শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৩৭

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে

ভোক্তাদের স্বার্থরক্ষা করতে হবে

Google News

অর্থনীতির স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী পণ্যের সরবরাহ কমলে দাম বাড়ে আর সরবরাহ বাড়লে দাম কমে। কিন্তু বাংলাদেশে সব সময় এ নিয়ম খাটে না। বাংলাদেশে একবার কোনো পণ্যের দাম বাড়লে তা আর কমতে চায় না। বর্তমানে বাজারে যেসব পণ্যের দাম বেড়েছে পিঁয়াজ ছাড়া কোনোটির সরবরাহে ঘাটতি নেই। বিশ্বজুড়ে করোনার প্রভাবে মানুষ উদ্বিগ্ন আর এ সময় বাজারে পণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতি। রোজা আসার আগেই নিত্যপণ্যের বাজার অস্বাভাবিক হলে মানুষের কষ্ট বেড়ে যাবে। বাজারসূত্রে জানা গেছে, ইফতারির জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনই চড়া। বেড়েছে বেসন তৈরির অন্যতম উপকরণ অ্যাংকর ডালের দাম। বেড়েছে নানা ধরনের সবজির দামও। তবে দাম কিছুটা সহনীয় মুরগি ও ডিমের। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, রামপুরা বাজার, খিলগাঁওসহ বিভিন্ন বাজারের চিত্র অভিন্ন। সবজি, মাছ, মাংস, লেবুর দামও বেড়েছে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য এটা অসহনীয়। সবজিসহ সব খাদ্যপণ্যের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে উন্নত বিপণনব্যবস্থা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে ঢাকা শহরসহ বিভিন্ন স্থানে কৃষকের বাজার বা বিপণন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ রকম আরও বিপণন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন যাতে কৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বিক্রি করতে পারেন। গত কয়েক বছর মূল্যস্ফীতি সহনীয় মাত্রায় থাকায় সরকার এক ধরনের সন্তুষ্টির মধ্যে ছিল। কিন্তু এখন যেভাবে প্রায় প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে তখন আর আগের সন্তুষ্টি নিয়ে আত্মতৃপ্ত থাকার সুযোগ নেই। পণ্যের দাম বাড়লে সীমিত আয়ের মানুষ তথা নিম্নবিত্ত মানুষই বেশি কষ্ট পায়। তাই বাজার পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজর রাখতে হবে। কখন কোন পণ্যের সংকট তৈরি হতে পারে তা বিবেচনায় নিয়ে পণ্য আমদানির উদ্যোগ এবং টিসিবি বা খোলাবাজারে বিক্রির মাধ্যমে বাজারে হস্তক্ষেপ করার মতো সামর্থ্য অর্জন জরুরি। তাতে ভোক্তার কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে।