শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৩৬, সোমবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

মৃত ঘোড়াকে পিটিয়ে জীবিত করা যায় না

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
মৃত ঘোড়াকে পিটিয়ে জীবিত করা যায় না

ক্ষমতাই একমাত্র লক্ষ্য, বাকি সব উপলক্ষ। তাই বাংলাদেশের রাজনীতি বলতে বোঝায় শুধু নির্বাচন, এর বাইরে কিছু নেই। সুতরাং ২০২৩ সালের জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে এখনই রাজনীতির মাঠ গরম হতে শুরু করেছে। জাতীয় সংসদে সদ্য গৃহীত এবং ইতোমধ্যেই গেজেট আকারে প্রকাশিত নির্বাচন কমিশন আইন ও কমিশন গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে চলছে পক্ষ-বিপক্ষের আলোচনা-সমালোচনা। এটা যত বেশি হবে ততই ভালো। কিন্তু দেশের কোনো নাগরিক বা পক্ষ কি বলতে পারে আইন মানি না। সমস্যাটা এখানে। আইন যদি সংবিধানসম্মত হয় তাহলে সেই আইন সবাই মানতে বাধ্য। আর আইন যদি সংবিধানসম্মত না হয় তাহলে তারও প্রতিকার আছে। বাহাত্তরের সংবিধানে উল্লিখিত বিধান ৫০ বছরে কেউ বাস্তবায়ন করেনি। এবার সেটা হলো জনদাবি ও জনআকাক্সক্ষা উপলব্ধি করতে পারাটা রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই এই পদক্ষেপটি গণতন্ত্র অগ্রায়ণের পথে মাইলফলক হয়ে থাকবে। এ আইনটি আরও এক-দুই বছর আগে হলে আরও ভালো হতো, সরকারের সদিচ্ছা মানুষ বুঝতে পারত। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ফরোয়ার্ড লুকিং না হলে এমনটাই হয়। যা কিছু হয় তার জন্য সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারপরও সংবিধানের বাধ্যবাধকতা পূরণ হয়েছে, এটা কম কথা নয়। আইন হলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে না। অনেক গণতান্ত্রিক দেশে এরকম আইন না থাকা সত্ত্বেও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠিত এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে। সালিশ মানি তাল গাছ আমার, এই ধ্যান ধারণা থেকে রাজনীতিক দলগুলো সরে আসতে না পারলে সবকিছু যেমন ছিল তেমনই থাকবে। সব গণতান্ত্রিক দেশে সুশীল সমাজের একটা মর্যাদাশীল ভূমিকা থাকে। কিন্তু আমাদের সমাজে সুপরিচিত কিছু সার্বক্ষণিক সরব নিরপেক্ষ যারা রয়েছেন, তাদের কাজকর্ম ও কথাবার্তার উদ্দেশ বোঝা মুশকিল। এই বললেন সরকার ইচ্ছা করলে তিন দিনের মধ্যে আইন করতে পারে। আবার এখন বলছেন, এত তাড়াহুড়ো করে আইন করা হয়েছে, এর উদ্দেশ ভালো নয়। বলছেন, কমিশনে কারা নিযুক্তি পাবেন তার জন্য গণশুনানি করতে হবে। গণশুনানির কাঠামো ও বিস্তৃতি, গণ বলতে কাদের বোঝাবে এবং এই গণদের সংখ্যা কত হবে, এদের তালিকা করবে কে অথবা কারা। এসব প্রশ্নের কোনো শেষ নেই। সুতরাং উদ্দেশ্য ভালো নয়। সবকিছু ল-ভ- করতে পারলে আবার ১/১১-এর প্রেক্ষাপট তৈরি হবে। তখন সবাই হবেন খারাপ, শুধু ওই সংজ্ঞাহীন নিরপেক্ষরাই হবেন সাধু। ১/১১-এর পরিণতিতে দেশের মহাসর্বনাশ হয়েছে। তবে সেই সূত্রে বড় ভালো একটি কাজও হয়েছে। ২০০৭-২০০৮ মেয়াদে নিরপেক্ষ সম্মানীয়দের সবাইকে মানুষ চিনতে পেরেছেন এবং তাদের বৈশিষ্ট্যও দেখেছেন। এনারা সবাই ১/১১ সরকারে শুধু পূর্ণ সমর্থক নয়, মেন্টর, ফিলোসোফার ও গাইড ছিলেন। সেই সরকারের কর্তারা বিগ ব্যাঙের মাধ্যমে ঘোষণা দিলেন দেশের সবকিছু তারা শতভাগ ঠিক করে দিবেন। লক্ষ-কোটি ঝাড়ু দিয়ে সব সাফ করে ফেলবেন। চারদিকে করতালির ধ্বনি ও প্রতিধ্বনি সপ্ত আকাশ ভেদিয়া সপ্তস্বরা হয়ে সেটি স্বয়ং ইন্দ্রর কাছে পৌঁছে গেল। নিরপেক্ষ দলের এক সেনাপতি ইন্দ্রর কাছে আর্জি জানালেন, বাংলাদেশের যা অবস্থা তাতে সবকিছু করতে হলে অন্তত ১০ বছর সময় তাকে দিতে হবে। ইন্দ্রর বিরক্তিকর মুড দেখে সেনাপতি কিছুটা ঘাবড়ে গেলেন। বললেন, প্রভু চিন্তা করবেন না। কিছু রাজকীয় দল থাকবে, টানা দশ কী, বিশ বছর ক্ষমতায় থাকলেও তারা আমাদের গুণগান গাইবে। কিন্তু ইন্দ্র দাবি প্রত্যাখ্যান করলেন। বললেন, এত সময় দেওয়া যাবে না। দ্রুত সব কাজ শেষ করতে হবে। সুতরাং দ্রুত কাজ সারতে তারা সবাই মাঠে নেমে পড়লেন। তারপরে যা ঘটল তার প্রত্যক্ষদর্শী আমরা সবাই। রবি ঠাকুরের জুতা আবিষ্কারের মতো অবস্থা। ‘করিতে ধুলা দূর/জগৎ হলো ধুলায় ভরপুর’। আমাদের এক মহান নেত্রী তখন একবার আদালতে দাঁড়িয়ে হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, ‘পরগাছা ও দালাল দিয়ে দেশ চলে না’। একদম যথার্থ কথা। মহান নেত্রীর সেই ঘোষণায় নির্দেশিত পরগাছা ও দালালরা আবার সক্রিয়। দেশ, রাষ্ট্র ও জনগণের উন্নতি সমৃদ্ধির বিনিময়ে হলেও তারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে নামাতে চান। পদ্মা সেতু যাতে না হয় সে জন্য তারা রাতদিন কাজ করেন। অর্থ ছাড় এবং খরচ কোনোটাই হলো না, অথচ প্রমাণ ছাড়া ভিত্তিহীনভাবে পত্রিকায় টেলিভিশনে তারা চিৎকার করে বলতে থাকলেন, ভয়াবহ দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু কানাডার ফেডারেল আদালত যখন রায় দিল পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনো দুর্নীতি হয়নি; তখন তারা একেবারে চুপ হয়ে গেলেন। পদ্মা সেতু নিয়ে তাদের ভূমিকাতেই স্পষ্ট হয় আসলে তারা কী চান। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন যেভাবে হওয়া উচিত ছিল সেভাবে হয়নি, এ কথা সবাই জানেন। কিন্তু তারা এমনভাবে সবকিছু উত্থাপন করেন তাতে মনে হয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রাম ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। জাতির পিতা, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, বাহাত্তরের সংবিধান এবং ২৩ বছর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তৈরি মূল্যবোধকে একটি বড় রাজনৈতিক পক্ষ স্বীকার করে না। এ সম্পর্কে তাদের কোনো কথা বলতে শোনা যায় না। রাষ্ট্র ও রাজনীতির এই মৌলিক বিভাজন অটুট রেখে কি সুষ্ঠু ও সঠিক নির্বাচন প্রত্যাশা করা যায়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে ২১৩ কেন্দ্রে শতভাগ ভোট পড়েছে, ১৩ কেন্দ্রে বিএনপি এবং দুই কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ শূন্য ভোট পেয়েছে। অর্থাৎ ২২৮টি কেন্দ্রে অনিয়ম হয়েছে। এ তথ্যগুলোই তারা বারবার উল্লেখ করেন। এর থেকে বড় অনিয়মের প্রমাণ থাকলে নিশ্চয়ই সেটাও তারা উল্লেখ করতেন। মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ৪০ হাজারের ঊর্ধ্বে। তাতে শতকরা হিসাবে মাত্র ০.৫৬ কেন্দ্রে অনিয়ম হয়েছে। শতকরা এক ভাগের কম ভোট কেন্দ্রে অনিয়মের কারণে কি পুরো নির্বাচনটিকে অগ্রহণযোগ্য বলা যায়। আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জন্য নির্বাচনে হেরে যাওয়াটা কি খুবই অস্বাভাবিক বিষয়। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি-জামায়াতের সম্মিলিত শাসন ব্যবস্থার ভয়ংকর ও করুণ চিত্র মানুষের মন থেকে সহজে মুছে যাওয়ার নয়। দেশকে হিন্দুশূন্য করার কর্মকান্ড থেকে শুরু করে ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাসহ ধর্মান্ধ সশস্ত্র জঙ্গিদের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। বিশ্বের বড় বড় মিডিয়া হাউস ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান তখন বলতে থাকে পরবর্তী আফগানিস্তান হবে বাংলাদেশ। বিশ্ব অঙ্গনে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। পাঁচ বছরে জামায়াত-বিএনপি সরকার এক মেগাওয়াট নতুন বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করতে পারেনি। অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রের সবগুলো সূচকের অবস্থান তলানিতে পড়ে থাকে। সুতরাং ২০০৯ সাল থেকে টানা ১০ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্যের বিবেচনায় দলীয় নির্দিষ্ট ভোটের বাইরে সাধারণ মানুষের ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা তো ছিল না। কিন্তু মৌলিক সমস্যা হলো ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা অথবা শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের বিবেচনায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পরস্পরের বিকল্প, এই জায়গায় অন্য কোনো দল তো নেই। তাই গণতন্ত্র ও সুশাসনের স্বার্থে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার রাজনীতি অপরিহার্য। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় বসে আওয়ামী লীগকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করার জন্য ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটিয়ে বিএনপি বাংলাদেশের সুস্থ রাজনীতির সর্বনাশ করেছে তাই শুধু নয়, বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিএনপির হাতে কতটুকু নিরাপদ সেই প্রশ্নটি প্রবল আকারে উঠেছে। আঞ্চলিক শক্তি বলয়ও বিএনপির ওই ভূমিকায় শঙ্কিত হয়ে আছে। এখনো সময় আছে, বিএনপি শুদ্ধ রাজনীতিতে ফিরে এলে সবার জন্য মঙ্গল হয়। সুতরাং বিএনপি যদি সত্যিকারার্থে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও মূল্যবোধের জায়গায় ফিরে আসে তাহলে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও রাজনীতির মৌলিক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৩ সালের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির বক্তৃতা-বিবৃতিতে মনে হচ্ছে, প্রায় দেড় দশক আগের ব্যর্থ কৌশলের ধ্বংসাত্মক পথের দিকে হাঁটছে তারা। ২০১৪ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে নির্বাচন বয়কট ও ভায়োলেন্সের পথে গিয়ে বিএনপির ক্ষতি ছাড়া লাভ কিছু হয়নি। আবার সেই ব্যর্থ পথ ও কৌশলের কথা শুনে মনে হয় গত দেড়-দুই দশকের রাজনীতি থেকে বিএনপি কোনো শিক্ষা নেয়নি। আগের মতোই চলমান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির বাস্তবতার সঙ্গে তাল মেলাতেও তারা ব্যর্থ হচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্ম ও মৃত্যু দুটোই বিএনপির কারণে হয়েছে।

১৯৯১-১৯৯৬ মেয়াদে বিএনপি যদি মাগুরা ও মিরপুরের উপ-নির্বাচনে জেতার জন্য মরিয়া আচরণ এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সাদেক আলী মার্কা নির্বাচন না করত তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি গ্রহণযোগ্যতা পেত না। ১৯৯৬ সালের ১৪ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান লতিফুর রহমান শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে ওই রাতেই বাকি উপদেষ্টাদের নিয়োগের আগে ১১ সচিবকে পদচ্যুত, সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসার সব টেলিফোন বিচ্ছিন্ন এবং সারা দেশে বিএনপির কর্মীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করলেও লতিফুর রহমান নিশ্চুপ থাকেন। এটা ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে মারার দ্বিতীয় ডোজ, প্রথমটি প্রয়োগ করেছেন বিএনপি কর্তৃক নিয়োগকৃত প্রেসিডেন্ট আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৯৯৬ সালের মে মাসে সেনাবাহিনীকে বিতর্কে জড়িয়ে। একজন প্রধান বিচারপতিকে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার টার্গেট করে শুধু বিচারপতিদের চাকরির বয়স দুই বছর বৃদ্ধি করার মাধ্যমে তৃতীয় ডোজটি প্রয়োগ করেন ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপির আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ। রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমদ ২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে সংবিধান লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় নিজে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার মাধ্যমে চতুর্থ মৃত্যু ডোজটি প্রয়োগ করেন। সর্বশেষ ডোজটিও প্রয়োগ করেন ইয়াজউদ্দিন আহমদ ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি এবং নিজেকে নিজে বাতিলের মাধ্যমে অনির্দিষ্টকালের জন্য নতুন একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ইতোমধ্যে মৃত তত্ত্বাবধায়ক সরকারটি কবরস্থ হয়। তাই আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভায়োলেন্স নয়, সুস্থ প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হতে চাইলে বিএনপিকে মেধা ও দূরদৃষ্টির পরিচয় দিতে হবে। কারণ, অতীতের অভিজ্ঞতায় বলে মৃত ঘোড়াকে পিটিয়ে জীবিত করা যায় না।


লেখক : রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়