শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:২১, বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৩

লেবাস পরা ওরা কারা?

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক
অনলাইন ভার্সন
লেবাস পরা ওরা কারা?

গতকাল ছিল ৬ ডিসেম্বর। এ দিনটি আমাদের ইতিহাসে একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৭১ সালের সেই দিনটিতেই ভারত এবং ভুটান স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল। সেই স্বীকৃতি ’৭১ সালে যে কত প্রয়োজনীয় ছিল, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। সেই স্বীকৃতির কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে। পাকিস্তান কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধুর মুক্তিতেও সেই স্বীকৃতি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

আমাদের স্বাধীনতায় ভারতের অবদানের জন্য সেই দেশটির প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা কখনো ম্লান হবে না। সেদিন ভারত এগিয়ে না এলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ কোথায় গিয়ে ঠেকত, আন্দাজ করা সহজ নয়। সে কথা স্বয়ং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবও পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বাংলাদেশের পথে দিল্লিতে সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতি করে সেখানে জনসমুদ্রের কাছে কৃতজ্ঞতা ভরে উল্লেখ করেছিলেন। পরবর্তীতেও বহুবার তিনি ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতার কথা বলেছেন। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক যে রক্ত দিয়ে লেখা, সে কথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীরা সব সময়ই বলে থাকেন। কিন্তু যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি তাদের মনে ভারত বিদ্বেষ প্লেগ রোগের মতোই বিরাজমান। মুক্তিযুদ্ধকালেও বেশ কিছু লোক স্বাধীনতাবিরোধী ছিল। তাদের মধ্যে যারা এখনো জীবিত আছে এবং তাদের বংশধররা এখনো এ জন্য ভারতকে সহ্য করতে পারছে না। শুধু একটি কারণেই যে, ভারত আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধে মুখ্য সহায়ক হিসেবে অবদান রেখেছিল। পাকিস্তান ভেঙে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয় তারা আজও মেনে নিতে পারছে না। তাই ভারত বিরোধিতা। তাদের বুকে তখন রক্তক্ষরণ হয়েছিল।

কদিন আগে অস্ট্রেলিয়ার কাছে বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলায় ভারত পরাজিত হলে, আমার মন যেমন খারাপ হয়েছিল, আশা করেছিলাম তেমনি অনুভূতি হবে সব বাংলাদেশির। কিছু লোক, যারা স্বাধীন বাংলাদেশকেই মানে না, ভারতের পরাজয়ে তারাই উল্লসিত হয়েছিল। শুধু তাই নয়, এসব পাকিস্তানপ্রেমী এমনকি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাকিস্তান বিজয়ী হলেও আনন্দিত হয়, কারণ তাদের আনুগত্য পাকিস্তানের দিকে। ভারত অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যাওয়ায় সংখ্যাধিক্য বাংলাদেশি ব্যথিত হলেও মোট জনসংখ্যার একটি ক্ষুদ্র অংশ ভারতের পরাজয়ে উৎফুল্ল হয়েছিল। এই জনসংখ্যাকে মজ্জাগত ভারতবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করতে ভুল হয় না। এরা প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে পাকিস্তানি সৈন্যদের সঙ্গে মিলিত হয়ে বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে বা গণহত্যায় সমর্থন দিয়েছে। এরা যে শুধু জামায়াতে ইসলামেরই লোক তা নয়, এদের সঙ্গে মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম, কট্টর চীনপন্থিও ছিল। শুধু শাহ আজিজই নয়, যাদু মিঞা, সলেমান, ডা. মালেক, সবুর খান, ফজলুল কাদের চৌধুরী, তার ছেলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, মোহন মিয়া, কর্নেল মোস্তাফিজ, বিচারপতি সাত্তার, আবদুর রহমান বিশ্বাস, হামিদুল হক চৌধুরী, মার্শাল তোয়াবসহ অনেকেই স্বাধীনতাযুদ্ধ রুখে দেওয়ার জন্য সবই করেছিলেন। তালিকা খুব ছোট নয়। পর্দার আড়ালে থেকে যারা পাকিস্তান রক্ষা করতে সচেষ্ট ছিল, তাদের সংখ্যাও কম ছিল না। অনেকে ছদ্মবেশে আওয়ামী লীগ নেতা সেজে গোপনে পাকিস্তান রক্ষায় ব্যস্ত ছিলেন। খোন্দকার মোশতাক, জহুরুল কাইউম গং যে কলকাতায় বসেই পাকিস্তান রক্ষার জন্য কলকাতার মার্কিন কনস্যুলেট অফিসের প্রধান জোসেফ ফারল্যান্ডের সঙ্গে গোপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল, সে কথা খোদ হেনরি কিসিঞ্জারই তার পুস্তকে উল্লেখ করেছেন।

সেই ’৭১-এর পরাজিত অপশক্তি দল বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়াকে ত্রাণকর্তা হিসেবে পেয়ে তার ছত্রছায়ায় একত্রিত হয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে একত্রিত হওয়ার মিশন নিয়ে। যার প্রমাণ বঙ্গবন্ধু হত্যার কয়েক মিনিটের মধ্যেই পাওয়া যায় খুনি ডালিমের বেতার ঘোষণা থেকে যখন সে বলেছিল বাংলাদেশ এখন ইসলামিক প্রজাতন্ত্র। পাকিস্তানও একই সুরে একই কথা প্রচার করেছিল।

জিয়া, এরশাদ এবং পরবর্তীতে খালেদার নেতৃত্বে সেই পাকিস্তান জিন্দাবাদের অপশক্তি একটানা ২১ বছর বন্দুকের জোরে দেশের কর্তৃত্বে থেকে সেই স্বাধীনতা বিরোধীদের লালন করে আর্থিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠা করায় এদের উত্তরসূরিরা এমনি শক্তি পেতে থাকে যে, পাকিস্তান প্রীতির কথা তারা রাখঢাক না রেখেই বলতে থাকে। ঢাকার পাকিস্তান দূতাবাস তাদের অর্থ প্রদানসহ সব সহায়তা প্রদান করতে থাকে, যা করতে গিয়ে তাদের দুজন কূটনীতিক হাতেনাতে ধরা পড়লে তাদের বহিষ্কার করা হয়। শুধু যে ধর্মান্ধ দলগুলোই পাকিস্তান ফিরে যাওয়ার পক্ষে কাজ করছে তা নয়, মূলত বিএনপির শীর্ষ নেতারাও একই ধারণার লোক। এদের বড় অংশ রাজাকারদের বংশধর, যে কথা প্রমাণিত।

২০০১ সালের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সদস্যরা আমাদের আইন ভঙ্গ করে মিরপুর স্টেডিয়ামে পাকিস্তানি পতাকা উত্তোলন করলে তার প্রতিবাদে ভেঙে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধপন্থি বিশাল জনতা। কিন্তু তখন পবিত্র সংসদে দাঁড়িয়ে এক বিএনপি সদস্য নির্লজ্জের মতো পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সমর্থন করে তার এবং তার দলের পাকিস্তানের প্রতি প্রকাশ্য আনুগত্য প্রমাণ করেছে। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত হেরে যাওয়ার পর যারা মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনন্দ করেছে, তাদের সংখ্যা খুবই নগণ্য। তাই তাদের উদাহরণ হিসেবে সামনে রেখে এটা বলার কোনো সুযোগ নেই যে, বাংলাদেশের মানুষ ভারতের পরাজয়ে খুশি হয়েছে। অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের ভাষায় বাংলাদেশে বেশ কিছু বাংলাভাষী পাকিস্তানি বসবাস করে। এসব বাংলাভাষী পাকিস্তানিই ভারত হেরে যাওয়ায় আনন্দিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রকৃত বাঙালিরা খুশি হয়নি। কয়েকটি চিহ্নিত ইউটিউবার আছে ভারত বিদ্বেষ ছড়ানোই যাদের একমাত্র কাজ। এদের মধ্যে পাকিস্তানি কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে। এরা যে পাকিস্তানের আইএসআইর অর্থপ্রাপ্ত, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদের সঙ্গে রয়েছে কিছু ওয়াজ ব্যবসায়ী যারা আজও বাংলাদেশকে মানতে পারছে না। অনুপাতে এরা গোটা জনসংখ্যার ১০-১৫%-এর বেশি নয়। ১৯৭১ সালেও স্বাধীনতার বিপক্ষে লোকের আনুপাতিক হার একই ছিল। বিভিন্ন অপরাধ করে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে বিদেশে বসেও ইউটিউবের মাধ্যমে ভারতবিদ্বেষ এবং সাম্প্রদায়িকতা ছড়াচ্ছে কয়েকজন ফেরারি আসামি। এদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য গৌরী সেনদের অভাব নেই। তারা পাকিস্তানি প্রভুদের নির্দেশ পালন করছে। উদ্দেশ্য একটাই, বাংলাদেশের মানুষের মন থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নস্যাৎ করে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার পথ তৈরি করা, যেটি ’৭৫ সালে জিয়া-মোশতাক করতে চেয়েছিলেন। তাদের প্রকাশ্য উসকানিতে পূজার সময় কিছু দুর্বৃত্ত পূজামণ্ডপ আক্রমণ করে মূর্তি ভাঙচুর করছে, নির্বাচনকালে হিন্দু-বৌদ্ধ ধর্মের লোকদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। তবে তারা আপামর জনসাধারণের মধ্যে কোনো প্রভাব সৃষ্টি করতে পারেনি। নিশ্চিতভাবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকের অনুপাত অনেক বেশি। পশ্চিম বাংলায়ও কিছু সামাজিক মাধ্যম ভুল করে বলে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশের লোক ভারত হেরে যাওয়ায় খুশি হয়েছে। তারা বাংলাভাষী পাকিস্তানিদের সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা থেকেই এ ধরনের কথা বলছেন। বিষয়টি গভীরভাবে দেখলে তাদের বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় যে, বাংলাদেশিরা ভারতবিদ্বেষী নয়, ভারতের পরাজয়ে তারা উৎফুল্ল হয়নি, হয়েছে সে সব বাঙালি যাদের আনুগত্য পাকিস্তানের প্রতি, যারা সংখ্যায় নগণ্য।

অনেক ভারতবিদ্বেষী ঘাপটি মেরে আওয়ামী লীগের মুখোশ ধারণ করে তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল’ অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের এক আলোচনাসভায় মাসুম বিল্লা নামক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের এক অধ্যাপক ’৭১-এ ভারতীয় সৈন্যদের দখলদার বাহিনী বলার মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছিলেন। কড়া প্রতিবাদের মুখে মাসুম বিল্লার সেই উক্তি এক্সপাঞ্জ করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধকালে পূর্ব বাংলায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতে কর্মরত এক কর্মকর্তা, যাকে পরবর্তীকালে খালেদা জিয়া জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সদস্য পদে অধিষ্ঠিত করেছিলেন, তার পুত্র, যিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের একজন অধ্যাপক, তিনি সুযোগ পেলেই টকশোতে ভারতবিদ্বেষী কথা বলতে থাকেন। তাছাড়া একটি বিদেশি পত্রিকায় তিনি এই মর্মে লিখেছিলেন যে, বর্তমান সরকার ভারতকে খুশি করার জন্য আলেমদের গ্রেফতার করছে। এ অধ্যাপককে প্রায়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠানসমূহে দেখা যায়। যতটুকু জানতে পেরেছি তা হলো, এই যে ভারতে তার প্রবেশের ওপর সে দেশের সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী সাঈদীর মৃত্যুর পর এক বিরাটসংখ্যক ছাত্রলীগ সদস্য কর্তৃক সাঈদীর প্রশংসার ঘটনা প্রমাণ করে যে, গোপনে কত মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী লোক আওয়ামী লীগে ঢুকে পড়েছে। যারা ধর্মান্ধ দলগুলো বা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তাদের চিনতে অসুবিধা হয় না। কিন্তু যারা আওয়ামী লীগের লেবাস পরে তাদের গোপন এজেন্ডা কার্যকর করতে এগিয়ে যাচ্ছে, তাদের চেনা কঠিন। এসব ঘাপটি মেরে থাকা লোকদের মুখোশ উন্মোচন করার জন্য প্রয়োজন গণসচেতনতা। যারা মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করে তাদের অন্যতম গুরু দায়িত্ব হচ্ছে গণসচেতনতা প্রসারের জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করে যাওয়া যাতে পাকিস্তানপ্রেমীদের স্বপ্ন কখনো সফল না হয়।

লেখক : আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়