শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:১৬

এ ই অ প রা ধে র শে ষ কো থা য়

দুই কর্মজীবী নারী ধর্ষণে বাড়িওয়ালা গ্রেফতার

শিশু ধর্ষণের আসামি আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

দুই কর্মজীবী নারী ধর্ষণে বাড়িওয়ালা গ্রেফতার

রাজধানীর রামপুরায় দুই কর্মজীবী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাড়িওয়ালাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভাড়াটিয়া দুই নারীকে পৃথকভাবে ধর্ষণ করার অভিযোগে গতকাল পুলিশ বাড়ির মালিক মুশফিকুল আলমকে গ্রেফতার করে। পরে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ওই দুই নারীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়। এদিকে কামরাঙ্গীরচরে বান্ধবীর সহযোগিতায় শিশুকে গণধর্ষণের ঘটনায় পলাতক মূল আসামি রতনকে গতকাল ঢাকার সাভার থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কুদ্দুস ফকির জানান, রামপুরায় দুই কর্মজীবী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মুশফিকুল আলম নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই দুই নারী রামপুরার আবদুল্লাহবাগ এলাকার একটি বাসায় মেসে থাকেন। তাদের মধ্যে একজন নিরাপত্তাকর্মী ও আরেকজন একটি দোকানে চাকরি করেন। গত ১ জানুয়ারি এক তরুণীকে ও ৯ জানুয়ারি আরেক তরুণীকে ধর্ষণ করে বাড়ির মালিক মুশফিকুল। এ ঘটনায় ওই দুই নারী বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে রামপুরা থানায় মামলা করলে মুশফিকুলকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করেছেন। র‌্যাব-১০ এর লালবাগ ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মো. আনিসুজ্জামান জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কামরাঙ্গীরচরে বান্ধবীর সহায়তায় শিশুকে গণধর্ষণের ঘটনায় পলাতক মূল আসামি রতনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল সকালে ঢাকার সাভার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে এ ঘটনায় সহায়তাকারী বান্ধবী স্বপ্নাসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তিনি আরও জানান, প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় বন্ধুদের নিয়ে রতন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। ওই কিশোরী এখন ঢামেক হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন। ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে ঢামেক হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ জানিয়েছেন।

এদিকে ১২ বছরের এক কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে চার কিশোরের বিরুদ্ধে গত শুক্রবার রাতে ভাটারা থানায় মামলা হয়েছে। ওই কিশোরীর বড় বোন জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে এক ছেলে বাসার সামনে থেকে তার বোনকে জোর করে নিয়ে যায়। পরে তার হাত-পা বেঁধে ১৫/১৬ বছরের চার কিশোর ধর্ষণ করে। এর আগ থেকেই সন্ধান না পেয়ে ওই কিশোরীকে খুঁজতে থাকে তার পরিবার। পরে শুক্রবার ভোরে ভাটারা ফাঁসেরটেক এলাকার রাস্তায় উলঙ্গ অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। এদিকে গত ১ জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত রাজধানীতে ৬ জন ধর্ষণের শিকার হয়ে ঢামেক হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন। এদের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার কামরাঙ্গীরচরের পূর্ব রসূলপুরে এক কিশোরী, একই দিন রাতে ভাটারার আরেক কিশোরী, ১ জানুয়ারি সবুজবাগের এক কিশোরী, ১ জানুয়ারি ও ৯ জানুয়ারি রামপুরায় ২ তরুণী ও ৫ জানুয়ারি কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হন।


আপনার মন্তব্য