শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

গল্প

ডিম

♦ অ্যান্ডি উইয়ার  ♦ ভাষান্তর : শেহজাদ আমান
প্রিন্ট ভার্সন
ডিম

মৃত্যুর সময় তুমি বাসায় ফেরার পথেই ছিলে। ঘটনাটা ঘটেছিল গাড়ি দুর্ঘটনার কারণে। এখানে উল্লেখ করার মতো তেমন কিছু নেই, তবে ভয়ানক দুর্ঘটনা ছিল, সন্দেহ নেই! তুমি রেখে গেছ স্ত্রী ও দুই সন্তানকে। তোমার মৃত্যু বলতে গেলে বেদনাহীনই ছিল। তোমাকে বাঁচানোর অনেক চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু তা কাজে আসেনি একদম। তুমি একেবারে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিলে বলে চোখের পলকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছিলে।

আর এর পরই আমার সাথে তোমার দেখা হলো।

-কী-কী হয়েছে? তুমি বললে।

-আমি কোথায়?

-তুমি মারা গেছ। নির্লিপ্তভাবেই বললাম আমি। ওখানে ধেয়ে আসছিল একটা ট্রাক আর তা পিছলে...

-অ্যা! বললে তুমি। আমি মারা গেছি?

-হ্যাঁ এটা নিয়ে কষ্ট পেও না। সবাইকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হয়।  

চারদিকে তাকালে তুমি। সবখানেই দেখতে পেলে স্রেফ শূন্যতা, যদি শূন্যতাকে দেখা যায় আরকি!

-এটা কোন জায়গা? জিজ্ঞেস করলে তুমি। এটাই কি মৃত্যুর পরের জীবন?

-বলতে পারো। জবাব দিলাম।

-আপনি কি ঈশ্বর? চেঁচিয়ে জানতে চাইলে তুমি।

-হ্যাঁ, আমিই ঈশ্বর। বললাম।

-আমার বাচ্চারা! আমার স্ত্রী! বললে তুমি।

- ওরা কেমন আছে?

-মৃত্যুর সময় তুমি বাসায় ফিরছিলে।

-ওরা কি ভালো থাকবে?

-তেমনটাই আমি হতে দেখতে চাই, বললাম। -তুমি কেবলই মারা গেছ, আর তোমার উদ্বেগ হচ্ছে পরিবার নিয়েই। এটা তো সত্যিই দারুণ ব্যাপার!

তুমি আমার দিকে বিস্ময় নিয়ে তাকিয়েছিলে। তোমার চোখে আমাকে মোটেও ঈশ্বরের মতো লাগছিল না। আমি যেন স্রেফ একজন সাধারণ মানুষ। কিংবা হয়তো একজন নারী। কোনো অস্পষ্ট কর্তৃত্বপূর্ণ চরিত্র তার বেশি কিছু নয়। সর্বশক্তিমান স্রষ্টার চেয়ে বরং কোনো গ্রামার স্কুলের শিক্ষকের মতোই বেশি লাগছিল আমাকে।

-চিন্তা করো না, আমি বললাম। ওরা ভালোই থাকবে। তোমার সন্তানরা তোমাকে সবদিক থেকে নিখুঁত মানুষ হিসেবেই মনে রাখবে। তোমার প্রতি বিরক্তি জন্মানোর মতো সময় ওরা পায়নি। তোমার স্ত্রী বাইরে থেকে কাঁদবে ঠিকই, কিন্তু ভিতরে ভিতরে একটু স্বস্তিও পাবে। সত্যি বলতে, তোমাদের দাম্পত্য তো ভেঙেই পড়ছিল। তবে এটুকু সান্ত্বনা পেতে পারো, স্বস্তি পাওয়ার জন্য সে ভীষণ অপরাধবোধেও ভুগবে।

-ওহ! তুমি বললে। তাহলে এখন কী হবে? আমি কি স্বর্গে যাব, নাকি নরকে বা এ রকম কিছু?

- কোনোটাতেই না। আমি বললাম। তোমার পুনর্জন্ম হবে।

- আহা, তুমি বললে। তাহলে হিন্দুরাই ঠিক ছিল।

- সব ধর্মই তাদের নিজস্ব উপায়ে ঠিক। আমি বললাম। -এসো, আমার সঙ্গে হাঁটো।

তুমি আমার সঙ্গে হাঁটতে শুরু করলে। আমরা শূন্যতার ভিতর দিয়ে এগিয়ে চললাম।

- আমরা কোথায় যাচ্ছি?

- বিশেষ কোথাও না, বললাম। -কথা বলতে বলতে হাঁটতে ভালো লাগে, এই আর কী।

- তাহলে পুরো ব্যাপারটার মানে কী? তুমি জিজ্ঞেস করলে। আমি যখন আবার জন্ম নেব, তখন তো একেবারে খালি কাগজের পাতার মতো হয়ে যাব, তাই না? একটা শিশুর মতো! তাহলে এই জীবনের সব অভিজ্ঞতা, আমি যা কিছু করেছি, এসবের কোনো মূল্যই থাকবে না।

- একদম তা নয়! আমি বললাম। তোমার ভিতরে তোমার সব পূর্বজন্মের জ্ঞান আর অভিজ্ঞতা রয়ে গেছে। শুধু এই মুহূর্তে তুমি সেগুলো মনে করতে পারছ না।

আমি হাঁটা থামালাম এবং তোমার কাঁধে হাত রাখলাম।

- তোমার আত্মা তোমার কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি মহিমান্বিত, সুন্দর এবং বিশাল। মানুষের মন তোমার প্রকৃত সত্তার সামান্য একটা অংশই ধারণ করতে পারে। এটা যেন এক গ্লাস পানিতে আঙুল ডুবিয়ে বোঝার চেষ্টা করা যে পানি গরম না ঠান্ডা। তুমি নিজের এক ক্ষুদ্র অংশ সেই পাত্রে ঢুকিয়ে দাও, আর যখন সেটা আবার ফিরিয়ে আনো, তখন সেই অংশের সমস্ত অভিজ্ঞতা তোমার সঙ্গে চলে আসে। গত আটচল্লিশ বছর তুমি একটা মানুষের দেহে আটকে ছিলে। তাই এখনো পুরোপুরি প্রসারিত হয়ে তোমার বিশাল চেতনাটার বাকি অংশ অনুভব করতে পারছ না। আমরা যদি এখানে অনেকক্ষণ থাকতাম, তাহলে ধীরে ধীরে তুমি সব কিছুই মনে করতে শুরু করতে। কিন্তু প্রত্যেক জীবনের মাঝখানে সেটা করার কোনো মানে হয় না।

-তাহলে আমি কতবার পুনর্জন্ম নিয়েছি?

-বলতে পারো অসংখ্যবার। অগণিত, অগণিত বার। আর নানা ধরনের জীবনে। আমি বললাম।

-এইবার তুমি জন্ম নেবে ৫৪০ খ্রিস্টাব্দের এক চীনা কৃষক পরিবারের মেয়ে হয়ে।

-এক মিনিট। কী বলছেন আপনি? তুমি তোতলাতে তোতলাতে বললে। আপনি আমাকে অতীতে পাঠাচ্ছেন?

-আসলে, কৌশলগত দিক থেকে দেখলে, হ্যাঁ, আমি বললাম। সময়, যেভাবে তোমরা তাকে বোঝো সেটা শুধু তোমাদের মহাবিশ্বেই বিদ্যমান। আমি যেখান থেকে এসেছি, সেখানে ব্যাপারগুলো ভিন্ন।

-আপনি যেখান থেকে এসেছেন?

-অবশ্যই, আমি ব্যাখ্যা করলাম। আমি কোথাও থেকে এসেছি। অন্য কোথাও থেকে। আর আমার মতো আরও অনেকেই আছে। আমি জানি তুমি জানতে চাইবে জায়গাটা কেমন। কিন্তু সত্যি বলতে, তুমি সেটা বুঝতে পারবে না।

- ওহ! তুমি বললে, একটু হতাশ হয়ে। কিন্তু দাঁড়ান। যদি আমি সময়ের বিভিন্ন স্থানে পুনর্জন্ম নিতে থাকি, তাহলে কোনো একসময় তো আমি নিজেকেই দেখতে পেতে পারি।

- অবশ্যই। এমনটা সব সময়ই ঘটে। আর যেহেতু প্রতিটি জীবন কেবল নিজের সময়কাল সম্পর্কেই সচেতন থাকে, তাই তোমরা বুঝতেই পারো না যে ঘটনাটা ঘটছে।

- তাহলে এই সব কিছুর উদ্দেশ্য কী?

- সত্যিই? আমি জিজ্ঞেস করলাম। সত্যি বলছ? তুমি আমার কাছে জীবনের মানে জানতে চাইছ? এটা একটু বেশিই গতানুগতিক হয়ে গেল না?

-কিন্তু এটা তো যথার্থ প্রশ্ন, তুমি জিদ ধরে বললে।

আমি তোমার চোখের দিকে তাকালাম।

-জীবনের অর্থ বা আমি কেন এই পুরো মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছি, সব কিছুর উদ্দেশ্যই হলো তোমাদের পরিণত হয়ে ওঠা।

-মানে মানবজাতির? তুমি বললে। আপনি চান আমরা পরিণত হই?

-না, শুধু তুমি। আমি এই পুরো মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছি তোমার জন্য। প্রতিটি নতুন জীবনের সঙ্গে সঙ্গে তুমি বেড়ে উঠছ, পরিণত হচ্ছ, আর আরও বৃহৎ ও মহৎ বুদ্ধিমত্তায় রূপ নিচ্ছ।

-শুধু আমি? তাহলে অন্য সবাই?

-আর কেউ নেই, আমি বললাম। এই মহাবিশ্বে শুধু তুমি আর আমি আছি।

তুমি শূন্য দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে রইলে।

-কিন্তু পৃথিবীর এত মানুষ?

-সবাই তুমি। তোমারই ভিন্ন ভিন্ন অবতার।

-দাঁড়ান, আমি-ই সবাই?

-এবার বুঝতে শুরু করেছ। বললাম, তোমার পিঠে অভিনন্দনের চাপড় মেরে।

-আমিই সেই প্রতিটি মানুষ, যে কখনো বেঁচে ছিল?

-এবং যে ভবিষ্যতে কখনো বাঁচবে, সেও।

-আমি আব্রাহাম লিংকন?

-এবং তুমি জন উইলক্স বুথও, আমি যোগ করলাম।

-আমি হিটলার? তুমি আতঙ্কিত গলায় বললে।

-এবং সেই লাখো মানুষও, যাদের সে হত্যা করেছিল?

-আমি যিশু?

-এবং যারা তাকে অনুসরণ করেছে, তারাও।

তুমি চুপ করে গেলে।

-প্রতিবার তুমি কাউকে কষ্ট দিয়েছ। আমি বললাম,

-তুমি আসলে নিজেকেই কষ্ট দিয়েছ। তোমার প্রতিটি দয়ার কাজ তুমি নিজের প্রতিই করেছ। মানুষের অনুভব করা প্রতিটি সুখ আর দুঃখ, সবই তুমি অনুভব করেছ, অথবা করবে।

তুমি দীর্ঘ সময় নিয়ে চিন্তা করলে।

- কেন? তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করলে।

- এসব কেন করছেন?

-কারণ একদিন তুমি আমার মতো হয়ে উঠবে। কারণ এটাই তোমার প্রকৃত সত্তা। তুমি আমারই জাতের একজন। তুমি আমার সন্তান।

- ওহ! অবিশ্বাসের সাথে বলে উঠলে তুমি। মানে আমিও একজন ঈশ্বর?

- না। এখনো না। তুমি এখনো ভ্রুণ। তুমি এখনো বেড়ে উঠছ। সময়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি মানবজীবন যেদিন তুমি আবার বাঁচিয়ে তুলবে, সেদিন তুমি জন্ম নেওয়ার মতো যথেষ্ট বড় হয়ে উঠবে।

- তাহলে পুরো মহাবিশ্বটা, তুমি বললে, এটা আসলে শুধু...

- স্রেফ একটা ডিম বলতে পারো, আমি উত্তর দিলাম। আর এখন সময় হয়েছে তোমার পরবর্তী জীবনে এগিয়ে যাওয়ার।

তারপর আমি তোমাকে তোমার পথে পাঠিয়ে দিলাম।

এই বিভাগের আরও খবর
বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখক অ্যান্ডি উইয়ার
বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখক অ্যান্ডি উইয়ার
নিবেদিত কবিতা
নিবেদিত কবিতা
বাংলা কবিতায় বৃষ্টি ও বর্ষার অনুষঙ্গ
বাংলা কবিতায় বৃষ্টি ও বর্ষার অনুষঙ্গ
সমুদ্দুর
সমুদ্দুর
আমি
আমি
অন্ধ হবার আগে
অন্ধ হবার আগে
কুয়ো
কুয়ো
মেভ ম্যাকগুকিয়ানের কবিতা
মেভ ম্যাকগুকিয়ানের কবিতা
নষ্ট নীড়
নষ্ট নীড়
শতাব্দী থেকে
শতাব্দী থেকে
অতৃপ্তি
অতৃপ্তি
শ্বেতঔপনিবেশ
শ্বেতঔপনিবেশ
সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা
মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়
ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক
পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়
কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা

দেশগ্রাম