শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১২ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ জুন, ২০১৯ ০১:৪১

হাই কোর্টের রুল

ধর্ষিতার ক্ষতিপূরণে নীতিমালা করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুর পুনর্বাসনের জন্য ক্ষতিপূরণে স্কিম বা নীতিমালা তৈরি করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট। একই সঙ্গে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের শিকার হয়ে নিহত নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়া ও রাজশাহীর নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তারের পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

জনস্বার্থে করা এক রিটের আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন হাই কোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে। চার সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব, নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ ১২ বিবাদীকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এর আগে ২৬ মে শাহিনুর ও সুমাইয়া আক্তারের ধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন যুক্ত করে চিলড্রেন্স চ্যারিটি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের পক্ষে ওই রিটটি করা হয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবদুল হালিম।

৬ মে ঢাকার ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়া বাসে করে কিশোরগঞ্জের গ্রামের নিজ বাড়িতে যাওয়ার সময় বাজিতপুরের জামতলি গজারিয়া এলাকায় শাহিনুরকে বাসের চালক নুরুজ্জামান নুরু, চালকের সহকারী লালন মিয়াসহ কয়েকজন ধর্ষণ করেন। পরে তার মাথার পেছনে আঘাত দিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে যায় তারা।

এ ছাড়া রাজশাহীর মোহনপুরে ২৩ এপ্রিল বিকালে বান্ধবী সোনিয়ার সঙ্গে প্রাইভেট পড়তে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় সুমাইয়া আক্তার বর্ষা। পরে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। পরিবারের অভিযোগ, সহপাঠী সোনিয়ার সহযোগিতায় অপহরণের পর বর্ষার ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল মুকুল নামের এক ব্যক্তি। স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মোহনপুর থানায় গ্রেফতার দুজনের নাম উল্লেখসহ দু-তিন জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পরে বখাটের পরিবারের অকথ্য ভাষা সহ্য করতে না পেরে ১৬ মে আত্মহত্যা করে সুমাইয়া।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর