শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৫৮, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১৫:৩৪, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

সংস্কারের ঐকমত্য হতে হবে নাগরিকের সঙ্গে সামাজিক চুক্তি

অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ
অনলাইন ভার্সন
সংস্কারের ঐকমত্য হতে হবে নাগরিকের সঙ্গে সামাজিক চুক্তি

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে উত্তাল সময় পার করছি আমরা। জুলাইয়ের অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে এক অস্থির ও সম্ভাবনার সময় উপস্থিত হলেও এই অবস্থায় এসে উপনীত হওয়ার পেছনে আছে বাংলাদেশের ৫৩ বছরের রাজনীতি ও শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা। এই ধারাবাহিকতার প্রেক্ষাপটেই রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রশ্নটি বিবেচনা করতে হবে। অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজবাংলাদেশের রাজনীতি ৫৩ বছর ধরেই এক ধরনের দোলাচলের মধ্যে কাটিয়েছে।

সংকট ও সম্ভাবনার, আশা ও আশাভঙ্গের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ জীবন যাপন করেছে। এই সময়ে শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন ঘটেছে বহুবার। ১৯৭২ সালে সংসদীয় ব্যবস্থা দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও সেই ব্যবস্থার অবসান ঘটে সাড়ে তিন বছরের মাথায়- বাংলাদেশ একটি একদলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থায় প্রবেশ করে। তার অবসান ঘটে সেনা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। সেনাশাসনের দীর্ঘ দেড় দশকের ইতিহাস শেষে এক গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থার প্রত্যাবর্তন ঘটে ১৯৯১ সালে।

কিন্তু যে সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়ে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পুনর্যাত্রা, তা ক্রমান্বয়ে ফিকে হয়ে যায়। এই সময় একদিকে রাজনীতিতে একটি দ্বিদলীয় ব্যবস্থার উদ্ভব ঘটে, অন্যদিকে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার বদলে এক ধরনের ‘প্রধানমন্ত্রীর শাসনব্যবস্থার’ সূচনা হয়। ক্ষমতা কেন্দ্রীকরণের এই ব্যবস্থা, যার বীজ ১৯৭২ সালের সংবিধানের ভেতরেই নিহিত ছিল, তা বিভিন্ন সংশোধনীর মধ্য দিয়ে আরো বেশি প্রকাশ্য হয়ে পড়ে।

১৯৯১-২০০৬ পর্বে ক্ষমতার এই কেন্দ্রীকরণ সত্ত্বেও একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনব্যবস্থা, গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের তুলনামূলক স্বাধীনতা এবং নাগরিকদের মধ্যে বিদ্যমান আশাবাদ একটি দুর্বল কিন্তু কার্যকর শাসনপ্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছিল। এই ব্যবস্থা একদিকে নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছিল, অন্যদিকে ক্রমাগতভাবে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো বেশি ভঙ্গুর করে ফেলেছিল। কিন্তু ২০০৬ সালের শেষ নাগাদ রাজনৈতিক দলগুলোর কলহ, সহিংসতা এবং ক্ষমতায় টিকে থাকা ও ক্ষমতায় অধিষ্ঠানের আগ্রহ এমন এক পর্যায়ে এসে উপনীত হয় যে এই প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতার সম্ভাবনাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

যে সীমিত গণতন্ত্র ছিল এই সময়ের বৈশিষ্ট্য, তার অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশের রাজনীতির দৃশ্যপটে সেনাবাহিনীর আবির্ভাব ঘটে। সামরিক বাহিনীর সমর্থনপুষ্ট বেসামরিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই আশাবাদ তৈরি করে যে শাসনব্যবস্থার যে কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো বাংলাদেশের রাজনীতিকে এক ধরনের বৃত্তচক্রের মধ্যে নিয়ে গেছে, তারা সে বিষয়ে মনোনিবেশ করবে এবং ওই কাঠামোগুলো তারা ‘সংস্কার’ করবে।

শাসনব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের যে প্রত্যাশাগুলো দীর্ঘদিন ধরে লালিত ছিল, তার এক ধরনের প্রকাশ ঘটে সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কারের প্রতিশ্রুতিতে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা, শাসকদের চরিত্র, ক্ষমতা প্রয়োগে তাঁদের সীমা নির্ধারণে ব্যর্থতা এবং এক ধরনের বিরাজনীতিকরণের চেষ্টার ফলে সরকারের সংস্কারের বিষয়টি জনগণের কাছে ফাঁকা বুলিতে পরিণত হয়।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে শেখ হাসিনার সামনে ছিল দুটি বিকল্প। প্রথমত, ১৯৯১ থেকে ২০০৬ এই ১৫ বছরে শাসনের কাঠামোগত যে দুর্বলতা এবং ২০০৭-০৮ সালের সেনা সমর্থিত শাসনের অভিজ্ঞতার আলোকে রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কার, গণতান্ত্রিক প্রতিঠানগুলো তৈরি ও শক্তিশালী করা এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সচেষ্ট হওয়া। দ্বিতীয় বিকল্প ছিল ২০০৬ সালের আগের ধারায় ফিরে যাওয়া, অর্থাৎ এক ধরনের ভঙ্গুর রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক কাঠামো অব্যাহত রাখা, যেখানে রাজনৈতিক কলহ অব্যাহত থাকবে, কিন্তু প্রতি পাঁচ বছরে ক্ষমতার হাতবদলের সম্ভাবনা বিরাজ করবে, ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ কিছু মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। শেখ হাসিনা এর কোনোটাই বেছে না নিয়ে শুধু বিরোধী দল ও ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনই বেছে নিলেন না, বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দিয়ে ক্ষমতার এককেন্দ্রীকরণের দিকেই অগ্রসর হলেন। এই পদক্ষেপের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে পঞ্চদশ সংশোধনী। এই বিচারে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পশ্চাদযাত্রার প্রথম মাইলফলক হচ্ছে ২০১১ সাল। এরপর আইন ও আইনবহির্ভূত ব্যবস্থা; যেমন- গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গায়েবি মামলাগুলো প্রবল হয়ে ওঠে, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো আইন প্রণীত হয়।

২০১৪ সাল থেকে উপর্যুপরি দিবালোকে ডাকাতির ভোট, ভোট ছাড়াই বিজয়ী হওয়া এবং নিশিরাতের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের কোনো রকমের ম্যান্ডেট ছাড়াই শেখ হাসিনা ক্ষমতায় উপবিষ্ট থাকেন। এখানে যেটা লক্ষণীয় তা হচ্ছে, ২০১১ সালের পর থেকেই একটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলেও তার একটা বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে- শেখ হাসিনার শাসন কেবল আরো বেশি স্বৈরাচারীই হয়ে ওঠে তা নয়, হয়ে ওঠে ব্যক্তিতান্ত্রিক।

অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরাচারী ব্যবস্থায় ক্ষমাতসীন ব্যক্তি তার শাসনকে দীর্ঘায়িত, সম্ভব হলে আজীবন, বহাল রাখার জন্য একাদিক্রমে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে একেবারেই ধ্বংস করে দিয়ে সেখানে অনুগত ব্যক্তিদের দিয়ে দেশ শাসন করে, ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হয় পরিবার এবং অর্থনীতি হয়ে ওঠে ক্লেপ্টোক্রেটিক বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সমর্থনপুষ্ট বিরাট আকারের চুরির পথ। বাংলাদেশে ২০১৪ সাল থেকে দৃশ্যত সীমিত গণতন্ত্রের আড়ালে এই পদ্ধতিই চালু হয়, যা ২০১৮ সালের পর খোলামেলাভাবে একটা বল প্রয়োগ নির্ভর ব্যবস্থায় পরিণত হয়। ফলে ২০১৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো, যার মধ্যে আইনসভা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, বিচার বিভাগ—সবই কার্যত এক ব্যক্তির প্রতিই অনুগত থেকেছে। আর ক্ষমতার নৈতিক বৈধতার অভাবে, এমনকি আইনি বিবেচনায়ও বৈধতার অভাবে, বল প্রয়োগ ছাড়া আর কোনোভাবেই সে ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। ২০১৪ সালের এক দশক পরে গণ-অভ্যুত্থানের পর যেটা সহজেই চোখে পড়ছে তা হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় কাঠামোই অনুপস্থিত হয়ে গেছে। এটা এক দিনে বা এক বছরে ঘটেনি, দৈব দুর্বিপাকেও ঘটেনি। যার একটি ফল হচ্ছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব দুর্বল করে ফেলা। এইসব করা সম্ভব হয়েছে কারণ বিরাজমান সংবিধানের ভেতরেই এক ব্যক্তির ক্ষমতার পথ উন্মুক্ত ছিল এবং আছে, জবাবদিহির প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থা তৈরি করা হয়নি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনুপস্থিত থেকেছে এবং জনগণের হাতে ক্ষমতা থাকেনি।

এ কারণেই ২০২৪ সালে অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের সংস্কারের প্রশ্নটি সবার সামনে এসে  দাঁড়িয়েছে। বলা আবশ্যক যে রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের এই তাগিদ সমাজের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরেই ছিল। ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত সরকার এর একটি সীমিত দিক—রাজনৈতিক দলের দিকে নজর দেয় এবং সে বিষয়ে জনগণের উৎসাহ থাকলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। কেননা রাষ্ট্রকাঠামো, শাসনব্যবস্থা, সাংবিধানিক ও আইনি ব্যবস্থার মৌলিক দিকগুলো এড়িয়ে যে সংস্কারের কথা বলা হয়েছিল, তা দৃশ্যত চমক সৃষ্টি করলেও তার বাস্তবায়ন সম্ভব ছিল না; ক্ষমতাসীনদের কোনো সুস্পষ্ট ধারণাও ছিল না এবং ক্ষমতায় যাঁরা ছিলেন, তাঁদের উত্থান জনগণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ঘটেনি।

সংস্কারের এই তাগিদ শুধু রাষ্ট্র ও সরকারের কাছ থেকে এসেছে তা নয়, বরং এক দশকের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন সিভিল সোসাইটি সংগঠন এবং কয়েক বছর ধরে বিদ্যমান স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের মধ্যেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বলে এসেছে, তাদের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছে। আগস্ট মাস থেকে সারা দেশে বিভিন্নভাবে যেসব আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতেও যেসব মতামত প্রকাশিত হয়েছে, তাতে এটাই সবচেয়ে বেশি লক্ষণীয় যে মানুষের আগ্রহ শুধু আশু পরিবর্তনের মধ্যে সীমিত নয়। তারা চাইছে, গত প্রায় সাড়ে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা তাদের এই শিক্ষা দিয়েছে যে এর পুনরাবৃত্তি রোধের উপায় কেবল আশু একটি নির্বাচন নয়, বরং আরো বেশি। এই অভিজ্ঞতাকে তারা দেড় দশকের নিপীড়নের বা জুলাই-আগস্টের ম্যাসাকারের মধ্যেই সীমিত রাখছে না, কেননা এটা তাদের কাছে সহজেই বোধগম্য যে বিদ্যমান শাসনকাঠামো, সাংবিধানিক ব্যবস্থা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে এমনকি আরেকটি সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব হলেও তা ভবিষ্যতে স্বৈরাচারী শাসকের উত্থান রোধ করতে সক্ষম নয়।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার এবং এই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীরা সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা বললেও আজকের সংস্কারের প্রশ্নকে অবশ্যই সরকারের বা শিক্ষার্থীদের ‘প্রত্যাশা’ বলে বিবেচনা করার উপায় নেই। কেননা ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগুলোকে নতুন করে ঢেলে সাজানো দরকার। এই প্রক্রিয়া স্বল্প সময়ের কাজ নয়, কিন্তু তার সূচনা করা জরুরি। তার চেয়েও জরুরি যা তা হচ্ছে, স্বৈরাচারী ব্যবস্থার উত্থানের উৎসগুলো চিহ্নিত করা এবং কী কী আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, যা এই ধরনের শাসনের উত্থান রোধ করবে সে বিষয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিগুলোর ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা।

এই ঐকমত্যকে কোনো অবস্থায়ই ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতা বলে বিবেচনা করা সঠিক হবে না। এই ধরনের ঐকমত্যকে নাগরিকদের সঙ্গে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ‘সামাজিক চুক্তি’ বলেই বিবেচনা করতে হবে। এই ঐকমত্যকে যদি এইভাবে বিবেচনা করা না যায় এবং এই মর্যাদায় উন্নীত না করা যায় তাহলে তা শুধু কাগুজে বিষয়ে পরিণত হবে। এই বিবেচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা একার্থে সাহায্যকারীর। কিন্তু এটাও মনে রাখা দরকার যে এই সরকার দায়িত্ব নিয়েছে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিভূ হিসেবে। ফলে এই প্রক্রিয়ায় সাহায্যকারীর অবস্থান আর দশটি ক্ষেত্রে সাহায্যকারীর ভূমিকা ও অবস্থান থেকে ভিন্ন। তাঁরা সেই নাগরিকদেরও প্রতিনিধিত্ব করেন, যাঁদের প্রাণ ও রক্তের বিনিয়ে এই সংস্কারের এবং নতুন সামাজিক চুক্তির সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

লেখক : সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান এবং ডিস্টিঙ্গুইশড প্রফেসর, রাজনীতি ও সরকার বিভাগ ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র, আটলান্টিক কাউন্সিলের অনাবাসিক সিনিয়র ফেলো।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২৫ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

১২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন