শিরোনাম
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০২:৪২
প্রিন্ট করুন printer

অবশেষে ইইউ-ব্রিটেন ব্রেক্সিট বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত

অনলাইন ডেস্ক

অবশেষে ইইউ-ব্রিটেন ব্রেক্সিট বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত
ফাইল ছবি

বিগত ১০ মাসের দীর্ঘ আলোচনার পর  মিলল সমাধান। অবশেষে ২ ‌হাজার পাতার চুক্তিপত্রে সম্মতি জানিয়েছে ইওরোপীয় ইউনিয়ন এবং ব্রিটেন। ‌বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) লন্ডনে দুই পক্ষের এ বিষয়ক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। জানা গেছে, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ব্রিটেনের সংসদে চুক্তিপত্র নিয়ে ভোটাভুটি হবে। তারপর ১ জানুয়ারি ব্রিটেন ইওরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে পুরোপুরি বের হয়ে এলে ইওরোপীয় সংসদে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হবে।

ব্রিটেনের সমুদ্র এলাকায় ইওরোপীয় ব্লকের মৎস্যজীবীরা ঢুকতে পারবেন কি না, তা নিয়েই মূলত জট ছিল। শেষ পর্যন্ত তাতে সম্মতি দিয়ে বরিস সরকার। এছাড়াও পণ্য আমদানি বা রপ্তানির ক্ষেত্রেও আপাতত শুল্ক বা কোটা চাপানো হবে না। তবে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রথাগত নিয়ম কার্যকর হতে চলেছে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে। ইওরোপীয় ব্লকের বাসিন্দারা কর্মসূত্রে ব্রিটেনে এলে ভিসা নিয়েই আসতে হবে। এমনকি পণ্য পরিবহন এবং যাতায়াতেও সীমান্ত নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে বলে জানা গেছে। 

দুই পক্ষের বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে ইইউ প্রেসিডেন্ট উরসালা ভন ডার লিওন বলেন, আমাদের একটি নিরপেক্ষ ও সামঞ্জস্যপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। যা দুই পক্ষের জন্যেই মঙ্গলজনক হবে। এদিকে, চুক্তি সইয়ের পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন চুক্তি সই সফলতায় দুই হাত উঁচু করে বিজয়ের উল্লাসরত অবস্থায় টুইটে এক ছবি পোস্ট করেছেন। ছবির ক্যাপসনে তিনি বলেন, আমরা আমাদের রাজত্বের কর্তৃত্ব আয়ত্তে নিয়েছি। মানুষ বলেছে এটা অসম্ভব, কিন্তু আমরা এখন সবকিছু নিয়ন্ত্রণে নিয়েছি।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:৪৯
প্রিন্ট করুন printer

আগামী ৩ মাসের মধ্যে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে: ইরান

অনলাইন ডেস্ক

আগামী ৩ মাসের মধ্যে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে: ইরান
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মাজিদ তাখতে রাভানচি

ইরান বলেছে, পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার ফিরে আসার জন্য নতুন করে কোনো আলোচনার প্রয়োজন নেই বরং ওয়াশিংটন এই সমঝোতায় নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করলেই তার ফিরে আসার পথ সুগম হবে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মাজিদ তাখতে রাভানচি বুধবার রাতে আল-জাযিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে তেহরানের ওপর আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। আর আমেরিকা তা করলেই ইরান নিজের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পুরোপুরি ফিরে যাবে।

সংসদে পাস হওয়া আইন অনুযায়ী ইরান সম্প্রতি এনপিটি চুক্তির সম্পূরক প্রটোকল বাস্তবায়ন স্থগিত করে দিয়েছে। এর ফলে এখন থেকে আর আইএইএ’র বিশেষজ্ঞরা পূর্ব ঘোষণা ছাড়া ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো পরিদর্শন করতে পারবেন না। তবে ওই সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রোসির সাম্প্রতিক তেহরান সফরে অর্জিত সমঝোতা অনুযায়ী, আইএইএ’র বিশেষজ্ঞরা আগামী তিন মাস আগে থেকে ঘোষণা দিয়ে ইরান সফরে যেতে পারবেন।

তাখতে রাভানচি দৃশ্যত এই তিন মাসের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য আমেরিকাকে সময়সীমা বেধে দিলেন।

২০১৮ সালের মে মাসে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে তার দেশকে বের করে নিয়ে তেহরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। ইরানও এর প্রতিক্রিয়ায় পরমাণু সমঝোতায় নিজের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন কমিয়ে দিতে শুরু করে এবং বর্তমানে শতকরা ২০ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে তেহরান।

নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার দেশের পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসার জন্য এখন ইরানকে আগে তার প্রতিশ্রুতিতে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। কিন্তু তেহরান বলছে, আগে আইন লঙ্ঘন করেছে বলে আমেরিকাকেই আগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে সদিচ্ছার পরিচয় দিতে হবে এবং তারপর তেহরান তার প্রতিশ্রুতিতে পুরোপুরি ফিরে যাবে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

করোনার মধ্যে বন্যায় বিপর্যস্ত ব্রাজিল

অনলাইন ডেস্ক

করোনার মধ্যে বন্যায় বিপর্যস্ত ব্রাজিল

একদিকে করোনাভাইরাস মহামারী, আরেকদিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি। এরমধ্যেই আবার বন্যা। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। 

টানা ভারী বৃষ্টি আর বন্যায় দেশটির উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে সৃষ্ট এই বিপর্যয় মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে দেশটির স্থানীয় প্রশাসন।

বুধবার দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো। হেলিকপ্টার নিয়ে ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত অ্যাক্রে প্রদেশ ঘুরে দেখেন তিনি।

১ লাখ ২০ হাজার বাসিন্দার প্রদেশটিতে জারি হয়েছে অরেঞ্জ অ্যালার্ট। অন্তত আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত এ সতর্কতা থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। 

তলিয়ে গেছে হাইওয়েসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেশিরভাগ রাস্তাঘাট। বাড়িঘরে পানি ঢুকে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে বহু মানুষ। বন্যাদুর্গতদের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট, হাউসটনক্রনিকল

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:২৫
প্রিন্ট করুন printer

অস্ত্রোপচার শেষে হাসপাতাল ছাড়লেন সৌদি যুবরাজ

অনলাইন ডেস্ক

অস্ত্রোপচার শেষে হাসপাতাল ছাড়লেন সৌদি যুবরাজ

সফল অস্ত্রোপচার শেষে হাসপাতাল ছাড়লেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

বুধবার সকালে কিং ফয়সাল বিশেষায়িত হাসপাতালে তার অ্যাপেনডিক্স অপসারণে অস্ত্রোপচার হয়।

ল্যাপরোস্কপিক অপারেশন করা হয় ৩৫ বছর বয়সী ক্রাউন প্রিন্সের শরীরে। তেমন কোনও শারীরিক জটিলতা দেখা না দেওয়ায় বিকালেই তাকে ছেড়ে দেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল থেকে স্বাভাবিকভাবেই হেঁটে গাড়িতে উঠতে দেখা যায় তাকে।

গত কয়েক বছরে সৌদি প্রশাসনের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছেন যুবরাজ সালমান। সূত্র: ইয়াহু নিউজ, রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:১৪
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:১৭
প্রিন্ট করুন printer

সিরিয়া সফরে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র, নানা ইস্যুতে আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক

সিরিয়া সফরে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র, নানা ইস্যুতে আলোচনা
খাতিবজাদে ও ফয়সাল মিকদাদের বৈঠক

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে বুধবার সিরিয়া সফরে গেছেন। এরইমধ্যে তিনি সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল মিকদাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, বৈঠকে দুই পক্ষ মধ্যপ্রাচ্যের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং ইরান ও সিরিয়ার মধ্যে যোগাযোগ এবং পরামর্শ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছে যাতে ভ্রাতৃপ্রতীম দু’ দেশের সম্পর্ক আরও জোরালো হয়। বৈঠকে দু’ দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে অবৈধ এবং অমানবিক নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য অভিন্ন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে। এসময় খাতিবজাদে সিরিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ইরানের পক্ষ থেকে সমর্থন ঘোষণা করেন।

দামেস্ক সফরে খাতিবজাদে সিরিয়ার তথ্যমন্ত্রী ইমাদ সারাহর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। এ বৈঠকে তিনি দুই দেশের গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:১৩
প্রিন্ট করুন printer

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পরেও ফাঁসিতে ঝোলানো হল নারীর নিথর দেহ!

অনলাইন ডেস্ক

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পরেও ফাঁসিতে ঝোলানো হল নারীর নিথর দেহ!

ফাঁসির আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক নারীর। কিন্তু এরপরও সেই নিথর দেহকেই ফাঁসিতে ঝোলানো হল। এমন ঘটনা ঘটেছে ইরানের রাজাই শাহর জেলে। মৃত ওই নারীর নাম জাহরা ইসমাইলি। তার বিরুদ্ধে নিজের স্বামীকে হত্যার অভিযোগ ছিল। সেই অভিযোগেই জাহরার ফাঁসির শাস্তি হয়। যদিও ওই নারীর স্বামীর বিরুদ্ধে আলিরেজা জামানি জাহরা এবং তার মেয়ের উপরে অত্যাচার করতেন বলে অভিযোগ ছিল।

যে জেলে জাহরাকে ফাঁসি দেওয়ার কথা ছিল, সেই রাজাই শাহর জেল বন্দিদের উপরে অত্যাচারের জন্য কুখ্যাত। জাহরার আইনজীবী ওমিদ মোরাদির অভিযোগ, ফাঁসির আগে আরও ১৬ জন সাজাপ্রাপ্তের পিছনে লাইনে দাঁড় করানো হয়েছিল দুই সন্তানের মা জাহরাকে। চোখের সামনে একের পর একজনকে ফাঁসিতে ঝুলতে দেখে সেই মানসিক ধাক্কা সামলাতে পারেননি জাহরা। লাইনে দাঁড়িয়েই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার। কিন্তু এরপরেও তাকে ছাড় দেওয়া হয়নি।

জাহরার আইনজীবীর অভিযোগ, মৃত্যুর পরেও জাহরার দেহটি ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে গিয়ে দড়িতে বেঁধে ঝোলানো হয়। যাতে ফাঁসিতে ঝোলানোর পর তার শাশুড়ি লাথি মেরে জাহরার পায়ের নিচ থেকে চেয়ারটি সরিয়ে দিতে পারেন। মোরাদির দাবি, ডেথ সার্টিফিকেটে জাহরার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কথাই উল্লেখ করা হয়েছে। তার আরও দাবি, অত্যাচারী স্বামীর হাত থেকে দুই মেয়েকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়েই স্বামীকে হত্যা করতে বাধ্য হন জাহরা।

ইরানে শরিয়ত আইনেই নিহত হওয়া ব্যক্তির পরিবার সদস্যদের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। যাতে অভিযুক্তকে সরাসরি শাস্তি দেওয়ার সুযোগ পান তারা। আর ইরানে একই দিনে ১৭ জনের ফাঁসির ঘটনাও খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। কারণ চীনের পর ইরানেই সবচেয়ে বেশি প্রাণদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হয়। মাদক পাচার, মদ্যপান, সমকামিতা, বিয়ের আগেই যৌন সম্পর্কের মতো অভিযোগেও সেদেশে প্রাণদণ্ডের শাস্তি দেওয়ার নজির রয়েছে।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর