শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:১১, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ আপডেট: ১০:৪৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

কোনোভাবেই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারছে না ব্যবসায়ীরা

নিরঞ্জন রায়
অনলাইন ভার্সন
কোনোভাবেই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারছে না ব্যবসায়ীরা

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সংকট যেন কাটতেই চাইছে না। সেই যে করোনা মহামারির কারণে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা একটি চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে গেল, সেখান থেকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারছে না। একটি সমস্যা মোকাবেলা করে ঘুরে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই আরেকটি সমস্যা এসে হাজির হয়। প্রথমে শুরু হলো করোনা মহামারি, যার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হলো।

করোনার ক্ষতি কোনোমতে সামলে নিয়ে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ঘুরে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, যা নতুন সংকটের সৃষ্টি করল ব্যবসায়ীদের জন্য। বিশেষ করে এই যুদ্ধের কারণে দীর্ঘমেয়াদি ডলার সংকট সৃষ্টি হয়। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একধাক্কায় ৫০ বিলিয়নের কাছাকাছি থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে। ডলারের বিনিময় মূল্য ৮০ থেকে একলাফে ১২০ টাকার ওপরে চলে যায়।

এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের ওপর। এত সমস্যার মধ্যেও সব কিছু সামলে ব্যাবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার মধ্যেই ঘটে গেল রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, যার প্রভাবে ব্যবসায়ীরা ভালোভাবেই সমস্যায় পড়েছেন। অর্থনীতির স্বার্থেই ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা প্রয়োজন  আমাদের দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন নতুন কিছু নয়। এর আগে বেশ কয়েকবার রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু ব্যাবসায়িক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থেকেছে।

হাতে গোনা দু-একজন বাদ দিলে দল-মত-নির্বিশেষে সব ব্যবসায়ী তাদের ব্যাবসায়িক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পেরেছেন। এবারই ঘটেছে ব্যতিক্রম। রাজনৈতিক আক্রমণ, অনেক ব্যবসায়ীর দেশত্যাগ, অনেকের কারাবরণ- এসব নানা প্রতিবন্ধকতা তো আছেই। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে কিছু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎপরতা এবং অনেক ব্যবসায়ীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বা ফ্রিজ করার মতো ঘটনা। এ কথা ঠিক যে এসব পদক্ষেপ নিশ্চয়ই সব ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সংঘটিত হচ্ছে না, বরং খুব কমসংখ্যক ব্যবসায়ীই হয়তো এ রকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। কিন্তু এসব ঘটনার কারণে ব্যবসার পরিবেশটাই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে গেছে। এক ধরনের অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

এ রকম অনিশ্চয়তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবে ব্যাবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করা যায় না। ব্যবসা হচ্ছে চলমান ক্রমবর্ধমান একটি প্রক্রিয়া, যেখানে ক্রমাগত বিনিয়োগ অব্যাহত রাখতে হয়। একজন ব্যবসায়ী যা লাভ করেন, তার কমই নিজেরা ভোগ করেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে লাভের অংশ পুনর্বিনিয়োগ করে থাকেন। এমনকি লাভ না হলেও ঋণ করে নতুন নতুন বিনিয়োগ করেন, যদি সে রকম ব্যাবসায়িক সুযোগ থাকে। একজন সামান্য চায়ের দোকানদারও নিজের ব্যবসায় সফল হওয়া মাত্র একটি রেস্টুরেন্ট দেওয়ার কথা চিন্তা করেন। আজ পর্যন্ত এমন ব্যবসায়ী খুঁজে পাওয়া যাবে না, যিনি বলেছেন যে যথেষ্ট হয়েছে, এখন বিনিয়োগে ক্ষান্ত দিতে হবে। ব্যবসায়ীদের কাছে সর্বোচ্চ সীমা বলে কিছু নেই। উন্মুক্ত আকাশ হচ্ছে তাদের সীমা। 

ব্যবসায়িক বিনিয়োগ হচ্ছে কিছুটা নেশার মতো। একবার ব্যবসা শুরু করলে একের পর এক ব্যবসা বাড়াতেই থাকেন এবং নতুন নতুন বিনিয়োগ হতেই থাকে। হ্যাঁ, এ কথা ঠিক যে কিছু খারাপ ব্যবসায়ী আছেন, যারা ব্যবসার নাম করে অর্থ সংগ্রহ করে আত্মসাৎ করেন। কিন্তু তাদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। তারা প্রকৃত ব্যবসায়ী না। প্রকৃত ব্যবসায়ীরা কখনোই এ রকম করেন না এবং তাদের সংখ্যাই সমাজে বেশি। এই প্রকৃত ব্যবসায়ীরাই অর্থনীতির চালিকাশক্তি। তারাই দেশে বিনিয়োগ করেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন, পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করেন এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভূমিকা রাখেন।

আমাদের দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় যে এক কঠিন সময় পার করছে এবং তারা যে নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, তা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও বেশ ভালোভাবেই অবহিত আছে; যে কারণে কিছুদিন আগে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ব্যবসায়ীদের স্পষ্টভাবে আশ্বস্ত করেছিলেন। উভয়েই বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং মুদ্রাবাজারের প্রধান নীতিনির্ধারক। দুজনই স্পষ্ট করে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ হতে দেবেন না। এ প্রসঙ্গে তারা দুজনই যথার্থভাবে উল্লেখ করেছিলেন যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্মসংস্থানের বিষয়টি জড়িত থাকে এবং অনেকের রুজি-রোজগারের প্রশ্ন। তাই কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ তো করা হবেই না, বরং প্রতিষ্ঠানগুলোর আরো উন্নতির জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। 

ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দূর করার ক্ষেত্রে এ রকম আশ্বাসের খুবই প্রয়োজন ছিল। আমরাও বেশ নিশ্চিন্ত হয়েছিলাম যে এখন ব্যবসায়ীদের আর চিন্তার কোনো কারণ থাকবে না এবং ব্যবসায়ীরা পূর্ণমাত্রায় ব্যবসায় মনোনিবেশ করতে পারবেন। সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী মহল থেকে ব্যবসায়ীদের এভাবে আশ্বস্ত করার তাৎপর্য তুলে ধরে আমি কালের কণ্ঠে কলামও লিখেছিলাম। সেই লেখায় আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলাম যে অর্থ উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে সরাসরি বক্তব্য দেওয়ার পর দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসার ক্ষেত্রে আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

ব্যবসায়ীদের সমস্যা কেটে গেছে- বাস্তবে কিন্তু এমন অবস্থা মোটেই দৃশ্যমান নয়। অধিকন্তু আরো অনেক নতুন সমস্যা দেশের ব্যবসায়ীদের সামনে এসে হাজির হতে শুরু করেছে। সম্প্রতি কালের কণ্ঠ, ডেইলি সান এবং অন্যান্য জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদে ব্যবসায়ীদের সমস্যার বিষয়গুলোই উঠে এসেছে। পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো পাঠ করলে স্পষ্টই বোঝা যায় যে দেশের ব্যবসায়ীরা কী মারাত্মক সংকটের মধ্যে আছেন। সুতরাং অর্থ উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মৌখিক আশ্বাস খুব একটা কাজে আসেনি। 

আসলে দৃশ্যমান কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে, শুধু মুখের কথায় যে কোনো কাজ হয় না, তা আমরা অতীতে বহুবার প্রত্যক্ষ করেছি এবং এখন আবারও করলাম। বিষয়টি উল্লেখ করে আমি আমার সেই লেখায় দৃশ্যমান কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জোরালো সুপারিশ করেছিলাম। এমনকি কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে, তা-ও সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছিলাম। কিন্তু সে রকম কোনো পদক্ষেপ গ্রহণের কথা আমরা এখনো শুনিনি। উল্টো সরকারের উপরমহল থেকে এমন কিছু কথাবার্তা বলা হয়েছে, যা ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। যেমন- কর বা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার জন্য ব্যবসায়ীদের ঢালাওভাবে দায়ী করে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, যা নিঃসন্দেহে ব্যবসায়ীদের আতঙ্কিত করেছে। 

এসব কারণে ব্যবসায়ীদের সংকট মোটেই কাটছে না। অধিকন্তু নতুন নতুন আরো অনেক সমস্যার মধ্যে পড়ে তাদের ব্যাবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়াই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ব্যবসায়ীদের যেসব সমস্যা মোকাবেলা করতে হচ্ছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে—১. আইন-শৃঙ্খলার অবনতি এবং ফ্যাক্টরি, উৎপাদনকেন্দ্র বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার আতঙ্ক; ২. কাঁচামাল আমদানির জন্য এলসি খোলার সমস্যা; ৩. তারল্য সংকটের কারণে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বা কার্যকরী মূলধন সংগ্রহে ব্যাংক থেকে সুবিধা না পাওয়া; ৪. ভারী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য এলসি খোলার সমস্যা; ৫. শ্রমিক অসন্তোষ এবং উৎপাদনকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার হুমকি; ৬. ব্যাংক থেকে নতুন ঋণ বা বিদ্যমান ঋণ পুনঃ তফসিলের সুযোগ না পাওয়া; ৭. নতুন নিয়মের কারণে অনেক ভালো ঋণ খারাপ হওয়ার উপক্রম; ৮. বিগত পাঁচ-ছয় মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ব্যাবসায়িক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটলেও ব্যাংকঋণের ওপর সুদ মওকুফ বা কোনো প্রকার গ্রেস পিরিয়ডের সুযোগ না থাকা; ৯. শিল্পে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ বা পুঁজিবাজার থেকে তহবিল উত্তোলনের সুযোগ সীমিত হয়ে যাওয়া; ১০. কারখানায় গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং ১১. বিদেশের ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ সীমিত। কারণ অনেক ব্যবসায়ী তাদের ব্যাবসায়িক প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলচনার জন্য বিদেশে যেতে পারছেন না। এ ছাড়া আরো অনেক সমস্যা ব্যবসায়ীরা মোকাবেলা করেছেন, যা এখানে তুলে ধরতে গেলে স্থান সংকুলান হবে না।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে যে দেশের এত বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে তাদের সমস্যাগুলো শোনা, বোঝা এবং সমাধানের উদ্যোগ সেভাবে নেওয়া হচ্ছে না। এই পদক্ষেপ যেমন অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে নিতে দেখছি না, তেমনি দেশের প্রধান প্রধান বিরোধী দল, বিশেষ করে যারা ভবিষ্যতে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আছে, তারাও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিতে পারছে না। ফলে দেশের ব্যবসায়ীরা এক অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে পড়ে আছেন। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ছে দেশের বিনিয়োগে এবং অর্থনীতিতে। এরই মধ্যে অর্থনীতির অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। আইএমএফ আগামী বছরের জন্য জিডিপি নির্ধারণ করেছে মাত্র ৩.৮ শতাংশ, যা মাত্র ছয় মাস আগেও ছিল ৬ শতাংশের ওপরে। এই অবস্থা দেশের জন্য মোটেই ভালো নয়। অর্থনীতি যদি একবার মুখ থুবড়ে পড়ে, তখন শত চেষ্টা করেও তাকে আর চাঙ্গা করা সম্ভব হবে না। আর এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে

লেখক : সার্টিফায়েড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন