তাই তোলে। আমরা যে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে পাকিস্তানিদের পরাজিত করেছিলাম, বর্তমানে সেই জয় বাংলা পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান স্লোগান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারাই ইদানীং যে দৃঢ়তার সঙ্গে আন্তরিকতার সঙ্গে জয় বাংলা স্লোগান তোলে, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা তার চাইতে হাজার গুণ বেশি হৃদয়ের সব শক্তি একত্রিত করে জয় বাংলা স্লোগান দিতাম। আমাদের উচ্চারিত জয় বাংলা যেমন মাকে মনে করিয়ে দিত, তেমনি দেশ ও দেশের মাটিকে মনে করাত। সে ছিল খাঁটি সোনা। বিন্দুমাত্র খাদ ছিল না। যে সন্তান মাকে ভালোবাসে সে মায়ের জন্য যেমন সবকিছু ত্যাগ করতে পারে তেমনি প্রতিটি বাঙালি যারা মুক্তিযোদ্ধা ছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল তারা ওভাবেই দেশের জন্য ভাবত, অনুভব করত। তাই জয় বাংলায় অত শক্তি লুকিয়ে ছিল। এটা সত্য, সব সময় একই জিনিস একইভাবে থাকে না। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় ‘কানমে বিড়ি মুখে পান, লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান’ ছিল পাকিস্তানের আপামর জনসাধারণের মুখের বুলি, আত্মার চিৎকার। কিন্তু পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরের মধ্যেই পূর্ব পাকিস্তানের আপামর জনসাধারণ ‘কানমে বিড়ি মুখে পান, লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান’ আত্মার এ চিৎকার ধুলোয় মিলিয়ে গিয়েছিল। কারণ পাকিস্তানিরা বাঙালির মায়ের ভাষা বাংলা কেড়ে নিতে চেয়েছিল। মুখের ভাষা বাংলা কেড়ে নিতে না পারলেও তারা যে বিমাতাসুলভ আচরণ করেছে তাতে বাংলা ভাষাভাষী সবার মনে বিক্ষোভ দানা বেঁধেছিল। যার প্রতিফলন ঘটেছিল ’৫৪-এর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। ওভাবে মাত্র ছয়-সাত বছরে পাকিস্তানিদের ভেসে যাওয়ার কথা ছিল না। অথচ ভেসে গিয়েছিল। প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০ আসনের মধ্যে মাত্র ৯টি পেয়েছিল পাকিস্তান সমর্থকরা। বাদবাকি ২৯১টি পেয়েছিল যুক্তফ্রন্ট। সাধারণ মানুষের রায়কে পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী কোনো সম্মান দেখায়নি। ভালোভাবে এক মাসও টিকতে পারেনি শেরেবাংলার মন্ত্রিসভা। ৯২(ক) ধারা জারি করে বাংলার বাঘ ফজলুল হকের মন্ত্রিসভা বাতিল করে দিয়েছিল। ঠিক একই রকম পদক্ষেপ নিয়েছিল ’৭০-এর নির্বাচনের পর। বাংলার সাধারণ মানুষের রায়কে পাকিস্তানিরা পদদলিত করেছিল। ’৭০-এর নির্বাচনের রায় পদদলিত করা বাংলার মানুষ মেনে নেয়নি। বিশেষ করে ছাত্র-যুবক, কৃষক-শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ।

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার শেষ ধাপ হচ্ছে অসহযোগ। ব্রিটিশ ভারতে অসহযোগের ডাক দিয়েছিলেন ভারতপিতা মহাত্মা গান্ধী। আর পূর্ব পাকিস্তানে সফল অসহযোগ ডেকেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পৃথিবীর ইতিহাসে অমন অসহযোগ আর কোথাও কখনো হয়নি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা শুধু নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে আসেনি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ বপিত ছিল অনেক গভীরে। সূচনা হয়েছিল বঙ্গভঙ্গেরও কিছুটা আগে। সেটা মহিরুহের রূপ ধারণ করেছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির মধ্য দিয়ে। এটা আরও শক্তিশালী হয়েছিল ’৫৪-এর তিন নেতা শেরেবাংলা, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও হুজুর মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। ’৫৪-এর নির্বাচনের ফলাফল পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী সহজভাবে মেনে নেয়নি। নানা ছলাকলা করে ’৫৪-এর ভোটকে ধূলিসাৎ-চেষ্টার মধ্য দিয়ে ’৫৮-এর ২৭ অক্টোবর আইয়ুব খান পাকিস্তানের ক্ষমতা কেড়ে নেন। যে ইস্কান্দার মির্জা মার্শাল ল জারি করেছিলেন সেই ইস্কান্দার মির্জাকে আইয়ুব খান ইংল্যান্ডে হোটেলের ম্যানেজারির চাকরি দিয়ে পাকিস্তান থেকে বের করে দেন। আইয়ুব খান নানা ছলাকলা করে ‘বুনিয়াদি গণতন্ত্র’-এর নামে ১০ বছর পাকিস্তানের ক্ষমতা আঁকড়ে রাখেন। ’৬২ সালে সামরিক শাসন তুলে নিলে আবার ধীরে ধীরে মানুষ একত্রিত হতে থাকে, রাজনীতির বাতাস বইতে থাকে। এর মধ্যে ’৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষণা করেন। ছয় দফা দাবির সঙ্গে আওয়ামী লীগেরও অনেকে একমত ছিলেন না, বড় বড় নেতারা তো নয়ই। ছাত্র-যুবকরা ছয় দফাকে লতার মতো আঁকড়ে ধরে। পাকিস্তানের লৌহমানব আইয়ুব খানের সহ্যের সীমা পেরিয়ে যায়। তিনি বঙ্গবন্ধুকে বারবার গ্রেফতার করেন। কয়েক বছর জেলে থাকার পর ’৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হলে সাধারণ পোশাকে আর্মির গাড়ি এসে নেতাকে তুলে নিয়ে যায়। চার-পাঁচ মাস তাঁর কোনো খবর ছিল না। এ সময় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা রুজু করা হয়। প্রথমে বঙ্গবন্ধুর নাম না থাকলেও পরে তাঁকেই ১ নম্বর আসামি করা হয়। মামলা চলে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে। অন্যদিকে ছাত্র-যুবকরা দল বেঁধে রাস্তায় নামতে থাকে। আইনি লড়াই লড়তে ইংল্যান্ড থেকে আইনবিদ আনার চেষ্টা করা হয়। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও অন্যান্য সংগঠন রাস্তাঘাটে হাত পেতে টাকা তুলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে পাঠায় আগরতলা মামলার লড়াই করার জন্য। আমরা ছাত্র হিসেবে টাঙ্গাইল ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ৪০০ টাকা এবং জেলা আওয়ামী লীগ ১৭০০ টাকা কেন্দ্রীয় ফান্ডে জমা করে। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি বাংলাদেশের সূর্যসন্তান তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলা হয়। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি পেশ করে। এ ১১ দফা আর আওয়ামী লীগের ছয় দফা একাকার হয়ে যায়। সারা দেশে আকাশে বাতাসে মাঠে ময়দানে খালে বিলে নদীতে সাগরে আওয়াজ ওঠে- ‘শেখ মুজিবের মুক্তি চাই, আগরতলা মামলা মানি না মানব না’। ২০ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে আসাদের মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও বেগবান হয়। ’৯০-এ যেমন ডা. মিলনের মৃত্যু পুরো দেশকে জাগিয়ে দিয়েছিল তেমনি আসাদের মৃত্যুর পর সারা দেশ জ্বলে ওঠে। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে প্যারোল দিয়ে আইয়ুব খান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এক আলোচনার ব্যবস্থা করেন। তত দিনে বাংলার মানুষের হৃদস্পন্দন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্যারোলে গোলটেবিলে যেতে অস্বীকার করেন। পরে ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবসহ সবাইকে মুক্তি দিয়ে আগরতলা মামলা তুলে নেওয়া হয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি রমনা রেসকোর্স ময়দানে ছাত্র-গণ আন্দোলনের মহানায়ক ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। সেই থেকে শেখ মুজিব হলেন বঙ্গবন্ধু। তার কদিন পরই তিনি হন দেশের পিতা। ২৩ ফেব্রুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তাঁকে বঙ্গবন্ধু ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মধ্যে এক নবজাগরণের সৃষ্টি হয়। আইয়ুব খান আর বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারেননি। উন্নয়নের দশক পালন করতে গিয়ে তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়ে ২৪ মার্চ ’৬৯ সেনাপ্রধান ইয়াহিয়ার কাছে ক্ষমতা ছেড়ে দেন। ইয়াহিয়া খান বেতার ভাষণে বলেন, ‘আমি সৈনিক, আমার ক্ষমতার লোভ নেই। দুই বছরের মধ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে ব্যারাকে ফিরে যাব।’ না, তিনি ব্যারাকে ফিরে যাননি। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচাইতে নিষ্ঠুর হত্যাকান্ড তিনি বাংলার বুকে ঘটিয়েছিলেন।

ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে পাকিস্তান সরকার ’৭০-এ সাধারণ নির্বাচন করেছিল। সেখানে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানে ১৬৯ আসনের মধ্যে ১৬৭টি পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। পশ্চিম পাকিস্তানে ৮১ আসন পেয়ে জাতীয় পরিষদে জুলফিকার আলী ভুট্টো হয়েছিলেন প্রধান বিরোধী দল। পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ, পশ্চিম পাকিস্তানে জুলফিকার আলী ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি। জুলফিকার আলী ভুট্টো যেমন পূর্ব পাকিস্তানে একটি আসনও পাননি, তেমনি আওয়ামী লীগ পশ্চিম পাকিস্তানে কোনো আসন পায়নি। তাই বঙ্গবন্ধু বা আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেলেও একটা প্রশ্ন থেকে যায়। ইয়াহিয়া খান সংসদ অধিবেশন ডেকেও মাঝপথে তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। এতে বাংলার মানুষ ফুঁসে ওঠে। শুরু হয় অসহযোগ, ঐতিহাসিক অসহযোগ। এমন অসহযোগ মহাত্মা গান্ধীর আহ্বানে ব্রিটিশ ভারতেও হয়নি। অসহযোগের চাপে ইয়াহিয়া খান পূর্ব পাকিস্তান আসেন। বারবার আলোচনায় বসে সময় ক্ষেপণ করেন। এর মধ্যেই ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। এসব মাথায় রেখেই আলোচনা হচ্ছিল। ইয়াহিয়া খান কোনো একসময় এও বলেছিলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের ভাবী প্রধানমন্ত্রী’। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। ২৫ মার্চ ইয়াহিয়া খান পূর্ব পাকিস্তান থেকে পালিয়ে যান আর পাকিস্তানি হানাদাররা সাধারণ মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ২৫ মার্চ পর্যন্ত ছোটখাটো অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বাঙালি সেনা ও অফিসাররা খুব অংশগ্রহণ করেনি। ২৫ মার্চ অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্ট তার উপনেতা বা টুআইসি জিয়াউর রহমানকে চট্টগ্রাম জেটিতে বাঁধা অস্ত্রবোঝাই সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাস করতে বলে। জিয়াউর রহমান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আদেশ মেনে অস্ত্র খালাস করতে চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে যাচ্ছিলেন। তাঁকে সাধারণ বীর জনতার বাধা ঠেলে যেতে হচ্ছিল। তাই যাওয়ার গতি তেমন ছিল না। এ সময় অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টে খবর পৌঁছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে, ঢাকায় নির্বিচারে হত্যা চলছে। ইবিআরসি ক্যান্টনমেন্টে প্রশিক্ষণরত ১৫০০ রিক্রুটের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছে। এসব শুনে খালেকুজ্জামান আর অলি আহমদ ছুটতে থাকেন জিয়াউর রহমানকে ফিরিয়ে আনতে। তাঁকে ফিরিয়ে আনলে একসময় তাঁর অধীন সেনারা পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে প্রতিরোধে ঝাঁপিয়ে পড়ার ঘোষণা দেয়। ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতারে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি সেখানে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। সেই থেকে জিয়াউর রহমান এবং তাঁর সঙ্গীরা হন মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। তার পরের ইতিহাস খুব একটা ছোট নয়। রক্তক্ষয়ী ২৬৬ দিন ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর এই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দিজীবন কাটান। তাই ইচ্ছা করলেই তাঁকে বীর মুক্তিযোদ্ধা, ১ নম্বর নারী মুক্তিযোদ্ধা বলা যাবে না। পেছনের ঘটনার সঙ্গে তাঁকে মেলাতে হবে। সঠিকভাবে মেলাতে না পারলে মুক্তিযোদ্ধা বলে, ১ নম্বর নারী মুক্তিযোদ্ধা বলে বরং বেগম খালেদা জিয়াকেই ছোট করা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধকে হাস্যকর, খেলো করার চেষ্টা হচ্ছে। কাজটা মোটেই ভালো হচ্ছে না।

লেখক : রাজনীতিক।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়