শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩৮, বুধবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

খেলাপি ঋণ কঠোর করার সময় এখন নয়

নিরঞ্জন রায়।
অনলাইন ভার্সন
খেলাপি ঋণ কঠোর করার সময় এখন নয়

সম্প্রতি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী মার্চ মাসের মধ্যে সব ধরনের ঋণের শ্রেণীকরণ নীতিমালা আরো কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঋণ শ্রেণীকরণের নতুন নীতিমালায় কী ধরনের কঠোর শর্ত অনুসরণ করা হয়েছে, তা বিস্তারিতভাবে সংবাদমাধ্যমে আসেনি। তবে যতটুকু জানা গেছে তাতে নতুন নীতিমালা অনুযায়ী এখন থেকে যেকোনো ধরনের ঋণ পরিশোধের নির্ধারিত তারিখের পর থেকে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে না পারলে ব্যাংক যেকোনো ধরনের ঋণখেলাপি হিসেবে গণ্য করবে। বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী এই সময় ছয় মাস।

নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে দেশে মোট খেলাপি ঋণ দুই লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে পাঁচ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খুবই স্বাভাবিক। কেননা ঋণ পরিশোধের ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে যেখানে ঋণগ্রহীতারা ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না, সেখানে তিন মাসের মধ্যে সেই ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবে? খেলাপি ঋণ কঠোর করার সময় এখন নয়খেলাপি ঋণ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি বড় সমস্যা। এমনকি অনেকের মতে এটিই বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের প্রধান এবং একমাত্র সমস্যা।

খেলাপি ঋণ একটি মারাত্মক সমস্যা, কিন্তু অবশ্যই প্রধান বা একমাত্র সমস্যা নয়। বরং ব্যাংকিং খাতে বিরাজমান আরো অনেক বড় বড় সমস্যার অনিবার্য পরিণতি হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণ। খেলাপি ঋণের বৈশিষ্ট্যই এমন। এটিকে সঠিকভাবে ম্যানেজ করতে না পারলে এই সমস্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে।

আবার এই সমস্যা জোড়াতালি দিয়ে বা ধামাচাপা দিয়ে রাখারও কোনো সুযোগ নেই। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আমাদের দেশে হয় জোড়াতালি বা ধামাচাপা দিয়ে এই সমস্যা আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৭ শতাংশ।

আইএমএফের (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) শর্ত অনুযায়ী এই খেলাপি ঋণ নির্ধারণের নীতিমালা কঠোর করা হচ্ছে মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে। কেন আইএমএফ এ ধরনের খেলাপি ঋণ নির্ণয়ের শর্তারোপ করছে, তা বোধগম্য নয়। কেননা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে উন্নত বিশ্বের ব্যাংকগুলো যেভাবে খেলাপি ঋণ ম্যানেজ করে, সে সুপারিশ আইএমএফ করছে বলে মনে হয় না। উন্নত বিশ্বে ঋণ পরিশোধের জন্য নির্ধারিত তারিখ অতিবাহিত হওয়ার পর তিন বা ছয় মাসের কোনো গ্রেস পিরিয়ডের সুযোগ নেই। যে মুহূর্তে একটি ঋণ খারাপের দিকে যাওয়ার উপক্রম হয়, ঠিক সেই মুহূর্তে ঋণটিকে তিন মাসের জন্য বিশেষ তত্ত্বাবধানে নিয়ে নেওয়া হয়। এটি ঋণের মেয়াদ শেষে বা মেয়াদকালে যেকোনো মুহূর্তে হতে পারে। এই তিন মাস বিশেষ তত্ত্বাবধানে রেখে যদি ঋণটি ভালোর দিকে নেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে সেটি ভালো ঋণ হিসেবে চলতে থাকে। আর যদি সেই ঋণ ভালো হওয়ার সুযোগ না থাকে, তাহলে সেটিকে সম্পূর্ণরূপে অবলোপন করা হয়। আইএমএফ নিশ্চয়ই বাংলাদেশের জন্য এ রকম খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনার সুপারিশ করেনি।

উন্নত দেশের ব্যাংকিং খাতের এমন মানসম্পন্ন খেলাপি ঋণ নীতির প্রয়োগ যে সব সময় সমানভাবে হয় তেমন নয়। যখন অবস্থা বেশি খারাপ হয়, তখন অনেক ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তই নিতে দেখা যায়। সাম্প্রতিক কালের একটি দৃষ্টান্ত উল্লেখ করলে অনেকে বিষয়টা সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। বিগত কয়েক বছর উন্নত বিশ্বের দেশগুলো সুদের হার মাত্রাতিরিক্ত বাড়িয়ে দিয়েছিল। এই উচ্চ সুদের হারের কারণে ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধের কিস্তির পরিমাণ এমনভাবে বেড়ে গিয়েছিল, যা পরিশোধের ক্ষমতা অধিকাংশ ঋণগ্রহীতার ছিল না। তখন যদি ঋণগ্রহীতাদের নতুন কিস্তি অনুযায়ী ঋণ পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়া হতো, তাহলে তারা সেই কিস্তি পরিশোধ করতে পারত না। ফলে গণহারে সবাই ঋণখেলাপি হতো এবং সমগ্র ব্যাংক, তথা আর্থিক খাত মহাসংকটে পড়ে যেত। পক্ষান্তরে আগের কিস্তি অনুযায়ী ঋণ পরিশোধ করার সুযোগ অব্যাহত রাখলে ঋণগ্রহীতার আসল ঋণ তো দূরের কথা, বর্ধিত সুদের পরিমাণও শোধ হয় না, যা মানসম্পন্ন ঋণ পরিশোধ বা ডেট সার্ভিসিং পন্থার পরিপন্থী।

সাধারণত ঋণের কিস্তির একটি অংশ থাকে আসল পরিশোধের জন্য এবং বাকিটা ঋণের ওপর অর্জিত সুদ পরিশোধের জন্য। এ রকম অবস্থায় নিয়মবহির্ভূত হওয়া সত্ত্বেও ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের আগের কিস্তি অনুযায়ী ঋণ পরিশোধের সুযোগ অব্যাহত রাখে এক শর্তে যে কিস্তির পরিমাণ দিয়ে যদি ঋণের ওপর অর্জিত সুদ পুরোটা পরিশোধ না হয়, তখন অবশিষ্ট সুদ আসলের সঙ্গে যোগ করা হবে ভবিষ্যতে পরিশোধের জন্য। অর্থাৎ প্রত্যেক কিস্তি পরিশোধের সঙ্গে সঙ্গে ঋণের পরিমাণ কমার পরিবর্তে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। অথচ মানসম্পন্ন ঋণ পরিশোধের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক কিস্তি পরিশোধের সঙ্গে সঙ্গে কিছু পরিমাণ হলেও ঋণের পরিমাণ কমতে থাকে।

বিষয়টি অনেকের কাছেই জটিল মনে হতে পারে বিধায় একটি কাল্পনিক উদাহরণের মাধ্যমে পরিষ্কার করা যেতে পারে। ধরা যাক, সুদের হার যখন ২.৫০ শতাংশ ছিল, তখন কানাডার একজন ঋণগ্রহীতা ব্যাংক থেকে তিন লাখ ডলার ঋণ নিয়েছেন, যার মাসিক কিস্তি এক হাজার ৬০০ ডলার। এই কিস্তির মধ্যে আসলের পরিমাণ ৫০০ ডলার আর সুদের পরিমাণ এক হাজার ১০০ ডলার। এভাবে পাঁচ বছর ঋণের কিস্তি পরিশোধের পর সেই ঋণগ্রহীতার ঋণের পরিমাণ তিন লাখ থেকে নেমে দুই লাখ ৭৫ হাজার ডলার হবে। এখন সুদের হার বৃদ্ধি পেয়ে ৭ শতাংশ হয়ে যাওয়ায় সেই ঋণের ওপর মাসিক সুদের পরিমাণ দাঁড়াবে দুই হাজার ২০০ ডলার। সেই ঋণগ্রহীতা যদি তার আগের কিস্তির পরিমাণ এক হাজার ৬০০ ডলার করে পরিশোধ অব্যাহত রাখে, তাহলে প্রতি মাসে অপরিশোধিত সুদের পরিমাণ হবে ৬০০ ডলার, যা আসল ঋণের সঙ্গে প্রতি মাসে যোগ হওয়ার কারণে ঋণগ্রহীতার ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকবে। এভাবে চার বছর পর সেই ঋণগ্রহীতার মোট ব্যাংকঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে তিন লাখ তিন হাজার ৮০০ ডলার, যা একসময় পরিশোধের মাধ্যমে হ্রাস পেয়ে দুই লাখ ৭৫ হাজার ডলারে নেমে এসেছিল। 

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আইএমএফ কি আমেরিকা, কানাডার কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এ রকম অব্যবস্থার ব্যাপারে কিছু বলেছে। আমার জানা মতে, না। এই বিষয়টি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, অনেক ব্যাংকারও সেভাবে জানে না। এমনকি যারা আমাদের দেশে খেলাপি ঋণ নিয়ে কাজ করেন, তারাও বিষয়টি সেভাবে জানেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। আইএমএফ সুপারিশ করলেও সেটি সব সময় সঠিক নাও হতে পারে। আইএমএফ, এডিবি (এশিয়ান ডেভেলপমেণ্ট ব্যাংক), বিশ্বব্যাংক বা অন্যান্য দাতাসংস্থার পরামর্শ নিলেই যে খেলাপি ঋণ সমস্যার সমাধান হবে, তেমন ভাবার কোনো কারণ নেই। আর এটা যে হয় না, তার দৃষ্টান্ত তো আমাদের কাছেই আছে। গত শতাব্দীর আশির দশকে ফিন্যানশিয়াল সেক্টর রিফর্ম কর্মসূচির অধীনে সিএল (ক্লাসিফিকেশন অব লোনস) গৃহীত হয়েছিল। ফল কী হয়েছে তা আজ সবারই জানা। আজকে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে যে মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণ এবং অধিকাংশ ব্যাংকে প্রভিশন ঘাটতি, তার অনেক কারণের মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে এই সিএল।

এখন ব্যবসায়ীদের ব্যাবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে নিতে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। এই মুহূর্তে ব্যবসা এবং বিনিয়োগে গতি আনার কোনো বিকল্প নেই। প্রথমেই অতি পুরনো সব খেলাপি ঋণ, যা আদায় হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই, সেসব ঋণ এবং রাজনৈতিক বিবেচনায় অবৈধভাবে গৃহীত ঋণ, আপাতত অন্যত্র সরিয়ে রেখে এসব ঋণ আদায়ে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে। পক্ষান্তরে যেসব ব্যবসায়ী এখনো ব্যবসায়ে আছেন, কিন্তু নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না, তাদের সঙ্গে ব্যাংক আলোচনা করে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রয়োজনে উপযুক্ত সময় দিয়ে ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। একজন ঋণগ্রহীতার যদি ব্যাংকে ঋণের পরিমাণ হয় পাঁচ কোটি টাকা এবং সেই ঋণগ্রহীতাকে যদি ছয় মাস বা এক বছর সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়, তাহলে সেই ব্যবসায়ী যে এই ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন, তেমন সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ। পক্ষান্তরে এই ঋণের ওপর অর্জিত সুদসহ যদি সামান্য কিছু আসল প্রতি মাসে পরিশোধ করার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে অনেকেই সেই ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন বলেই আমার বিশ্বাস।

খেলাপি ঋণ নিয়ে এসব বলার উদ্দেশ্য এই নয় যে আমি খেলাপি ঋণের পক্ষে সাফাই গাইছি। এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে খেলাপি ঋণ আমাদের দেশের ব্যাংকিং খাতে একটি বড় সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু সেটি করতে হবে আমাদের দেশের অর্থনীতি, ব্যাংকিং এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে। ভিন্ন দেশের পরামর্শে নয়। সবচেয়ে বড় কথা এই সমস্যা সমাধানের জন্য একটা উপযুক্ত সময় বেছে নিতে হবে। দেশ যখন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যায়, দেশের ব্যাংকিং খাত যখন সংকটে থাকে এবং ব্যবসায়ী সম্প্রদায় যখন উদ্বেগ-উত্কণ্ঠার মধ্যে থাকে তখন খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য কঠোর হলে অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে। খেলাপি ঋণ নীতিমালা যত কঠিন হবে, তত বেশি খেলাপি ঋণ বাড়তে থাকবে। পরিণতিতে ব্যবসায়ীরা ঋণ পরিশোধ করতে পারবে না। এমনকি নতুন বিনিয়োগের সুযোগও থাকবে না, যার প্রভাব পড়বে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর এবং সার্বিকভাবে অর্থনীতির উপর। মূল কথা হচ্ছে খেলাপি ঋণ আদায়ে কঠোর হতেই হবে, কিন্তু সেই কঠোর হওয়ার উপযুক্ত সময় এখন নয়।

লেখক : সার্টিফায়েড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন