শিরোনাম
প্রকাশ: ১৯:৪৭, সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ আপডেট:

ব্যবস্থাপক যাহা করেন তাহাই ব্যবস্থাপনা

অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান
অনলাইন ভার্সন
ব্যবস্থাপক যাহা করেন তাহাই ব্যবস্থাপনা

ব্যবস্থাপকের কাজ হচ্ছে 'ম্যানেজ' করা বা সমস্যা সমাধান করা। স্বভাবতই বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাপকের কাজ হচ্ছে বাজারজাতকরণ সমস্যা সমাধান করা। যেহেতু গত পর্বে ব্যবস্থাপনার সংজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করেছি অতএব বাজারজাতকরণেরও সংজ্ঞা নিয়েও আলোচনা প্রয়োজন। কোন শাস্ত্রের সংজ্ঞা দেয়া সত্যিই কঠিন। প্রত্যেকেই নিজের মতো করে সংজ্ঞা দেন। দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, শিল্পকলা বা এ ধরনের যে কোন শাস্ত্রের একটি পাঠ্যবই (বাজারে প্রচলিত কলেজ পর্যায়ের) খুললেই দেখা যাবে বইটি শুরু হয়েছে বেশ কয়েকটি সংজ্ঞা দিয়ে। সংজ্ঞাগুলোর মধ্যে পরস্পর বিরোধীতা থাকায় পাঠকদের বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিছু কিছু সংজ্ঞা এত সাংঘর্ষিক যে বিভ্রান্ত হতে আপনি বাধ্য হবেন। মার্কেটিংয়ের বহু লেখক বহু সংজ্ঞা দিয়েছেন। 

(উচ্চমাধ্যমিক এবং ডিগ্রি পর্যায়ের মার্কেটিং এর বই এবং পরীক্ষার্থীদের খাতায় আমার নামও পেয়ে যেতে পারেন, মার্কেটিংয়ের সংজ্ঞাদাতা হিসেবে। পরীক্ষার্থীদের খাতায় আমি নিজেই নিজের নাম দেখেছি। আমার নামের আগে এমন বিশেষণও দেখেছি, যা দেখে বরিশালের 'গাবখান' খালকে 'ইংলিশ চ্যানেল' এর সাথে তুলনা বলে মনে হয়েছে। নিশ্চয়ই গাইড প্রণয়নকারী কোন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক,  আমার ছাত্রও হতে পারে, নিজের মতো কিছু একটা লিখে আমার নামে চালিয়ে অতি ভক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করেছেন। আমি কিছু লিখলে বা বললে সেটাকে অনেকেই, বিশেষ করে আমার ছাত্ররা, অকাট্য বলেই ধরে নেয়। যদিও আমি ছাত্রদেরকে সবসময় বলি আমি যা যা লিখছি বা বলছি এগুলোর কোনটাই পুরোপুরি সত্য না, 'আপাতত সত্য'। আসল সত্য জানিনা বলেই এগুলো সত্য। 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর "প্রাচ্য সমাজ" প্রবন্ধে যেমনটি বলেছেন, "আমাদের পূর্বাঞ্চলে প্রকৃতির পদতলে অভিভূতভাবে বাস করিয়া প্রত্যেক মানুষ নিজের অসারতা ও ক্ষুদ্রতা অনুভব করে, এইজন্য কোন মহৎ লোকের অভ্যুদয় হইলে তাহাকে স্বশ্রেণি হইতে সম্পূর্ণ পৃথক করিয়া দেবতা পদে স্থাপিত করে। তাহার পর হইতে তিনি যে কয়টি কলা বলিয়া গিয়েছেন  বসিয়া বসিয়া তাহার অক্ষর গণনা করিয়া জীবনযাপন করি; তিনি সামাজিক অবস্থার উপযোগী যে বিধান করিয়া গিয়াছেন তাহার রেখা মাত্র লংঘন করা মহাপাতক জ্ঞান করিয়া থাকি")

মার্কেটিংয়ের বিখ্যাত পণ্ডিতদের দেয়া সংজ্ঞাগুলোর মধ্যে বেশ রোমান্টিক সংজ্ঞাও আছে। Paul Mazur মার্কেটিংয়ের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন, "Marketing is the delivery of standard of living"। পরবর্তীতে Prof. McNair এই সংজ্ঞাটিতে  গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে লিখেছেন, "Marketing is the creation and delivery of standard of living to the society."। একজন লেখক তাঁর বইয়ের প্রত্যেক সংস্করণে সংজ্ঞা বদল করেছেন এমনও আছে। ফিলিপ কটলার এর Marketing Management বইটির ষোড়শ সংস্করন চলছে। এই বইটি আমার নিজের "ব্রেড আর্নার" হওয়ার কারণে বইটির সবকটি সংস্করণ আমার সংগ্রহে আছে।  প্রত্যেক সংস্করেনেই কটলার তাঁর পূর্ববর্তী সংস্করনে দেয়া মার্কেটিং এর সংজ্ঞাটি বদল করেছেন।  

পাঠকদের অনেকেই জানেন ফিলিপ কটলার দুইবার ঢাকা এসেছিলেন। ফিলিপ কটলারকে ঢাকায় আনার ব্যাপারে আমার বন্ধু অধ্যাপক ড. ফরহাদ আনোয়ার এর সাথে আমিও সংশ্লিষ্ট ছিলাম। দ্বিতীয়বার যখন কটলার ঢাকা আসলেন আমার দায়িত্ব ছিল কটলারের সাথে সাথে থাকা; এয়ারপোর্ট টু এয়ারপোর্ট। আমি রিসিভ করব এবং বিদায় জানাব। এয়ারপোর্টে পৌঁছার পরেই  কটলারকে নিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে বসলাম, ইমিগ্রেশন ও লাগেজ ফর্মালিটিস সম্পন্ন করার জন্য। সামান্য কুশল বিনিময়ের পরেই ফিলিপ কটলার আমাকে প্রশ্ন করতে শুরু করলেন-  আমাদের অর্থনীতি, রাজনীতি, আমদানি-রপ্তানি, আরএমজি... ইত্যাদি বিষয়ে।
একটা ছোট কলম বাম হাতে নিয়ে ডান হাতের নোটবুকে সবকিছু লিখেছিলেন। পরবর্তী দুই দিন কটলারের একই কাজ। একটু সুযোগ পেলেই তিনি আমাকে প্রশ্ন করা শুরু করেন। দ্বিতীয় দিন প্রোগ্রামে একটা লম্বা বিরতি পাওয়া গেল। সোনারগাঁও হোটেলে আমরা দুজন বসে চা খাচ্ছিলাম। কিন্তু বুড়োর প্রশ্ন আর নোট নেয়া কিছুতেই থামছে না। এক পর্যায়ে আমার মনে হল, গত দুইদিন যাবত আমাকে অনবরত প্রশ্ন করে যাচ্ছেন আর আমি উত্তর দিচ্ছি, পাল্টা একটা প্রশ্নও করলাম না, উনি যদি আমাকে বোকা ভাবেন। তাই একটা প্রশ্ন করলাম, Mr. Kotler, "what do you mean by marketing? " 
(এক বোকাকে শ্বশুর বাড়ি গিয়ে বোকামি না করার জন্য তাঁর মা পরামর্শ দেয় এবং বলে দেয় সব সময় চুপচাপ বসে থাকবি না।  কথাবার্তা বলবি। কথাবার্তা না বললে শ্বশুর বাড়ির লোকজন তোকে বোকা মনে করবে। ওই বোকা নাকি তাঁর শাশুড়িকে প্রথম প্রশ্নই করেছিলো, "আম্মা, আপনার কি বিয়ে হয়েছে?")
আমার প্রশ্নটা বোকার মতো হলেও উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। যেহেতু ইতোমধ্যেই বহুবার কটলার নিজের দেয়া সংজ্ঞা নিজেই বদল করেছেন,  প্রকৃতপক্ষে এই মুহূর্তে মার্কেটিং নিয়ে তিনি কী ভাবছেন তা জানা দরকার। কটলার আমাকে যা বলেছিলেন তা হচ্ছে, "it is all about establishing and maintaining relationship"। সম্পর্ক তৈরি করা এবং টিকিয়ে রাখাটাই মার্কেটিং। পৃথিবীর যাবতীয় সম্পর্কই বিনিময় ভিত্তিক। 'exchange relationship' -এই বাক্যাংশটির  দুটি শব্দই বহুবাচনিক শব্দ, এই অর্থে যে বিনিময়ের জন্য ন্যূনতম দুই পক্ষ লাগে, যদিও বহুপাক্ষিক বিনিময় সম্ভব। আর সম্পর্ক তো নিজের সাথে নিজে করা যাবেনা, অন্তত আরেকটা পক্ষ থাকতেই হবে। একজন দিবে, অন্যজন নিবে। অনেক সময় আমাদের মনে হয় অনেক কিছুই আমরা নিঃস্বার্থভাবে করি। শুধুই দেই, নেইনা। আসলে আমরা কিছু না পেয়ে কিছুই দেই না। মা তাঁর শিশুকেও ফ্রি দুধ খাওয়ান না। কোন ব্যাপারে অবোধ্য হলেই মা দুধের খোঁটা দিতেন। "এত কষ্ট করে তোকে পালছি, বড় করছি, দুধ খাওয়াইছি..." ইত্যাদি ইত্যাদি। আরো রাগানোর জন্য দুষ্টামি করে বলতাম, আমি কি জন্ম থেকেই কথা বলতাম? দুধ খেতে চেয়েছি? তোমাকে তো আমি দুধ খাওয়ানোর কথা বলিনি? মা বলতেন, "তুমি তো তখন দুধ খাওয়ার জন্য শুধু 'কানতা' (কান্না)"। আমি বলতাম দুধ খাওয়ার পর কি করতাম? "ও বাবা, তখন তোমার হাসি কে দেখে"! আমি বলতাম আমার হাসি দেখে তোমার কেমন লাগতো? এটা বললেই মা হেসে দিতেন। আমি বলতাম আমার ওই হাসিটাই তোমার দুধের দাম (পেমেন্ট হয়ে গেছে!)। ব্যাপারটা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করলাম। 

আসলে পৃথিবীর কোন সম্পর্কই বিনিময় ছাড়া হয় না। বিনিময়ের প্রধান শর্ত দুটি- প্রথমটি হচ্ছে বিনিময়ের জন্য কমপক্ষে দুটি পক্ষ থাকতে হবে, অন্যটি হচ্ছে বিনিময়টি আপসের এর মাধ্যমে হতে হবে। জোড়াজুড়ি করে কিছু বিনিময়ে হলেও সেটা বিনিময় না। যেমন ছিনতাইকারী আপনাকে একটি থাপ্পর দিল, আপনি তাকে ১০০ টাকা দিলেন। দুই পক্ষ ছিলেন, আপনি এবং ছিনতাইকারী, থাপ্পর আর টাকার বিনিময়ও হলো। কিন্তু এটা বিনিময় না। যেহেতু সেটা আপসে হয়নি। প্রশ্ন হচ্ছে দুই পক্ষ যখন আপসে কিছু বিনিময় করার সুযোগ পায়, তখন তারা কি বিনিময় করে? বিনিময়ের সুযোগ আসলেই তাঁরা পরস্পরে নিড(need) বিনিময় করে। নিড হচ্ছে মনোদৈহিক অবস্থা, যখন মানুষ নিজকে কোন কিছু থেকে বঞ্চিত বোধ করে (a state of felt deprivation)। যাদের নিড বুঝতে অসুবিধা তাঁদেরকে drive শব্দটি বুঝতে বলি, যার অর্থ হচ্ছে তাড়না। 'তাড়না'  বুঝতে যাদের অসুবিধা, তাঁদের জন্য কাছাকাছি শব্দ হচ্ছে 'যাতনা'। যাতনার সংজ্ঞা দেয়ার দরকার নেই। জীবনে যত যাতনায় পড়েছেন, তাকেই যাতনা বলে। এই লেখাটা যারা ক্ষুধার্ত অবস্থায়  পড়ছেন, তারা বুঝতে পারছেন যাতনা কাকে বলে। প্রত্যেকটি পণ্য হচ্ছে ভোক্তার যাতনার একটি সমাধান। 

যদিও মার্কেটিং একটি ব্যবসায় শাস্ত্র, ব্যবসায় অনুষদেই মার্কেটিং পড়ানো হয়; "সম্পর্ক স্থাপন ও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা" এই সংজ্ঞাটি  ধরলে মার্কেটিং ব্যবসায় ডিসিপ্লিন এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। শতশত প্রতিষ্ঠান যারা কোন ব্যবসায় করে না, বা মুনাফা অর্জনের জন্য কাজ করে না তাঁরাও এখন মার্কেটিংকে ব্যবহার করছে। যেখানেই সম্পর্কের ব্যাপারটা আসবে সেখানেই মার্কেটিং কথাটি বৈধ। সম্পর্ক সৃষ্টির জন্য প্রথমেই প্রয়োজন প্ররোচনামূলক যোগাযোগ (persuasive communication), এবং সম্পর্ক দৃঢ় ও স্থায়ী করার জন্য প্রয়োজন পারস্পরিক সন্তুষ্টি এবং আনুগত্য। যে কোন প্রতিষ্ঠানের মূল মার্কেটিং সমস্যা হচ্ছে তার কাস্টমার,  ক্লায়েন্ট, পার্টনার এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা এবং তা দৃঢ় করা। ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বললেও বলা যায় কোম্পানির সাথে যদি তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সম্পর্ক মজবুত  হয় অর্থাৎ সংশ্লিষ্টরা যদি এমন মনে করে, তাঁরা যা চায় কোম্পানির তাই করছে, অথবা কোম্পানির যা করছে সেটাই যদি স্টেকহোল্ডাররা  পছন্দ করে, তাহলে কোম্পানির বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাপকের আর বেশি কিছু করতে হবে না। অতএব সম্পর্ক স্থাপন করা এবং টিকিয়ে রাখাই বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাপকের কাজ। সনাতন মার্কেটিং থেকে শুরু করে ইদানীংকালের যত মার্কেটিং আছে যেমন- ডিজিটাল মার্কেটিং, এফিলিয়েট মার্কেটিং, ইনফ্লুয়েন্সার  মার্কেটিং,  সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং,  ই-মেইল মার্কেটিং, নিউরো মার্কেটিং, গেরিলা মার্কেটিং, গরিলা মার্কেটিং, বানর মার্কেটিং(Agile Marketing), মার্কেটিং অ্যানালিটিকস এগুলো কোনটাই সম্পর্ক স্থাপনের মার্কেটিং ছাড়া আর কিছুই না।

লেখক: অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮/২/২০২২

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়