শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ এপ্রিল, ২০১৯ ২৩:১৮

সেবকদের জন্য হচ্ছে ১৩০৯ ফ্ল্যাট

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

সেবকদের জন্য হচ্ছে ১৩০৯ ফ্ল্যাট

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নগরের সেবকদের জন্য সাতটি ভবনে তৈরি করবে ১ হাজার ৩০৯টি ফ্ল্যাট। সেবকদের জীবনমান উন্নত করতে ২৩১ কোটি ৪২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ব্যয়ে ১৪ তলা বিশিষ্ট ৭টি ভবন নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ‘পরিচ্ছন্ন কর্মী নিবাস’ শীর্ষক প্রকল্পটির বর্তমানে নকশা চূড়ান্ত এবং কনসালট্যান্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গত বছরের ২৯ জুলাই অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হয়। নগরবাসী মনে করছেন, চসিকের এ উদ্যোগটি ব্যতিক্রমী। কারণ সাধারণত আধুনিক ফ্ল্যাটে বিত্তবানরাই থাকেন। কিন্তু চসিকের উদ্যোগে সেবকরা এখন অত্যাধুনিক ফ্ল্যাটে থাকার সুযোগ পাবেন। এটি দেশের কোনো সিটি করপোরেশনের প্রথম এবং ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। চসিকের প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নগরে চসিকের নিজস্ব ভূমির ৮টি স্থানে প্রায় দুই হাজার পরিবার বসবাস করছে। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৩০৯ জন সেবককে ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। সাতটি ভবনের প্রতিটি হবে ১৪ তলা বিশিষ্ট। নগরের ৩৩ নম্বর ফিরিঙ্গিবাজারের বান্ডেল কলোনিতে ৩টি, ফিরিঙ্গি বাজারে ১টি, ২৭ নম্বর দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের ঝাউতলায় ২টি এবং সাগরিকায় চসিকের নিজস্ব জায়গায় ১টি ভবন নির্মাণ করা হবে। নির্মিতব্য এসব ভবনে বসবাসকারী সেবকদের প্রতিটি পরিবারের জন্য থাকবে দুটি বেডরুম, একটি রান্নাঘর, দুটি বাথরুম। প্রতিটি ভবনে থাকবে দুটি করে লিফট। পরিচ্ছন্ন কর্মী নিবাস শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালক ও চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুল হুদা বলেন, ‘১৪ তলা বিশিষ্ট সাতটি ভবনে ১ হাজার ৩০৯টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন কমন স্পেসসহ হবে ৬০২ বর্গফুট। এরই মধ্যে থাকবে দুটি বেডরুম, একটি ড্রয়িং কাম ডাইনিং রুম, টয়লেট, ওয়াশ রুম। দুই বছর মেয়াদকালের প্রকল্পটির আগামী জুলাই মাস থেকে নির্মাণ কাজ শুরু করার কথা রয়েছে। নগরে তারা এখন যে ভবনগুলোতে  থাকেন, সেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ। এ প্রকল্পের মাধ্যমে সেবকদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে তাদের জীবনমানও উন্নত হবে।’ চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ফ্ল্যাট নির্মাণকালীন সেবকদের অস্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য নগরের মাদারবাড়ী এলাকায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে টিন শেডের ঘর তৈরি করা হচ্ছে। নির্মাণকাজ শেষ হলে তাদের ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘বংশপরম্পরায় সেবকরা প্রায় ২০০ বছর ধরে এ পেশায় নিয়োজিত আছেন। শহরকে বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে তাদের অবদান আছে। তাই সেবকদের জন্য ভবন তৈরি করে ফ্ল্যাট দেওয়া হচ্ছে।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর