শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১১

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

মহান মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকার

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ৭৬তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নবীন সেনা কর্মকর্তাদের সজাগ থাকার তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, অনেক রক্ত ও ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। এ জন্য সবাইকে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্নার অংশীদার হতে হবে। নতুন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাদের কাজের মাধ্যমে এমন নজির স্থাপন করতে হবে, যা পরবর্তীদের জন্য হবে অনুসরণীয়। দক্ষতা, মেধা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সেনা সদস্যরা দেশ-বিদেশে তাদের অবস্থান সুদৃঢ় করবে এমন আশাবাদও ব্যক্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি। স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনী গড়ে উঠেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি স্বাধীন দেশের উপযোগী শক্তিশালী ও প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে বিভিন্ন সেনানিবাসের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি ১৯৭৪ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির উদ্বোধন করেন। যেটি আজ একটি অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একাডেমিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের সামরিক একাডেমিতে এখন প্রশিক্ষণ নিচ্ছে দুনিয়ার বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তারা। জাতিসংঘ শান্তি বাহিনীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা ইতিমধ্যে সবার জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে সেহেতু এদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুরক্ষাই শুধু নয়, জনগণের সেনাবাহিনী হিসেবে দুর্যোগ-দুর্বিপাকের কঠিন দিনগুলোতে তারা তাদের পাশে থেকে নিজেদের কর্তব্য বোধের পরিচয় দিয়েছেন।  অবকাঠামো নির্মাণে তাদের সহায়তার হাত সমৃদ্ধ জাতি গঠনেও ভূমিকা রাখছে। আমরা আশা করব, নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান তাদের কর্মজীবনের গাইড লাইন হিসেবে বিবেচিত হবে। জনগণের সেনাবাহিনী হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার বিষয়কে তারা কর্তব্য হিসেবে বেছে নেবেন।


আপনার মন্তব্য