শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৩২, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

অপরাধ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে করণীয়

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক
অনলাইন ভার্সন
অপরাধ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে করণীয়

একবিংশ শতাব্দীর সামাজিক প্রবৃদ্ধি তথা বৈশ্বিক গতিশীলতা মন্থর করতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে অপরাধ। একই সঙ্গে সহায়ক ভূমিকা রাখছে মাদক। অপরাধ ও মাদক প্রত্যয় দুইটি সন্দেহাতীতভাবে একে অন্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তবে এই দুইটি প্রত্যয়ের মাত্রাগত পরিবর্তনই জন্ম দিচ্ছে নতুন নতুন ডিসকোর্সের। যেমন প্রশ্ন হচ্ছে- অপরাধের বৈচিত্র্য কি মাদকের উপস্থিতি জরুরি করে তোলে? নাকি মাদক অপরাধজগতে নতুনত্বের জন্ম দেয়? 

অপরাধবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, সমাজসংস্কারক- সবার ভাবনায়, চিন্তায়, সর্বোপরি গবেষণায় অপরাধ ও মাদক বিশ্লেষিত হচ্ছে বহুমুখী দৃষ্টিকোণ থেকে, যেখানে বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাই মুখ্য। উল্লেখ্য, কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পূর্বে যেকোনো সমস্যার কার্যকারণ, তত্ত্বগত বিশ্লেষণ, সমসাময়িক ধরন, গতি-প্রকৃতি তথা সামগ্রিক পর্যালোচনা যথার্থ দাবি রাখে।

বর্তমান সমাজের অপরাধ পরিক্রমার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরতে পুলিশ সদর দপ্তরের অপরাধভিত্তিক পরিসংখ্যান উন্মোচন হওয়া জরুরি, যা সমাজের কুৎসিত চেহারা তুলে ধরছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশে তিন হাজার ২৮টি হত্যা এবং পাঁচ হাজার ২০২টি ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে আটটির বেশি হত্যা এবং ১৪টির বেশি ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের পাশাপাশি অন্যান্য নারী নির্যাতনের অভিযোগও আসত দিনে ৩০টির বেশি এবং চূড়ান্তভাবে মামলাও হয়েছে ১১ হাজার ৩৭টি। ২০২৩ সালে এক হাজার ৩৮৪টি ডাকাতির ঘটনাও রেকর্ড করেছে পুলিশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এককভাবে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে।

গত ১২ বছরে প্রায় ২০০ মা-বাবা খুন হয়েছেন তাঁদের মাদকাসক্ত ছেলে-মেয়ের হাতে, যা জোরালোভাবে মাদকের ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত সামাজিক ভঙ্গুরতা প্রকাশ করছে। অন্যদিকে কমছে না সমাজের অন্যান্য প্রচলিত গুরুতর অপরাধও। যেমন- ২০২৩ সালে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ৪৬৬টি। একই সঙ্গে চোরাচালানের মামলা হয়েছে দুই হাজার পাঁচটি। পুলিশে জনবল বাড়ছে।

নতুন নতুন ডিজিটাল প্রযুক্তি যোগ হচ্ছে, তবু কমছে না অপরাধ। উল্টো বাড়ছে এবং যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন অপরাধ। অনলাইন অপরাধ, ই-কমার্স নামে প্রতারণা, অনলাইন জুয়া খেলা, এবং বিভিন্ন ধরনের সাইবার ক্রাইম, যেমন- সাইবার বুলিং, হ্যাগিং, ফিশিং, স্প্যামিং, সফটওয়্যার পাইরেসি, কুম্ভিলকবৃত্তি ইত্যাদি সবাইকে ভাবাচ্ছে গভীরভাবে।

আঠারো শতকের প্রাক্কালে ইউরোপে অপরাধবিজ্ঞানের বিকাশকাল থেকে শুরু করে পরবর্তীকালে আধুনিক, উত্তর আধুনিক সময়কাল পর্যন্ত সব অপরাধবিজ্ঞানীর প্রচেষ্টা ছিল অপরাধের ধরন, কার্যকারণ, গতি-প্রকৃতি, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা অন্বেষণ করা। এই সময়কাল জুড়ে অপরাধকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করার নিমিত্তে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে কিছু দৃষ্টিভঙ্গি। যেমন-জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, ভৌগোলিক, প্রাতিষ্ঠানিক, রাষ্ট্রীয় ইত্যাদি। অপরাধের সুনির্দিষ্ট কার্যকারণ খুঁজতে অপরাধবিজ্ঞানীদের প্রথম প্রয়াস ছিল জৈবিক ত্রুটি চিহ্নিত করা। পরে অবশ্য এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে মানসিক ভারসাম্যহীনতা, সামাজিক অসংগতি, অর্থনৈতিক বৈষম্য; এমনকি অপরাধ এখন বিবেচ্য হচ্ছে শাসকশ্রেণির দমনমূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশরূপে। 

একই সঙ্গে সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূল করতেও একই পদ্ধতি কার্যকর হবে না। আলাদা আলদা অপরাধের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যার প্রথম পদক্ষেপ হবে সুনির্দিষ্ট সামাজিক অসংগতি খুঁজে বের করা। যেমন- কেন কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক, অশিক্ষিত থেকে শিক্ষিত, পুরুষ থেকে নারী ক্রমে মাদকের প্রতি আসক্ত হচ্ছে, তার কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। ভৌগোলিক এলাকায় বা সমাজে জনসংখ্যার আধিক্য, দরিদ্রতা, বেকারত্বসহ নানামুখী সামাজিক সমস্যা অধিক হারে থাকবে, সেই সমাজে মাদকের ব্যবসা ও অপব্যবহারও বেশি হবে এবং মাদককে কেন্দ্র করে গুরুতর অপরাধও দিন দিন বাড়তে থাকবে। এই তত্ত্ব অনুযায়ী অপরাধের কারণ হিসেবে আরো কিছু কারণকে উল্লেখ করে; যেমন- সামাজিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতা, যথাযথ নিয়ন্ত্রণের অভাব, পারিবারিক বিশৃখলা ও উদাসীনতা এবং বৈরী পারিপার্শিক অবস্থা।

শুধু তত্ত্বগত বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে নয়, বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপট, জীবনযাত্রার ধারা, গতি-প্রকৃতি, অসংগতিসহ চতুর্মুখী দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় আনতে হবে অপরাধ বিশ্লেষণে। কেননা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন করতে চাইলে নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যব্যস্থাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলোও এখন সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। বৈশ্বিক অপরাধবিজ্ঞানের ট্রেন্ডও এখন পুলিশ, কোর্ট, কারাগার বা সংশোধনাগারের উন্নয়ন থেকে সামাজিক অসংগতি নির্মূলে বেশি মনোনিবেশ করছে। যেমন- ইংল্যান্ডে ১৯৮৩ সালে পার্লামেন্টে সব দলের উপস্থিতিতে সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায় তার একটা   রূপরেখা দাঁড় করায়। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে অপরাধ প্রতিরোধে তারা ঝুঁকিপূর্ণ এবং বিশৃঙ্খল পরিবার খুঁজে বের করে পরিবারের সদস্যদের মাঝে সম্পর্ক উন্নয়ন বিষয়ক শিক্ষা ও কর্মসূচি গ্রহণ, বৈবাহিক সম্পর্কের উন্নয়ন, প্যারেন্টিং বিষয়ক পদক্ষেপ নেবে। একই সঙ্গে কিশোর-কিশোরীদের মানসম্মত শিক্ষা, বাসস্থান ও কাজের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেবে।

বাংলাদেশের অপরাধের হার কমিয়ে আনতেও নিতে হবে সমষ্টিগত পদক্ষেপ, যেখানে সমাজের একজন সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে অবদান থাকবে সরকারের নীতিনির্ধারকসহ সবার। সামাজিক কার্যকর কর্মসূচি, যেমন- প্রতিবেশীর নজরদারি টিম গঠন, ভবঘুরে ও মাদকাসক্তদের বাসস্থান ও কাজের নিশ্চয়তা, পারিবারিক সহিংসতা নিরসন, সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, সেবামূলক কাজের প্রসার ইত্যাদি পরিচালনা করতে কাজ করতে হবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে। সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে, শিক্ষাকে আরো আনন্দায়ক করতে, ঝরে পড়া শিশুদের পুনরায় শিক্ষাজীবন ফিরিয়ে দিতে কাজ করতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা কিংবা উদ্যোক্তা হতে সহায়তা করতে হবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে। সামাজিক-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। 

মাদকের নিয়ন্ত্রণ আনতে এর সহজলভ্যতা সংকুচিত করতে হবে। সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদকের প্রবেশ রুখে দিতে সোচ্চার থাকতে হবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে। অন্যদিকে শহরভিত্তিক অপরাধ নিরসনে শহর পুনর্গঠনে পদক্ষেপ নিতে হবে, বিশেষ করে শিল্প এলাকা ও আবাসিক এলাকায়। বিশাল এলাকা মনিটরে রাখতে ছোট ছোট জোনে ভাগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। শহর কিংবা গ্রাম সমগ্র বাংলাদেশে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। কেননা এরই মধ্যে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয়ে গেছে তা নিয়ন্ত্রণে এবং পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে নিতে হবে নিয়ন্ত্রণমূলক ও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা।

পুলিশ বিভাগকে দুর্নীতিমুক্ত ও গতিশীল করতে অভ্যন্তরীণ ক্ষুদ্র বিষয় থেকে বৃহৎ কর্মসূচিতে পরিবর্তন আনতে হবে এবং তাদের প্রকৃতই জনগণের সেবকে পরিণত করতে হবে। এই উদ্যোগ শুধু বিভাগীয়ভাবে নিলেই হবে না; ব্যক্তি পুলিশকেও মানসিকভাবে পরিবর্তন হতে হবে। সাইবার স্পেসের অপরাধ রুখে দিতে পুলিশকে অধিক হারে প্রযুক্তিগত বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে  তোলার পাশাপাশি অপরাধী যেন যথার্থ প্রমাণের অভাবে বিচারকার্যকে বুড়ো আঙুল দেখাতে না পারে সে বিষয়েও পদক্ষেপ নিতে হবে। সর্বোপরি অপরাধ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নীতিনির্ধারকরা পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন, আর বাস্তবায়ন করতে হবে সংশ্লিষ্ট সবাইকে। সব দায় সরকারের বিবেচনা করলে কখনোই সমাজ থেকে অপরাধ দূর হবে না। একজন সুনাগরিক হিসেবে প্রত্যেক বিবেচক মানুষকেই সমাজ বিনির্মাণে অংশগ্রহণ করত হবে।

লেখক : চেয়ারম্যান, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স (সিপিএস) বিভাগ, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
সর্বশেষ খবর
স্পেনে ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২১
স্পেনে ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২১

২ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হট্টগোল ও বিতর্কের ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল
হট্টগোল ও বিতর্কের ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ধাপে ধাপে ইন্টারনেট চালু করবে ইরান
ধাপে ধাপে ইন্টারনেট চালু করবে ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্লে-অফে কে কার বিপক্ষে খেলবে
প্লে-অফে কে কার বিপক্ষে খেলবে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্ধারিত সময়েই শাকসু নির্বাচন হবে
নির্ধারিত সময়েই শাকসু নির্বাচন হবে

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আগামী নির্বাচন কোনোভাবেই সহজ হবে না : শামা ওবায়েদ
আগামী নির্বাচন কোনোভাবেই সহজ হবে না : শামা ওবায়েদ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারেক রহমানের গাড়িতে রহস্যময় কাগজ সেঁটে উধাও বাইকার
তারেক রহমানের গাড়িতে রহস্যময় কাগজ সেঁটে উধাও বাইকার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের অবস্থান বদলে প্রতারিত বোধ করছেন ইরানের বিক্ষোভকারীরা
ট্রাম্পের অবস্থান বদলে প্রতারিত বোধ করছেন ইরানের বিক্ষোভকারীরা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনালের ‘ও জান’
কোনালের ‘ও জান’

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাজধানীতে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু
রাজধানীতে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নিরাপত্তা বাড়াতে শাকসু নির্বাচনে মোতায়েন হবে তিন শতাধিক পুলিশ
নিরাপত্তা বাড়াতে শাকসু নির্বাচনে মোতায়েন হবে তিন শতাধিক পুলিশ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বুধবার
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বুধবার

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আল্লাহর রহমত ও দয়া অপরিসীম
আল্লাহর রহমত ও দয়া অপরিসীম

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

লাইটারেজ সংকটে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস ব্যাহত
লাইটারেজ সংকটে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস ব্যাহত

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্যবসাবাণিজ্যে এখনো দুর্দিন
ব্যবসাবাণিজ্যে এখনো দুর্দিন

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিফলে কোহলির সেঞ্চুরি, ওয়ানডে সিরিজ হারল ভারত
বিফলে কোহলির সেঞ্চুরি, ওয়ানডে সিরিজ হারল ভারত

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে ৫ দিনব্যাপী শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা শুরু
ঢাবিতে ৫ দিনব্যাপী শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা শুরু

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নিরাপদ ও বৈষম্যহীন ক্যাম্পাসের দাবিতে ঢাবিতে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি
নিরাপদ ও বৈষম্যহীন ক্যাম্পাসের দাবিতে ঢাবিতে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এলপিজি আমদানির অনুমতি পেল বিপিসি
এলপিজি আমদানির অনুমতি পেল বিপিসি

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রূপগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
রূপগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এনসিপি নির্বাচনে যাবে কি না পুনর্বিবেচনা করছে: আসিফ মাহমুদ
এনসিপি নির্বাচনে যাবে কি না পুনর্বিবেচনা করছে: আসিফ মাহমুদ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলের বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলের বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসিতে শেষদিনে ২৩ আপিল মঞ্জুর
ইসিতে শেষদিনে ২৩ আপিল মঞ্জুর

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টসহ আটক ১১
মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টসহ আটক ১১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেভাবে 'গোপন কারাগার' থেকে লিবিয়ায় মুক্ত দুই শতাধিক অভিবাসী
যেভাবে 'গোপন কারাগার' থেকে লিবিয়ায় মুক্ত দুই শতাধিক অভিবাসী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোংলায় মাদকের আখড়ায় অভিযান, মাদকসহ আটক ৩
মোংলায় মাদকের আখড়ায় অভিযান, মাদকসহ আটক ৩

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩০ বছরের বন্দি জীবনের অবসান বৃদ্ধা রাহেলার
৩০ বছরের বন্দি জীবনের অবসান বৃদ্ধা রাহেলার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদকসহ আটক ২
মুন্সীগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদকসহ আটক ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরাধ প্রতিরোধে দিঘীরপাড়ে আইনশৃঙ্খলা সভা
অপরাধ প্রতিরোধে দিঘীরপাড়ে আইনশৃঙ্খলা সভা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঘরের খাবারেও হচ্ছে এসিডিটি, সমাধান কী?
ঘরের খাবারেও হচ্ছে এসিডিটি, সমাধান কী?

৭ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

সর্বাধিক পঠিত
জানুয়ারিতেই পে স্কেল কার্যকর, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত?
জানুয়ারিতেই পে স্কেল কার্যকর, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত?

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা
আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইসিসিকে এবার নতুন এক প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
আইসিসিকে এবার নতুন এক প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে কারণে ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন নেতানিয়াহু
যে কারণে ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন নেতানিয়াহু

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আয়ারল্যান্ডের ‘না’ : ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার জন্য গ্রুপ বদলের প্রস্তাব
আয়ারল্যান্ডের ‘না’ : ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার জন্য গ্রুপ বদলের প্রস্তাব

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে করলে ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান, সন্তানের জন্মে দ্বিগুণ
বিয়ে করলে ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান, সন্তানের জন্মে দ্বিগুণ

১৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শীতে কাঁপুনি কমবে নাকি বাড়বে, জানাল আবহাওয়া অফিস
শীতে কাঁপুনি কমবে নাকি বাড়বে, জানাল আবহাওয়া অফিস

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাড়ে ১২ ঘণ্টার বৈঠক: কী আলোচনা করল জামায়াত
সাড়ে ১২ ঘণ্টার বৈঠক: কী আলোচনা করল জামায়াত

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৩২টি আসন নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের নতুন বার্তা
৩২টি আসন নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের নতুন বার্তা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন
খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন

২০ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

বাংলাদেশের দাবি না মানলে বিশ্বকাপ থেকে সরে আসতে পারে পাকিস্তানও
বাংলাদেশের দাবি না মানলে বিশ্বকাপ থেকে সরে আসতে পারে পাকিস্তানও

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ
বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে ইরানে জয়ের সহজ কোনও পথ নেই ট্রাম্পের: আল-জাজিরার বিশ্লেষণ
যে কারণে ইরানে জয়ের সহজ কোনও পথ নেই ট্রাম্পের: আল-জাজিরার বিশ্লেষণ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে করলেই মিলবে ১৬ লাখ, সন্তান জন্ম দিলে দ্বিগুণ!
বিয়ে করলেই মিলবে ১৬ লাখ, সন্তান জন্ম দিলে দ্বিগুণ!

১২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

কে এই ভেনেজুয়েলার ‘বিশ্বাসঘাতক’?
কে এই ভেনেজুয়েলার ‘বিশ্বাসঘাতক’?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে তোয়াক্কা না করে প্রধান তেল-গ্যাসক্ষেত্র দখলে নিলো সিরীয় বাহিনী
যুক্তরাষ্ট্রকে তোয়াক্কা না করে প্রধান তেল-গ্যাসক্ষেত্র দখলে নিলো সিরীয় বাহিনী

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমেরিকার বিদ্যুৎ খরচ করে ভারতকে সেবা, ট্রাম্পের উপদেষ্টার ক্ষোভ
আমেরিকার বিদ্যুৎ খরচ করে ভারতকে সেবা, ট্রাম্পের উপদেষ্টার ক্ষোভ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা
আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপি প্রার্থী গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল
কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপি প্রার্থী গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পার্টিকে নিষিদ্ধ করেছে, ব্যক্তিকে তো নিষিদ্ধ করেনি: আইনজীবীকে ইসি মাছউদ
পার্টিকে নিষিদ্ধ করেছে, ব্যক্তিকে তো নিষিদ্ধ করেনি: আইনজীবীকে ইসি মাছউদ

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২৭ আসনে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, কে কোথায় প্রার্থী হচ্ছেন
২৭ আসনে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, কে কোথায় প্রার্থী হচ্ছেন

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিসিবির শোকজ নোটিশের জবাব দিয়েছেন নাজমুল
বিসিবির শোকজ নোটিশের জবাব দিয়েছেন নাজমুল

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাশিয়া থেকে ফিরলেন চাকরিচ্যুত ৩৫ বাংলাদেশি
রাশিয়া থেকে ফিরলেন চাকরিচ্যুত ৩৫ বাংলাদেশি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত
৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইউএনওকে ‘শাসানো’ সেই ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত
ইউএনওকে ‘শাসানো’ সেই ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনে নাহিদ ইসলামকে শোকজ
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনে নাহিদ ইসলামকে শোকজ

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম
আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভারতীয় ভিসা পেতে ‘পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত’ ক্রিকেটারদের পাশে আইসিসি
ভারতীয় ভিসা পেতে ‘পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত’ ক্রিকেটারদের পাশে আইসিসি

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
বৈধ প্রার্থী ২২৫৩ জন
বৈধ প্রার্থী ২২৫৩ জন

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসলামী আন্দোলন না এলে আসন বাড়বে অন্যদের
ইসলামী আন্দোলন না এলে আসন বাড়বে অন্যদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোটের মাঠে অস্তিত্ব সংকটে এনসিপি
ভোটের মাঠে অস্তিত্ব সংকটে এনসিপি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের জন্মদিন আজ
স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের জন্মদিন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

তিস্তা প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করতে সম্মতি
তিস্তা প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করতে সম্মতি

পেছনের পৃষ্ঠা

উপদেষ্টারা ছাড়ছেন লাল পাসপোর্ট
উপদেষ্টারা ছাড়ছেন লাল পাসপোর্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

সুন্দরবনে আবারও বনদস্যুর হানা
সুন্দরবনে আবারও বনদস্যুর হানা

পেছনের পৃষ্ঠা

হেরিটেজ কাবাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরু
হেরিটেজ কাবাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরু

নগর জীবন

সাভারে সিরিয়াল কিলার!
সাভারে সিরিয়াল কিলার!

প্রথম পৃষ্ঠা

জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা বিভাগ হবে
জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা বিভাগ হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিন্ন লুকে কেয়া পায়েল
ভিন্ন লুকে কেয়া পায়েল

শোবিজ

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আমিরের বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আমিরের বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

দৈন্যতা তো কিছুটা চলছেই
দৈন্যতা তো কিছুটা চলছেই

শোবিজ

কোনালের ‘ও জান’
কোনালের ‘ও জান’

শোবিজ

তমার নতুন অধ্যায়
তমার নতুন অধ্যায়

শোবিজ

খুলনার বেশির ভাগ কেন্দ্রই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’
খুলনার বেশির ভাগ কেন্দ্রই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’

নগর জীবন

দেশের জন্য সবার আন্তরিকতা থাকতে হবে
দেশের জন্য সবার আন্তরিকতা থাকতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন উপলক্ষে নীরব চাঁদাবাজি
নির্বাচন উপলক্ষে নীরব চাঁদাবাজি

প্রথম পৃষ্ঠা

সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন
সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বসেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তালিকায় তারেক রহমান
বিশ্বসেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তালিকায় তারেক রহমান

পেছনের পৃষ্ঠা

বিয়ে করলেই কর্মীরা পাবেন ১৬ লাখ, সন্তান নিলে দ্বিগুণ!
বিয়ে করলেই কর্মীরা পাবেন ১৬ লাখ, সন্তান নিলে দ্বিগুণ!

পূর্ব-পশ্চিম

সিনেমা হল কেন ছাড়লেন দর্শক
সিনেমা হল কেন ছাড়লেন দর্শক

শোবিজ

মার্চে আসছে পারমাণবিক কেন্দ্রের বিদ্যুৎ
মার্চে আসছে পারমাণবিক কেন্দ্রের বিদ্যুৎ

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে স্ত্রী খুনে স্বামী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে স্ত্রী খুনে স্বামী গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

করুণ দশায় যমুনা-বাঙালি নদী
করুণ দশায় যমুনা-বাঙালি নদী

দেশগ্রাম

বাণী
বাণী

সম্পাদকীয়

অরক্ষিত সুন্দরবন
অরক্ষিত সুন্দরবন

সম্পাদকীয়

লিখুন আপনিও
লিখুন আপনিও

রকমারি রম্য

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা

সম্পাদকীয়