৩০ জুন, ২০২২ ১৩:৪২

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দশটি উদ্যোগের মধ্যে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট অন্যতম: বিভাগীয় কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দশটি উদ্যোগের মধ্যে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট অন্যতম: বিভাগীয় কমিশনার

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার জিএসএম জাফরউল্লাহ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহতী উদ্যোগের ফলে সবক্ষেত্রেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। গত ১৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার হার ৫০ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। এটা প্রধানমন্ত্রীর যুগ উপযোগী নেতৃত্বের কারণে সম্ভব হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দশটি বিশেষ উদ্যোগের মধ্যে একটি শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। এই ট্রাস্টের উপবৃত্তি পেয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষা গ্রহণের পথ খুলে গেছে। ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এখান থেকে বৃত্তি পাচ্ছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে ‘সমন্বিত উপবৃত্তি বাস্তবায়ন সম্পর্কিত বিভাগীয় পর্যায়ের অরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ-২০২২’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট এ আয়োজন করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘যখন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হয়ে গেল তখন যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান আমাদের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালো। তারাও এখন বুঝেছে যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। দেশকে আরও এগিয়ে নিতে হলে প্রধানমন্ত্রীর সব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, আগে ধর্মীয় গোঁড়ামি দোহাই দিয়ে নারীদের পিছিয়ে রাখা হতো। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীদের এগিয়ে নিচ্ছেন। সম্প্রতি দেশের অর্থ সচিব হয়েছেন একজন নারী। দেশকে ক্রান্তিকাল থেকে তুলে এনে সাড়ে ১৩ বছরে প্রধানমন্ত্রী এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন যার কারণে আমরা গর্বিত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসরীন আফরোজ। যেসব শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির প্রয়োজন তারাই যেন এটা পায় সেদিকে জোর দিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত সচিব নাসরীন আফরোজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী একশো কোটি টাকা দিয়ে ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গঠন করে দিয়েছেন। 

একটা আইনের মাধ্যমে এটা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যেন সরকার পরিবর্তন হলেও এর কার্যক্রম থেমে না যায়। সে জন্য এটা সবাইকে গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। যাদের সত্যিই উপবৃত্তি দরকার, তারাই যেন এটা পায়। শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে গুরুত্বসহকারে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) এএনএম মঈনুল ইসলাম ও রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শাহানা আখতার জাহান।

এছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার নাসির উদ্দিন। দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা অংশ নেন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর