শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০০:০৫, সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫

উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ

ইদানীং কবিতার প্রতি কেন জানি আমার বেজায় ঝোঁক বেড়েছে। চারদিকে যখন অশনিসংকেত ঠিক তখন বাস্তবতার চেয়ে কল্পনার মাঝে সুখ খুঁজে ফিরি। মনের গহিনে যখন বিরান মরুভূমির মরীচিকা চিকচিক করে ঠিক তখনই কবিতার সাহায্যে মুহূর্তের মধ্যে বসরার গোলাপের বাগান সাজিয়ে নিই। কবির হৃদয় যে কতটা পবিত্র এবং তাদের চিন্তা সে মহাকালের মহাসংকটে ধ্রুবতারার মতো মানুষকে পথ দেখায় তার কিছু বাস্তব নমুনা আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরব। আজকের শিরোনামে যে কাব্যগ্রন্থের নাম ব্যবহার করেছি তা কবি শামসুর রাহমানের লেখা।

আলোচনার শুরুতেই কাব্যগ্রন্থের কয়েকটি লাইন আপনাদের শোনাই-কোথায় পাগলা ঘণ্টি বাজে ক্রমাগত, এলোমেলো পদধ্বনি সবখানে। হামলাকারীরা ট্রাম্পেট বাজিয়ে ঘোরে শহর ও গ্রামে এবং ক্রন্দনরত পুলিশের গলায় শুকায় বেল ফুল। দশদিকে কত রকাডেমিতে নিশিথে গোর খাদকেরা গর্ত খোঁড়ে অবিরত, মানুষের মুখগুলো অতি দ্রুত হয়ে যাচ্ছে শিপাঞ্জীর মুখ। কবি শামসুর রাহমান উল্লিখিত কবিতা লিখেছিলেন স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে অর্থাৎ শেখ মুজিবের জমানায়। অথচ কবিতার কথামালা বিবেচনা করলে মনে হয় হয়তো আজকের দিনটিকে বর্ণনা করার জন্য কবিতাটি রচিত হয়েছে। চলমান বাংলাদেশ বিশেষ করে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ৫ তারিখের পর এই বাংলায় যা ঘটছে, তা যদি না দেখে মারা যেতাম, তবে মনে হতো বাস্তবতাবিবর্জিত এক অবোধ শিশু মারা গিয়েছে। ফলে নানা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে যা কিছু দেখছি কিংবা যা কিছু শিখছি তার জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে ধন্যবাদ। গত এক বছরে মানুষের যে বিবর্তন সমাজের, যে পরিবর্তন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের যে টলটলায়মান অবস্থা হয়েছে তা আমার মন মস্তিষ্কে কেউ জোর করেও ঢোকাতে পারত না যদি না আমার জীবনে ২০২৪ এবং ২০২৫ সাল না আসত।

গত এক বছরে কত মানুষ হঠাৎ করে কীভাবে যে ক্ষমতাধর হয়ে গেল তার হিসাব মেলাতে পারছি না। যারা দুবেলা খেতে পারতেন না, যাদের পরনে ভালো কোনো জামাকাপড় ছিল না এবং ক্ষুধা দারিদ্র্য এবং বেকারত্বের আতঙ্কে যারা মরে যাওয়ার কথা চিন্তা করতেন তারা রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেলে গিয়ে ভোরে বিফের স্টিফ, স্যামন মাছের ফিশ অ্যান্ড চিপস এবং হাভানা চুরুটের ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে বলেন, দেশটা রসাতলে গেল। ঢাকায় এখনো প্যারিসের রিজ কার্লটনের মতো একটি হোটেল হলো না। হোটেলের রঙ্গমহলে গিয়ে ফিসফিস করে জিজ্ঞাসা করেন আজকের তালিকায় বোম্বে থেকে কেউ এসেছে কি না।

গত এগারো মাসে কিছু মানুষের গলার আকৃতি জিরাফের চেয়েও বড় হয়ে গেছে। তাদের হুমকিধমকি, লম্ফঝম্ফ দেখলে অন্তরাত্মা শুকিয়ে যায়। তাদের নিষ্ঠুরতা দেখলে হায়েনার নির্মমতাকে নস্যি বলে মনে হয়।  এই বাংলার শকুন দাঁতাল শুয়োরেরা কোনো দিন মৃত প্রাণীর ওপর উল্লাসনৃত্য করেনি। বাংলার নিষ্ঠুর মানুষ পাথর যুগের আদলে পাথর দিয়ে মানুষ মেরে লাশের ওপর উল্লাসনৃত্য করেনি। ধর্ষকরা দল বেঁধে ধর্ষণের জন্য অভিযানে বের হয়নি-তারপর স্বামীকে বেঁধে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে মা-মেয়েকে একত্রে পালাক্রমে ধর্ষণের মহোৎসব করেনি। এই বাংলায় পুলিশকে মেরে মধ্যযুগীয় কায়দায় লাশ টাঙিয়ে রাখা হয়নি। রাষ্ট্রের অস্ত্র লুট করে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে খুন করার ঘটনা ঘটেনি। এই ভূখণ্ডে ধনী অভিজাত শিক্ষিত সজ্জনকে প্রকাশ্যে বিবস্ত্র করা হয়নি। পরের ধন হরণের চৌর্যবৃত্তি, ডাকাতি কিংবা রাহাজানি সব রেকর্ড ভঙ্গ করে বাড়ি দখল, মিলকারখানা, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় দখলের যে উৎসব দেখছি তা হজম করার জন্য প্রসিদ্ধ ছড়াকার আবু সালেহর ছড়া ছাড়া আমার আর কীই-বা উপায় আছে।

আবু সালেহ লিখেন- ‘ধরা যাবে না ছোঁয়া যাবে না, বলা যাবে না কথা, রক্ত দিয়ে পেলাম শালার এমন স্বাধীনতা! যার পিছনে জানটা দিলাম যার পিছনে রক্ত সেই রক্তের বদল দেখো বাঁচাই কেমন শক্ত। ধরা যাবে না, ছোঁয়া যাবে না, বলা যাবে না কথা রক্ত দিয়ে পেলাম শালার মরার স্বাধীনতা! বাঁচতে চেয়ে খুন হয়েছি বুলেট শুধু খেলাম উঠতে এবং বসতে ঠুকে দাদার পায়ে সেলাম। ধরা যাবে না ছোঁয়া যাবে না বলা যাবে না কথা, রক্ত দিয়ে পেলাম শালার আজব স্বাধীনতা।’

আবু সালেহ আরও লিখেন-বাগিয়ে নিয়ে চেয়ারখানা জাত শুয়োরের ছা-বলছে আবার তাতেও নাকি প্রাণটা ভরে না। রক্ত খেলো মুণ্ড খেলো গিলল সবই পেটে-তাতেও নাকি পেট ভরে না যাচ্ছে জিভে চেটে। এমন ধরন রাক্ষুসীদের দেশটা দেখে ভাই হাতুড় শাবল তাক করেছি মারব জোরে ঘাই। কবিতা রেখে এবার বাস্তবজীবনে ফেরা যাক। নদীতে ইলিশ নেই। যা-ও দুই-চারটা পাওয়া যাচ্ছে দাম শুনলে মাথায় বজ্রপাত হয়। সারা দেশে টানা বৃষ্টি। উপকূলীয় অঞ্চলে হাহাকার। নদীনালা খাল, সমুদ্র পানিতে একাকার। ক্ষুধার্ত ও গৃহহীন মানুষ যখন কাঁদছে তখন চাঁদাবাজরা গদা হাতে হাঁকছে-ফন্দিবাজরা রাজপথ কাঁপিয়ে লন্ডন আমেরিকা দিল্লি পিন্ডি থেকে বিপদ-আপদ বালামুসিবত ডাকছে। সাধারণ মানুষ শুধু ভাবছে এবং জীবনের হিসাবের খাতার পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে জীবনপঞ্জির বাঁকে বাঁকে খুঁজছে আর কী কী অবশিষ্ট আছে হারাবার। অভাবের তাড়না হতাশার দুর্বিপাক এবং দুর্ভিক্ষের আতঙ্ক মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে। অন্যদিকে রাজাসনে বসে কর্তারা যা ভাবছে তা কবি শঙ্খ ঘোষ তাঁর সবিনয় নিবেদন কবিতায় বহু আগেই লিখে গেছেন। শঙ্খ ঘোষ বলেন, ‘আমি তো আমার শপথ রেখেছি অক্ষরে অক্ষরে। যারা প্রতিবাদী তাদের জীবন দিয়েছি নরক করে। দাপিয়ে বেড়াবে আমার দল, অন্যে কবে না কথা, বজ্রকঠিন রাজ্য শাসনে সেটাই স্বাভাবিকতা। গুলির জন্য সমস্ত রাত, সমস্ত দিন খোলা বজ্রকঠিন রাজ্যে এটাই শান্তিশৃঙ্খলা। যে মরে মরুক অথবা জীবন কেটে যাক শোক করে আমি আজ জয়ী সবার জীবন দিয়েছি নরক করে।’

শঙ্খ ঘোষের আরেকটি কবিতা দিয়ে আজকের নিবন্ধ শেষ করব। তবে তার আগে জাতি হিসেবে নিজেদের দুর্বলতা ও অক্ষমতার কিছু ফিরিস্তি দেওয়া আবশ্যক। আমরা মহাসর্বনাশ ঘটার আগে চিৎকার করতে পারি না। নিজের চোখের মধ্যে বিষাক্ত তির বিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা অন্যের দুঃখকষ্ট বেদনা দেখে আহ্লাদিত হই। মানুষ যখন সাহায্যের জন্য আর্তচিৎকার করে তখন নিজেদের শরীরকে সচল না করে আমরা আল্লাহ খোদা-ভগবান-ঈশ্বর-দেব-দেবীর ওপর সব দায়িত্ব আরোপ করে অনুভূতিহীন প্রাণী হয়ে যাই। কসাইখানার পশুগুলো জবাই হওয়ার আগেও যেমন নিজেদের মধ্যে গুতোগুতি করে তদ্রুপ আমরাও মহাবিপর্যয়ের সব আলামত দেখার পরও সামান্য প্রতিবাদ না করে নিজেদের অত্যাচারীর তলোয়ারের কাছে সঁপে দিই। আমাদের উল্লিখিত দুর্বলতা ও অক্ষমতার মূল কারণ আমাদের মেরুদণ্ডহীনতা এবং নিজেদের মূল্যায়ন না করতে পারার ব্যর্থতা। আমরা জেগে থেকে ঘুমের ভান করি এবং ঘুমন্ত অবস্থায় জেগে থাকার অভিনয় করি। আমার এই হালচালাক কবি শঙ্খ ঘোষ তাঁর হামাগুড়ি কবিতায় কীভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা নিচে তুলে ধরা হলো-

ঘুমটা ভেঙে গেলো হঠাৎ।

বাইরে কি ঝড় হচ্ছে?

দাপাদাপি করছে জানালার পাল্লাদুটো,

মাঝে মাঝে বিজলি ঝলকাচ্ছে।

ফের শুয়ে পড়তে গিয়ে সেই বিদ্যুতের ছটফটে আলোয় মনে

হলো ঘরের মধ্যে যেন হামা দিচ্ছে কেউ!

- কে ওখানে? কে?

হামা কোন শব্দই করে না।

উঠে আসি কাছে, আবারও জিজ্ঞাসা করি :

-কে আপনি কি চান?

সে তবু নিশ্চুপ থেকে এ কোণ ও কোণে ঘুরছে

মাথা তুলছে না কিছুতেই, চোখে চোখ নয়!

-কিছু কি খুঁজছেন আপনি?

শুনতে পাচ্ছি :

-‘খুঁজছি ঠিকই, খুঁজতে তো হবেই-

পেলেই বেরিয়ে যাবো, নিজে নিজে হেঁটে।’

-‘কি খুঁজছেন?’

মিহি স্বরে বললেন তিনি:

-‘মেরুদণ্ডখানা।’

সেই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ঝলকালো ফের! চমকে  উঠ দেখি :

একা নয়, বহু বহু জন-

একই খোঁজে হামা দিচ্ছে এ-কোণে ও-কোণে ঘরজুড়ে।

               

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা

১ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার
নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান
গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩
ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫
ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন
নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন
আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১৯ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন