শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:০৬, মঙ্গলবার, ০৮ মার্চ, ২০২২

আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ

গতকাল ছিল ৭ মার্চ বাঙালি জাতির এক শ্রেষ্ঠ দিন। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবস এসবের কোনোটার চাইতে ৭ মার্চ কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন ঘটনা খুব বেশি ঘটে না। ৭ মার্চ নিয়ে ইদানীং অনেকেই অনেক কিছু বলার চেষ্টা করেন। ৭ মার্চ নিয়ে কোনোরকম নেতিবাচক ভাবনা কারও থাকা উচিত নয়। ৭ মার্চ না এলে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস আসত না। একের সঙ্গে অন্যের যথেষ্ট যোগসূত্র আছে। ইনিয়ে বিনিয়ে কেউ কেউ বলার চেষ্টা করেন ৭ মার্চেই বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা করা উচিত ছিল। নিরাপদে থেকে অনেক কথাই বলা যায়। সে সময় বঙ্গবন্ধুর যা করার বা বলার ছিল তা তিনি করেছেন, বলেছেন। আমরা তাঁর অনুসারীরা যতটা যা করার করেছি। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা করার কোনো সুযোগ ছিল না। কৌশলে যা করার বা বলার তার বিন্দুবিসর্গও কম করেননি। মূলত স্বাধীনতার ঘোষণা ৭ মার্চই হয়েছিল। যেভাবে শত্রুবেষ্টিত একটা ভূখন্ডে একজন জাতীয় নেতা তাঁর দেশের মুক্তির জন্য যা বলতে বা করতে পারেন তা তিনি করেছেন। কেউ কেউ বলার চেষ্টা করেন বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানিদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। আমাদের নেতা আত্মসমর্পণ করার মানুষ ছিলেন না। ওই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানিদের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়াবার বুকের পাটা লাগে যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়া আর কারও ছিল না। পাকিস্তানিদের হাতে ধরা পড়ে বা ধরা দিয়ে তিনি যথার্থই করেছেন। তিনি তাঁর জীবন নিয়ে কখনো খুব একটা ভাবতেন না। আগরতলা মামলা থেকে মুক্তির পর তিনি শুধু জাতির কথাই ভেবেছেন, জাতির স্বাধীনতার কথাই ভেবেছেন। বঙ্গবন্ধু বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলে সেটা যেখানেই যান না কেন তাঁকে ধরার জন্য তাঁকে খুঁজতে খুঁজতে দেশের অলিগলি রাজপথ চষে বেড়াত, ঘরে ঘরে অভিযান চালাত। তাতে হাজার হাজার লাখ লাখ মানুষ নিহত হতো। বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, কামারুজ্জামান এমনকি খন্দকার মোশতাক ভারতে আশ্রয় নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করায় মুক্তিযুদ্ধে আমাদের শক্তি বৃদ্ধি হয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ভারতে গিয়ে যুদ্ধ পরিচালনা করলে আমরা হাজার বছরেও স্বাধীন হতে পারতাম না। বরং পাকাপাকি ভারতের দালাল হতাম। দেশ কেন সারা বিশ্বের মানুষ আমাদের ভারতের দালাল বলে মনে করত, মেনে নিত। তাই যখন যা যেভাবে প্রয়োজন সেটা সেভাবেই করেছিলেন। একটা মানুষকে হত্যা করলেই তাঁর কর্ম ধ্বংস করে ফেলা যায় না। মানুষ বেঁচে থাকে তাঁর সুকর্মের মাধ্যমে, তাই বঙ্গবন্ধু বেঁচে আছেন তাঁর ভক্তদের হৃদয়জুড়ে, আকাশে বাতাসে তারায় তারায়। বাংলার খেত-খামারে, কৃষকের লাঙলের ফলায় ফলায়, জেলের জালে, মাঝির হাওয়ায় ভাসা পালে। একসময় শেরেবাংলা বঙ্গবন্ধুর চাইতে অনেক বড় নেতা ছিলেন। অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেরেবাংলা যখন গোপালগঞ্জে এসেছিলেন তখন বঙ্গবন্ধু প্রায় শিশু। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, আবুল হাশিম, শামসুল হক এঁরা একসময় সবাই বঙ্গবন্ধুর নেতা ছিলেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বঙ্গবন্ধুর চাইতে জনপ্রিয় আস্থাভাজন নেতা আর একজনও ছিলেন না। বঙ্গবন্ধুর জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন দেশের মানুষের ভালোবাসা। আগরতলা মামলার আগে তো বঙ্গবন্ধু অবিতর্কিত দলীয় নেতাও ছিলেন না। আগরতলা মামলার পর তিনি আওয়ামী লীগের একজন প্রশ্নহীন সাহসী দলীয় নেতায় পরিণত হয়েছিলেন।

আমি কিছু বললে সব সময়ই হাইব্রিড সুবিধাবাদী নেতাদের কলিজা জ্বলে, লাগামহীন উল্টাপাল্টা বলে। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যার দিনে আওয়ামী লীগ যে দোয়া মাহফিল এবং খাবার-দাবারের ব্যবস্থা করে তার নাম ছিল ‘কাঙালি ভোজ’। শব্দটা আমার কোনো দিনই পছন্দ ছিল না। খাবারটা যা-ই হোক যত সাধারণ পর্যায়েরই হোক সুন্দর করে পরিবেশন করতে পারলে যে কোনো মানুষ তৃপ্তিসহকারে খেতে পারে। টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর কবরের পাশে সবাইকে নিয়ে আমি যখন খেতাম তখন কত উকিল-মোক্তার-ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-কৃষক-শ্রমিক-ছাত্র-শিক্ষক তৃপ্তিসহকারে খেতেন। তাই খাবারের নাম দিয়েছিলাম ‘গণভোজ’। কেউ কেউ প্রশংসা করলেও কিছু কট্টর খুবই গালমন্দ করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে খাবার আয়োজনটিকে গণভোজ হিসেবেই এখন গ্রহণ করা হয়েছে। কত যত্ন করে কত কষ্ট করে কত আন্তরিকতা নিয়ে লোকজনকে খাওয়ানো হয়, তার নাম কাঙালি ভোজ, শুনতেই কেমন যেন ফকির ফকির অসহায় মিসকিনের মতো শোনা যায়। যে কোনো জিনিসই উপস্থাপনার ওপর ভালোমন্দ নির্ভর করে। কোনো নিম্নমানের জিনিসকেও ভালোভাবে তুলে ধরতে পারলে তা অমূল্য হয়। তাই যে কোনো কাজই ভেবেচিন্তে সুন্দরভাবে করতে পারলে তার একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পার করেও আমরা পাকিস্তান হানাদারদের ‘পাক বাহিনী’ বলা থেকে নিবৃত্ত হতে পারিনি। যারা মা-বোনের ইজ্জত হরণ করেছে, মানুষ হত্যা করেছে, দেশটাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করেছে তারা যদি পাকপবিত্র হয় তাহলে নাপাক কে? কত বিদ্বান-বুদ্ধিমান-জ্ঞানী-গুণী এখনো ‘পাক বাহিনী’ বলতে কোনো দ্বিধা করেন না, অবলীলায় লেখায়-পড়ায় ‘পাক বাহিনী’ বলেন। কী দিয়ে তাঁদের বোঝাব, হানাদার যদি পাক হয় তাহলে নাপাক কারা? ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণের একটি দিয়েছিলেন জাতির পিতা দেশের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ওই ভাষণ ছিল সময়ের দাবি, বাঙালি জাতির শাশ্বত চেতনা। ওটা ছিল আত্মার তাগিদ, হৃদয় উজাড় করা ভালোবাসা, মুক্তির বাণী। দু-চার জন বলার চেষ্টা করেন ভাষণটি তারা বলে কয়ে লিখিত সাজিয়ে গুছিয়ে দিয়েছিলেন। হ্যাঁ, ভালো ভালো গায়ক-গায়িকারা তাঁদের সামনে লিখিত গানের কলি নিয়ে রেকর্ড করেন, সেটা এক বিষয় আর বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অন্য বিষয়। এক টুকরো কাগজের দিকেও তিনি তাকাননি। তাঁর অন্তরাত্মা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাঁকে যে নির্দেশ দিয়েছে সেটাই উজাড় করে তুলে ধরেছিলেন ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। যা তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল তার কোনো কিছুই তাঁর ছিল না, সবই ছিল দেশবাসীর অন্তরের কথা, দেশবাসীর হৃদয় নিঃশ্বাসিত মর্মবাণী। ও রকম উত্তপ্ত অবস্থায় তেমন কিছু শিখিয়ে পড়িয়ে হয় না। বঙ্গবন্ধুর ক্ষেত্রেও হয়নি। দীর্ঘ নয় মাস পাকিস্তানের কারাগারে কাটিয়ে লন্ডন থেকে দিল্লি এসে তেমন কিছু না জেনেও দিল্লির রামলীলা ময়দানে ভাষণ দেওয়ার সময় তাঁকে বলা হয়েছিল, ‘ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে আপনার এত মিল কেন?’ তিনি বলেছিলেন, ‘ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে আমার মিল গণতন্ত্রের, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ ও রাজনীতির’। তাই যত্রতত্র পানের দোকানে কিংবা মন্ত্রণালয়ে এটাওটা প্রচারের সময় ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে মাঝেমধ্যেই বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ যখন বাজানো হয় তখন মনে হয় বঙ্গবন্ধুর ভাষণের যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে না। মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ মিশাইলের চাইতে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে। যুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনলে আমাদের বুকে মুক্তির উন্মাদনা জাগত ও দেহে সিংহের তেজ অনুভব করতাম। কিন্তু সে ভাষণই যত্রতত্র যখন তখন যেখানে সেখানে বাজিয়ে তার অন্তর্নিহিত মর্মবাণী দুর্বল করে দেওয়া হচ্ছে। আজ কদিন থেকে মোবাইলে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুনতে পাচ্ছি। এতে অনেকে খুশি হতে পারেন। কিন্তু এটা কতটা খুশির কতটা যুক্তিযুক্ত চিন্তাশীলদের ভেবে দেখা দরকার। অনেকের মোবাইলে আজান-দোয়া-দরুদ অনেক ধরনের রিংটোন থাকে। এখানেও আমার আপত্তি আছে। আজান কোনো ছেলেখেলা নয়, ফোনে আজান বেজে উঠলে কেউ রিসিভ করলেন সঙ্গে সঙ্গে আজানের সমাপ্তি এটা আল্লাহকে আহ্বানের সঠিক পথ হতে পারে না। কোনো সুরা রিংটোনে দেওয়া আছে। মোবাইল বাজতেই গ্রাহক ধরলেন ওখানেই সুরার সমাপ্তি। আমার জ্ঞানবুদ্ধিতে এতে লাভের চাইতে ক্ষতিই বেশি। মোবাইলের রিংটোন হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ মাঝেমধ্যে বাজানোয় ভালোর চাইতে অপাত্রে দানের মতো হতে পারে। একসময় ব্যাপারটা খেলো না হয়ে যায়। যে যা-ই বলুন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বঙ্গবন্ধুর স্থান অনেক ওপরে, অন্তরাত্মার অনেক গভীরে। তাই বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যা তা করলে ভীষণ খারাপ লাগে।

প্রায় দুই সপ্তাহ হলো রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করেছে। ভেবে দেখা দরকার রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করেছে নাকি আক্রমণ করতে বাধ্য হয়েছে। রাশিয়ার প্রতি আমাদের কতটা কি দায়বদ্ধতা আছে বলতে পারব না, বলতে চাইও না। কিন্তু সোভিয়েতের প্রতি আমাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই এমন বললে আমরা অকৃতজ্ঞ হব। কারণ ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের ধাত্রী বলা চলে। যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে আমেরিকা যখন সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন তার নৌবহর বঙ্গোপসাগরে না পাঠালে কী যে হতো বলা যায় না। ১০ ডিসেম্বর কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্ত এলাকায় ভারতীয় ছত্রীসেনা অবতরণ করে তখন অনেকে বলছিল, এই বুঝি চীনের সৈন্য এসে গেল। আজকে চীনও আমাদের বন্ধু, আমেরিকাও আমাদের নিকটাত্মীয়। এসবের পরও জন্মের ইতিহাস ভুলে যাওয়া যায় না, জন্মকালীন বন্ধু থেকে মুখ ফেরানো যায় না। চলতে গেলে নতুন বন্ধু হবে, বন্ধু কখনোসখনো শত্রু হবে একে অস্বীকার করার কোনো পথ নেই। কিন্তু মনুষ্যত্ব বিসর্জন দেওয়া যায় না। পৃথিবীর সব দেশ বড় কোনো শত্রু থেকে নিরাপদ থাকার জন্য বাফার স্টেট খোঁজে। ইউক্রেন ন্যাটোভুক্ত হলে রাশিয়ার ঘাড়ে আমেরিকার বসার মতো কথা। তা তারা কেন হতে দেবে? জানপ্রাণ দিয়ে সেটা ফেরাবে এটাই সত্য। ইউক্রেন আর রাশিয়ার বর্তমান যুদ্ধে তেমনটাই হয়েছে। সেজন্য শুধু রাশিয়াকেই গালি দিয়ে ইউক্রেনের ভলোদিমির জেলেনস্কির গলায় মালা পরানো যায় কি না চিন্তা করতে হবে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়, সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব- এই হবে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত কাউকে সমর্থন না করে ভালোই করেছে। কিন্তু আমাদের মতো অস্ত্রবলে দুর্বল দেশের নিরপেক্ষ থাকা খুবই মুশকিল। কখন কী হয় কিছুই বলা যায় না। আমাদের সফল কূটনীতিই হচ্ছে একমাত্র সম্বল। আমাদের ভালো কূটনীতিকও তো দেখতে পাচ্ছি না। তাই সব সময় বড় দুশ্চিন্তায় কাটে। এদিকে দেশের অবস্থাও ভালো না। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। তাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে আন্ডাবাচ্চা সব নিয়ে রাস্তায় নামলে কার কী করার থাকবে? মানুষের জোয়ার তুফানের চাইতে মারাত্মক, প্লাবনের চাইতেও শক্তিশালী। কিন্তু সরকারের তেমন কার্যকর পদক্ষেপ দেখছি না। শুধু বিএনপি বলে, জামায়াত বলে সব সময় কি মানুষকে থামিয়ে রাখা যাবে? সত্যিকার অর্থেই সাধারণ মানুষের জীবন বড় বেশি সংকটে। সংসদে এবং মন্ত্রিসভায় যখন ব্যবসায়ীদের প্রাধান্য তখন এমন হওয়া ছাড়া আর বিকল্প কী? বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ী, অর্থমন্ত্রী ব্যবসায়ী, দু-চার জন ছাড়া প্রায় সব মন্ত্রী ব্যবসায়ী। তাহলে সাধারণ মানুষের রক্ষাকবচ কোথায়? তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গ্রাম গ্রামান্তরে ন্যায্যমূল্যের দোকান খুলে এই দুঃসময়ে সাধারণ মানুষের বাঁচার ব্যবস্থা করা আশু প্রয়োজন। আশা করি সরকার সাধারণ মানুষের দুঃখকষ্টের কথা দরদ দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে প্রতিকারের চেষ্টা করবে।

লেখক : রাজনীতিক।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়