শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৪০, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৩

জাতীয়করণ চাই: কখন কীভাবে

অধ্যক্ষ শরীফ সাদী
অনলাইন ভার্সন
জাতীয়করণ চাই: কখন কীভাবে

শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের বিষয়টি খণ্ডিতভাবে কোন একটি শিক্ষক সংগঠনের চাওয়া নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকলেই চায়। আমিও চাই। কিন্তু প্রশ্ন হলো কখন এবং কীভাবে? জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির উপর দাঁড়িয়ে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছিলেন। ধাপে ধাপে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাকেও জাতীয়করণের আওতায় নিয়ে আসার প্রত্যয় ছিল সরকারের। কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সবকিছু ভণ্ডুল করে দিয়েছিলো। তথাপি জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সনে একসাথে ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এবং ২০১৮ থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ৭শতাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজকে জাতীয়করণ করেছেন। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) এর ৪ নম্বর ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা সেদিকেই যাচ্ছে। নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে আরো কিছু প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের পাইপ লাইনে আছে। জাতীয়করণ হচ্ছে এবং হবে এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। ‘এক্ষুনি এবং সকল প্রতিষ্ঠান একসাথে জাতীয়করণ করে ফেলতে হবে’ এই দাবি উত্তপ্ত মস্তিষ্কপ্রসূত।

জাতীয়করণ অভিমুখী শেখ হাসিনার যাত্রাপথে কোন শিক্ষক সংগঠন অন্তরায় সৃষ্টি করলে তা হবে আত্মঘাতী। বিভিন্ন সময় জাতীয়করণের দাবিতে বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন আন্দোলন করেছে। গত ১১ জুলাই থেকে মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ের একটি শিক্ষক সংগঠন জাতীয়করণের ১দফা দাবিতে আন্দোলন করছে। তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করছে। এ কথা ঠিক, শিক্ষার জাতীয়করণ নিঃসন্দেহে জনপ্রিয় যৌক্তিক দাবি। আমাদের সমাজে যেন নাগরিকদের মধ্যে আকাশ-পাতাল বৈষম্য সৃষ্টি না হয় তেমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা কায়েমের জন্য সংবিধানে অঙ্গীকার ছিল। সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির ২য় ভাগে ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা শিরোনামে বলা হয়েছে: 
অনুচ্ছেদ ১৭। রাষ্ট্র (ক) “একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য-কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে”। সকলে নিশ্চয়ই একথা উপলব্ধি করে যে, "একই পদ্ধতির" বলতে কী বুঝানো হয়েছে? "গণমুখী ও সার্বজনীন" বলতে কী বোঝানো হয়েছে? সংবিধানের এই ঘোষণার বাস্তবায়ন কে বা কারা করতে পারবে? পারবে '৭২ এর সংবিধান যারা ৩০ লাখ বাঙালির রক্তের কালিতে লিপিবদ্ধ করেছিলো। পঁচাত্তরের পর সরকারগুলো ক্ষমতায় এসে তথাকথিত মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু করে এবং তাদের বাজার অর্থনীতির প্রতিযোগিতা শিক্ষাক্ষেত্রেও শুরু করে। এই মুক্তবাজার অর্থনীতির নামে আমাদের সংবিধানে ঘোষিত "একই পদ্ধতির গণমুখী সার্বজনীন" শিক্ষা ব্যবস্থাকে খণ্ড-বিখণ্ড করে ফেলে। ৭৫ এর ১৫ আগস্ট রক্তাক্ত প্রতিবিপ্লব সংঘটিত করার পর যে সরকারগুলো ক্ষমতায় আসে তারা শিক্ষা বাণিজ্যিকীকরণের পাকাপোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে ফেলে। পঁচাত্তর পরবর্তী সরকারগুলো কেবল শিক্ষা নয়, স্বাস্থ্যসেবাকেও প্রাইভেট ব্যবসায় নিয়ে আসে। ফলশ্রুতিতে আজকের ব্যাংকিং সেক্টর, শিল্পখাত, স্বাস্থ্য খাতে যাচ্ছে তাই সিন্ডিকেশন চলছে। বিকৃত পুঁজিবাদী বাণিজ্যিকীকরণের এই থাবা থেকে শিক্ষাখাতও রেহাই পাচ্ছে না। 

শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যমান বাণিজ্যিকীকরণের অব্যবস্থা দূর করতে জাতীয়করণের কোন বিকল্প নেই। সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় পুঁজিবাদী একচেটিয়া ব্যবসা বন্ধ করতে জাতীয়করণ ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই। ড. কুদরত-ই-খোদার শিক্ষা কমিশনেও ধাপে ধাপে জাতীয়করণের কথা বলা ছিলো। বাংলাদেশের সকল শিক্ষক সংগঠনের কর্মসূচিতে এই দাবিটি আগেও সন্নিবিষ্ট ছিল এবং এখনো আছে। মাধ্যমিক পর্যায়ের কেবল একটি  শিক্ষক সংগঠন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) ১ দফা জাতীয়করণের দাবি এমন এক সময় উত্থাপন করেছে যখন দেশে সরকার-বিরোধী একটি উগ্র রাজনৈতিক মহল সরকার পতনের ১ দফা উত্থাপন করেছে। ফলে প্রশ্ন এসেছে সরকার পতনের ১ দফার সাথে জাতীয়করণের এই ১ দফার কোনো অঘোষিত ও অলিখিত সম্পর্ক আছে কিনা? অন্তত শিক্ষক সমাজ 'পয়েন্ট অব নো-রিটার্নে' যাওয়ার মত উন্মত্ত কোনো আন্দোলন করতে পারে না। কোনোকালে কোনো পেশাজীবী আন্দোলন এরকম ১ দফায় সীমাবদ্ধ ছিলো না। অতীতে শিক্ষক আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে অনেক দাবি পূরণ হয়েছে। সেখানেও এরকম ১ দফা ছিলো না। বর্তমান সরকারকে বাধ্য করে একসাথে ৩৪ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা ১৬ হাজার ৮৬৩ টি মাধ্যমিক স্কুল জাতীয়করণ করার দাবি বাস্তবসম্মত নয় এবং কোনো সরকারের পক্ষে তা মেনে নেয়াও সম্ভবপর নয়। 

জাতীয়করণের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা না থাকার উচ্চাভিলাসী হিসাব দেখিয়ে শিক্ষক সমাজকে ক্ষণিকের জন্য বিভ্রান্ত করা গেলেও চূড়ান্ত বিচারে তা হাস্যকর বলেই প্রতীয়মান হবে। কারণ যারা ভুল অংক করে হিসাবটি দিয়েছেন তারা জাতীয়করণের পর পেনশন প্রদানের হিসাবটি দেননি। বিভ্রান্ত এবং উগ্র মস্তিষ্কের কতিপয় শিক্ষক নেতৃবৃন্দের মাথায় তা আসেনি। আরেকটি বিষয়ে আমরা গভীর মর্মবেদনা, তীব্র অসন্তোষ ও প্রচণ্ড ক্ষোভের সাথে লক্ষ্য করছি যে সরকারি বিধির আওতাধীন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে থেকে কোনো কোনো শিক্ষক মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তৃতায় কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন ভাষা ব্যবহার করছেন যা চাকরিবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। শিক্ষা পরিবারের অভিবাবকের প্রতি এমন অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করছেন এবং আদবের সীমানা এমনভাবে অতিক্রম করছেন যা শিক্ষক সমাজের জন্য লজ্জাকর। একজন চিকিৎসক কীভাবে শিক্ষামন্ত্রী হন এমন বালখিল্যসুলভ অবান্তর প্রশ্ন উত্থাপন করছেন কেউ কেউ। বাংলাদেশে এইবারই প্রথম একজন চিকিৎসক শিক্ষামন্ত্রী হননি। এর আগেও একজন বিখ্যাত চিকিৎসক কিছুদিনের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। সেই প্রশ্ন উত্থাপনকারীদের জানা উচিত বাংলাদেশে ইতিপূর্বে আইনজীবীও শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। বিশ্বের অনেক দেশেই চিকিৎসক কিংবা আইনজীবী কিংবা অন্য কোন বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন। 

ড. মেথিউ ওপোকু প্রেমপে একজন চিকিৎসক, ঘানার শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। সানিয়া নিশতার একজন কার্ডিওলজিস্ট পাকিস্তানের শিক্ষা মন্ত্রী ছিলেন, ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায় একজন বিখ্যাত চিকিৎসক  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, এমন অনেক উদাহরণ দেওয়া যাবে। আমাদের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী একাধারে চিকিৎসক এবং আইনজীবী। তিনি আপাদমস্তক একজন রাজনীতিবিদ। একটি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তারা হয়াতো জানেন না, তিনি একজন ভাষা সৈনিকের সন্তান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত ঘনিষ্ঠ সহচর এবং ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা মরহুম আব্দুল ওয়াদুদ সাহেবের সন্তান। এ ধরনের প্রশ্ন তুলে কাউকে ছোট করা যায় না।

মনে রাখতে হবে, কাউকে গালি দিলে তিনি ছোট হন না বরং যিনি গালি দেন তিনিই ছোট হন। আমরা শিক্ষক, অবশ্যই আমাদের ভাষা হবে মার্জিত, আমাদের ব্যবহার হবে ভদ্রোচিত। হ্যাঁ, শিক্ষক তো শাণিত ভাষার সতেজ ভাষণ দেবেনই। কিন্তু কটাক্ষ করে নয়, হেয় প্রতিপন্ন করে নয়। আজ ১৭ দিন যাবত বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে একটি সংগঠনের ব্যানারে বেশকিছু শিক্ষক প্রেসক্লাবের সামনে রাস্তায় অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তারা অপরিণামদর্শী হঠকারী সিদ্ধান্ত দিয়ে প্রতিষ্ঠানে তালা লাগিয়ে একটি 'ডু অর ডাই' কর্মসূচি দিয়েছেন। এটি অবশ্যই অবিবেচকের মত একটি কর্মসূচি। শিক্ষক সমাজের কাছে জাতীয়করণ একটি জনপ্রিয় ইস্যু। এই ইস্যুতে অন্যান্য কোনো সংগঠনের সাথে পরামর্শ না করে ১ দফার আন্দোলনের হঠাৎ ঘোষণা দিয়ে এই সংগঠন মূলতঃ দেশের ৫ লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছে 'অতি প্রিয়পাত্র' হওয়ার অপকৌশল অবলম্বন করেছেন। সংগঠনসমূহের মধ্যে অসুন্দর প্রতিযোগিতা হলো 'জাতীয়করণের বল' নিজের পায়ে রাখা। একই লক্ষাভিমূখী সহযোগী কাউকে না দিয়ে একা একা গোল করার কৃতিত্ব নিয়ে চলছে অশুভ প্রতিযোগিতা। মুক্তিযুদ্ধের স্মারক শব্দ ব্যবহার করলেই কোনো পেশাজীবি সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী একমাত্র সংগঠন হয় না। জাতীয়করণের লং-টার্ম দাবির পক্ষে বেশকটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী শিক্ষক সংগঠনও আছে। বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিশ), বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি(বাকবিশিশ) দুইটি গ্রুপ,বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিশ) দুইটি  গ্রুপ ও ১৬ বছরের তরুণ সংগঠন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ(স্বাশিপ)। শেষেরটি ছাড়া এই সংগঠনসমূহ সেই '৭৩ সন থেকেই আন্দোলন করে আসছে। জন্মলগ্ন থেকেই এই সংগঠনগুলো জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে আসছে। জাতীয়করণ কখনোই আন্দোলনের একমাত্র দাবি ছিলো না, এর সাথে অন্যান্য দাবি যুক্ত থাকতো। সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অনেকবার এই কথাগুলো আমরা বলেছি, বেসরকারি শিক্ষকদের উৎসব ভাতা, বাড়ি ভাড়া ও মেডিকেল ভাতা প্রদানের জন্য। বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন তাদের ব্যানারে নিয়মতান্ত্রিক আন্দলন করেছে পাশাপাশি আমরা শিক্ষক সংগঠনসমূহের পক্ষে সরকারের বিভিন্ন স্তরে আলোচনার টেবিলে কথা বলেছি। আমরা কথা বলেছি বলেই বর্তমান সরকার ২০১৮ সনে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আমরা কথা বলেছি বলেই ২০% বৈশাখী ভাতার সিদ্ধান্ত এসেছে। আমরা কথা বলেছি বলেই অবসরে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী এ যাবত শুধুমাত্র অবসর সুবিধা বোর্ডের অনুকূলে ২২৫৭ কোটি টাকা প্রদান করেছেন, কল্যাণ ট্রাস্টে ৩১০ কোটি টাকার অনুদান দিয়েছেন। আগের সরকার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য এক টাকার আর্থিক অনুদান দেয় নাই। 

এ অবস্থায় আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি বাংলাদেশকে দরিদ্র অর্থনীতির অতল গহ্বর থেকে টেনে তুলে এনেছেন, মার্কিন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিসিঞ্জারের ভাষার "তলাবিহীন ঝুড়ির" দেশ বাংলাদেশকে আজ যিনি বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করে দিয়েছেন। সারাবিশ্বের অর্থনীতিতে মন্দাবস্থা এবং সেইসাথে আমাদের সরকারের আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও নীতিগতভাবে উৎসব ভাতা, বাড়ি ভাড়া ও মেডিকেল ভাতা প্রদানের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক। নীতি-নির্ধারকদের কেউ কেউ অতিমারি ও যুদ্ধ পরিস্থিতির অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলানোর কথা বলে কিছুটা সময় নিচ্ছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছাকাছি থেকে আমরা যারা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য কাজ করছি তারা জানতাম ২০১৮ সালের কোন সময়টিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য ইনক্রিমেন্ট এবং বৈশাখী ভাতার উপহার দিচ্ছেন। সেই সময়ও কোনো আন্দোলনের প্রয়োজন হয়নি, শিক্ষকদেরকে রাস্তায় নামতে হয়নি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হয়নি, শিক্ষার্থীদেরকে জিম্মি করতে হয়নি। গত এক মাস আগে সরকারি কর্মচারীদের মতো বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য ৫% প্রণোদনার টাকা পেতে কাউকে কোনো বিবৃতি পর্যন্ত দিতে হয়নি, আন্দোলন তো দূরের কথা। উৎসব ভাতা, মেডিকেল ভাতা ও বাড়ি ভাড়া প্রাপ্তির এই সময়টি এখন অতি নিকটে। যে সংগঠনটি এখন প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় জাতীয়করণের আন্দোলন করছেন, এই সংগঠনের কতিপয় ব্যক্তি হয়তো অনুমান করেছেন ২০২৩ এর শেষপ্রান্তে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সরকারের একটি উপহার থাকবে। প্রাপ্তির পর তারা কৃতিত্বের দাবিদার হওয়ার খেলায় এগিয়ে থাকার কুটকৌশল হিসাবে অবস্থান কর্মসূচি দিয়েছেন। সংগঠনসমূহের মধ্যে কৃতিত্ব দাবির টানাটানি শুরু হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী কোনো একটি শিক্ষক সংগঠনের পকেটে কৃতিত্ব তুলে দেবেন না। এ যাবৎ তিনি বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য যা কিছু দিয়েছেন তা কেবল তাঁরই কৃতিত্ব। এই মুহূর্তে সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ কোনো বিবেকবান শিক্ষক চাইতে পারেন না এবং হয়তো তারাও মনে করেন জাতীয়করণ এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। তারা হয়তো এও বিশ্বাস করেন যে সরকার যেভাবে ধাপে ধাপে জাতীয়করণ করছে এটিই সঠিক। 

শিক্ষামন্ত্রী একটি নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে জাতীয়করণ হতে পারে মর্মে নীতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। কোন রাজনৈতিক চতুরতার আশ্রয় না নিয়ে তিনি বলেছেন, সরকারের চলতি মেয়াদের দুই তিন মাসের মধ্যে এর বাস্তবায়ন সম্ভবপর নয়। শিক্ষামন্ত্রী ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কোন কথা বলেননি। আন্দোলনকারীরা নিশ্চয়ই জানেন জাতির পিতা যেমন সদ্য স্বাধীন দেশে ৩০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছিলেন, তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেমন ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছিলেন তেমনি প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের চলতি মেয়াদে প্রায় ৭শতাধিক স্কুল, কলেজকে জাতীয়করণ করেছেন। ইম'ম্যাচিউর ডেলিভারির সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জাতীয়করণের শিশুকে জন্ম দিলে সে অবধারিতভাবে মারা যাবে। অপরিপক্ক নেতৃত্ব বুঝে হোক, না বুঝে হোক এই সময়টি জাতীয়করণের  একদফার আন্দোলন বেছে নেওয়ার সময় নির্ধারণ করেছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। একটি মহল যখন রাজনৈতিক নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে, তখন শিক্ষকগণ এমন কোন আন্দোলন কিংবা নৈরাজ্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ করে দিতে পারেন না। কেউ কেউ বসে আছেন পুলিশের লাঠি যেন শিক্ষকের পিঠে পড়ে, পুলিশকে ক্ষেপিয়ে দিতে ঢিল মারার লোকেরাও ওঁৎ পেতে বসে আছে। আন্দোলনের ভেতরে অনুপ্রবেশ করে অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার লোকেরও অভাব নেই। সকল পক্ষই ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সমাধানের দিকে এগিয়ে যাবেন বলে আমার বিশ্বাস।

 লেখক: সচিব, অবসর সুবিধা বোর্ড

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়