শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২৩:২২

লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন

লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন

হোসেন, লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম নৌবাহিনীর অফিসার, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। জন্ম ১৩৩৯ বঙ্গাব্দের ২ আশ্বিন (১৯৩৩ খ্রি.) পিরোজপুর জেলার ডুমুরিতলা গ্রামে। ব্রজমোহন কলেজে অধ্যয়নকালে মোয়াজ্জেম হোসেন ১৯৫০ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনীতে যোগ দেন। একই বছর তিনি ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনীতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি পাকিস্তান নৌবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬৭ সালের ৯ ডিসেম্বর সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল পাকিস্তান দেশরক্ষা আইনে মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেফতার করে। সরকার ১৯৬৮ সালে ফৌজদারি আইন সংশোধন করে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’ নামে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ গঠন করে।  আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে পরিচিত এ মামলার ৩৫ জন অভিযুক্তের মধ্যে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন দ্বিতীয়। প্রবল গণআন্দোলনের চাপে সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করলে মোয়াজ্জেম হোসেন মুক্তিলাভ করেন। এরপর তিনি পুনরায় চাকরিতে যোগ দেন এবং ১৯৭০ সালের ১৮ মার্চ অবসর গ্রহণ করেন। অবসর গ্রহণের পর মোয়াজ্জেম হোসেন প্রত্যক্ষভাবে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সকালে কর্নেল তাজের নেতৃত্বে একদল পাকসেনা ঢাকায় তার বাড়িতে ঢুকে তাকে গুলি করে হত্যা করে। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন স্মরণে ১৯৭৬ সালের ১৬ জানুয়ারি রাঙামাটিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণ ঘাঁটির নামকরণ করা হয় বিএনএস শহীদ মোয়াজ্জেম।


আপনার মন্তব্য

close