শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:১৮, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে দক্ষ লোকের অভাব

মো. মামুন-আল-রশীদ
অনলাইন ভার্সন
উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে দক্ষ লোকের অভাব

স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৫ ও ১৯-এর আলোকে পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সব অঞ্চলের সব নাগরিকের জীবনমান উন্নয়নে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে দক্ষ লোকের অভাবপরিকল্পনা কমিশন গঠিত হয় একজন চেয়ারম্যান, একজন ডেপুটি চেয়ারম্যান ও তিনজন সদস্যের সমন্বয়ে। বরেণ্য অর্থনীতিবিদদের প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় সদস্য করে হয়েছিল উচ্চ পর্যায়ের এই পেশাদার প্রতিষ্ঠান। পরিকল্পনামন্ত্রী পদাধিকারবলে কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। দৈনন্দিন কার্যাবলি পরিচালনার এবং নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য মন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন ডেপুটি চেয়ারম্যান নিযুক্ত ছিলেন।

সচিব পদমর্যাদার ‘প্রধান’-এর অধীনে মোট ১০টি বিভাগ সৃষ্টি করা হয়; বিভাগসমূহ ছিল- সাধারণ অর্থনীতি, কার্যক্রম ও মূল্যায়ন, কৃষি, শিল্প, পানিসম্পদ, পল্লী প্রতিষ্ঠান, ভৌত অবকাঠামো, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো, বহিঃসম্পদ ও প্রশাসন। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে সরকার প্রধানের সভাপতিত্বে এবং অর্থমন্ত্রী (বিকল্প চেয়ারম্যান), পরিকল্পনামন্ত্রী (ভাইস চেয়ারম্যান) ও সচিব মর্যাদার সদস্যদের নিয়ে পরিকল্পনা কমিশন গঠিত হয়, যার আর বিশেষ কোনো পরিবর্তন হয়নি। কমিশন অ্যাডভাইজরি, নির্বাহী ও সমন্বয়—এই তিন ধরনের কাজ করে থাকে। সরকারের রুলস অব বিজনেস অনুসারে প্রতিটি বিভাগের কার্যপরিধি সুনির্ধারিত।

পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের কাজ সম্পন্ন করার জন্য পৃথকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যুরো প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা পরে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) নামে বিভাগে রূপান্তরিত হয়। বহিঃসম্পদ সংগ্রহের দায়িত্ব পরিকল্পনা কমিশন থেকে পৃথক করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে দক্ষ লোকের অভাবঅধীনে বর্তমান অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ নামের পৃথক বিভাগের ওপর ন্যস্ত করা হয়। পরিকল্পনা কমিশনের সব প্রশাসনিক ও নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিকল্পনা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

বর্তমানে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (ন্যাশনাল ইকোনমিক কাউন্সিল- এনইসি), যার সভাপতি সরকারপ্রধান আর সব মন্ত্রী/উপদেষ্টা সদস্য, যেখানে ক্যাবিনেট সেক্রেটারিসহ সচিবরা থাকেন সহায়ক কর্মকর্তা। আবার বহুল আলোচিত একনেক হলো এনইসির নির্বাহী কমিটি, যেখানে ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন হয়ে থাকে। মন্ত্রিপরিষদসভার মতোই প্রায় নিয়মিত মঙ্গলবার একনেক সভায় প্রকল্প পাসের যে খবর আমরা দেখে অভ্যস্ত, তার সঙ্গে পরিকল্পনা কমিশন জনসাধারণের নিকট প্রায় সমার্থক। কিন্তু প্রকল্প অনুমোদন হলো কমিশনের কাজের সামান্য অংশমাত্র। সরকারের রুলস অব বিজনেস অনুসারে কমিশন বহুল প্রচলিত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০ বছর মেয়াদি), বদ্বীপ পরিকল্পনা (১০০ বছর মেয়াদি), এসডিজি (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল), এমডিজি (মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল), জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন এবং সেগুলো বাস্তবায়ন মনিটরিং করে থাকে। নানা গবেষণাপত্রও প্রকাশ করে থাকে।

কমিশন সব মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা প্রস্তাবের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়গুলোর প্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত আন্ত মন্ত্রণালয় ন্যাশনাল স্টিয়ারিং কমিটিতে আলোচনা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সংযোজন-বিয়োজন শেষে সরকারপ্রধানের সভাপতিত্বে সব মন্ত্রীর সমন্বয়ে গঠিত কাউন্সিলে চূড়ান্ত করে। প্রক্রিয়াগত এসব বিষয়ের বাইরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নে বিদ্যমান প্রক্রিয়ায় কিঞ্চিৎ বৈচিত্র্য নিম্নরূপে আনয়ন বিবেচিত হতে পারে :

প্রথমত, পরিকল্পনা প্রণয়নে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগকে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেওয়ার লক্ষ্যে বরেণ্য অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে একটি কমিটি থাকতে পারে, যারা মাসিক ভিত্তিতে সম্মানি পাবেন কিন্তু কারো অধীন হবেন না। তাঁদের কর্মপরিধি ও সম্মানি সরকার অনুমোদিত হবে।

দ্বিতীয়ত, যদিও বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে তথ্য চাওয়া একটি উপলক্ষ, যার পর মন্ত্রণালয় খসড়া পাঠায়। মন্ত্রণালয় এটিকে একটি গতিময় প্রক্রিয়া হিসেবে চলমান রেখে সদা আপডেটেড থাকার পদক্ষেপ নিতে পারে। ফলে তড়িঘড়ি করে ভবিষ্যৎ অনুমাননির্ভর কাজের তালিকা কমিশনে পাঠানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে।

তৃতীয়ত, মন্ত্রণালয়গুলো কর্তৃক নিজ নিজ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা মধ্যবর্তী ও চূড়ান্ত মূল্যায়ন করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা কমিশন কারিগরি পরামর্শ দিয়ে কর্মপদ্ধতি ডেভেলপ করে দিতে পারে।

চতুর্থত, সঠিক পরিসংখ্যান নিশ্চিত করা। সব কালে পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভবিষ্যতে উঠবে না এ রকম কাঠামো কিভাবে করা যায়, যাতে ক্ষমতাসীনদের কালো হাত পরিসংখ্যানকে তাদের ইচ্ছার বস্তুতে পরিণত করতে না পারে? প্রশ্নের উত্তর খুব সোজা কিন্তু বাস্তবায়ন বড়ই কঠিন। অথচ সঠিক পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান।

এবার আসা যাক প্রকল্প প্রসঙ্গে। আমাদের সরকারি দপ্তরগুলো পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে খুব আগ্রহী এমন দাবি করা যাবে না। গবেষক, একাডেমিয়া আর সরকারি দপ্তরগুলোতে এসব প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারা এসব নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা, যেমন—বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি নিয়ে রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী, এমপি, আমলা, এনজিও- এমনকি জনসাধারণের উল্লেখযোগ্য অংশের অনেক কৌতূহল থাকে। কারণ এতে কে কতটি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করতে পেরেছেন তা এলাকায় বা নিজ অধিক্ষেত্রে তাঁর কৃতিত্বের পরিমাপক হয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ সালের এডিপি ২.৬৩ লাখ কোটি টাকা, যা জাতীয় বাজেট ৭.৬১ লাখ কোটি টাকার ৩৪.৫ শতাংশ; ২০২৪-২৫ সালের এডিপি ২.৭৯ লাখ কোটি টাকা, যা জাতীয় বাজেট ৭.৯৭ লাখ কোটি টাকার ৩৫ শতাংশ। একটি বিষয় লক্ষণীয়, জাতীয় বাজেটের রেভিনিউ অংশ এডিপির দ্বিগুণ হলেও রেভিনিউ অংশ খরচ হয় মূলত সরকারের কিছু রুটিন কাজে; যেমন- বেতন, ঋণ পরিশোধ ইত্যাদি, যার কোনো সরাসরি ফলাফল জনগণ কর্তৃক অনুভূত না। একমাত্র এডিপি বরাদ্দের অংশ থেকে সব ভৌত অবকাঠামো, পরিবহন, রাস্তা, রেল, আকাশ ও নৌপথ যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, সমাজসেবা, শিল্প, বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাত উন্নয়নের মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক স্থায়ী কাঠামো তৈরি হয়। 

সরকারের মিশন, ভিশন, পরিকল্পনা-এগুলোর কোনো অপচয় হয় না। এসব কারণে যতটা আলোচনা হয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা নিয়ে, তার বহুগুণ হয় এডিপি বাস্তবায়ন, প্রকল্পের ব্যয়, মেয়াদ ও প্রকল্পের দুর্নীতি নিয়ে। আর এসব কারণে আজকে সরকারের কর্মকাণ্ডে সংস্কার অন্যতম মুখ্য এজেন্ডা হলেও তার পাশাপাশি এডিপি বাস্তবায়ন, প্রকল্প ব্যয় ও মেয়াদের রাশ টেনে ধরা জরুরি। এ ক্ষেত্রে করণীয় হতে পারে, প্রকল্পের বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ করা, মাত্রাতিরিক্ত প্রকল্প ব্যয়ের লাগাম টানা, অনুমাননির্ভর প্রকল্প ব্যয়ের ওপর নির্ভরশীল না হওয়া,  প্ল্যানিং ক্যারিয়ার গড়তে সচেষ্ট হওয়া।

অবলুপ্ত ইকোনমিক ক্যাডার বিশেষ ক্যাডার হলেও দেশে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টতা যেমন ছিল না, আবার মাঠ পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রকল্প পরিচালকদেরও পরিকল্পনা বিষয়ে ও প্রকল্প প্রণয়নের অভিজ্ঞতায় বড় রকমের ঘাটতি আছে। এই দুটি সীমাবদ্ধতা উতরাতে মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে প্ল্যানিং ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের পুল করে প্রশিক্ষিত জনবল প্রস্তুত করা সম্ভব। একইভাবে পিডি সিলেকশনের সময় এমন ব্যাকগ্রাউন্ডের পিডি প্রস্তাব করা হয়, যা দেখে প্রস্তাবকারীরা প্রকল্প বাস্তবায়নের টেকনিক্যালিটি অনুধাবন করেন কি না সন্দেহ জাগে।

প্রতি মাসে পরিকল্পনামন্ত্রী/উপদেষ্টার সভাপতিত্বে বৃহৎ প্রকল্পের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করে করণীয় সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ের জন্য বাধ্যকর সুপারিশ দিতে পারেন। আইএমইডির সুপারিশ বাস্তবায়নে বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বাধ্যবাধকতামূলক করতে হবে। অন্যথায় বিভাগটিকে অকার্যকর করে রাখার দায় কার তা চিহ্নিত করে জনসমক্ষে প্রকাশ করা দরকার।

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা স্থগিত করার পর বর্তমানে ডিপিপিতে প্রকল্পের যৌক্তিকতা সতর্কভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করতে হবে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকল্প গ্রহণ ও প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিতকরণে সাম্প্রতিক প্রশংসনীয় উদ্যোগ ফলপ্রসূ করতে হলে প্রকল্পের অঙ্গভিত্তিক ব্যয়ের বিস্তারিত অঙ্ক ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা আবশ্যক। এর ফলে জনরোষের ভয়ে অস্বাভাবিক বেশি ব্যয় প্রস্তাবের কুশীলবদের টনক নড়বে।

তাছাড়া, সব প্রকল্প অনুমোদনের পর ডিপিপিগুলো পাবলিক স্ক্রুটিনির জন্য কমিশন, মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রাখতে হবে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রকল্পের সফটওয়্যারের মাধ্যমে সব প্রকল্প দলিলে কমিশন, মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সবার প্রবেশাধিকার রয়েছে; নেই শুধু দেশের মালিক জনসাধারণের। আজকের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি বেমানান।

মন্ত্রণালয় ও কমিশনের কর্মকর্তাদের জন্য বিভিন্ন সংস্থার রেট শিডিউলের ভিত্তিতে প্রকল্প ব্যয় বিশ্লেষণ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ অপরিহার্য।

খেলাপি ঋণ দুই লাখ ৩৪ হাজার ৯৭৭ কোটি, বিদেশে পাচার হতো সোয়া লাখ কোটি, আর আমাদের এডিপি মাত্র দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। আমরা কত দুর্ভাগা, সেই এডিপিরও অনেক অপচয় হয় দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণে। তার ওপর আবার এডিপি বাস্তবায়নে ধীরগতি মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। এই ধীরগতির প্রভাব নিরসনে এখনই তৎপরতা প্রয়োজন। সম্প্রতি লৌহজাত শিল্পোৎপাদন ৫০ শতাংশ কমে গেছে, যার অন্যতম প্রধান কারণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি। অর্থবছরের আসন্ন দ্বিতীয়ার্ধে এর প্রভাব নিয়ে ব্যাপক সতর্কতা কাম্য।

কাগুজে পরিকল্পনার সঙ্গে আমাদের বাস্তব কাজে বিস্তর ফারাক। ক্রয় পরিকল্পনা হালনাগাদের বাধ্যবাধকতা পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনে রয়েছে, অথচ এটি করা হয় না। আইন অনুযায়ী এ জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। মন্ত্রী, ওপরমহলের তথাকথিত চাপে প্রকল্প প্রস্তাব ও অনুমোদনে বাধ্য না হতে সব শেষে বলতে চাই, স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে। কেউ স্বাধীনতা হাতে তুলে দিয়ে যাবে এমন দুরাশাগ্রস্ত কেউ হবেন না। মনে রাখতে হবে, স্বাধীনতা কেউ কখনো দিয়ে যায় না; নিজেদের যোগ্যতায় অর্জন করে নিতে হয়।

লেখক : সাবেক সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২৫ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

১২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন