শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:০৬, শনিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০২৪

সেলাই করা খোলা মুখ

‘কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক...’

মোফাজ্জল করিম
অনলাইন ভার্সন
‘কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক...’

আজকাল টিভি চ্যানেলগুলোতে একটা সংবাদ সারাদিন, সারারাত একটু পরপরই প্রচারিত হচ্ছে। এতে না সংবাদ পরিবেশকরা, না দর্শকরা বিরক্তবোধ করেন, না কোনো মহল থেকে কোনো প্রতিবাদ বা সমালোচনা শোনা যায়। গত বেশ কিছুদিন যাবৎ এটা চলে আসছে। সংবাদটি হচ্ছে, ইসরাইল কর্তৃক গাজায় বোমা মেরে রোজ শত শত ফিলিস্তিনি নিধন।

গত এক বছরে প্রায় অর্ধলাখ নিরীহ নিরস্ত্র আবালবৃদ্ধবনিতা ইসরাইলি বিমান আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন। এঁরা সবাই বেসামরিক নাগরিক। আক্রমণকারীরা যেন বেছে বেছে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করছে। এমনকি হাসপাতালগুলোও বাদ যাচ্ছে না।

টিভি চ্যানেলে আমরা একদিকে দেখছি বোমা-আক্রমণের ধ্বংসলীলা, আর তার পাশাপাশি অগণিত লাশের দাফন-কাফনের জন্য জীবিতদের আকুল প্রচেষ্টা। টিভির পর্দায় এ দৃশ্য প্রতিদিনের। যেন পরিচালক এই চিত্রনাট্য পরিবর্তন-পরিমার্জন করতে রাজি নন! তা না হয় হলো। বুঝলাম এটাই গাজাবাসীর বিধিলিপি।

ইহুদিদের হাতে তারা নিশ্চিহ্ন না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববাসীকে প্রতিনিয়ত এই দৃশ্যই দেখে যেতে হবে টিভির পর্দায়। কিন্তু পৃথিবীর মানুষের বিবেক-বুদ্ধি সবই কি লোপ পেয়েছে? তাদের মুখপাত্র জাতিসংঘ এবং কোনো কোনো বিশ্বমোড়ল মাঝে মাঝে এক-আধটা বাণী দিয়েই কি তাদের দায়িত্ব শেষ মনে করেন? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের (৫ নভেম্বর) শেষ মুহূর্তে একজন প্রধান প্রার্থী (কমলা হ্যারিস) যা হোক তবু এ বিষয়ে ছোট্ট করে হলেও একটু জবান খুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তিনি নির্বাচিত হলে গাজার যুদ্ধ থামাবেন। ভালো কথা। কিন্তু তিনি ও তাঁর বস জো বাইডেন সাহেব তো এতদিন পর্যন্ত যুদ্ধ থামাতে বলেননি তাঁদের সাঙাত নেতানিয়াহুকে।

সবাই জানে নেতানিয়াহু সাহেব কাদের মদদ পেয়ে নেতা হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র যদি এই মিয়াকে বলে ‘খেল খতম, পয়সা হজম, যাও বাচ্চা সো রহো’, তাহলে এই বাচ্চার আর এক মিনিটও যুদ্ধ চালানোর তাকত থাকবে না। তবে নেতানিয়াহুর এই মুরব্বি এটা বলার আগে দশবার চিন্তা করবেন। কারণ তাঁর দেশের এত বিশালকায় অর্থনীতি যাদের কাঁধের ওপর ভর করে আছে, তারা তো সবাই নেতানিয়াহু মিয়ার সহোদর ভ্রাতা—ইহুদি। তাই বলছিলাম কি, কমলা নির্বাচনে জিতলেই কি যুদ্ধ থামাতে পারতেন? আর তা ছাড়া দুনিয়ার যেখানেই যুদ্ধ-টুদ্ধ হোক সেখানে মার্কিন সমরাস্ত্র, যুদ্ধবিমান ইত্যাদি ছাড়া কি যুদ্ধ হয়? তাই নানা হিসাব-নিকাশের পর আমার ধারণা, কেউ যদি যুদ্ধ বন্ধ করতে চানও তবু তা হবে কাকস্য পরিবেদনা। বাস্তবতা হচ্ছে, দেশে দেশে যুদ্ধবিগ্রহ থেমে গেলে বেচারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে না খেয়ে মরতে হবে।

এদিকে সম্প্রতি গাজা-যুদ্ধের একটা নতুন দিক উন্মোচিত হওয়ার খবর জানা গেল। যে ইহুদিরা হররোজ কয়েক শ মুসলিম নিধনের খবর না শুনে শুতে যায় না, তারা নাকি রাজধানী তেল আবিবে যুদ্ধবিরতির পক্ষে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এবং ধীর লয়ে হলেও তাদের এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নাকি ক্রমেই বিস্তারলাভ করছে। বিষয়টা কী? ইসরাইলিরা হঠাৎই বেহেড মাংসাশী থেকে একেবারে নিরামিষাশী হয়ে গেল যে বড়? বিষয় আর কিছুই না। হাজার হাজার ফিলিস্তিনি শহীদ হওয়ার বিপরীতে দু’চারজন ইহুদির লাশও যে পড়ে না এমন নয়। তা ছাড়া গাজার কারাগারে কিছুসংখ্যক ইসরাইলি বন্দী আছে, যাদের মুক্তির জন্য মাঝে মাঝেই তেল আবিবের পথে-ঘাটে মিটিং-মিছিল হয়। নেতানিয়াহু সাহেবের সরকারের জন্য এটা একটা বিষফোঁড়া। আন্দোলনকারীরা সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানঘ্যান করছে : চাই না এমন যুদ্ধ। বন্ধ করো যুদ্ধ, ফেরত আনো আমাদের সন্তানদের। এই ইস্যুতে নেতানিয়াহুর নেতাগিরি নাকি বড় রকমের হুমকির মুখে।

ফিলিস্তিন তথা সমগ্র আরববিশ্বের জন্য ইসরাইলের বিরুদ্ধে এটা একটা দারুণ প্লাস পয়েন্ট। এটাকে কাজে লাগিয়ে তারা তাদের এই জাতশত্রুকে একেবারে কুপোকাত করতে না পারলেও তার জাতীয় ঐক্যের মাজা ভেঙে দিতে পারে। আর ঐক্য নাই তো যত বড় হিরোও হও না কেন, আসলে তুমি একটা জিরো। অবশ্য আরবদের ঐক্যের ব্যাপারে সবক দেওয়ার কিছু নেই। অর্থনৈতিকভাবে এত শক্তিশালী আরবদের এই একটি বিষয়ে দারুণ কমতি থাকার কারণে বর্তমান বিশ্বের মোড়লরা তাদের অপাঙক্তেয় মনে করে। আরবরা যদি একটিবার ঐক্যবদ্ধভাবে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াত, তাহলে ইসরাইলের সাধ্য ছিল না গাজাতে এই নরমেধযজ্ঞ চালিয়ে যায়। কিন্তু তা তো হবে না। ইসরাইলিরা ঠিকই জানে, ন’মণ তেলও হবে না, রাধাও নাচবে না।

আর বিশ্ববিবেক? ওটা তো মনে হয় গাজার ব্যাপারে নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে। আশ্চর্য, প্রতিনিয়ত যে শত শত শিশু, জরাক্রান্ত বৃদ্ধবৃদ্ধা, অসহায় নারীপুরুষ মারা যাচ্ছে, তাতে এই কুম্ভকর্ণের মোটেই নিদ্রাভঙ্গ হচ্ছে না। যেন গাজার এই নিরীহ নিষ্পাপ আদমসন্তানগুলোর জন্য কারো কোনো দায়দায়িত্ব নেই। এটা যদি গাজা না হয়ে ইউরোপ-আমেরিকার কোনো শহর-বন্দর-গ্রাম হতো, তাহলে কল্পনা করুন বিশ্বব্যাপী কী রকম প্রতিবাদের ঝড় উঠত, মারমার কাটকাট করে ছুটে আসত ছোট-বড় সবাই। আর বড় মিয়ারা চোখমুখ বুজে থাকলে আমাদের মতো গরিব-নাচাররা আগ বাড়িয়ে কিছু বলার বা করার প্রশ্নই আসে না। সেই ইংরেজি প্রবাদবাক্যটা এসব ব্যাপারে সবাই মেনে চলে : ‘ফুলস্ রাশ ইন হোয়্যার অ্যাঞ্জেলস্ ফিয়ার টু ট্রেড’ (‘দেবদূতেরা যেখানে পা বাড়াতে সাহস পায় না, সেখানে বোকারাই দ্রুত ছুটে যায়’।)

কেন জানি আজকাল আমার মনে হয় মানুষের মন থেকে প্রেম-প্রীতি-ভালোবাসার মতো সুকুমার বৃত্তিগুলো ধীরে ধীরে লোপ পাচ্ছে। তা না হলে যে মানুষটি গণজমায়েতে বা মিছিলে গুলি মেরে মানুষ হত্যা করে দিব্যি নির্বিকার থাকতে পারে, রাতে বাড়ি ফিরে নাওয়া-খাওয়া সেরে আয়েশ করে সোফায় হেলান দিয়ে বসে প্রিয় টিভি সিরিয়াল দেখতে পারে বৌ-বাচ্চা নিয়ে, কোলে বসা শিশুটিকে আদরে আদরে ভাসিয়ে দিতে পারে, সে কীভাবে এ রকম ভাবলেশহীন থাকতে পারে? যেন একটু আগে সে গুলি মেরে আরেক মা-বাবার স্বপ্নের ধনকে মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নেয়নি—যেন ওটা ছিল ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহক একটি মশা। যেন ওটাকে ধ্বংস করে বিরাট এক পুণ্যের কাজ করেছে সে। আর তার নিয়ন্ত্রক হাজার হাজার অপকর্মের বোঝা মাথায় নিয়ে, ১৭ কোটি মানুষকে ‘শোকসাগরে ভাসিয়ে’, হেলিকপ্টারে চড়ে ‘বাই বাই টা টা’ জানিয়ে পগারপার হয়ে গেলেন। একবারও এই ‘মূঢ় ম্লান মূক মুখের’ মানুষগুলোর কথা ভেবে দেখলেন না। এমনকি তাঁর অগণিত হুকুমবরদারের কথাও না।

একবিংশ শতাব্দীর সিকি ভাগ পার করে এসে আমরা, এই গ্রহের মানুষেরা, কোথায় হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে পরস্পর পরস্পরকে কাছে টেনে নেব ভালোবাসার বন্ধনে তা না, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ যে ‘হিংসায় উন্মত্ত পৃথ্বী’, এবং তার ‘নিত্য নিঠুর দ্বন্দ্ব’ থেকে মুক্তির জন্য আকুল প্রার্থনা করে গেছেন (‘শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্ত পুণ্য,/করুণাঘন, ধরণীতল কর কলঙ্কশূন্য’) তাই আমাদের ললাটলিখন হয়ে রইল। আর কবিগুরুর সমসাময়িক আমাদের লালমনিরহাটের কবি শেখ ফজলুল করিম বলে গেছেন : ‘কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক কে বলে তা বহুদূর/মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেই সুরাসুর। রিপুর তাড়নে যখনি মোদের বিবেক পায় গো লয়/আত্মগ্লানির নরক-অনলে তখনই পুড়িতে হয়।’... আর তারপরই কবি তাঁর অমর বাণী উচ্চারণ করেছেন এই ভাবে : ‘প্রীতি ও প্রেমের পুণ্য বাঁধনে মিলি যবে পরস্পরে/স্বর্গ আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদের কুঁড়েঘরে’।

লেখক : সাবেক সচিব, কবি

[email protected]

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন