শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫৭, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩

জাপানিদের জীবন সাধনা

ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ
অনলাইন ভার্সন
জাপানিদের জীবন সাধনা

জাপান বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দু-তিনটি দেশের একটি। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া দেশ। ৫২ বছরের ব্যবধানে এখন মধ্য আয়ের দেশের কাতারে স্থিতি করার চেষ্টা চলছে। জাপান দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। বাংলাদেশও মুক্তিযুদ্ধের পর পরিণত হয়েছিল ধ্বংসস্তূপে। জাপান রূপকথার ফিনিক্স পাখির মতো ভস্ম থেকে উড়াল দেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছে। জাপানের কাছ থেকে অনেক কিছুই শেখার আছে বাংলাদেশের।  এ প্রেক্ষাপটে জাপানিদের মনোজগৎ নিয়ে আজকের লেখা।

টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আমার জাপানি দোভাষী ছিলেন ইসামু শিরাই। সত্তরোর্ধ্ব শিরাই সান (জাপানিরা পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে সবাইকে সান সম্বোধন করে থাকে) বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল উইংয়ে ছিলেন প্রায় দেড় যুগ। তার আগে দীর্ঘ ৩৫ বছর আমেরিকান দূতাবাসের ট্রেড উইংয়ে এবং তারপর একটি জাপানি বড় করপোরেশনে আট বছরের কাজ করার আলোকিত অভিজ্ঞতা তাঁর। শুধু দোভাষী নন, জাপানে বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রসারে আর বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের কাজে তিনি মূলত কমার্শিয়াল কাউন্সিলরের বিশেষ সহযোগীর ভূমিকাই পালন করতেন। বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন বাণিজ্য ডেলিগেশনে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে যারা জাপানে আসতেন তারা সবাই স্বীকার করতেন শিরাই সানের নিবেদিত নিষ্ঠার।

শিরাই সানের দায়িত্ব সচেতনতা ও সযত্ন কর্মপ্রয়াসের মধ্যে জাপানিদের জাত্যভিমান আর ব্যক্তিত্বের পরিচয় যেমন পাই, তার সমন্বয়ধর্মী মানসিকতার মধ্যে অনুসন্ধান করি জাপানিদের জীবন বৈশিষ্ট্যের। বিভিন্ন সময়, পর্যায় ও পরিস্থিতিতে তার আচার-আচরণে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় জাপানিদের মনের কথা অনুসন্ধানে ব্যাপৃত হয়েছি।

জাপানি সমাজে প্রত্যেকের প্রতি প্রত্যেকের রয়েছে সম্মান ও সমীহ। তারা পারতপক্ষে বিবাদ সৃষ্টি পছন্দ করে না। রবীন্দ্রনাথ ‘জাপান যাত্রীর পত্রে’ আজ থেকে ১০৭ বছর আগে যেমনটি লিখেছিলেন- ‘জাপানি বাজে চেঁচামেচি ঝগড়াঝাটি করে নিজের বল ক্ষয় করে না। প্রাণশক্তির বাজে খরচ নেই বলে প্রয়োজনের সময় টানাটানি পড়ে না। শরীর মনের এ শান্তি ও সহিষ্ণুতা ওদের স্বজাতীয় সাধনার একটা অঙ্গ।’ দেউলিয়া হয়ে যাওয়া একটি কোম্পানির কাছে জাপানের একটি পত্রিকার বিজ্ঞাপন প্রকাশ বাবদ কিছু পাওনা বাকি ছিল। কোম্পানিটির নতুন মালিকের কাছে পত্রিকাটি পাওনা দাবি করলে তারা কোনো লিখিত চুক্তি না থাকায় ওই পাওনা পরিশোধে অস্বীকৃতি জানায়। দেউলিয়া হয়ে যাওয়া কোম্পানিটির সঙ্গে বিশ্বাসের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন ছাপা হচ্ছিল। জাপানে অধিকাংশ লেনদেন বিশ্বাসের ভিত্তিতে হয়ে থাকে। এ বিশ্বাস যে কোনো মূল্যে রক্ষাও করা হয়ে থাকে। লেনদেনের পরিমাণ বেশি না হলে সাধারণত লেখালেখিতে যায় না কেউ। লেখালেখি করতে চাইলে অপর পক্ষ মনে করতে পারে যে তাদের বিশ্বাস করা হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে লেনদেন বা ব্যবসা না-ও হতে পারে। আইনের অশ্রয় বা অন্য কোনো বাগবিতন্ডার পদ্ধতিতে না গিয়ে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিল যে, কোম্পানিটির নতুন মালিকপক্ষের অনুরূপ পরিমাণ বিজ্ঞাপন ভবিষ্যতে বিনামূল্যে প্রকাশ করা হবে যদি তারা বকেয়া পরিশোধে সম্মত থাকে। কোম্পানিটি এতে রাজি হলো। ভবিষ্যতে বিনামূল্যে তাদের বিজ্ঞাপন ছাপা হবে এটি হলো তাদের মুখ রক্ষা। আর পত্রিকাটি দেখল তাদের বকেয়া পাওনার জন্য তারা ভিন্নতর বাড়াবাড়ি বা আইনের আশ্রয় নিলে হয়তো টাকা পেত, কিন্তু কোম্পানিটির সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যেত চিরতরে। এক্ষণে বকেয়া টাকা পাওয়া গেল ভবিষ্যতে বিনামূল্যে কিছু বিজ্ঞাপন ছাপানোর বিনিময়ে। মুখ্য লাভ হলো উভয়ের সন্তোষজনক সম্মতিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি ঘটায় উভয়ের মধ্যে ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় থাকল।

আরেকটি উদাহরণ। জাপানে বসবাসকারী বিদেশিদের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। বিদেশি নাগরিকদের ৮টি দল এ ম্যাচে অংশ নেয়। শেষমেশ আফ্রিকা ও আইরিশ দল ফাইনালে যায়। দুই দলের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা। খেলার প্রথমার্ধে ফলাফল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের ১৫ মিনিট পর খেলা হিংস্র আকার ধারণ করে। কানাডিয়ান রেফারি আফ্রিকার এক খেলোয়াড়কে লালকার্ড দেখিয়ে বহিষ্কার করেন। এটি চরম বর্ণবৈষম্যমূলক আচরণ আখ্যা দিয়ে আফ্রিকার খেলোয়াড়রা তীব্র প্রতিবাদে ফেটে পড়ে এবং খেলায় চরম বিশৃঙ্খলা নেমে আসে। আফ্রিকানরা এক পর্যায়ে খেলা বর্জনের হুমকি দেয়। প্রীতি ফুটবল আয়োজক জাপানিরা দেখলেন পুরো ব্যাপারটা অত্যন্ত নাজুক এবং দুঃখজনক পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে। আফ্রিকানরা দাবি করছে, তাদের খেলোয়াড়কে বহিষ্কার করা যাবে না, পক্ষান্তরে কানাডিয়ান রেফারি তার সিদ্ধান্তে অনড়। পরিস্থিতি সামাল দিতে জাপানি আয়োজকরা এমন একটা সিদ্ধান্তে এলেন যে, রেফারিকে অনুরোধ করা হবে আফ্রিকান দলের ক্ষমা চাওয়ার শর্তে লালকার্ড প্রদর্শনের সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহার করতে। আফ্রিকান দলের ক্যাপ্টেন অনিচ্ছা সত্ত্বেও ক্ষমা চাইলেন এবং প্রতিজ্ঞা করলেন যে তারা বাকি খেলায় বেপরোয়া আচরণ করবেন না। কানাডিয়ান রেফারি তবুও অনড়। আফ্রিকান ক্যাপ্টেন ক্ষমা চাওয়ার শর্ত না মানার হুমকি দিলেন। শেষমেশ আয়োজকদের এক কর্তাব্যক্তি নিজে রেফারির কাছে গিয়ে ক্ষমা চাইলেন- প্রতিপক্ষ আইরিশ দলও রেফারিকে তা মেনে নিতে অনুরোধ করল। রেফারি মেনে নিলেন। খেলা সুন্দর মতো এগিয়ে গেল।

জাপানে কেউই তাদের বিবাদকে চূড়ান্তে নিয়ে যেতে দিতে চায় না। সব সময় চেষ্টা চলে সন্তোষজনক সমাধানে পৌঁছাতে-যাতে সবার মুখ রক্ষা হয়। এমন সিদ্ধান্তে সবাই উপনীত হতে চায় যা বিবাদের সময় সব পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য বা সবাই সম্মত হয়। প্রত্যেক পক্ষ যেন ভাবে তাদের জয় হয়েছে। কেননা কেউ পরাজিত বা উপেক্ষিত হয়েছে ভাবলে তারা হিংসাত্মক হয়ে উঠতে পারে, যা কাম্য নয়। ব্যক্তির মর্যাদাকে জাপানিরা সম্মান ও সমীহ করতে জানে। তারা কাউকে চূড়ান্তভাবে বৈরী ভাবতে চায় না। বিবাদ-বিসংবাদ কিংবা আলাপ-আলোচনা বা নেগোসিয়েশনে তারা এমন এক পর্যায়ে এসে থামা পছন্দ করে যেখানে সমাধানে পৌঁছানো না গেলেও কিংবা আলোচনা ভেঙে গেলেও যেন সমঝোতা বা ঐকমত্যের সম্ভাবনা পুরোপুরি তিরোহিত না হয়ে যায়। বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী জাপানিরা সব ব্যাপারে সমন্বয় ও সহনশীলতাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং আচার-আচরণে এমন ভাব বজায় রাখে যাতে সবাই তার নিজের অবস্থানে আস্থাবান থাকতে পারে। গৌতম বুদ্ধের আরেক দর্শন হলো দোষে-গুণে মানুষ। একজন মানুষ পুরোপুরি মন্দ নয় আবার তার পক্ষে সম্পূর্ণ ভালো হওয়া সম্ভব নয়। সুতরাং ভালোমন্দের সমন্বয় সাধনে একজন মানুষের উচিত এটা দেখা যে ভালোর পাল্লা যাতে ভারী হয়। ১০টা ভালো কাজ করে ৮টা মন্দ কাজের সঙ্গে ব্যালান্স করাটাকে তারা গুরুত্ব দেয়।

ব্যালান্স করার ব্যাপারটাকে তারা দৈনন্দিন খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রেও মেনে চলে। জাপানের প্রত্যেক ব্যক্তির জানা আছে প্রতিদিন তার কত ক্যালরির খাবার খাওয়া উচিত। এটা যাতে সে নিয়মিত মেনে চলতে পারে সে জন্য তারা সেট মেনু বা প্যাকেজ খাবার গ্রহণ করে থাকে। জাপানিরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাইরের খাবার খেয়ে থাকে। ঘরে খাবার তৈরিতে সময়, স্পেস ও ইউটিলিটি খরচকে তারা তুলনামূলকভাবে নন-ইকোনমিক মনে করে। প্রতি বেলার মানসম্মত ও মান নিয়ন্ত্রিত খাবার সরবরাহের দোকান যত্রতত্র রয়েছে। এসব দোকানে সেট মেনু বাইরে ডিসপ্লে করা থাকে। মেনডিশ, সাইডডিশ, সবজি, সালাদ, ফল বা মিষ্টি সবই পরিমাণ মতো (প্লাস্টিকের তৈরি হুবহু দেখতে) সেট মেনু বাক্সে সাজানো থাকবে। ডিসপ্লে করা প্রতি সেটে খাবারের দাম এবং এ খাবারগুলোর ফুড ভ্যালু বা ক্যালরির পরিমাণ উল্লেখ করা থাকে। শিরাই সানের বয়স ৭৫ বছর। তাঁর লো প্রেসার, ডায়াবেটিস নেই, ওজন ৫৭ কেজি, উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। চিকিৎসক এসব দেখে বলে দিয়েছেন প্রতিদিন তাঁর এখন ১৯০০-১৯৫০ ক্যালরির খাবার খাওয়া উচিত। শিরাই সান সকালে গরম জাউভাত মিসো স্যুপ, মুলা সেদ্ধ আর গ্রিন টি খেয়ে আসেন, যার একুনে ফুড ভ্যালু ৩৫০ ক্যালরির মতো। দুপুরে দূতাবাসের পাশে যে কোনো খাবারের দোকান থেকে ১০০০ কিংবা ১১০০ ক্যালরির লাঞ্চ বক্স কিনে খাবেন। ডিনারে তিনি হিসাব করে (১৯০০- (৩৫০+১১০০)= ৪৫০ ক্যালরি সম্পন্ন সেট মেনু বেছে নেবেন এবং খাবেন। ডিনার কিংবা লাঞ্চে যদি কোনো আনুষ্ঠানিক দাওয়াতে তাকে যেতে হয় তাহলে তদানুযায়ী তিনি সমন্বয় করে নেবেন অপর বেলার খাবার যাতে সারা দিনে মোট পরিমাণ ১৯০০-১৯৫০ ক্যালরির মধ্যে সীমিত থাকে।

সারাজীবন তিনি এটা মেনে চলেছেন বলেই সে সময় পর্যন্ত মোট ৫৫ বছর চাকরি করার পরও পঁচাত্তর বয়সী শিরাই সান তখনো ছিলেন দিব্যি কর্মক্ষম। তাঁর চুলে পাক ধরেনি এবং আমার সঙ্গে সেই ১৯৯৭ সালে ৭০ বছর বয়সী শিরাই সানের বয়সে ২৫ বছর ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও মনে হতো তিনি আর আমি সমবয়সী। (শিরাই সান ৯৪ বছর বয়সে ২০২১ সালে টোকিওতে মারা যান।  তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি) জাপানিদের গড় আয়ু বর্তমানে ৮২ বছর। তার আরেকটি অন্যতম কারণ আমার মতে তিনবেলা খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে সময়ানুবর্তিতায় তাঁদের অয়োময় দৃঢ়তা। সকাল ৭টায় ব্রেকফাস্ট, দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে লাঞ্চ এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে ডিনার তারা করবেই। সম্রাটকে জাপানিরা খুব সম্মান করে। নির্দিষ্ট সময়ে খাদ্য গ্রহণকে তারা এতটা পবিত্র দায়িত্বজ্ঞান করে যে, ভাবখানা যেন ঠিক ওই সময় তাদের সম্রাটও খাবার বাক্স খুলেছেন। আমরা জোক করতাম সমুদ্র সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত জাপানি পুলিশ যথাসময় লাঞ্চ করাকে এত গুরুত্ব দেয় যে, ঠিক ওই সময় বিদেশি ইমিগ্র্যান্টরা বেআইনিভাবে তাদের সামনে দিয়ে জাপানে ঢুকলেও তারা কোনো বাধা দেবে না।

লেখক : সরকারের সাবেক সচিব, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান, জাপানে বাংলাদেশের সাবেক বাণিজ্য দূত

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়