Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
প্রকাশ : বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:০৭

এবার ভারতে বিদ্যুৎ বিক্রি

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক

এবার ভারতে বিদ্যুৎ বিক্রি

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পাশাপাশি এবার দেশটিতে বিদ্যুৎ বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। এমনকি রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো ভারতে যৌথ উদ্যোগে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করতে চায় বাংলাদেশ। গতকাল সিলেটের স্থানীয় একটি হোটেলে বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির পঞ্চাদশ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা ভারতের প্রতিনিধিদের কাছে এসব প্রস্তাব দেন।

সভায় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের বিদ্যুৎ সচিব শ্রী অজয় কুমার ভাল্লা। সভায় ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে বিদ্যুৎ নেওয়া এবং যৌথ উদ্যোগে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে দুই দেশের টেকনিক্যাল কমিটি পরীক্ষা করে দেখবে। গরমের সময় বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা থাকলেও শীতকালে অর্ধেকের বেশি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসে থাকে। এ সময় ভারতে বিদ্যুৎ রপ্তানি করা সম্ভব। বৈঠক সূত্রে জানা যায়, প্রথমবার যখন বাংলাদেশ ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করেছিল তখন বাংলাদেশকে কোনো কর দিতে হয়নি। পরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ আমদানি বৃদ্ধি করলে ভারত করারোপ করে। তখন থেকেই বাংলাদেশ এর বিরোধিতা করে আসছিল। বৈঠকে কর প্রত্যাহারের বিষয়টি উত্থাপন করা হলে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আলোচনা করে কর অব্যাহতির বিষয়ে একমত হন। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা কেন্দ্রের সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করে চূড়ান্ত করবে। কেন্দ্র এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দেবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। এ ছাড়া ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। ভারত সরকারের নীতির কারণে এতদিন বাংলাদেশের প্রতিবেশী কোনো দেশ থেকে বিদ্যুৎ আনার ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগ সফল হচ্ছিল না। এ জন্য প্রতিবেশী দেশগুলো ভারতকে নীতি পরিবর্তন করার আহ্বান জানায়। গতকালের বৈঠকে বিষয়টি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তোলা হলে ভারতের প্রতিনিধিরা জানায়, এ সংক্রান্ত আগের নীতির পরিবর্তন করা হচ্ছে। নতুন নীতিতে দ্বিপক্ষীয় নীতি পরিবর্তন করে ত্রিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় নীতি করছে তারা। এ সংক্রান্ত নীতির খসড়াও করা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করেই নীতিটি চূড়ান্ত করা হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়। এমনকি খসড়াটি বাংলাদেশের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত সভায় নেওয়া হয়।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর