শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ এপ্রিল, ২০২১ ০১:৪৫

বিজিএমইএ নির্বাচনে জয়ী সম্মিলিত পরিষদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ নির্বাচনে গতকাল সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। নির্বাচনে ৩৫টি পরিচালক পদের মধ্যে ২৪টি পেয়ে বিজয়ী হয়েছে সম্মিলিত পরিষদ। ফোরাম পেয়েছে ১১টি পরিচালক পদ। নির্বাচনে দিনভর একে-অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করলেও কোনো আপত্তিকর ঘটনা ঘটেনি। দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট দিয়েছেন পোশাকশিল্প মালিকরা। রাজধানী ঢাকায় হোটেল র‌্যাডিসন ব্লু এবং চট্টগ্রামে বিজিএমইএ আঞ্চলিক কার্যালয়ে সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ পর্ব শেষ হয় সন্ধ্যা ৭টায়। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি-বিজিএমইএ নির্বাচনে চূড়ান্ত তালিকায় ঢাকা অঞ্চলে ভোটার ১ হাজার ৮৫৩ জন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৪৬১ জন। সভাপতি প্রার্থী হিসেবে সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল প্রধানের নেতৃত্ব দেন জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক হাসান ও ফোরামে নেতৃত্ব দেন হান্নান গ্রুপের চেয়ারম্যান এ বি এম সামসুদ্দিন। দুজনই সংগঠনটির সাবেক সহসভাপতি। নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন ফারুক হাসান, রুবানা হক, এসএম মান্নান, এম এ রহিম, সালাউদ্দিন আজিম, আরশাদ জামাল, মাহমুদ হাসান খান, শেহরিন সালাম ঐশী, আসিফ আশরাফ, এম মহিউদ্দিন চৌধুরী,  মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, মহিউদ্দিন রুবেল, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তানভীর হাবিব, তানভীর আহমেদ, আসিফ ইব্রাহিম, খসরু চৌধুরী, এ এম শফিউল করিম, ফয়সাল সামাদ, আব্দুল্লাহ হিল রাকিব, মো. হাসান, হারুন অর রশিদ, রাকিবুল আলম চৌধুরী, এম আহসানুল হক, নাভিদুল হক, রাজিভ চৌধুরী, মোহাম্মদ মেরাজ ই মোস্তফা, আমরিত খান, মিরান আলী, ইনামুল হক খান, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার রফিকুল ইসলাম, ইমরানুর রহমান, মিজানুর রহমান ও মো. নাসির উদ্দিন।

সর্বশেষ ২০১৩ সালে সাধারণ সদস্যদের ভোটে বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচিত হয়েছিল। তারপর নেতৃত্ব নির্বাচনে সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরাম দুই মেয়াদের জন্য সমঝোতা করে। সেই সমঝোতার প্রথম দফায়, অর্থাৎ ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বরে সম্মিলিত পরিষদের সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে কমিটি হয়। সেই কমিটি নানা অজুহাত দেখিয়ে ৪৩ মাস দায়িত্ব পালন করে। পরের মেয়াদে সমঝোতার কমিটি করার উদ্যোগ নেয় দুই জোট। তবে বাগড়া দেয় স্বাধীনতা পরিষদ। নির্বাচনে তাদের নিবৃত্ত করতে নানামুখী চেষ্টাও হয়। তবে শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতা পরিষদ খন্ডিত প্যানেলে প্রার্থী দেয়। সে কারণে ঢাকায় নিয়ম রক্ষার ভোট হয়।

এই বিভাগের আরও খবর