শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:৪২

বিএনপিকে আগে ভ্যাকসিন দেওয়ার অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপিকে আগে ভ্যাকসিন দেওয়ার অনুরোধ

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নিজেরা লুটপাটের দল বলেই বিএনপি সবকিছুতে লুটপাট দেখে। বিএনপি যদি আগে ভ্যাকসিন পেতে চায়, তাহলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করতে পারি, বিএনপিকে যেন আগে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।  গতকাল সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ প্রতিনিধিদের সঙ্গে  মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এম জি কিবরিয়া চৌধুরী, রফিক উল্যা সিকদার, কাজী আনোয়ার কামাল, মাসুদুর রহমান, নীতিশ সাহা উপস্থিত ছিলেন। করোনাকালে সংবাদপত্র শিল্প রক্ষার নানা দিক নিয়ে তারা আলোচনা করেন। ‘সরকার ভ্যাকসিন নিয়ে লুটপাট করছে’- বিএনপি মহাসচিবের এমন মন্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাসান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি মনে করেছিল, এই করোনা মহামারী সরকার সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে পারবে না। তারা প্রথম থেকেই ধারণা করেছিল, এমনকি হয়তো প্রার্থনাও করেছিল যে, এই মহামারীতে যেন ব্যাপক লোকক্ষয় হয় এবং দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়।

কিন্তু সেটি হয়নি। তাতে তারা প্রচ- হতাশ হয়ে ভুল সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে গুজব রটিয়েছিল, সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন আসছে না। কিন্তু ভ্যাকসিন সঠিক সময়েই আসছে, এমনকি ভারত সরকারের উপহার হিসেবে আমরা বিনা মূল্যে ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পাচ্ছি।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যখন সবকিছুতেই ব্যর্থ হচ্ছে, তখন ভ্যাকসিন নিয়ে লুটপাটের কাল্পনিক কথা বলছে। প্রকৃতপক্ষে লুটপাটের দল তো বিএনপি। সে জন্য তারা সবকিছুতেই লুটপাট দেখার চেষ্টা করে। ভ্যাকসিন সরকার একটি নীতিমালার ভিত্তিতে প্রয়োগ করবে এবং যারা ফ্রন্টলাইন ফাইটার, এই করোনা মহামারীর ক্ষেত্রে তারা নিশ্চয়ই প্রথমে ভ্যাকসিন পাওয়ার অধিকার রাখেন, ব্যাখ্যা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ ব্যাপারে সরকার চিন্তাভাবনা করবে। যাদের আগে দেওয়া প্রয়োজন তাদের আগে দেওয়া হবে। সাংবাদিকরা এই করোনা মহামারীর সময় অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে ফ্রন্টলাইনার হিসেবে কাজ করেছেন। আমি বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করব।’ তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেবকে বলব, তিনি যে দল করেন, সেই দলে যে কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি আছে, আগে সেটি নিয়ে একটু কথা বলুন। একজন শাস্তিপ্রাপ্ত কয়েদি আর আরেকজন শাস্তিপ্রাপ্ত পলাতক আসামি, সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপার থেকে যেটি বলে সেটিই হয় এবং সেভাবে তাদের দলে সিদ্ধান্ত হয়।’ তিনি বলেন, ‘কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি বিএনপিতেই আছে, আমাদের দলে নেই। আমাদের দলে কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি থাকলে কাদের মির্জা এত কথা বলতে পারতেন না। কারণ বললে তা নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। কিন্তু সেটি হয়নি। অথচ তাদের দলের মেজর হাফিজ তাদের একটু সমালোচনা করেছেন, সে জন্য তাকে যে ভাষায় শোকজ করা হয়েছে, সেই দলের মহাসচিবের রাজনীতি নিয়ে কথা বলার কোনো নৈতিক অধিকার আছে বলে আমি মনে করি না।’


আপনার মন্তব্য