শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ জুলাই, ২০২১ ২৩:২৯

ছয় মাসে আলেশা মার্টের ভর্তুকি ২১০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

ছয় মাসে আলেশা মার্টের ভর্তুকি ২১০ কোটি টাকা
রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল দুপুরে আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে ই-কমার্স এবং ক্রেতা স্বার্থ নিয়ে বক্তব্য রাখেন আলেশা হোল্ডিংস লি.-এর চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম শিকদার -বাংলাদেশ প্রতিদিন
Google News

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্ট ছয় মাসে ৩৫০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর আলম শিকদার। তিনি বলেন, ভর্তুকির পুরোটাই দিয়েছে বড় ছাড়ে মোটরসাইকেল বিক্রি করে। আর ছয় মাসে অন্য পণ্য বিক্রি করে ১৪০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। ফলে ছয় মাসে নিট ভর্তুকি হয়েছে ২১০ কোটি টাকা। আর পণ্য বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আলেশা মার্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর আলম শিকদার এই তথ্য তুলে ধরেন। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে সাম্প্রতিক অস্থিরতা, ব্যাংক ও বিকাশের মাধ্যমে লেনদেন বন্ধ করাসহ আলেশা মার্টের অবস্থান তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম শিকদার বলেন, ‘আমরা জানুয়ারিতে আলেশা মার্ট চালু করি। প্রথম মাসে সেভাবে কোনো পণ্য বিক্রি হয়নি। এরপর আমরা ভর্তুকি দিয়ে মোটরসাইকেল বিক্রি শুরু করি। তবে অন্য পণ্যে ভর্তুকি দেওয়া হয়নি। এই সাত মাসে আমরা দেশের তিনটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের একটি। ই-কমার্স নিয়ে অনেক অভিযোগ উঠছে।

দেখতে একই রকম বলে মনে হতে পারে সবাই এক। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। কোনো পণ্য সরবরাহকারী টাকা পাবেন না। আমরা তো তাদের অগ্রিম ৩৫০ কোটি টাকা দিয়ে রেখেছি। আমাদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদেরও কোনো অভিযোগ নেই।

সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রমের (সিএসআর) অংশ হিসেবে আলেশা মার্ট গড়ে তোলা হয়েছে জানিয়ে মঞ্জুর আলম শিকদার বলেন, ‘অন্য ব্যবসায় আমাদের মুনাফা হয়। এখানে লোকসান হয়। সিএসআরের অংশ হিসেবে আলেশা মার্ট এখন চলছে। নিশ্চয়ই কিছু সময় পর এই ব্যবসায়িক মডেলে পরিবর্তন আসবে। পৃথিবীতে কোথাও ই-কমার্সে সিএসআর মডেল নেই। আমরাই প্রথম এই মডেলে ব্যবসা করছি।

মঞ্জুর আলম শিকদার বলেন, আলেশা মার্টে ৩২ হাজার পণ্য রয়েছে। শুধু মোটরসাইকেলে ছাড় দেওয়া হয়। অন্য পণ্য নির্দিষ্ট দামে বিক্রি হচ্ছে। আমাজন, আলিবাবাসহ বিশ্বের অনেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান এভাবে ছাড় দেয়। বছরের পর বছর লোকসান করে। তারা এখন ই-কমার্সে শীর্ষ। আলেশা হোল্ডিংয়ের একটি প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্ট। হোল্ডিংয়ের ১৯টি প্রতিষ্ঠানের চালু আছে ১১টি। এর মধ্যে মুনাফা করছে চারটি। এসব টাকাই আলেশা মার্টে ভর্তুকি হিসেবে যাচ্ছে।

সম্প্রতি ইভ্যালিসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে পণ্য না দেওয়ার বড় অভিযোগ ওঠে। এরপর ব্যাংকগুলো এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্ডে লেনদেন বন্ধ করে দেয়। বিকাশও একই সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে বিপাকে পড়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিমালা দিয়েছে, গ্রাহক পণ্য পাওয়ার পরই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের হিসাবে টাকা জমা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর