শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ মার্চ, ২০২১ ১৭:২৬
প্রিন্ট করুন printer

আগরতলায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক

আগরতলায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন

আগরতলাস্থ বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন কর্তৃক যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে। 

ওই দিন সকাল ৯টায় দূতালয় প্রাঙ্গনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর পরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর জাতির পিতাসহ মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। দিবস উপলক্ষ্যে প্রদত্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এরপর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ভিডিও চিত্র প্রদর্শন ও দিবসের তাৎপর্য নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অত্র মিশনের প্রথম সচিব মোঃ জাকির হোসেন ভূঞা, বিশিষ্ট গবেষক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব ড. দেবব্রত দেব রায়, মুক্তিযুদ্ধের সম্মাননা প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব শ্রী স্বপন ভট্টাচার্য, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব আগরতলাস্থ রামঠাকুর কলেজের অধ্যাপক মোঃ মুজাহিদ রহমান, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব ড. আশিষ কুমার বৈদ্য প্রমুখ, বিশিষ্ট সাংবাদিক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শ্রী অমিত ভৌমিক এবং অত্র মিশনের প্রথম সচিব (স্থানীয়) জনাব এস. এম. আসাদুজ্জামান প্রমুখ। 

এছাড়াও ৩৯তম আগরতলা বইমেলায় অংশগ্রহণ করতে ত্রিপুরায় আগত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও প্রকাশনা) মোহাম্মদ আলী সরকার বক্তব্য পেশ করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় ইতিহাসে ৭ ই মার্চের ভাষণ মূলত বাঙ্গালী জাতির মুক্তির সনদ বলে সম্মানিত বক্তাগণ উল্লে­খ করেন।  

সহকারী হাইকমিশনার জোবায়েদ হোসেন তাঁর সমাপনী বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি বাঙ্গালি জাতির বঞ্চনা ও নির্যাতন থেকে মুক্তির লক্ষ্যে স্বাধীনতা অর্জনের সুদীর্ঘ সংগ্রামে ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি আরও উলে­খ করেন বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ পৃথিবীর কালজয়ী ভাষণগুলোর অন্যতম। মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরাবাসী বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের জন্য যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছিল তা কৃতজ্ঞতার সহিত স্মরণ করেন।
শিশুদের অংশগ্রহণে জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ভাষণ প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।  

অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়িত করা হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সঞ্চালনা করেন অত্র মিশনের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান  মোঃ জাকির হোসেন ভূঞা।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর