শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৩৭, রবিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৩

মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকিতে

ব্রি. জে. (অব.) হাসান মো. শামসুদ্দীন
অনলাইন ভার্সন
মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকিতে

বিশ্ব এখন মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে সময় পার করছে। উন্নত বিশ্বে এর প্রভাব তেমনভাবে না পড়লেও এশিয়ার এই অঞ্চলের মানুষ তা ভালোভাবেই টের পাচ্ছে। ক্রমাগত মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট জনজীবনে প্রভাব ফেলছে। উন্নয়নের ছোঁয়া লাগা গ্লোবাল সাউথের এই অঞ্চলের দেশগুলো এর সুফল ভোগ করার আগেই বিপর্যয়ের ধাক্কা মোকাবিলা করছে। অশান্ত মিয়ানমারের সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি এখন প্রতিবেশী দেশ চীন, ভারত ও বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। ২০২১ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বর্তমানে চরম সংকটময় সময় পার করছে। ২০২৩-এর অক্টোবরের শেষভাগে জাতিগত সংখ্যালঘু তিনটি গোষ্ঠীর সশস্ত্র সংগঠন মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ), তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এবং আরাকান আর্মি (এএ) একত্রে ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স নামে জোট গঠন করে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলা শুরু করে। এর পরপরই অক্টোবর মাস থেকে মিয়ানমারজুড়ে ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের সঙ্গে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সংঘর্ষের তীব্রতা বেড়ে গেছে। বর্তমানে মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ এক নতুন মাত্রা লাভ করেছে এবং সেনা-বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে পিছু হটতে শুরু করেছে জান্তা বাহিনী।

ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স ‘অপারেশন ১০২৭’ নামে তাদের এই অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। তারা ২৭ অক্টোবর চীনের সঙ্গে সীমান্তবর্তী শান রাজ্যে হামলা চালিয়ে কয়েকটি শহর ও শতাধিক সামরিক চৌকি দখল করে। চীন সীমান্তের কাছে উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যের একটি অংশে ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স যৌথ অভিযান চালিয়ে চীন-মিয়ানমার সীমান্ত বাণিজ্যনগরী হিসেবে পরিচিত চিন শওয়ে হাও শহর দখল করে নেয়। ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স চীনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ বন্ধ করে দেয় এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ক্রসিং দখল করে।

২০২১ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকে উত্তরাঞ্চলে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে ৫০ হাজারেরও বেশি বেসামরিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। মিয়ানমার-চীন সীমান্তের একটা বড় অংশ এখন বিদ্রোহীদের দখলে। মিয়ানমারে বিদ্রোহীরা শান প্রদেশে তাদের মূল ঘাঁটি গড়ে তুলেছে। সেখানে তারা একের পর এক সামরিক ঘাঁটি দখল করছে। মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কোণঠাসা হয়ে পড়েছে সেনাবাহিনী। বিমান হামলা চালিয়েও বিদ্রোহীদের অগ্রগতি ঠেকাতে পারছে না। চলমান সংঘর্ষে চীন সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মিয়ানমার-চীন সংযোগ রক্ষাকারী সড়কও এখন বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে। ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স ‘অপারেশন ১০২৭’ শুরু করার পর এ পর্যন্ত মিয়ানমার সেনাবাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ৯টি শহরের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে।
বর্তমানে পশ্চিমের রাখাইন রাজ্য এবং চিন রাজ্যে নতুন করে আরও দুই জায়গায় যুদ্ধ শুরু হয়েছে। রাখাইনের রাথেডং, মংডু ও মিনবাইয়া শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের সদস্য এএ-এর যোদ্ধাদের সংঘর্ষ হয়েছে। এসব হামলায় জান্তা বাহিনী ও পুলিশ ৪০টি অবস্থান হারিয়েছে। নভেম্বরে ২০২২ থেকে চলমান অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে এএ রাখাইনের তিনটি জনপদের পাঁচটি স্থানে হামলা চালায়। ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স ও সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষে দেশটির ভৌগোলিক অখণ্ডতা ঝুঁকিতে পড়েছে। মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, বিদ্রোহ কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হলে মিয়ানমার ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ভারতের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের চিন রাজ্যে বিদ্রোহীরা দুটি সামরিক শিবিরে হামলা চালানোর পর মিয়ানমার সেনাবাহিনী ব্যাপক বিমান হামলা ও ভারী আর্টিলারি দিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালায়। এর ফলে সীমান্তবর্তী এলাকার ৫ হাজারের বেশি মিয়ানমারের নাগরিক নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য মিয়ানমার থেকে ভারতের মিজোরামে ঢুকে পড়ে। মিয়ানমারের পরিস্থিতি খারাপ হলে এই বিশাল সীমান্ত এলাকা অশান্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর মিয়ানমার থেকে প্রায় ৩২ হাজার মানুষ মিজোরামে আশ্রয় নিয়েছে। অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও মিজোরামের সঙ্গে মিয়ানমারের ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। ২০১৮ সালের মে মাসে, ভারত এবং মিয়ানমার সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘ফ্রি মুভমেন্ট’ চুক্তি অনুযায়ী, মিয়ানমার থেকে প্রায় বিনা বাধায় মিয়ানমারের নাগরিকরা ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে ঢুকতে পারত। মণিপুরে গোষ্ঠী হিংসা ছড়িয়ে পড়ার পর ভারত এই ‘ফ্রি মুভমেন্ট’ চুক্তি স্থগিত রাখে। মিয়ানমার সামরিক সরকার বিদ্রোহীদের দমন করতে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে ভারত সীমান্তের কাছে বিদ্রোহীদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়। ভারতের একটি শরণার্থী শিবিরে মিয়ানমার থেকে আসা গোলার আঘাতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে ও সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ) ১২ নভেম্বর উত্তর চিন রাজ্যে ভারতের প্রধান বাণিজ্য রুটে অবস্থিত সীমান্তে রেহ খাও দাহ শহরটি দখল করে। এতে সীমান্ত বাণিজ্য ব্যাহত হচ্ছে।

ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স থাই সীমান্তের পাশে পূর্ব কায়াহ রাজ্যের রাজধানীর কাছে সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করছে। ১৩ নভেম্বর, মন রাজ্যের কায়িকমায়াউ টাউনশিপে সংঘর্ষের পর ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স এখানকার পুলিশ স্টেশন ও সামরিক ফাঁড়ি দখল করে। সংঘর্ষস্থলের আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে। ১২ নভেম্বর লাশিও জেলা জান্তা প্রশাসনের কার্যালয় কুনলং-এর পতন ঘটে। ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স কর্তৃক দখল করা এই শহরটি ৭৫ বছর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। মিয়ানমার-চীন সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য নগরী মুসের কাছে নামখাম শহরটিও তারা দখলে নিয়েছে। ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স কিউগোক এবং উত্তর শান রাজ্যের কৌশলগত শহর সেনির প্রায় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। মিয়ানমার-চীনের দুটি প্রধান বাণিজ্য রুট-লাশিও-মিউজ এবং লাশিও-চিন শওয়ে হাউ সেনিতে একত্রিত হয়েছে। ৩ নভেম্বর, পিডিএফসহ একটি প্রতিরোধ জোট সাগাইং অঞ্চলের কাওলিন শহর দখল করে। ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের আক্রমণে ৭ নভেম্বর সাগাইংয়ের তামু জেলার কাম্পাটের পতন ঘটে। মিয়ানমারের সামরিক শাসক সব সরকারি কর্মী এবং সামরিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জরুরি পরিস্থিতিতে কাজ করার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে এবং প্রয়োজনে এ ধরনের ইউনিটকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নিরাপত্তার জন্য কাজ করতে হতে পারে বলে নির্দেশ দিয়েছে। চলমান সেনা বিদ্রোহী সংঘর্ষের জেরে মিয়ানমারে প্রায় ১ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ‘মিয়ানমারে সংঘাতের বিস্তারে’ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

মিয়ানমারের সংঘাতময় অঞ্চল আন্তদেশীয় যোগাযোগ ও বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। মিয়ানমারে চলমান সংঘর্ষে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। মিয়ানমারে সমস্যা যত বাড়তে থাকবে এ অঞ্চলের দেশগুলোর সামগ্রিক উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। গ্লোবাল সাউথের অন্তর্গত দ্রুত উদীয়মান এই অঞ্চলের উন্নয়নে এ ধরনের সংঘাত নিরসন ও শান্তি প্রতিষ্ঠা জরুরি। এর ফলে প্রতিটি দেশের নিজস্ব উন্নয়নের পাশাপাশি আঞ্চলিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি বাড়বে এবং সার্বিকভাবে বিশ্ব পরিমণ্ডলে নতুন আঙ্গিকে এ অঞ্চল নিজেকে উপস্থাপনে সক্ষম হবে। মিয়ানমার, দুটি আঞ্চলিক শক্তি চীন ও ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি, পুরো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে নিবিড় সংযোগ ও উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। এ অঞ্চল ঐক্যবদ্ধভাবে যে কোনো সমস্যা মোকাবিলা করে উন্নয়ন ও সফলতা অর্জনে সক্ষম হবে। ক্ষুদ্র স্বার্থগুলো দূরে রেখে বৃহত্তর ঐক্য ও উৎকর্ষ অর্জনে এটা অপরিহার্য।

চলমান এই সংঘর্ষের মধ্যেও চীনের মধ্যস্থতায় পাইলট প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ১৭৬ জন রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এর ধারাবাহিকতায় ৩১ অক্টোবর, ৩২ সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধি দল রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মতবিনিময় করতে টেকনাফে আসে। প্রতিনিধি দলটি ১৮০ জন রোহিঙ্গার সঙ্গে আলোচনা করে। রোহিঙ্গা নেতারা জানান, রাখাইন রাজ্যে স্বাধীনভাবে বসবাসের নিরাপত্তা ও সুযোগ দেওয়া হলে তারা ফিরে যেতে রাজি, তবে রাখাইন রাজ্যের আশ্রয়শিবিরে থাকতে হলে তারা ফিরবে না। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে কিছু রোহিঙ্গাকে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে মিয়ানমারের রাখাইনে পাঠানোর মধ্য দিয়ে প্রত্যাবাসন শুরু করা হবে, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, তবে কাজে অনেক অগ্রগতি হয়েছে বলে চীন মনে করে ও তারা এর সফলতার বিষয়ে আশাবাদী। চীনের উদ্দেশ্য হলো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কিছু রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো। ১৫ নভেম্বর, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার নিয়ে ওআইসি ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) উত্থাপিত প্রস্তাবটি জাতিসংঘে গৃহীত হয়। এ প্রস্তাবে ১১৪টি দেশ সমর্থন দিয়েছে। প্রস্তাবে বাংলাদেশ সরকারের উদারতা ও মানবিক সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করতে আসিয়ানের পাঁচ দফা ঐকমত্যের দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়, সব সদস্য-দেশকে বাংলাদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে এবং বাংলাদেশের ওপর আসা চাপকে ভাগ করে নিতে হবে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের আগ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে পর্যাপ্ত অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ এবং আসিয়ানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়। যত দিন পর্যন্ত রোহিঙ্গা সংকটের পূর্ণাঙ্গ সমাধান না হবে ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের ও আন্তর্জাতিক সব মাধ্যমে এ সমস্যার অগ্রগতি ও উদ্যোগগুলো তুলে ধরে সমাধানের প্রচেষ্টা চালু রাখতে হবে। বিশ্ব সম্প্রদায় এ সমস্যার কথা যেন ভুলে না যায় তার জন্য বাংলাদেশকে নিরন্তন প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এশিয়ার দেশগুলোর সামগ্রিক উন্নয়নে এ অঞ্চলের জনগণকেই ভূমিকা রাখতে হবে, বাইরের কেউ এসে এখানকার উন্নয়ন নিশ্চিত করবে না। ইউরোপীয় দেশগুলোর উন্নয়নে এই বোধ প্রাধান্য পাওয়াতে তারা নিজেদের মধ্যকার যুগ যুগ ধরে চলার বিভেদ ও সংঘাত থামিয়ে উন্নত হয়েছে এবং বিশ্বে তারা জোরালো ভূমিকা রাখছে। এ অঞ্চলের নেতৃত্ব সমন্বিতভাবে উদ্যোগ নিলে অশান্ত পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব, যা উন্নয়নের দুয়ার খুলে দেবে। উন্নত যোগাযোগ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, বাণিজ্যবান্ধব নিয়মনীতি নিশ্চিত করা গেলে বিশ্ব পরিমণ্ডলে এ অঞ্চল নেতৃস্থানীয় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

লেখক : মিয়ানমার ও রোহিঙ্গাবিষয়ক গবেষক
 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়