শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:১৮, সোমবার, ০৩ জুলাই, ২০২৩

দিল্লির চিঠি

বাংলাদেশ-ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্মোচিত হতে পারে নতুন দিগন্ত

জয়ন্ত ঘোষাল
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশ-ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্মোচিত হতে পারে নতুন দিগন্ত

একটা সময় ছিল যখন ভারতের সংবাদমাধ্যম পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কের চড়াই-উতরাই নিয়ে অনেকটাই ব্যস্ত থাকত। এখনো মনে আছে, অটল বিহারি বাজপেয়ির সঙ্গে জাতিসংঘের সাধারণ সভা অধিবেশন কাভার করতে গেছি, তখন নিউ ইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের দপ্তরে পারভেজ মোশাররফের সঙ্গে অটল বিহারি বাজপেয়ির মুখোমুখি দেখা হয়ে যাবে কি না, একটা করমর্দনের ছবি হতে পারে কি না, তা নিয়ে আমাদের কত গবেষণা, কত ছোটাছুটি! সেই সময় অটল বিহারি বাজপেয়ির মিডিয়া উপদেষ্টা অশোক ট্যান্ডন আমাদের একবার বলেছিলেন, ভারতের সংবাদমাধ্যমের বড় রোমান্টিক বিষয় হলো ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক। ১৯৪৭ সালের পর থেকে এখনো আমরা সেই বিষয়টা ভুলতে পারি না। আমি বাঙালি সাংবাদিক।

দিল্লিতে ৪০ বছর কর্মরত। একটা কথা আজ বলতে বাধ্য হচ্ছি, ভারতের সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম যতটা ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে নিউজপ্রিন্ট খরচা করেছে, ততটা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে মাথা ঘামায়নি। ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে তিনটা পুরোপুরি যুদ্ধ হয়েছে। কারগিল ধরলে চারটা।

তবু ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কটা তৈলাক্ত বাঁশে একটা বানরের ওঠা-নামার মতো। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর নরেন্দ্র মোদিও চেষ্টা করেছিলেন। একবার ব্যর্থ হতেই তিনি কিন্তু আর পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় খুব বেশি শক্তি ব্যয় করেননি। আর এখন এমন অবস্থা হয়েছে পাকিস্তান এতটাই নিঃসঙ্গ, এতটাই অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত, গোটা পৃথিবীর কাছে এতটাই একঘরে হয়ে গেছে যে আজ ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেরও উৎসাহ চলে গেছে।

একটা সময় সার্কের বৈঠক হতো। তাতে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কটা এত ডমিনেট করত যে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাষ্ট্র যারপরনাই অসন্তুষ্ট হতো। বলত, পাকিস্তান আর ভারতের সম্পর্কের জন্য গোটা সার্কের অভিমুখ, উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।

এখন তো সময় বদলে গেছে। সার্কের জায়গায় বিমসটেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে; যদিও পশ্চিমা বিশ্ব বিমসটেককেও অপ্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি ফ্রান্স বিমসটেকের আমন্ত্রিত হতে চেয়ে অবশ্য আমেরিকার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। পশ্চিমা দেশেও ফ্রান্স নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সেই প্রসঙ্গ থাক। আমরা ইতিহাস ছেড়ে আজকের প্রসঙ্গে আসি। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্কিন সফরে দুই দেশের মধ্যে যে যৌথ বিবৃতি গৃহীত হয়েছে, সেখানে সরাসরি পাকিস্তানের সন্ত্রাস সম্পর্কে যে কথা বলা হয়েছে, তাতে পাকিস্তান যারপরনাই অসন্তুষ্ট, ক্ষুব্ধ। এতটাই ক্ষুব্ধ যে পাকিস্তানের মুখপাত্র প্রকাশ্যে আমেরিকার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন। বলা হয়েছে, যখন পাকিস্তান নিজে সন্ত্রাস দমনে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, তখন এ ধরনের বিবৃতি অনভিপ্রেত।

স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর ‘কর্মযোগ’ গ্রন্থে বলেছিলেন, মানুষের চরিত্র হচ্ছে মানুষের কর্মপ্রবাহের সমষ্টি। অর্থাৎ আমরা যা কাজ করি, তার মধ্য দিয়েই আমাদের চরিত্র গড়ে ওঠে। আমার মনে হয়, একটা রাষ্ট্রের চরিত্রও একজন ব্যক্তির মতো তার কর্মপ্রবাহের সমষ্টি। পাকিস্তানের আজ যে এই পরিস্থিতি, সেটাও তার কৃতকর্মের ফল। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তান যে আচরণ করেছে ভারতের সঙ্গে, এমনকি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, তার কারণ বিশ্লেষণ করলে জানা যায়, যেটা বারবার স্মরণ করা কর্তব্য, পাকিস্তান সেই পূর্ব পাকিস্তান নিয়েও কী করেছে? পাকিস্তান তার নিজের যোগ্যতা খুইয়েছে।

ওসামা বিন লাদেন নিধনের সময়েও আমেরিকা পাকিস্তানে ঢুকে পড়ে ওসামাকে হত্যা করেছে। মার্কিন গোয়েন্দারা সব তথ্য সংগ্রহ করেছে। এখনো অনেকে বলেন, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পাকিস্তানকেও তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ওবামা সব তথ্য দেননি। পাছে ওসামাকে পালিয়ে যেতে আইএসআই সাহায্য করে।

পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা এখন এতটাই খারাপ যে পাকিস্তানের কাছে অস্ত্র কেনারও পয়সা নেই। তাদের অস্ত্রগুলো পুরনো হয়ে গেছে। চীনের কাছ থেকে নেওয়া অস্ত্র গুণগতভাবে উৎকর্ষ নয়। আমেরিকার কাছে তারা অস্ত্র চাইছে। আমেরিকা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, পুরনো চুক্তি অনুযায়ী তাদের যেটুকু অস্ত্র পাওয়ার, সেটুকু তারা পাবে। নতুন চুক্তি আমেরিকা তাদের সঙ্গে করবে না। আইএমএফের ঋণের জন্য আমেরিকার কাছেই তারা হাত পেতেছে। পাকিস্তানের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল বাজোয়ার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে প্রতিরক্ষাসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ভারতের সঙ্গেও আলাপ-আলোচনা শুরু করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। এখন এমন অবস্থা যে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান আলোচনায় বসার জন্য ব্যস্ত। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির যে কূটনীতি, তাতে আবাহনও নেই, বিসর্জনও নেই। অর্থাৎ নরেন্দ্র মোদি এ কথা বলছেন না যে তিনি পাকিস্তানের সঙ্গে কোনো দিন আলোচনা করবেন না। আবার তিনি পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করতে খুব ব্যস্ত—এমন মনোভাবও প্রকাশ করছেন না। যেটুকু প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় সূত্রে জানতে পেরেছি, প্রধানমন্ত্রী এখন প্রথমে কাশ্মীরে নির্বাচন করতে চাইছেন। সে ব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশও দিয়েছেন। অমিত শাহ কাশ্মীরে গিয়ে সেখানকার রাজ্যপাল মনোজ সিনহা এবং স্থানীয় অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এ বছরই কাশ্মীরে নির্বাচন হওয়ার কথা। দ্বিতীয়ত, সাংহাই কো-অপারেশনের বৈঠক জুলাই মাসে। সে বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর আসার কথা। সেটা বহুপক্ষীয় বৈঠক। সুতরাং সেখানে পাকিস্তানও অন্যদের মতো আমন্ত্রিত। কিন্তু পাকিস্তানের সঙ্গে সেই সম্মেলনে আলাদা করে ভারতের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা কম। এখন পর্যন্ত কর্মসূচিতে নেই। সুতরাং নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানকে অহেতুক গুরুত্ব প্রদান করতে রাজি নন। পাকিস্তানকে তিনি আলোচনার বাইরে নিয়ে গেছেন। পাকিস্তান এখন অসহায় এবং একঘরে।

আমি সব সময় বলি, ১৯৪৭ সালের পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশ—এই দুই রাষ্ট্র এবং তার যে ইতিহাস, সেটা যেন ‘এ টেল অব টু কান্ট্রিজ’। এটা বস্তুনিষ্ঠ বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, দুটি দেশ কিভাবে ভিন্ন পথে এগিয়েছে এবং তারা কিভাবে আর্থিক অগ্রগতির পথে গেছে। বাংলাদেশেও মৌলবাদীদের দাপট আছে। বাংলাদেশেও পাকিস্তান বাংলাদেশের জমিকে ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের চেষ্টা করেছে। তার জন্য পাকিস্তানের পছন্দের রাজনৈতিক দল আছে। সর্বোপরি চীনের ছাতার তলায় থেকে এসব কাজ করার একটা প্রবণতা অতীতে দেখা দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব রাষ্ট্রের সঙ্গেই ভালো সম্পর্ক রেখে ধর্মনিরপেক্ষ পথে হেঁটেছেন এবং সন্ত্রাস দমনে বিশ্বাসযোগ্য নেতৃত্ব দিতে পেরেছেন; যেটা করতে পাকিস্তান ব্যর্থ হয়েছে। আর তাই আজ যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খড়্গহস্ত পাকিস্তানের বিষয়ে, তখন পাকিস্তানের গোসসা প্রকাশ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। কিন্তু তাতে বিশ্ব কূটনীতিতে বড় কোনো হেরফের হবে না।

জুলাই মাসের সাংহাই কো-অপারেশনের বৈঠকের চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেপ্টেম্বরের জি২০ সম্মেলন। তার কারণ জি২০ সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আসবেন। আসবেন চীনের শি চিনপিং। সাংহাই কো-অপারেশনের বৈঠকে নয়; কিন্তু জি২০-এর বৈঠকে বাংলাদেশ বিশেষভাবে আমন্ত্রিত। মোদির মার্কিন সফরের পর জি২০ সম্মেলন আরো তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই উপমহাদেশে, বিশেষ করে এই উপসাগরীয় বিশ্বরাজনীতিতে এখন সবাই সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আর সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসা মানে এই এলাকার বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ সম্পর্কে যে অবস্থান, তাতে ভিসানীতি নিয়ে যে কঠোর মনোভাব প্রদর্শিত হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে তার প্রতিবাদ এসেছে। শেখ হাসিনা নিজে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে যথেষ্ট সোচ্চার হয়েছেন বাংলাদেশের সংসদে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন বাইডেনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন, তখন তিনি বাংলাদেশের নাম করে আলোচনা করেননি। কেননা সেটা প্রথা নয়, তৃতীয় কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্র নিয়ে রাষ্ট্রপ্রধানরা আলোচনা করেন না। যেমন—বাইডেন চীন আর রাশিয়া নিয়েও মোদির সঙ্গে আলোচনা করেননি। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ে সে আলোচনাগুলো হয়, যে আলোচনাগুলো সাধারণভাবে রাষ্ট্রপ্রধানরা পথনির্দেশিকা তৈরি করে দেন। সেই পথনির্দেশিকায় ভারত জানিয়ে দিয়েছে যে বাংলাদেশের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এমন কিছু করা উচিত নয়, যেখানে ভারতের সার্বভৌম স্বার্থ এই অঞ্চলে বিঘ্নিত হয়। জি২০ সম্মেলন এই ঐক্যকে আরো দৃঢ় করবে। কিন্তু সাংহাই কো-অপারেশনের বৈঠক তুলনামূলকভাবে অনেক কম মিডিয়া অ্যাটেনশন পাচ্ছে। তার কারণ ভারতও এই বৈঠকটি এতটা গুরুত্ব দিতে চায় না, যাতে জি২০ সম্মেলন কোনোভাবে ব্যাহত হয়।

ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ—এই তিনটি দেশই এখন পাকিস্তানের ওপর কড়া নজর রেখেছে যে পাকিস্তানের কী পরিস্থিতিটা দাঁড়ায়। ইমরান খান শেষ পর্যন্ত দেশ ছাড়া হবেন কি না, তাঁর ভবিষ্যৎ কী, তাঁর দলের ভবিষ্যৎ কী, সেটা দেখার। ইমরান খানের জনসমর্থন আছে, সেটা অস্বীকার করা যায় না। তাই ইমরান খানের বিষয়ে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী শেষ পর্যন্ত কী অবস্থান নিতে পারে, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট, পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন কী ভূমিকা নেয়, সেটা দেখার বিষয়। দ্বিতীয়ত, নওয়াজ শরিফের কন্যা পাকিস্তানে এসে গেছেন। নওয়াজ শরিফ লন্ডনে আছেন। শোনা যাচ্ছে, নওয়াজ শরিফ পাকিস্তানে ফিরে আসতে পারেন। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সমর্থন নিয়েই তিনি ফিরে আসতে পারেন। নওয়াজ শরিফ পাকিস্তানে ফিরে এলে তাঁর ভাই সরে গিয়ে নওয়াজ শরিফকে প্রধানমন্ত্রিত্বের পদ দেবেন কি না। তার কারণ নওয়াজ শরিফ নিজে আরো অনেক শক্তিশালী রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব। পাকিস্তানের আর্থিক চূড়ান্ত সংকটে নওয়াজ শরিফের মতো পোড় খাওয়া রাজনেতা আবার দায়িত্ব নিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত কি একটু তুলনামূলকভাবে খুশি হবে? এ প্রশ্নগুলো এখন আলোড়িত হচ্ছে। নওয়াজ শরিফ এলে নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানের সঙ্গে একটা ন্যূনতম আলোচনার প্রক্রিয়া কি আবার শুরু করবেন?

এগুলো সবই কিন্তু এখনো ভবিষ্যতের জিম্মায়। এদিকে ভারতে খালিস্তানি আন্দোলন বেড়েছে। খালিস্তানি কার্যকলাপ কানাডায়, লন্ডনেও বাড়ছে। পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে ভারত সন্দিগ্ধ। ভারতে কর্মরত পাকিস্তানের কূটনীতিককে নয়াদিল্লি সম্প্রতি ডেকে পাঠিয়েছিল। খালিস্তানি কার্যকলাপে পাক মদদের অভিযোগে। তবে কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর এখনো সংঘর্ষ বিরতি আছে। কাশ্মীরের পরিস্থিতিটাও কী দাঁড়ায়, পাকিস্তানের ভূমিকা সেখানে কী হয়, সেগুলোও নজর রাখা ভারতের একটা অত্যন্ত বড় অগ্রাধিকার। কাজেই এ বছরই পাকিস্তানে আরো অনেক ঘটনা ঘটবে—এমনটাই আশা ও আশঙ্কা। আর সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ-ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে নয়াদিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।


লেখক : ভারতীয় সাংবাদিক।

 


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়