শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:১৮, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

উদ্যোক্তা তৈরিতে সামাজিক স্বীকৃতি প্রয়োজন

হাফিজুর রহমান খান
অনলাইন ভার্সন
উদ্যোক্তা তৈরিতে সামাজিক স্বীকৃতি প্রয়োজন

অর্থনীতির চাকা সচল রাখার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধিতে ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ক্রেতার চাহিদা ও প্রয়োজন অনুসারে পণ্য উৎপাদন, বিক্রি, বিপণন, সরবরাহ ও রপ্তানি ব্যবস্থার সঙ্গে ব্যবসায়ীরা সম্পৃক্ত। গ্রাম, গঞ্জ, শহরসহ দেশের সর্বত্র ছোট-বড় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান জনগণের সেবায় নিয়োজিত। নানা ধরনের ব্যবসায় নিয়োজিত বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এই সেবার মাধ্যমে তাদের নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করার পাশাপাশি অর্থনীতির চাকা সচল রাখে। এসব অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে এ দেশে বিশাল পরিসরে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া ভ্যাট, ট্যাক্স ও অন্যান্য কর প্রদানের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অবদানও অনস্বীকার্য।

উদ্যোক্তা তৈরিতে সামাজিক স্বীকৃতি প্রয়োজনকিন্তু দুঃখজনক হলেও এ কথা সত্য যে এ দেশের ব্যবসায়ীরা নিজেদের সামাজিক মর্যাদা অর্জন করতে সক্ষম হননি। নিজেদের দৈনন্দিন ব্যাবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হওয়ার কারণে সমাজে ব্যবসায়ীরা মর্যাদাপূর্ণ স্থান করে নিতে পারেননি। সামাজিকভাবে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানহীন পণ্য উৎপাদন বা সরবরাহ, খাদ্যে ভেজাল, কৃত্রিমভাবে মূল্য নিয়ন্ত্রণসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ হরহামেশাই শোনা যায়।

দেশের কত শতাংশ ব্যবসায়ী অনৈতিক পথে চলছেন তার কোনো জরিপ ও সঠিক পরিসংখ্যান নেই। একটি ব্যাবসায়িক গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের কোনো এক ব্যক্তি দুর্নীতি বা অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়লে শুধু তাঁর কর্মকাণ্ড ঢালাওভাবে বেশি আলোচিত হয়; সার্বিকভাবে প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক অর্জনগুলো নানা অভিযোগের আড়ালে চাপা পড়ে যায়। এ ছাড়া আমাদের দেশে সামাজিকভাবে ভালো কাজের স্বীকৃতি প্রদানের সংস্কৃতি আনুপাতিক হারে কম। এর ফলে যাঁরা নৈতিকভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে চলেছেন, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করছেন এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে প্রত্যক্ষ অবদানসহ দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা তৈরি হচ্ছে। কিন্তু সামাজিক স্বীকৃতি না থাকলে দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে না। আর এ ধরনের পরিস্থিতি দীর্ঘ মেয়াদে দেশের অর্থনীতির জন্য মোটেও উৎসাহব্যঞ্জক নয়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ব্যবসায়ীদেরই নিতে হবে।

ব্যবসায়ীদের কি সক্রিয় রাজনীতি পরিহার করা উচিত?

উদ্যোক্তা তৈরিতে সামাজিক স্বীকৃতি প্রয়োজনব্যবসায়ীদের বর্তমান সামাজিক অবস্থার মূলে তাঁরা নিজেরাই দায়ী। গত কয়েক দশকে এ দেশের রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। এখন ব্যবসায়ীদের ভেবে দেখার সময় এসেছে, রাজনীতির সঙ্গে তাঁদের সরাসরি জড়িত হওয়া সমাজ কিভাবে মূল্যায়ন করছে। এটা তাঁদের সামাজিক মান-মর্যাদা বৃদ্ধি করছে, নাকি রাষ্ট্র ও সমাজে তাঁদের অবস্থানকে উল্টো দিকে ধাবিত করছে। ব্যবসায়ীরা যখন নিজের রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে কোনো অনিয়ম বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায় থেকে রেহাই পেয়ে যান, তখন তা সমাজে এক ধরনের নেতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। এটি শুধু এ দেশের ব্যবসায়ীদের সামাজিক মর্যাদাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বরং আন্তর্জাতিকভাবে দেশের ভাবমূর্তি ও ব্র্যান্ড ভ্যালুও নিদারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। দেশের সব নাগরিকেরই রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু বিদ্যমান নেতিবাচক ভাবমূর্তি দূর করে রাষ্ট্র ও সমাজে নিজেদের ইতিবাচক অবস্থান তৈরি করতে ব্যবসায়ীদের সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকা উচিত কি না তা এখনই ভেবে দেখতে হবে। মনে রাখা দরকার যে ব্যবসায়ীদের মূল কাজ হলো নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা। জনগণের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান কিংবা গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষের জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করে দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখা ব্যবসায়ীদের রাষ্ট্রীয়-সামাজিক দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ব্যবসায়িক পরিবেশ ও নৈতিকতা উন্নয়নে বাণিজ্য সংগঠনগুলোর সক্রিয় ভূমিকা

দেশের বাণিজ্য সংগঠনগুলোতে প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বর্তমানে সমাজের সচেতন শ্রেণির অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয়। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে, তখন সেই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রভাবশালী ব্যবসায়ীকে সচরাচর বিভিন্ন ব্যাবসায়িক সংগঠনের নেতৃত্বে আসতে দেখা যায়। শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন এফবিসিসিআইয়ে দেশের সব খাতের ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে সবার অবস্থান খাতভিত্তিক নয়। দেশের অন্যান্য বাণিজ্য সংগঠনের ক্ষেত্রেও চিত্রটা কমবেশি একই রকমের। আশার কথা, সম্প্রতি বাণিজ্য সংগঠনগুলোতে ব্যবসায়ীদের সক্রিয় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা কমানো এবং প্রতিটি ব্যাবসায়িক খাতের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ব্যাপারে আলোচনা চলছে। এফবিসিসিআইসহ সব ব্যবসায়ী সংগঠন যাতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে সার্বিক ব্যাবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। এ ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যে অনৈতিক কার্যকলাপ রোধে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর উচিত নিজেদের সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিতভাবে আলাপ-আলোচনা ও নৈতিক কাউন্সেলিং প্রদান করা। এতে সংশ্লিষ্ট খাতে অনিয়ম ও অনৈতিক কার্যকলাপ দূর হতে পারে। এভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাবসায়িক নৈতিকতার চর্চা বৃদ্ধি পেয়ে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হবে।

সরকারের রাজস্ব-কর আহরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাইজ করা

বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপি (চলতি বাজারমূল্যে) প্রায় ৪৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে ব্যক্তি খাতের অবদান মোট জিডিপির প্রায় ৮০ শতাংশ। দেশের জিডিপি, বিনিয়োগ ও রাজস্ব-কর আহরণের প্রধানতম উৎস এবং সামগ্রিক অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো বেসরকারি খাত। কিন্তু দেশের অন্যান্য খাতের মতো সরকারের ট্যাক্স ও অন্যান্য রাজস্ব আহরণ খাতের মধ্যেও নানা জটিলতা, অনিয়ম ও প্রতিবন্ধকতার কথা সমাজে আলোচিত হচ্ছে। পণ্য আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত বিভিন্ন শুল্ক-কর নির্ধারণ ও আদায়, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স, পণ্য খালাস, পরিবহন প্রভৃতি ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম ও জটিলতার ব্যাপারে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে থাকেন। তাই সরকারের রাজস্ব-কর আহরণের সব প্রক্রিয়ায় ডিজিটাইজেশনের প্রচলন করা গেলে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা বহুলাংশে বাড়বে, তেমনি তা ব্যবসায়ীদের সহজে ও সুষ্ঠুভাবে রাজস্ব প্রদানের মাধ্যমে শুল্ক-কর ফাঁকিবাজির সামাজিক অপবাদ ঘোচাতে অনেকাংশে সাহায্য করবে।

পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা

গুণমানহীন, ভেজাল ও নকল পণ্যের উৎপাদন, বিক্রি ও বিপণনের ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামাজিক অভিযোগ রয়েছে। পণ্যের গুণগত মান পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বিএসটিআই, বিসিএসআইআর গবেষণাগার, বিআরটিএ, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিভিন্ন সরকারি সংস্থার উদ্যোগে মাঝেমধ্যে বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের খবর গণমাধ্যমে দেখা যায়। কিন্তু এসব উদ্যোগে কিংবা মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট খাতের বাণিজ্য সংগঠন তথা ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব নেই বললেই চলে। এ কারণে বিএসটিআই ও বিআরটিএর মতো সব প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা দরকার। এর ফলে সরকারের অনুমোদিত প্রক্রিয়া, পদ্ধতি ও স্পেসিফিকেশন অনুসারে পণ্য উৎপাদন হচ্ছে কি না সেসব বিষয় বাস্তবায়ন ও তদারকির দায়দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ওপরও বর্তাবে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা নিজেদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া পণ্যের গুণগত মান, সঠিক স্পেসিফিকেশন ও বৈশ্বিক মানদণ্ড নিশ্চিত করা গেলে পণ্যের আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য সার্টিফিকেশন প্রদান করা সম্ভব হবে, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

তরুণদের হাতেই উদ্যোক্তাদের সামাজিক মর্যাদা পুনরুদ্ধার ও নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের দায়িত্ব

আজকের তরুণরা আমাদের চেয়ে মেধাবী, আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং নিত্যনতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে অনেক বেশি পারদর্শী। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে তারা জ্ঞান রাখে। উচ্চ ফলনশীল ধান, পুষ্টিকর মাছ, সবজি, ফলমূলসহ নানা কৃষি ও কৃষিজাত ব্যবসা-বাণিজ্যে এখন শিক্ষিত, উদ্যমী ও বিজ্ঞানমনস্ক তরুণদের পদচারণ। তাই তরুণরাই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ, আগামী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাদের মনোবল ভাঙা যাবে না। নানা ধরনের সৃজনশীল ও উৎপাদনমুখী ব্যাবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণরা দেশের অর্থনীতিতে গভীরতা ও বহুমাত্রিকতা সৃষ্টি করে চলছে। কিন্তু এসব তরুণ যদি সামাজিকভাবে স্বীকৃতি না পায় তাহলে তারা উৎসাহ হারাবে। প্রয়োজনীয় সরকারি নীতি সহায়তা এবং যথার্থ সামাজিক স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে এসব তরুণকে উৎসাহিত করা গেলে তারা নিজেদের মেধা, প্রজ্ঞা ও সৃষ্টিশীলতা দিয়ে এক নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে এবং এভাবে উদ্যোক্তাদের সামাজিক মর্যাদাও পুনরুদ্ধার করতে পারবে। তাহলে দেশের বাকি তরুণরা আর অনৈতিক পথে হাঁটবে না, যেভাবেই হোক তারা সামনে এগোবে। আর এভাবেই আগামী বাংলাদেশের সুন্দর ও স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ রচিত হবে।

লেখক : চেয়ারম্যান, রানার গ্রুপ।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন