শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫৮, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২২

বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ ভোট দিতে জানে

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ ভোট দিতে জানে

নতুন বছর ২০২২ কেমন যাবে জানি না। আজ ১৮ জানুয়ারি ২০২২ সাল, জন্মেছিলাম ১৪ জুন ১৯৪৭ সাল। আর কত দিন দয়াময় আল্লাহ এপারে রাখবেন তা তিনিই জানেন। কিছুদিন আগে লিখেছিলাম, বড় কোনো কাজ করে বেশিদিন বাঁচতে নেই। বঙ্গবন্ধু যদি পাকিস্তানের জেলে মারা যেতেন তাহলে তিনি হতেন বা থাকতেন পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় নেতাদের মধ্যে অন্যতম। মহাত্মা গান্ধী সাধারণ মানুষের অনেক কাছের, বিশেষ করে তাঁর ভক্ত-অনুরক্তদের একেবারে হৃদয়ের মানুষ। আমার বিবেচনায় তাঁর চেয়েও জনপ্রিয় থাকতেন, আকাক্সিক্ষত থাকতেন আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধু। ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫, সাড়ে তিন বছরের মতো জীবিত ছিলেন। এ সাড়ে তিন বছরের জন্য কত নাহক সমালোচনা, কত কটুকথা, কত গালাগাল যা আমরা ভাবতেও পারি না। ’৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে কোনো সময় আমি মারা গেলে এক রকম হতো, বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যার পর কোথাও কোনোভাবে প্রতিরোধযুদ্ধের সময় চলে গেলেও ইতিহাস অন্যরকম হতো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেঁচে থাকা বোঝার মতো। বিশেষ করে যে দেশে বড়-ছোটর কোনো পার্থক্য নেই, প্রবীণের কোনো মর্যাদা নেই, মানবিক গুণাগুণ নেই, যখন যেমন তখন তেমন অবস্থা সে সময় বেঁচে থাকা আরও দুঃখজনক। গত কয়েক বছরে লোকজন কেমন যেন লাগামছাড়া হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ তাদের সামনে কোনো ভবিষ্যৎ দেখতে পায় না, দেখেও না। ক্ষমতা ক্ষমতা আর ক্ষমতা। কিছু কিছু মানুষ তো বিত্তের পেছনে এমনভাবে ছুটছে সেখানে চিত্তের কোনো জায়গা নেই। জীবনে কখনো খুব একটা ভয় করিনি। মৃত্যুভয় আমার কোনো দিন ছিল না। বাবার মৃত্যু সহজভাবে নিতে পারলেও মায়ের মৃত্যুতে অনেকটাই এলোমেলো হয়ে গিয়েছিলাম। দুনিয়াটা আমার কাছে অর্থহীন মনে হতো। সবকিছু থাকতেও কেমন যেন সার্থকতাহীন ঘোর অন্ধকার মনে হতো। হঠাৎই আমার বুকে কুশিমণি জায়গা করে নিয়েছিল। কুশিমণিকে পেয়ে ব্যথা-বেদনা-হতাশা সবকিছু কর্পূরের মতো হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছিল। জীবনের সব দিক আলোয় আলোয় আলোকিত হয়ে গিয়েছিল। ছোট্ট বাচ্চা যার সারা শরীরে ছিল ৪২টি ক্ষতচিহ্ন। আমরা ওকে ঘরে এনেছিলাম, বুকে জায়গা দিয়েছিলাম জন্মের ৬৩-৬৪ দিন পর। যখন কুশিমণি আমাদের ঘর আলো করে এলো তখন আল্লাহর কাছে অনেক কেঁদেছিলাম, আল্লাহ যেন বাচ্চাটাকে একটু বড় করে যাওয়ার সুযোগ দেন। দয়াময় আল্লাহ কত মেহেরবান, কুশিমণি এখন ১৫ বছর পার করেছে। আমার স্ত্রী তার দুটি সন্তান নিয়ে পরিপূর্ণ মা ছিলেন না। আমার ছেলেমেয়ে একে অন্যের ভাইবোন ছিল না। ওদের মধ্যে খোঁটাখুঁটি লেগেই থাকত। একেবারে ছোটবেলায় ওদের খোঁটাখুঁটিতে কিছু মনে না হলেও দীপের যখন ১৬-১৭, কুঁড়ির ১২-১৩ তখনো ওরা দুই ভাইবোন যে ঝগড়াঝাঁটি করত তা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। দীপ-কুঁড়ির মা ওদের নিয়ে একজন পরিপূর্ণ মা ছিলেন না। কিন্তু কুশিমণি ঘরে এলে সবকিছু পূর্ণতায় ভরে যায়। আমার স্ত্রী মা হন, নারী হন। নারীর টান দীপ-কুঁড়িকে দিয়ে নয়, কুশিমণিকে দিয়ে উপলব্ধি করতে শেখেন। চারদিকে একটা অশান্তি কাজ করলেও পরিবারে শান্তির কোনো অভাব নেই। আর এ শান্তির সম্পূর্ণটাই কুশিমণির অবদান।

এ বছরের শুরু থেকেই প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে পলে পলে বঙ্গবন্ধুকে মনে পড়ছে। ঘুম থেকে কখনো হঠাৎ জেগে উঠে অনেক স্মৃতি মনে পড়ে। আমার স্বপ্ন দেখার বাতিক নেই। তার পরও কখনোসখনো ঘুমের মধ্যে বাবা এসে নাড়া দেন। আমি মুক্তিযুুদ্ধের সময় আগস্টের প্রথম দিকে একবার স্বপ্ন দেখি। দেখি আমরা যুদ্ধে জয়ী হয়েছি। বঙ্গবন্ধু টাঙ্গাইল এসেছেন পার্ক ময়দানে তাঁর কাছে অস্ত্র জমা দিচ্ছি। দুই সারিতে দাঁড়ানো মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্য দিয়ে সটান হেঁটে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছি। পার্কের চারপাশে লাখো মানুষ আনন্দে উদ্বেল। স্বাধীনতার পর বাস্তবে প্রায় একইভাবে টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনী স্কুলমাঠে আমরা অস্ত্র জমা দিয়েছিলাম। পার্কে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বিশাল জনসভা। অমন জনসভা টাঙ্গাইল কোনো দিন দেখেনি। জনসংখ্যা বাড়লেও এখন সাধারণ লোকজন খুব বেশি একটা জনসভায় যায় না। ইন্টারনেটের যুগে মোবাইলের মাধ্যমে অনেকেই ঘরে বসে সবকিছু দেখতে পারে। জনসভায় সশরীরে উপস্থিত না হয়ে প্রযুক্তির কল্যাণে ঘরে বসেই অনেক কিছু দেখে নেয়। কিন্তু তখন এমন ছিল না। প্রায় ১০ লাখ লোক হয়েছিল ২৪ জানুয়ারি ’৭২ সালের সেদিনের জনসভায়। ২৪ জানুয়ারির আগে নেতা ও পিতাকে নিয়ে অনেক কিছু হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানে ঢাকা ফিরেছিলেন। সে ছিল ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সাল। পূর্বনির্ধারিত বেশ কয়েকটি কর্মসূচি থাকায় ১০ তারিখ ঢাকা বিমানবন্দরে যেতে পারিনি। রাতে পিতার সঙ্গে কথা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে খুব উদ্বেলিত হয়েছিলাম, সম্মানিতবোধ করেছিলাম, এত দীর্ঘ পথ বিমানযাত্রা করে দেশে ফিরে আমাকে ফোন করেছেন এটা কম বড় কথা নয়। পাকিস্তান থেকে লন্ডন, লন্ডন থেকে দিল্লি, সেখান থেকে ঢাকা ১৫-১৬ হাজার কিলোমিটার তো হবেই। স্বাভাবিক কারণেই ক্লান্ত থাকার কথা। সব ক্লান্তি দূরে সরিয়ে রেখে পিতার মতো আমার সঙ্গে কথা বলেছিলেন। পাকিস্তান থেকে লন্ডনে পৌঁছলে সেখানে সাংবাদিকরা পিতাকে প্রশ্ন করেছিলেন, Who is Kader Siddique? বঙ্গবন্ধু তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বলেছিলেন, Oh! he is my son. জেল থেকে বেরিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমার সম্পর্কে তিনি জেনেছিলেন। আমরা ১৮ ডিসেম্বর পল্টনে বাংলাদেশের প্রথম জনসভা করেছিলাম। সেখানে বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় সন্তান জামালকে নিয়ে গিয়েছিলাম। সে জনসভায় দুটি মেয়ে হরণকারী চার লুটেরাকে জনগণের নির্দেশে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছিল। সে নিয়ে নানা কথা নানা প্রপাগান্ডা হয়েছিল। সে কথাকে বেইজ করে বঙ্গবন্ধু টাঙ্গাইলে পার্কের জনসভায় মুক্তকণ্ঠে বলেছিলেন, ‘কাদের চারজনকে শাস্তি দিয়েছে। যারা নারী হরণ করে, যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তাদের এক হাজার জনকেও যদি কাদের শাস্তি দিত তা হলেও সে আমার ধন্যবাদ পেত।’ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে একমাত্র তোফায়েল আহমেদ ছাড়া আর নেতৃস্থানীয় কেউ ছিলেন না। ছাত্রলীগের শেখ শহীদুল ইসলাম আর বঙ্গবন্ধুর দুই ছেলে জামাল ও রাসেল। নেতৃবৃন্দের শঙ্কা ছিল কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুকে আটকে ক্ষমতা কেড়ে নেবেন। অথচ আমাদের অমন কোনো চিন্তাই ছিল না। পিতার নির্দেশে অস্ত্র ধরেছিলাম, তাঁর কাছে অস্ত্র দিতে পারা সেটাই ছিল আমাদের কাছে অনেক কিছু। এত বড় বিশাল মুক্তিযুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ করে রাজধানীর বাইরে আর কোথাও কেউ অস্ত্র জমা দেয়নি। অনেক মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্র পাকিস্তানের খেদমত করা থানাগুলোয় দেওয়া হয়েছে, যেটা ছিল খুবই নিন্দনীয়। যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের দাসত্ব করেছে সেসব সরকারি কর্মচারী চাকরিতে বহাল থাকায় স্বাধীনতার পরপরই স্বাধীনতা বা মুক্তিযুদ্ধ অনেকাংশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। রাষ্ট্রের সবাইকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করা না গেলেও যারা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসে ছিলেন, যারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে ছিলেন তাদের সবাইকে এক কলমের খোঁচায় চাকরি থেকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। আমরা কেউ আকাশ থেকে পড়িনি। নয় মাস রাতদিন যুদ্ধ করে বেঁচেছিলাম, দেশের স্বাধীনতায় ভূমিকা রেখেছিলাম। যখন দেখলাম স্বাধীনতার পর টাঙ্গাইলের ডিসি আশিকুর রহমানকে টাঙ্গাইল থেকে সরিয়ে নিয়ে কোথায় যেন আরও একটু বড় পদে দেওয়া হলো। টাঙ্গাইলে ডিসি এলো কক্সবাজার থেকে। সেও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়নি। সে খুব সম্ভবত ফেনীতে ছিল মহকুমা অফিসার হিসেবে। এক এসপি এলো খুব সম্ভবত পঞ্চগড়ের মহকুমা পুলিশ অফিসার ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময়। কত মানুষকে ধরিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিয়ে জীবননাশ করেছে তাদেরই একজন। স্বাধীনতার পর আমাদের হাতে অস্ত্র ছিল ৩৮-৩৯ দিন। সে সময় সারা টাঙ্গাইলে একজন লোকও নিহত হয়নি, একটি ঘরেও চুরি-ডাকাতি হয়নি। কিন্তু আমরা অস্ত্র জমা দেওয়ার পরই চুরি-ডাকাতি শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতার পর আমাদের যেভাবে যাওয়া উচিত ছিল পুরোপুরি সেভাবে আমরা যেতে পারিনি। আজ যখন মাঝেমধ্যে শুনি, কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানিদের হাতে ধরা দিলেন কেন? তিনি পাকিস্তানের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন- কথাটা মোটেই সত্য নয়। বঙ্গবন্ধু পালিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধুকে খুঁজে বের করতে পাকিস্তান হানাদাররা আরও ৫-১০ লাখ মানুষকে হত্যা করত। সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, কামারুজ্জামান ও অন্য নেতারা ভারতে যাওয়ায়, সেখানে প্রবাসী সরকার গঠন করায় মুক্তিযুদ্ধ জোরদার হয়েছিল। শেখ ফজলুল হক মণি, সিরাজুল আলম খান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, তোফায়েল আহমেদ, আ স ম আবদুর রব, আবদুল কুদ্দুস মাখন, শাজাহান সিরাজ, নূরে আলম সিদ্দিকী এসব ছাত্র ও যুব নেতা ভারতে যাওয়ায় নিঃসন্দেহে আমাদের শক্তি বৃদ্ধি হয়েছিল। ১ কোটি হিন্দু-মুসলমান শরণার্থী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যাওয়ায় ভারত সরকারের ওপর, ভারতীয় জনগণের ওপর মারাত্মক চাপ পড়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ভারতে গেলে মুক্তিযুদ্ধ দুর্বল হতো। বঙ্গবন্ধু ভারতের দালাল বলে বিবেচিত হতেন। অনেকে বলতে চায়, ভারত পাকিস্তানকে ভাঙতে চাচ্ছিল তাই বাংলাদেশকে সাহায্য করেছে। কথা একেবারে মিথ্যা নয়। কিন্তু ভারত বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়ে মানবতার পথিকৃৎ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ’৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আগে ভারতের তেমন বড় কোনো সামরিক সাফল্য ছিল না যা তারা বুক চিতিয়ে বলতে পারে। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং তাতে অত বড় সাফল্য ভারতকে শত বছর এগিয়ে দিয়েছিল। তাই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ভারতের আজকের অবস্থায় আসার জন্য বড় একটি সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। ওই সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ না হলে বিশ্বের দরবারে আজকের মহান ভারতকে দেখা যেত না। তখনকার ভারতের প্রধানমন্ত্রী মহীয়সী নারী ইন্দিরা গান্ধীর বিশ্বব্যাপী অমন প্রভাব পড়ত না। বাংলাদেশের জন্য, বঙ্গবন্ধুর মুক্তির জন্য শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীকে অনেক অপমান-অবহেলা সহ্য করতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নিক্সনের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল। সবকিছু উপেক্ষা করে বিশ্বজনমত সৃষ্টিতে ইন্দিরা গান্ধী এক বিরাট ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছিলেন।

শুরু করেছিলাম কুশিমণিকে নিয়ে। কয়েক বছর আগে ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে যেখানে বঙ্গবন্ধুর লাশ পড়ে ছিল সেখানে আসরের নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী সেদিন এক মিলাদের আয়োজন করেছিলেন। নারীরা এক জায়গায়, পুরুষ আরেক জায়গায়। মিলাদ শেষে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে বলেছিলেন, ‘বজ্র, তুমি যা করেছ তা সবাই করতে পারে না। তোমাদের এই সন্তানের জন্য তোমরা অবশ্যই আল্লাহর রহমত পাবে এবং এই দুনিয়াতেই এর সুফল পাবে।’ প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনে হৃদয় ভরে গিয়েছিল। পাঁচবার কাউকে মন্ত্রী বানানোর চেয়েও সেদিন প্রধানমন্ত্রীর সেই মূল্যবান কথায় হৃদয়-মন সব ভরে গিয়েছিল। কী পেয়েছি, কী পাইনি তার চেয়ে বড় কথা পারিবারিক জীবনে আল্লাহর রহমতে বেশ শান্তিতে আছি, স্বস্তিতে আছি।

রবিবারের দুটি নির্বাচন চোখে পড়ার মতো। একটি নারায়ণগঞ্জের সিটি করপোরেশন, অন্যটি টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুরে উপনির্বাচন। আরও কয়েকটি পৌরসভায় নির্বাচন ছিল। এ দুটিতে তেমন মারামারি, কাটাকাটি, খুন-খারাবি হয়নি। ভোট পড়েছে শতকরা ৫০ ভাগ। অনেকে ভোট দিতেই যায়নি। ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহার করায় অনেকের ভোট দিতে অসুবিধা হয়েছে। যেভাবে ছবি দেখছি প্রিসাইডিং অফিসারের সামনে ইভিএম মেশিনে আঙুল দিয়ে আছেন। ওটাই যদি ভোটের পদ্ধতি হয় তাহলে তো গোপনীয়তা থাকে না। কোন বোতাম টিপবেন তা গোপন থাকার কথা। অনেকের নাকি আঙুলের টিপ মেলেনি। কেন এমন হবে? কম্পিউটারে কখনো এমন হওয়ার কথা নয়। আর ইভিএমে ভোট এটা সাধারণ মানুষকে জানানো উচিত, বিশেষ করে ভোটারদের। নির্বাচনের এক বা দুই দিন আগে মহড়া দেওয়ার চেয়ে সারা বছরই মহড়া দেওয়া উচিত। যাতে মানুষের কাছে বিষয়টা সহজ হয়। আইয়ুব খান বলেছিলেন, বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে জানে না। তাই বুনিয়াদি গণতন্ত্রের ব্যবস্থা করেছিলেন। বাংলাদেশের মানুষ যে পৃথিবীর বহু দেশের চেয়ে ভালো ভোট দিতে জানে, প্রার্থী বেছে নিতে জানে তা নানা সময়ে প্রমাণিত হয়েছে। ভারত-পাকিস্তান সৃষ্টির সময় সিলেট জেলা নিয়ে গণভোট হয়েছিল। সেদিন অনেকেই ভারতের পক্ষে থাকলেও সাধারণ মানুষ সিলেটকে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য ভোট দিয়েছিল। ১৯৫৪ সালে হক-ভাসানী-সোহরাওয়ার্দী সাহেবের নৌকায় ভোট দিতে ভুল করেনি। যখন সিদ্ধান্তের প্রয়োজন ছিল পাকিস্তানের শেষ নির্বাচন ১৯৭০-এ পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বকে ভোট দিয়েছিল। এই ১৬ তারিখ নারায়ণগঞ্জে সিটি করপোরেশন এবং টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর উপনির্বাচনে মানুষ যে ভোট দিয়েছে তাতে প্রমাণ করে সাধারণ ভোটাররা ভোট দিতে জানে। মির্জাপুরের নির্বাচনে আমাদের দলেও কিছু পরিবর্তন এসেছে। দলীয় কর্মীরা ভোটে অংশগ্রহণ করতে চাইলে এক দল লাঙ্গলকে ভোট দিতে চায়। সংখ্যাগরিষ্ঠদের মতামত ছিল লাঙ্গলের দল জাতীয় পার্টি, সে-ও সরকার সমর্থিত। তারা একসঙ্গে অনেক দিন আছে। তাই যে ছাগলের তিন বাচ্চা, দুটিতে যখন দুধ খায় এক বাচ্চা এমনিই তিড়িংবিড়িং করে। জাতীয় পার্টি অনেকটাই তেমন। তাহলে ছাগলের বাচ্চাকে ভোট দিতে যাব কেন? বাচ্চার মাকেই তাহলে ভোট দেওয়া ভালো। তেমনটাই হয়েছে। আমাদের লোকজন শেষমেশ নৌকাকে সমর্থন করেছে এবং ভোট দিয়েছে। আমিও তাতে কোনো আপত্তি করিনি। কারণ নৌকা প্রার্থী খান আহমেদ শুভ ফজলুর রহমান খান ফারুকের ছেলে। ফজলুর রহমান খান ফারুক একসময় আমাদের নেতা ছিলেন। লতিফ সিদ্দিকী, শাজাহান সিরাজ, ফজলুর রহমান খান ফারুক, আল মুজাহিদী, ফজলুল করিম মিঠু, আতিকুর রহমান সালু এঁরা ছিলেন একসময় টাঙ্গাইলে আইয়ুববিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পুরোধা। এঁদের দেখেই আমরা রাজনীতিতে এসেছি। তাই যে শুভকে কোলে নিয়েছি তাকেই ভোট দেওয়া ভালো। তাই আমরাও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি কোনো আপত্তি করিনি। নারায়ণগঞ্জের সিটি নির্বাচনও বিশ্লেষণ করলে অনেক কিছু চোখে পড়বে। শতকরা ৫০ ভাগ সাধারণ ভোটার কেন্দ্রের দিকে ফিরেও তাকায়নি। বিএনপি সমর্থিত একজনও কেন্দ্রে যায়নি। তাই এখন সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের উচিত কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করা। যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষ ভোট দেওয়ার সার্থকতা বা ভোটারদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার প্রতিফলন দেখতে না পাবে ততক্ষণ উৎসবমুখর ভোট হবে না।

লেখক : রাজনীতিক।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়