শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৫৮, শনিবার, ২১ মে, ২০২২

গ্রিনরুমে এক-এগারোর কুশীলবরা

সৈয়দ বোরহান কবীর
অনলাইন ভার্সন
গ্রিনরুমে এক-এগারোর কুশীলবরা

দেশজুড়ে এক ধরনের অস্থিরতা। ভোজ্য তেল উধাও হচ্ছে বাজার থেকে। জিনিসপত্রের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে মুখর পন্ডিতরা। পি কে হালদারের কাহিনি এখন মুখরোচক আলোচনার বিষয়। সরকারি কর্মকর্তা ও মন্ত্রীদের ওপর বিদেশযাত্রাসংক্রান্ত এক অদ্ভুত পরিপত্র জারি করা হয়েছে। যার শিরোনামে বলা হয়েছে, বিদেশযাত্রা সীমিতকরণ আবার ভিতরে বলা হয়েছে, বিদেশযাত্রা বন্ধ। এর মাধ্যমে যেন অর্থনৈতিক সংকটকেই কবুল করা হয়েছে। ডলারের বাজার অস্থির। তেলের মতো ডলারের আকাল। সবকিছু দেখে-শুনে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের বিপন্ন বিস্ময়- কী হচ্ছে দেশে? সবকিছু কি ঠিক আছে? সবকিছু জানা-বোঝার উপায় হলো গণমাধ্যম। মূলধারার গণমাধ্যম আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ফেসবুক আর ইউটিউব দেখলে মনে হবে দেশে কোনো সরকার নেই। সরকারের পতন বোধহয় সময়ের ব্যাপার মাত্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিবিড় তথ্যসন্ত্রাসে মূলধারার গণমাধ্যমও যেন উজ্জীবিত। দেশের সংবাদপত্রগুলোয় সুখবর নেই। দু-একটি গণমাধ্যম যেন জিনিসপত্রের দাম বাড়ানোর ঠিকাদারি নিয়েছে। ভোজ্য তেল, পিঁয়াজের মধ্যে তারা আর সীমাবদ্ধ নেই। সাবান, টুথপেস্টের মূল্যবৃদ্ধির মহান দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর আটা-ময়দার বিশ্ববাজার ঊর্ধ্বমুখী। এর মধ্যে গণমাধ্যমে খবর বেরোল, বাংলাদেশের ৪৫ ভাগ গম আসে ইউক্রেন থেকে। আর যায় কই। পরদিন আটা-ময়দার দাম বাড়ল ২ টাকা। প্রতিদিন কোনো না কোনো সংবাদপত্রে বাজার নিয়ে আহাজারি, আর্তনাদ। আর টকশো শুনলে মনে হয় বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে গেল বলে! সাদামাটা চোখে মনে হতে পারে, এ সরকার বোধহয় সবকিছু ঠিকঠাকমতো চালাতে পারছে না। সরকার বোধহয় খেই হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু একটু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের এক পরিকল্পিত নীলনকশার বাস্তবায়ন চলছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে যে সাধারণ মানুষ যেন সরকারের প্রতি অনাস্থা জানায়। আর এ নীলনকশার বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছেন এক-এগারোর কুশীলবরা। অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রতিদিনে একটি নিবন্ধ লিখেছেন। এর শিরোনামে তিনি লিখেছেন- ‘দার্শনিক রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা’। কিছুদিন ধরে সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী শেখ হাসিনাকে একজন দার্শনিক রাজনীতিবিদ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। বিশ্বরাজনীতিতে দার্শনিক রাজনীতিবিদ খুব কমই পাওয়া যায়। ভøাদিমির ইলিচ লেনিন ছিলেন দার্শনিক রাজনীতিবিদ। নেতাজি সুভাষ বোস, মহাত্মা গান্ধী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, নেলসন ম্যান্ডেলা এঁরা প্রত্যেকেই দার্শনিক রাজনীতিবিদ। একটি দর্শনের জন্ম দিয়েছেন এবং সে দর্শন বাস্তবায়নের জন্য সংগ্রাম করেছেন। একটু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শেখ হাসিনাও একটি দর্শন ঘিরে কাজ করছেন। শেখ হাসিনার দর্শন হলো ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’। অনেকেই হয়তো জানেন না, ২০২২ সালে এ দর্শনটি বিশ্বশান্তির দর্শন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এ কারণেই প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যগুলোকে রাজনীতির মেঠো বক্তৃতা ভেবে হালকাভাবে নিলে বড্ড ভুল হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি বক্তব্যেরই একটি গভীর রাজনৈতিক তাৎপর্য ও দর্শন আছে। গত সপ্তাহজুড়ে তিনি তাঁর বক্তব্যে ওয়ান-ইলেভেন প্রসঙ্গ আনছেন। দু-একটি গণমাধ্যমের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘পত্রিকা পড়ে আমি দেশ চালাই না’। শ্রীলঙ্কায় দুর্যোগের পর এ দেশের কিছু গণমাধ্যম কয়েকজন সুশীলের বক্তব্য সামনে নিয়ে আসে। এ বক্তব্যে সুশীল পন্ডিতরা বাংলাদেশের পরিণতি শ্রীলঙ্কার মতো হবে বলে চাপা উল্লাসে আত্মহারা হয়ে ওঠেন। প্রধানমন্ত্রী তীব্র ভাষায় এর জবাব দেন। এ বিষয়টি তিনি আরও খোলাসা করেন মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভার সূচনা বক্তব্যে। শেখ হাসিনা কারও নাম উল্লেখ না করে বলেন, ‘তারাই বেশি কথা বলেন, তারাই সমালোচনা বেশি করেন যারা ইমারজেন্সি সরকারের পদলেহন করেছেন। চাটুকারি করেছেন।’ পরদিন (১৮ মে) আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এ বিষয়টি আরও বিস্তৃত পটভূমিতে তুলে ধরেন। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় তাঁকে দেশে আসতে না দেওয়াসহ ওই সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। অনুষ্ঠানের বক্তব্যে তিনি পদ্মা সেতুর প্রসঙ্গ এনে দুই সুশীল শিরোমণির সমালোচনা করেন। শেখ হাসিনার সব বক্তব্য একত্রিত করে বিশ্লেষণ করলে যা দাঁড়ায় তা হলো, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত এখন বেশ জোরেশোরে চলছে। দেশের সুশীলসমাজের একটি অংশ এখন জনগণকে বিভ্রান্ত করতে তৎপর হয়েছেন। কিছু সুশীল গণমাধ্যমকে সরকারের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন।

কদিন আগে গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জাতীয় সরকারের এক ফরমুলা জাতির সামনে উপস্থাপন করেছেন। জাতীয় সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী অধ্যাপক রেহমান সোবহান ও ড. কামাল হোসেনের নাম প্রস্তাব করেছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নাম প্রস্তাব করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। তাঁকে আবার স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। জাতীয় সরকারে রাখার জন্য ডা. জাফরুল্লাহর প্রস্তাবে যাঁদের কথা বলা হয়েছে তাঁদের বেশ কয়েকজন ওয়ান-ইলেভেনের খেলোয়াড়। এ নাম দিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কর্মীদের বিভ্রান্ত করার এক সচেতন চেষ্টাও লক্ষ্য করা যায়। জাতির পিতার ছোট কন্যা শেখ রেহানাকে জাতীয় সরকারে রাখার ন্যক্কারজনক ধৃষ্টতা দেখানো হয়েছে। আবার লন্ডনে পলাতক তারেক জিয়ার কন্যাকে জাতীয় সরকারের হিসসা দেওয়ার উদ্ভট প্রস্তাব আছে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে এটি বোধহয় বার্ধক্যজনিত বালখিল্য। কিন্তু একটু গভীরভাবে তাঁর জাতীয় সরকারের ফরমুলা বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, এর মাধ্যমে ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলবদের মাঠে নামানোর এক পরিকল্পিত প্রয়াস রয়েছে। আরও লক্ষণীয় যে এ-জাতীয় সরকারের তত্ত্ব মাঠে হাজির করার সঙ্গে সঙ্গেই কিছু ব্যক্তি সরব হয়েছেন, এঁরা এক-এগারোর সঙ্গে নানাভাবে যুক্ত এবং অনির্বাচিত সরকারের সুবিধাভোগী। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হবে এ উচ্চারণে তাঁদের দুঃখের চেয়ে উল্লাসই যেন বেশি। রেমিট্যান্স কমেছে, এ তথ্য দিতে গিয়ে তাঁদের মুখের কোণে হালকা হাসি যেন আর গোপন থাকে না। ওয়ান-ইলেভেনে এসব ব্যক্তিকে পৃষ্ঠপোষকতা দিত যেসব গণমাধ্যম, তারা এখন সরকারের ছিদ্রান্বেষণে যেন অণুবীক্ষণ যন্ত্র নিয়ে নেমেছে। কিছু কিছু গণমাধ্যম যেন এখন বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যম সরকারের সমালোচনা করবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ওই সমালোচনা যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়, তাহলে তা ভয়ের কারণ বটে। কিছু কিছু পত্রিকা সে কাজটিই করছে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে দেশটাকে ঝুঁকিপূর্ণ, সংকটময় দেখানোর চেষ্টা চলছে। সরকার ব্যর্থ এটি প্রমাণ করতে মরিয়া একটি মহল। শুধু মুখের কথায় বিভ্রান্ত মানুষ হয় না, এটা বোঝার জন্য তো বোদ্ধা হওয়ার প্রয়োজন নেই। এ কারণে সরকারের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা একটি মহল সক্রিয়। এরা এমন কিছু কান্ড করছে যাতে সুশীল এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমের বক্তব্য সত্য বলে প্রমাণিত হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যাঁরা আছেন তাঁরা সরকারকে জনগণের প্রতিপক্ষ করার শপথ নিয়েছেন। এমন সব কর্মকান্ড তাঁরা করেছেন যাতে মনে হয় এ সরকার অক্ষম, অযোগ্য ও দুর্বল। বাজারের ওপর তাঁদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সরকার বিভিন্ন কারণে নানা রকম সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। কিন্তু বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘোষণার কী দরকার ছিল? এটি সাধারণ মানুষের কাছে সুশীলদের বক্তব্যকে বিশ্বাসযোগ্য করেছে। এর প্রভাব পড়েছে ডলারের বাজারে। ডলারের কেবল দাম বাড়েনি, দুষ্প্রাপ্যও হয়েছে। এ সমাজে কিছু মানুষ আছে যারা সুযোগসন্ধানী। তারা সব সময় মানুষকে জিম্মি করে আর্থিকভাবে লাভবান হতে চায়। এরা ভোজ্য তেল থেকে শুরু করে ডলার সব মজুদ করে। বিদেশে অর্থ পাচার করে। পি কে হালদার এদের ভালো বিজ্ঞাপন। দেশকে অস্থির-অস্থিতিশীল করতে পারলেই এদের পোয়াবারো। এদের কারণে গণতান্ত্রিক সরকার সংকটে পড়ে। অগণতান্ত্রিক শক্তি ডালপালা মেলে। এরাও এখন মাঠে সক্রিয়। বাংলাদেশের কিছু উন্নয়ন সহযোগী আছে যারা দেশে শক্তিশালী সরকার চায় না। ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এদের অস্বস্তিতে ফেলে। রাজনীতিবিদদের চেয়ে এরা সুশীল বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে মন খুলে কথা বলতে পছন্দ করে। বাংলাদেশের উন্নয়ন নয় বরং এ দেশের বাজার দখলই তাদের প্রধান স্বার্থ। মুখে এরা গণতন্ত্র, সুশাসন, মানবাধিকারের কথা বলে কিন্তু বাস্তবে এসব বিরোধী শক্তির সঙ্গেই এ দেশগুলো গোপন সখ্য গড়ে তোলে। এসব শক্তি যখন একত্রিত হয় তখনই একটি সরকার সংকটে পড়ে। তখনই অনির্বাচিত সরকারের ক্ষমতায় আসার পথ তৈরি হয়। আমরা যদি স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করি তাহলে দেখব, একটি সুশীল গোষ্ঠী, কিছু গণমাধ্যম, সরকারের ভিতর থাকা কিছু ষড়যন্ত্রকারী এবং আন্তর্জাতিক চক্র এক হয়েই সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করল স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি। ইতিহাসের জঘন্যতম এ হত্যাকান্ডের পর সংবিধানকে বাক্সবন্দি করা হলো। ’৭৫-এর প্রেক্ষাপট একটু খতিয়ে দেখা যাক। হলিডে ও গণকণ্ঠ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছিল। একশ্রেণির ভাড়াটে বুদ্ধিজীবী দেশ গেল বলে আর্তনাদ করেছিল। মুনাফাখোর, কালোবাজারি, মজুদদাররা দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে বাজার অস্থির করে তুলেছিল। সরকারের ভিতরের মোশতাকরা অন্তর্ঘাত ঘটাচ্ছিল। আর আন্তর্জাতিক কিছু সম্প্রদায় মুজিবের হিমালয়সম ব্যক্তিত্ব আর জনপ্রিয়তাকে ভয় পেয়েছিল। সব মিলিয়ে ’৭৫-এর ট্র্যাজেডি। ’৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনি মোশতাকের মন্ত্রিসভা ছিল একটা আইওয়াশ। জিয়া সামনে আসার পর ’৭৫-এর ৭ নভেম্বর একটি অসাংবিধানিক উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়। সে সময়ের নামকরা পন্ডিত ও সুশীলরা ধেইধেই করে নাচতে নাচতে ওই উপদেষ্টা পরিষদে যোগ দিয়েছিলেন। এঁদের দু-এক জনের নাম উল্লেখ করতেই হয়। ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম, আকবর কবির (খুশী কবিরের পিতা), ড. মোজাফফর আহমেদ, ড. এম আর খান। সমাজের এই বিশিষ্টজনেরা সংবিধান নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি তেলেননি। শিশু রাসেলকে হত্যা যে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন সে প্রশ্নটি পর্যন্ত করেননি। ক্ষমতার নেশায় বুঁদ হয়ে তাঁরা সংবিধান, গণতন্ত্র, মানবাধিকার সব ভুলে গিয়েছিলেন। সুশীলদের উপদেষ্টা (মন্ত্রী) হতে ভোট চাইতে হয়নি। জনগণের কথাও চিন্তা করতে হয়নি।

জিয়ার মৃত্যুর পর দ্বিতীয় দফা সংবিধান লঙ্ঘন হয় তৎকালীন সেনাপ্রধান এরশাদের নেতৃত্বে। বিচারপতি সাত্তারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন এরশাদ। এরশাদের ক্ষমতা দখলের আগে একই ফরমুলার নিবিড় বাস্তবায়ন। জিনিসপত্রের ঊর্ধ্বগতি। বাজার থেকে আদা-রসুন উধাও। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি। মন্ত্রীর বাসা থেকে খুনের আসামি গ্রেফতার। দেশ চলছে না বলে কিছু গণমাধ্যমের নিরবচ্ছিন্ন ক্যাম্পেইন। কয়েকজন রাষ্ট্রদূতের বিরামহীন তৎপরতা। তারপর এক প্রত্যুষে উর্দি পরে টেলিভিশনের সামনে হাজির হলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সংবিধান স্থগিত হলো। মৌলিক অধিকার হরণ করা হলো। আবার মঞ্চে উদ্ভাসিত হলেন আমাদের পরম পূজনীয় সুশীলরা। এরশাদের উপদেষ্টা পরিষদ যাঁরা অলংকৃত করলেন তাঁদের কয়েকজন স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব। আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান, ডা. শাফিয়া খাতুন, ড. এ মজিদ খান, এম সাইদুজ্জামান, সদ্যপ্রয়াত এ এম এ মুহিত, এ আর এস দোহা প্রমুখ। এরশাদ হটাতে নয় বছর আন্দোলন করতে হয়েছে এ দেশের মানুষকে। ২০০৭ সালের অনির্বাচিত সরকার এসেছিল সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে। ‘নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার’সংক্রান্ত সাংবিধানিক ব্যবস্থার ফাঁক গলে। ২০০৭-এর সেনাসমর্থিত অনির্বাচিত সরকারের প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য দুটোই ছিল ভিন্ন প্রকৃতির এবং বড় অবয়বে। ’৯০-এর এরশাদের পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক ধারার সূচনা হয়। কিন্তু এ গণতন্ত্রের নাটাই ছিল অনির্বাচিত সুশীলদের হাতে। বিধান রাখা হয় যে নির্বাচনের আগে একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হবে। নির্বাচনকালীন এ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে দেওয়া হয় অসীম ক্ষমতা। ১৯৯১, ’৯৬, ও ২০০১- তিন মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, তাদের নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যে দলকে চেয়েছে তাকেই ক্ষমতায় এনেছে। আপাতনিরপেক্ষ নির্বাচনের আড়ালে আসলে ক্ষমতার চাবি চলে গেছে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের হাতে। ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথাই ধরা যাক। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই এ সরকার আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ল। নির্বাচনের আগেই হেরে গেল আওয়ামী লীগ। তিনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্বাচনই ছিল রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে পরিচালিত। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় ২০০১ সালে। যখন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসে। দুর্নীতি, লুটপাট, নির্যাতন, নিপীড়ন এমন জায়গায় পৌঁছে যে মানুষ ওই সরকারকে হটাতে মরিয়া হয়ে ওঠে। জনগণের এ জাগরণ সুশীলদের ভীত করেছিল। এজন্য শুরু হয় প্রচারণা। বিএনপি ভালো না। আওয়ামী লীগও খারাপ। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলই ব্যর্থ। এ রকম একটি প্রচারণার মাধ্যমে সুশীলদের মাঠে নামানোর মঞ্চ প্রস্তুত হয়। সুশীলদের নেতা নির্বাচন করা হয় আন্তর্জাতিক উদ্যোগে। অর্থনীতি নিয়ে কাজ করা ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয় শান্তির নোবেল। চারদিক ব্যর্থতা, হাহাকার দেখিয়ে ভীতির সঞ্চার করা হয় জনমনে। তারপর মঞ্চে আবির্ভূত হন সুশীলরা। সংবিধান অনুযায়ী একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ ৯০ দিন। কিন্তু সুশীল সংবিধান বিশেষজ্ঞ ফতোয়া দিলেন ‘সব ঠিক আছে’। কিন্তু দার্শনিক শেখ হাসিনা বুঝলেন এটা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। সংবিধান লঙ্ঘন। জনগণের অধিকার হরণ। তাই আবার তিনি ডাক দিলেন। জেল-জুলুম-নির্যাতন ভোগ করে গণতন্ত্রকে মুক্ত করলেন। শেখ হাসিনা বুঝেছিলেন জনগণের ক্ষমতার চাবিটা সুশীলদের ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের’ নামে সিন্দুকে বন্দি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল হলো। তিন মেয়াদে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার দেশ পরিচালনা করছে। এত দীর্ঘ দিবস-রজনী ক্ষমতা থেকে দূরে থাকাটা সুশীলদের কীভাবে সহ্য হবে? তাই শুরু হয়েছে সেই পুরনো খেলা। চারদিকে হতাশার নানা বাদ্যযন্ত্র বাজানো হচ্ছে। কয়েকজন সুশীল, তাঁদের নিয়ন্ত্রিত কিছু গণমাধ্যম, কিছু মতলববাজ সুযোগসন্ধানী দুর্বৃত্ত, ক্ষমতার মধু খাওয়া কিছু নব্য মোশতাক ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কেউ কেউ (যারা এখনো নিজেদের প্রভু ভাবেন) আরেকটি এক-এগারোর আয়োজন করছেন। যেহেতু শেখ হাসিনা একজন দার্শনিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাজনীতিবিদ সেজন্য তিনি আক্রমণাত্মক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। তিনি জানেন, জনগণই তাঁর শক্তি। এজন্য জনগণকে তিনি আগাম সতর্কবার্তা দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার আগে কলাকুশলীরা গ্রিনরুমে অপেক্ষা করেন। এক-এগারোর কুশীলবরা গ্রিনরুমে ঢুকে গেছেন। শেখ হাসিনা কি পারবেন তাঁদের মঞ্চে প্রবেশ ঠেকাতে?
লেখক : নির্বাহী পরিচালক, পরিপ্রেক্ষিত।

Email : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়