শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৩৮, মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫

শেয়ারবাজার এবং সুন্দরী প্রতিযোগিতা

আব্দুল বায়েস
অনলাইন ভার্সন
শেয়ারবাজার এবং সুন্দরী প্রতিযোগিতা

হোক উন্নত কিংবা অনুন্নত, পৃথিবীর যেকোনো দেশে স্টক মার্কেট বা শেয়ারবাজার হচ্ছে অর্থনীতির অন্যতম চালিকাস্তম্ভ। বস্তুত বিভিন্ন দেশে এবং বিভিন্ন সময়ে শিল্প-কারখানার জন্য প্রয়োজনীয় দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পুঁজির প্রয়োজন মেটায় এই শেয়ারবাজার। এই বাজার এতই স্পর্শকাতর যে জাতীয় নির্বাচন কিংবা আমেরিকার শুল্কনীতি অথবা যুদ্ধের দামামা শেয়ারবাজারে পতন ডেকে আনতে পারে এবং সর্বনাশের কারণ হতে পারে। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে বড় বড় পতন এবং লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর পথের ফকির বনে যাওয়ার ঘটনা অজানা নয়।


এক লৌকিক ‘দরবেশ’ এবং তাঁর মুরিদদের  দাপটে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের ধরাশায়ী অবস্থা। অথচ রাজনৈতিক প্রভাবে তাঁরা ছিলেন অধরা।
বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর মানুষের ধারণা ছিল, যেহেতু ‘দরবেশ বাবা’ জেলে আছেন এবং তাঁর মুরিদরা বিদেশে পলাতক, এবার হয়তো বাজার চাঙ্গা হয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মুখে হাসি আনবে এবং সমগ্র অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে। কিন্তু না।


যেই লাউ সেই কদু। গেল ৯ মাসেও নাকি প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা শেয়ারবাজার থেকে উধাও! অথচ বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘকালীন পুঁজির উৎস হওয়ার কথা শেয়ারবাজার, বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়। কে না জানে যে আজ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় দুরবস্থার জন্য অন্যতম নিয়ামক হচ্ছে পুঁজি সঞ্চারণে শেয়ারবাজারের অক্ষমতা।

দুই

বিশ্ববিখ্যাত জন মেইনার্ড কেইনস শেয়ারবাজারে ফটকা আচরণ নিয়ে একটি উপমা উপস্থাপন করেছেন।


তাঁর সময়কালে কিছু খবরের কাগজ ‘সুন্দরী প্রতিযোগিতা’র আয়োজন করত। পত্রিকায় ১০০ মহিলার ছবি ছাপা হতো এবং এর মধ্য থেকে পাঠককে বলা হতো পাঁচজন সুন্দরী মহিলার একটি তালিকা পাঠাতে। নিয়মটি ছিল, পুরস্কার তিনি পাবেন, যাঁর পছন্দ অন্যান্য প্রতিযোগীর গড় পছন্দের সবচেয়ে কাছাকাছি। এমতাবস্থায় একজন সরল পাঠক আগ-পাছ না ভেবে ‘যে দেখে সুন্দর তার চোখে’ (‘বিউটি লাইজ ইন দি আইজ অব দ্য বিহোল্ডার’) সূত্র ধরে সেরা সুন্দরী শনাক্ত করে পাঁচজনের তালিকা পাঠিয়ে দিতেন। তবে এ ক্ষেত্রে কিছুটা অস্বাভাবিক কৌশলও ছিল।

আর তা হচ্ছে, যেহেতু অন্যান্য প্রতিযোগী সুন্দরীদের নিয়ে কী ক্রম সাজাতে পারেন, সেটিও প্রতিযোগীর বিবেচ্য বিষয়। তাই কাজটি দাঁড়ায় নিজের পছন্দের সঙ্গে অন্যদের পছন্দ যতটুকু সম্ভব সমন্বয় করে তালিকা প্রস্তুত করা। যে ‘অন্যদের’ কথা চিন্তা করা হচ্ছে, তাঁরাও আবার অন্য এক ‘অন্যদের’ চিন্তায় বিভোর, যাঁরা অন্য এক অন্যদের কথা ভাবছেন। এবং এভাবেই চলতে থাকে নিজের চিন্তা পাশ কাটিয়ে অন্যদের চিন্তায় মশগুল থাকার প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার শেষে যা দাঁড়ায়, তা হলো প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পাওয়ার জন্য নিজের চোখে সত্যিকার সুন্দরী বাছাইয়ের চেয়ে অন্যের পছন্দের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া।

তিন

একইভাবে কেইনস যুক্তি দিলেন যে যেহেতু শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারী এক পর্যায়ে গিয়ে অন্যের কাছে শেয়ার বিক্রি করে থাকেন, সে ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কম্পানির সত্যিকার মূল্যের প্রতি মনোযোগ না দিয়ে তিনি এই কম্পানির ওপর অন্যদের সম্ভাব্য মূল্যায়ন নিয়ে মাথা ঘামান বেশি। কেইনসের মতে, সবচেয়ে দক্ষ শেয়ার বিনিয়োগকারী মানুষের মনোজাগতিক অবস্থানকে আগেভাগে বুঝতে পারেন। কেইনস বিশ্বাস করতেন যে শেয়ারের দামের নড়াচড়া প্রায়ই অবিবেচনাপ্রসূত সুখবাদ ও দুঃখবাদের ঢেউ প্রতিফলিত করে। তিনি এর নাম দিয়েছেন বিনিয়োগকারীর এনিম্যাল স্পিরিট বা জন্তু চেতনা। শেয়ারবাজার নিয়ে এই দুই মতবাদ এখনো আছে, তবে কিছু অর্থনীতিবিদ দক্ষ বাজার হাইপোথেসিসের লেন্স দিয়ে শেয়ারবাজার দেখছেন; তাঁরা মনে করেন যে শেয়ারের দামের ওঠানামা অর্থনৈতিক মৌলিকতাকে প্রতিফলিত করে। অন্যদিকে অন্যান্য অর্থনীতিবিদ শেয়ার নিয়ে ফটকা চিন্তায় কেইনসের সুন্দরী প্রতিযোগিতা ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করেছেন। তাঁদের মতে, শেয়ারবাজার ওঠানামা করার পেছনে কোনো যুক্তিপূর্ণ ভালো কারণ নেই। যেহেতু শেয়ারবাজার পণ্য ও সেবার আর্থিক চাহিদাকে প্রতিফলিত করে, তাই শেয়ারবাজারের ওঠানামা স্বল্পকালীন অর্থনৈতিক ওঠানামার উৎস ।

এই সুন্দরী প্রতিযোগিতার শিকার হিসেবে অনেক ফটকা বুদবুদের ঘটনা ইতিহাসের পাতায় বিবৃত আছে, যখন ফটকা  বাজারে বিরাজমান দাম সম্পদের অন্তর্নিহিত দামের চেয়ে বেশি উঠে গিয়েছিল। যেমন—সতেরো শতাব্দীতে হল্যান্ডে টিউলিপের জন্য মানুষের পাগলামি টিউলিপের দাম একটি বাড়ির দামের চেয়ে বেশি ওপরে উঠিয়ে দেয়। আবার অষ্টাদশ শতাব্দীতে সাউথ সি কম্পানির শেয়ারের দাম একটি মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ওপর ভর করে অকল্পনীয় স্তরে উঠিয়ে দেয় আর প্রতিশ্রুতিটি ছিল কথিত ফার্মটি তার শেয়ারহোল্ডারদের ধনী বানিয়ে ছাড়বে তেমনি মিথ্যা আশ্বাস। শেয়ারবাজারে সৃষ্ট বুদবুদ সব সময় ব্যবসার পতন ডেকে আনে এবং মাঝে মাঝে অর্থনৈতিক আতঙ্কের দিকে ধাবিত করে। ১৯২০-এর দশকে আমেরিকান শেয়ারবাজারে এমনটি ঘটেছিল, যখন প্রায় প্রত্যেকেই শেয়ার বেচাকেনায় জড়িত ছিল এবং আর এই কেনাবেচায় ঋণ ও বন্ধকির আশ্রয় নেওয়া হতো। এই ফটকা আচরণের পর পর ১৯২৯ সালে আতঙ্ক ও পতনের আওয়াজ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, যে ঘটনাপরম্পরায় ১৯৩০-এর দশকের দীর্ঘ এবং বেদনাদায়ক মহামন্দা উপস্থিত হয়। ১৯৩৩ সালে যখন মন্দা চরম আকার ধারণ করে, ঠিক সেই সময় বাজার পড়ে যায় ৮৫ শতাংশ।

চার

অর্থনীতির একজন শিক্ষক হিসেবে অনেকের কাছ থেকে অনুরোধ আসে শেয়ারবাজারে করণীয় সম্পর্কে উপদেশ দেওয়ার জন্য। ভাবটা এমন যে অর্থশাস্ত্র যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা শেয়ারবাজার সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা রাখেন এবং অনেক সময় ধরে নেওয়া হয় যে তাঁরা শেয়ারবাজারে অর্থ লগ্নি করে মোটা অঙ্কের মুনাফা ঘরে তুলেছেন। আমার অতি আদরের ছোট কন্যা অর্থনীতি বিভাগে ছাত্রী থাকাকালে অন্যদের অনুকরণ করে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে। শেয়ারবাজার সম্পর্কে সে কিছুই জানত না; শুধু জানত যে তার কিছু সহপাঠী শেয়ার বেচাকেনা করে অপেক্ষাকৃত ‘ভালো’ আছে। সাম্প্রতিককালের ভয়াবহ শেয়ারবাজার পতনের পর আমার কন্যার কপাল পুড়ে গেল—আম ও ছালা দুটিই যাওয়ার অবস্থা, যদিও ওর বন্ধুদের তথ্য আমার জানা নেই। সুতরাং অর্থশাস্ত্রের কোনো কোর্স নিলেই সম্পদ বৃদ্ধি ঘটবে এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না, যদিও পৃথিবীর বিখ্যাত অর্থনীতিবিদদের কেউ শেয়ারবাজার থেকে উপার্জনের চেষ্টা চালিয়েছেন; এমনকি কেউ শেয়ারবাজারের ব্যবসায়ী থেকে বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ হয়ে উঠেছেন। তার পরও বলা যায়, আধুনিক অর্থায়নের নীতিগুলো কিছুটা হলেও এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে এবং সেই সূত্রে অর্থনীতিবিদ পল স্যামুয়েলসন ও উইলিয়াম নরডাশের বিখ্যাত বই ‘ইকোনমিকস’ থেকে কিছু পাঠকের জন্য উপদেশ তুলে ধরা হলো :

শিক্ষা ১ : নিজের বিনিয়োগ সম্পর্কে জানা—(ক) বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বাস্তব ও মিতব্যয়ী হতে হবে; (খ) গুরুত্বপর্ণ বিনিয়োগের জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে পড়াশোনা করতে হবে এবং অভিজ্ঞদের উপদেশ নিতে হবে; (গ) সফলতার দ্রুত রাস্তা পদ্ধতি নিয়ে সংশয় থাকতে হবে  এবং (ঘ) স্মরণ রাখতে হবে, নাপিতের কথা শুনে অথবা অ্যাস্ট্রোলজি জ্ঞান দিয়ে ধনী হওয়া যায় না।

শিক্ষা ২ : শেয়ার বিনিয়োগ বহুমুখীকরণ করা এবং এটিই হচ্ছে অর্থায়নের ভবিষ্যদ্বক্তাদের আইন। সব ডিম এক ঝুড়িতে না রেখে বিভিন্ন শেয়ারের লগ্নি করে গড়পড়তা আয় বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি হ্রাস করা যায়।

শিক্ষা ৩ : বিনিয়োগের সঙ্গে ঝুঁকির বেশি সমন্বয় করে ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ার কিনে প্রত্যাশিত আয় বাড়ানো যায়। কিন্তু আর্থিক এবং মানসিকভাবে যতটুকু ঝুঁকি সহ্য করা যাবে, ততটুকু ঝুঁকি নেওয়া দরকার। কথায় বলে, বিনিয়োগ হচ্ছে ভালো খাওয়া ও ভালো ঘুমানোর মধ্যে ট্রেড অফ বা যেকোনো একটিকে বেছে নেওয়ার খেলা।

মোটকথা, শেয়ারবাজারে ভাগ্য খুলতে হলে চাই :

♦ সত্যিকারভাবে মেডিক্যাল ছাত্রের নিবিষ্ট মনে অ্যানাটমি পড়ার মতো শেয়ারবাজার ও কম্পানির অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে গভীর পর্যালোচনা;

♦ বড় জুয়াড়ির স্নায়ু;

♦ আলোকদৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তির মতো ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় এবং

♦ সিংহের মতো সাহস।

পাঁচ

সুতরাং শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীর কপালে ভাঁজ শুধু বাজারের অন্তর্নিহিত বিষয় নয়, বস্তুত যিনি শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে লিপ্ত হবেন, তাঁর মনন ও মেধা, পড়াশোনা, চারদিকে চোখ ফেলা ইত্যাদি দুঃখ লাঘব করতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা, সরকার যদি শিষ্টের লালন ও দুষ্টের দমনসমেত সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ না হয়, তাহলে বিনাশী দরবেশের আগমন ঘটতেই থাকবে, শেয়ারবাজারে হবে রক্তক্ষরণ আর বিনিয়োগকারী হবেন রক্তশূন্য।

লেখক : অর্থনীতিবিদ, সাবেক উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

২২ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়