শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:১০

দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি ইয়াসিরের

ক্রীড়া প্রতিবেদক

দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি ইয়াসিরের

সেঞ্চুরি, ডাবল সেঞ্চুরিতে ভেসে গেছে বিসিএলের তৃতীয় রাউন্ড। রান উৎসবে মেতে উঠা ম্যাচ দুটির সব আকর্ষণ কেড়ে নেন ইয়াসির আলী। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন টেস্টে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন এই তরুণ ডান হাতি ব্যাটসম্যান। ডাক পাওয়ার উপলক্ষটাকে দারুণভাবে রাঙিয়েছেন তিনি। প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি মিস করেছেন। সেই হতাশা দূর করেছেন দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করে। প্রথমবারের মতো উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করে ইয়াসির নিজের ক্যারিয়ারকে শুধু সমৃদ্ধই করেননি, ইস্ট জোনকে ৮ উইকেটের জয় উপহার দিয়ে বিপিএলের ফাইনালে নিয়ে গেছেন। ২২-২৬ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে পাঁচ দিনব্যাপী গোলাপি বলের ফাইনালে ইস্ট জোনের প্রতিপক্ষ সাউথ জোন। কক্সবাজারে বিসিএলের টান টান উত্তেজনার আরেক ম্যাচে সাউথ জোন ও সেন্ট্রাল জোনের হারেনি কেউ। ড্র হওয়ায় ১৯.৮৯ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে সাউথ জোন। আরেক ফাইনালিষ্ট ইস্ট জোনের পয়েন্ট ২ জয়ে ২৩.৪৭। ফাইনাল খেলতে হলে সেন্ট্রাল জোনকে জিততেই হতো। কিন্তু শামসুর রহমানের সেঞ্চুরিতে সেই স্বপ্ন ভেস্তে যায়।

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে নর্থ জোনের ১৪০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। ইস্ট জোনের অফ স্পিনার নাঈম হাসান ১০৭ রানের ৮ উইকেট নিয়ে করেছিলেন ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। মুশফিকের সেঞ্চুরির জবাব দিয়েছিলেন ইয়াসির ১৬৫ রানের ইনিংস খেলে। নর্থ জোনের ২৭২ রানের জবাবে ইস্ট জোনের ইনিংস থেমেছিল ৩৩১ রানে। ৫৯ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকের নর্থ জোনকে পুনরায় বিধ্বস্ত করেন নাঈম তার স্পিন জাদুতে। এবার তিনি নেন ৫ উইকেট। দুই ইনিংস মিলিয়ে নাঈমের পারফরম্যান্সে ২০৮ রানের খরচে ১৩ উইকেট। নর্থ জোন থেমে যায় ২৬৯ রানে। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান মুশফিক খেলেন ৩৮ রানের ইনিংস।

টানা দ্বিতীয় জয় পেতে ইস্ট জোনকে ২১১ রান করতে হতো। ১৮ রানে প্রথম উইকেটের পতনের পর সাবেক টেস্ট অধিনায়ক আশরাফুলকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেন ২৬ ওভারে ১৭০ রান। আশরাফুল ৭০ রানে অপরাজিত থাকলেও ম্যাচসেরা ইয়াসির খেলেন ১১০ রানের ঝড়ো ইনিংস। ৮৮ বলের ইনিংসটিতে ৮টি চার ছাড়াও ছিল ৫টি ছক্কা। ম্যাচটিতে ৩ ওভার বোলিং করে

রান দেন ১৭।  

প্রতিপক্ষ সেন্ট্রাল জোন যাতে বোনাস পয়েন্ট না পায়, সেজন্য সাউথ জোনের অধিনায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজ ইনিংস ঘোষণা করে সমালোচিত হন। তার সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, দিন শেষে তা প্রমাণিত হয়েছে। চাপের মুখে থেকেও সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে ড্র করেছে ম্যাচটি। ড্র করেছে সাবেক টেস্ট ক্রিকেটার শামসুর রহমানের সেঞ্চুরিতে। ৫০৭ রানের পর্বতসমান টার্গেটে বিপক্ষে খেলতে নেমে ড্র করলেই ফাইনাল খেলবে সাউথ জোন। এমন সমীকরণের ম্যাচে শামসুর রহমান ও ‘নাইটওয়াচ’ ম্যান নাসুম আহমেদের দৃঢ়তায় ড্র করে সাউথ জোন। শামসুর খেলেন ১৩৩ রানে হার এড়ানো ইনিংস। ২৩০ বলের ইনিংসটিতে ছিল ১৮টি চার ও একটি ছক্কা। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এটা তার ২০ নম্বর সেঞ্চুরি। নাসুম ৮৫ রানের ইনিংসটি খেলেন ২৪৬ বলে ৯ চার ও এক ছক্কায়। 


আপনার মন্তব্য