শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ এপ্রিল, ২০১৭ ২৩:৩৪

পাথরকুচি

পাথরকুচি

পাথরকুচি গাছের সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। নানা রকম ঔষধি গুণাগুণসমৃদ্ধ এ গাছের পাতা প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে চিকিৎসার ক্ষেত্রে। পাথরকুচি একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণত দেড় থেকে তিন ফুট উঁচু হয়ে থাকে। এর পাতা মাংসল এবং মসৃণ। মেহ, সর্দি, মূত্র রোধে, রক্তপিত্তে, পেট ফাঁপায়, শিশুদের পেট ব্যথায়, মৃগীরোগে পাথরকুচি ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সর্দিজনিত কারণে শরীরের নানান স্থানে ফোঁড়া দেখা দেয়। সে কারণে ব্যথা হয়। যাকে মেহ বলা হয়। এক্ষেত্রে পাথরকুচির পাতার রস এক চামচ করে সকাল-বিকাল এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যায়। সর্দিতে : যে সর্দি পুরনো হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে এটি বিশেষ উপযোগী। এই কফ বিকারে পাথর কুচি পাতা রস করে সেটা একটু গরম করতে হবে এবং গরম অবস্থায় তার সঙ্গে একটু সোহাগার খই মেশাতে হবে। ৩ চা চামচের সঙ্গে ২৫০ মিলিগ্রাম যেন হয়। তা থেকে ২ চা চামচ নিয়ে সকালে ও বিকালে দুবার খেতে হবে। এর দ্বারা পুরনো সর্দি সেরে যাবে এবং সর্বদা কাসি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

কাটা বা থেঁতলে গেলে টাটকা পাতা পরিমাণ মতো হালকা তাপে পাতা গরম করে কাটা বা থেঁতলে যাওয়া স্থানে সেঁক দিলে আরাম পাওয়া যায়। পিত্তজনিত ব্যথায় রক্তক্ষরণ হলে দুই বেলা এক চা চামচ পাথরকুচির পাতার রস দুই দিন খাওয়ালে সেরে যাবে।

অনেকের দেখা যায় পেট ফুলে গেছে, প্রস্রাব আটকে যাছে, আধোবায়ু সরছে না, সেই ক্ষেত্রে একটু চিনির সঙ্গে এক বা দুই চা চামচ পাথরকুচির পাতার রস গরম করে সিকি কাপ পানির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে।  এর দ্বারা মূত্র সরল হবে, আধোবায়ুরও নিঃসরণ হবে, ফাঁপাটাও কমে যাবে।     ডা. আলমগীর মতি।


আপনার মন্তব্য