Bangladesh Pratidin

ফোকাস

  • ২ জুন থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্য হাতির আক্রমণে ১০ মাসে নিহত ১৩
  • সাতক্ষীরায় যুবলীগ-শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ২
  • তাসফিয়া হত্যায় 'তৃতীয় পক্ষের' ইন্ধন নিয়ে সন্দেহ পরিবারের
  • বান্দরবানে পাহাড় ধসে নারীসহ ৫ শ্রমিক নিহত
  • সাভারে কাউন্সিলরের লোকজনের সাথে ছাত্রলীগের সংর্ঘষ-গুলি, আহত ২০
  • কেরালায় নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু
  • নাজিব পরাজয় মেনে নিতে চাননি: আনোয়ার ইব্রাহিম
  • রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
  • মাদকবিরোধী অভিযান; রাতে ৭ জেলায় 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ৯
প্রকাশ : ১২ মার্চ, ২০১৭ ০১:৩১ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১২ মার্চ, ২০১৭ ১০:০৯
বজ্রপাত থেকে বাঁচার উপায়
অনলাইন ডেস্ক
বজ্রপাত থেকে বাঁচার উপায়

গত বছর ১৪২ জনের মৃত্যুর পর বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করেছিল সরকার। এবারও বিস্তৃত এলাকাজুড়ে বজ্রঝড় হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আবহাওয়াবিদদের মতে, মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশে শুরু হয়েছে কালবৈশাখী, বজ্রপাত আর বজ্রঝড়ের মৌসুম। এর মধ্যে মার্চে উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ১-২ দিন মাঝারি বা তীব্র কালবৈশাখী অথবা বজ্রঝড় এবং অন্যত্র ২-৩ দিন হালকা অথবা মাঝারি কালবৈশাখী বা বজ্রঝড় হতে পারে।

এপ্রিলে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ৩-৪ দিন মাঝারি থেকে তীব্র কালবৈশাখী বা বজ্রঝড় এবং অন্যত্র ২-৩ দিন হালকা থেকে মাঝারি কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় হতে পারে।

তাৎক্ষণিক পূর্বাভাস (নাউ কাস্টিং), ব্যাপক প্রচারণা আর জনসচেতনতা সৃষ্টি করা গেলে এ ধরনের দুর্যোগ থেকে প্রাণহানির পরিমাণ কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বজ্রপাতের সময় বাসা-বাড়ির মধ্যে থাকলে এর প্রভাব থেকে কিছুটা বাঁচা যায়। তবে রাস্তায় কিংবা খোলা মাঠে থাকাকালীন এমন পরিস্থিতি সামনে পড়লে কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন তার কয়েকটি উপায় জেনে নিন।

১. বজ্রপাতের সময় উঁচু গাছপালার কাছাকাছি থাকবেন না। কারণ ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই গাছ থেকে কমপক্ষে ৪ মিটার দূরত্বে অবস্থান করতে হবে।

২. ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা, উঁচু জায়গায় কিংবা টিনশেডের বাড়িতে না থাকাই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনো পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া যায়।

৩. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব গাড়ি থেকে বেরিয়ে পাকা কোনো বাড়ির ছাউনি কিংবা বারান্দায় অবস্থায় নেওয়া।

৪. বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টিভি, ফ্রিজসহ সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সুইচ বন্ধ রাখা। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন।

৫. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।

৬. নদীতে নৌকায় অবস্থান করলেও পানি থেকে সরে আসতে হবে এবং নৌকার ছাউনিতে ঢুকে পড়তে হবে।

৭ বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার আছে এসব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না।


বিডি-প্রতিদিন/১২ মার্চ, ২০১৭/মাহবুব

 

আপনার মন্তব্য

up-arrow