শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১১ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ মে, ২০১৯ ২৩:০৯

নতুন টার্গেটে মাঠে আওয়ামী লীগ

চার বছর পর খুলনার তিন থানা কমিটি অনুমোদন

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

নতুন টার্গেটে মাঠে আওয়ামী লীগ

তৃণমূলে কোন্দল মিটিয়ে খুলনায় দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার কাজ শুরু করেছে মহানগর আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে সম্মেলনের মাধ্যমে দক্ষ ও মেধাবী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায় নীতি-নির্ধারকরা।

এসব টার্গেটকে সামনে রেখে প্রায় চার বছর পর সোনাডাঙ্গা, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিছুটা পরিবর্তন করে চলতি সপ্তাহে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে সদর থানা কমিটিকে। পাশাপাশি প্রত্যেক ওয়ার্ডে সদস্য টিকিট বিতরণ ও আগামী ১৮ মে মহানগরের বর্ধিত সভার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন সম্মেলন না হওয়ায় সাবেক ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাদের অনেকে পদহীন অবস্থায় রয়েছেন। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ সব সংগঠনই কয়েক ধারায় বিভক্ত। কর্মীরা সংগঠনের চেয়ে একেকজন নেতার পেছনে বেশি সময় দিয়ে রাজনীতি করেন। এছাড়া ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন না করা, দলে অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে ক্ষোভ, শীর্ষ নেতাদের বিতর্কিত কর্মকা  ও ব্যবসায়িক মনোভাবে সাংগঠনিক স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, দীর্ঘদিন দল আন্দোলন-সংগ্রামে না থাকলে নেতা-কর্মীরা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। নগরীর অধিকাংশ ওয়ার্ড কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। প্রাথমিক সদস্য টিকিট বিতরণের পর প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিটি গঠন করা হবে। এতে দল সাংগঠনিকভাবে চাঙ্গা হবে। তিনি বলেন, আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে তরুণ নেতৃত্বকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

এ কারণে আমরা সম্মেলনের মাধ্যমে ত্যাগী ও ইয়ং জেনারেশনকে সামনে আনতে চাই। জানা যায়, সর্বশেষ ২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর সার্কিট হাউস মাঠে খুলনা মহানগর কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই কমিটিতে অনেক বয়স্ক নেতা রয়েছেন। সাংগঠনিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন অনেকে। ফলে বর্তমানে ‘দিবস বৃত্তে’ ঘুরপাক খাওয়া দলটির স্থবিরতা কাটাতে সাংগঠনিক কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছেন নেতারা। খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘তৃণমূলে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে বর্তমান কমিটিতে বড় ধরনের সংশোধন দরকার। নতুন-পুরনো সমন্বয়ে কমিটি হলে দলের স্থবিরতা ও নেতৃত্বের শূন্যতা কেটে যাবে।’

এদিকে সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা, বিভিন্ন কলেজের ভিপি-জিএসদের মধ্যে অনেকের সংগঠনে ন্যূনতম পদ-পদবি নেই। তাদের সামনের সারিতে আনা হবে জানিয়ে নগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, সংগঠনে দক্ষ ও মেধাবী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৮ মে খুলনা মহানগরীর বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর যেসব সাংগঠনিক ইউনিটের মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেসব জায়গায় দ্রুত সম্মেলন করা হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর