শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:০২
আপডেট : ১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:০৪
প্রিন্ট করুন printer

ভারত-চীন পারমাণবিক যুদ্ধ হলে ধ্বংস হবে গোটা পৃথিবী

অনলাইন ডেস্ক

ভারত-চীন পারমাণবিক যুদ্ধ হলে ধ্বংস হবে গোটা পৃথিবী
ফাইল ছবি

ভারত ও চীনের মধ্যে যদি পারমাণবিক যুদ্ধ হয়, তবে তা এশিয়ার জন্য সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক হতে পারে। এতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল আন্দোলিত হবে। উভয়পক্ষে মারা যাবে হাজার হাজার মানুষ। ধ্বংস হতে পারে গোটা পৃথিবী।

এ যুদ্ধ হতে পারে সবচেয়ে খারাপ, নৃশংস তবে স্বল্পমেয়াদি। এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতির ভয়াবহ এক ক্ষতি হতে পারে। ক্ষমতার ভারসাম্য ও ভৌগোলিক বিষয়াদির পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা বলা যায়, দুই দেশ ঠুনকো কারণে যুদ্ধে জড়াবে না। তারা এটা বুঝতে পেরেছে। এ জন্যই ৫০ বছরের বেশি সময় দেশ দুটি যুদ্ধে জড়ায়নি।

অনলাইন ন্যাশনাল ইন্টারেস্টে ‘এ চাইনিজ-ইন্ডিয়ান নিউক্লিয়ার ওয়ার উড রুইন দ্য হোল প্লানেট’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব বলা হয়েছে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন কিলি মিজোকামি। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উভয় দেশই ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ বা আগে হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করে না। ফলে এক্ষেত্রে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে যুদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা কম। উভয় দেশেরই জনসংখ্যা অনেক বেশি। প্রতিটি দেশেরই কমপক্ষে ১৩০ কোটির বেশি মানুষ। আধুনিক সব যুদ্ধের মতো, ভারত ও চীনের মধ্যে যদি যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে সেই যুদ্ধ সর্বোত উপায়ে হবে। এক্ষেত্রে স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে লড়াই হবে। তবে ভৌগোলিক অর্থাৎ ভূপ্রকৃতির গঠনের কারণে স্থলপথের যুদ্ধ হবে সীমিত। মূল যুদ্ধ হবে আকাশপথে। এক্ষেত্রে দুই দেশই যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারে। এমনটা হলে তা দু’দেশের জন্যই হবে ভয়াবহ ক্ষতিকর। এক্ষেত্রে ভারতের জন্য সমুদ্রপথে লড়াই হতে পারে একটি ট্রাম্পকার্ড। কারণ, সমুদ্র অঞ্চলে ভারতের রয়েছে একক আধিপত্য বিস্তারকারী অবস্থান। এ পথে যুদ্ধ করতে গেলে চীনের অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

যদি ভারত ও চীনের মধ্যে যুদ্ধ হয়, তাহলে তা ১৯৬২ সালের মতো হবে না। এবার যুদ্ধ হলে উভয়পক্ষই আকাশ পথে বড় অপারেশনে যেতে পারে। দুই দেশের কাছেই কৌশলগত এমন শক্তি রয়েছে বিমানবাহিনীতে, যা এ এলাকায় উড়ে গিয়ে মিশন সম্পন্ন করে নিজের দেশে ফেরত আসার সক্ষমতা রাখে।  

চীনকে মোকাবিলায় আকাশপথের যুদ্ধে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলার জন্য চীনের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে ভারতের বিমান বাহিনী। চীন তার ফ্রন্টিয়ার সেনাদের দূরত্ব বজায় রেখে মোতায়েন করে। তিব্বত থেকে মাত্র ২১৩ মাইল দূরে অবস্থান নয়া দিল্লির। ভারতের বিমান বাহিনীর হাতে আছে ২৩০টি সু-৩০এমকে১ ফ্লাঙ্কারস, ৬৯টি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান। এ ছাড়া তাদের হাতে আছে আরও অত্যাধুনিক অস্ত্র। ফলে চীনের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে ভারত। দুই ফ্রন্টের যুদ্ধ মোকাবিলার জন্য সক্ষমতা রয়েছে ভারতের। একটি ফ্রন্টে রয়েছে পাকিস্তানের বিমানবাহিনী। অন্যদিকে চীন। 

এ ছাড়া বিমানবাহিনীর ঘাঁটি ও উচ্চ মূল্যবান বিভিন্ন টার্গেট সুরক্ষিত রাখতে ভারত এসব স্থানে মোতায়েন করছে আকাশ-মধ্যম পাল্লার বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। 

তবে চীনের ব্যাপক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের যে বাড়বাড়ন্ত আছে, ভারত তা থামিয়ে দিতে পারবে না। সিনজিয়াং এবং তিব্বতের ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট থেকে ভারতের উত্তরাঞ্চলের অর্ধেক এলাকায় টার্গেট করতে পারে চীন। কারণ, ভারতের হাতে ব্যাপক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই। ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস করে দিতে আকাশ ও স্থলভাগের সম্পদের ক্ষতি থামানোর মতো কোনো ব্যবস্থা নেই ভারতের হাতে। ভারতের যেসব ব্যাপক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র আছে তা পারমাণবিক মিশনের প্রতি উৎসর্গিত। প্রচলিত কোনো যুদ্ধে এটি ব্যবহার করা হবে না।

কিন্তু প্যাসিফিক মহাসাগরের দিকে চীন যদি তার জাহাজকে ঠেলে দিতে বাধ্য হয় তাতে অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং আমেরিকার বাণিজ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এক্ষেত্রে তারাও একশনে যেতে পারে। চীনে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল প্রয়োজন তার শতকরা ৮৭ ভাগই আমদানি করা হয় বিদেশ থেকে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা থেকে। এ কারণে চীনের জ্বালানি মজুদ বা সংগ্রহে টান ধরতে পারে। অনেক দিন ধরে তাদের জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে। ফলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যুদ্ধের ইতি টানতে চাইতে পারে চীন। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:৪৩
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:১৮
প্রিন্ট করুন printer

১৭৮ মিলিয়ন পাউন্ডের লটারি একটুর জন্য হাত ছাড়া এই তরুণীর

অনলাইন ডেস্ক

১৭৮ মিলিয়ন পাউন্ডের লটারি একটুর জন্য হাত ছাড়া এই তরুণীর
টায়লা অক্টেভ

ব্রিটেনের এক টিনেজার তরুণী একটুর জন্যে ইউরোমিলিয়ন লটারি জয়ী হতে পারলেন না। জানা গেছে,  টায়লা অক্টেভ নামের (১৯) ওই তরুণীর টিকিটের সংখ্যাগুলো ছিল জয়ী নম্বর থেকে মাত্র এক ডিজিট দূরে। এতে ১৭৮ মিলিয়ন পাউন্ডের লটারি হাত ছাড়া হয়েছে তার। খবর দ্য সানের।

টায়লা জানিয়েছেন, আমি হতাশ হয়ে পড়েছি। লটারি জেতা সহজ বিষয় নয়। তবে এতো কাছাকাছি গিয়েও না জিততে পারায় আমার মন ভেঙে গেছে। আমি ভাবতে শুরু করেছিলাম এতো অর্থ পেলে আমি তা দিয়ে কি করবো! আমি অবশ্যই মালদ্বীপ যেতাম এবং সেখানে সমুদ্রের পাশে কোনো অবকাশ কেন্দ্রে সময় কাটাতাম। এছাড়া, আমি আমার বোন ও মায়ের জন্য বাড়ি কিনতাম।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:৩০
প্রিন্ট করুন printer

‘চীনের উচিত শিনজিয়াংয়ে জাতিসংঘের তদন্তকারী দলকে ঢুকতে দেওয়া’

অনলাইন ডেস্ক

‘চীনের উচিত শিনজিয়াংয়ে জাতিসংঘের তদন্তকারী দলকে ঢুকতে দেওয়া’
জোসেপ বরেল (ফাইল ছবি)

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার পরে এবার জাতিসংঘ উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে চীনের ওপর চাপ তৈরি করল। গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বরেল বলেছেন, চীনের উচিত উইঘুর অধ্যুষিত শিনজিয়াং প্রদেশে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্তকারী দলকে ঢুকতে দেওয়া। সেখানে কী চলছে, তা ওই দল খতিয়ে দেখতে চায়। চীন অবশ্য এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। খবর ডয়চে ভেলে বাংলার।

জাতিসংঘে মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার মিশেল ব্যাশেলেট। বহুদিন ধরেই তিনি একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে চীনে যেতে চাইছেন। সেখানে শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে চীন ঠিক কী ব্যবহার করছে, তা দেখে একটি রিপোর্ট তৈরি করতে চাইছেন তিনি। কিন্তু চীন এখনো পর্যন্ত তাতে সম্মত হয়নি। মঙ্গলবার বরেল বলেন, তাঁরা চান, মিশেলের নেতৃত্বে একটি দল শিনজিয়াং প্রদেশে যাক। এ বিষয়ে চীনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন তিনি।

সোমবারই কানাডার পার্লামেন্টে চীন এবং উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। সর্বসম্মতিক্রমে সেখানে বলা হয়েছে, চীন 'গণহত্যা' চালাচ্ছে। তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং তাঁর মন্ত্রিসভা ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতার শেষ পর্যায়ে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও একই কথা বলেছিলেন। তিনিই প্রথম চীনের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, উইঘুর মুসলিমদের গণহত্যা করছে চীন। যার জেরে পম্পেও এবং বেশ কয়েকজন মার্কিন প্রশাসনিক কর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল চীন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর বক্তব্য, চীন শিনজিয়াং প্রদেশে প্রায় দশ লাখ উইঘুর মুসলিমকে বন্দি করে রেখেছে। তাদের ধর্মের অধিকার, সন্তান উৎপাদনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে কার্যত দাসের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগগুলো চীন কখনোই মানতে চায়নি।

চীন না মানলেও শিনজিয়াংয়ের ক্যাম্প থেকে পালিয়ে যাওয়া উইঘুররা ভয়াবহ অত্যাচারের কথা বলেছেন। সমস্যা হলো, এখনো পর্যন্ত ওই অঞ্চলে কোনো সংগঠনকে যেতে দেয়নি চীন। সে কারণেই জাতিসংঘ চাপ সৃষ্টি করল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতেও একটি পিটিশন জমা পড়েছিল। কিন্তু বিচারপতিরা সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। তাঁরা জানিয়েছিলেন, চীন যেহেতু আদালতে আসবে না, ফলে বিষয়টির বিচার করা সম্ভব নয়। এখন দেখার, আন্তর্জাতিক চাপের সামনে উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে চীন কোনো পদক্ষেপ নেয় কি না।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:১৮
প্রিন্ট করুন printer

ইরানের সঙ্গে যৌথ মহড়ার আয়োজন করতে চায় পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যৌথ মহড়ার আয়োজন করতে চায় পাকিস্তান

পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল বাবর ইফতিখার বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করতে চায় পাকিস্তান। বিশ্বের কোনো শক্তিই ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক ও সহযোগিতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারবে না। পাকিস্তান ইরানের সঙ্গে যৌথ মহড়া আয়োজন করতেও গভীর ভাবে আগ্রহী।

আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন জেনারেল বাবর। এ সময় তিনি আফগানিস্তানসহ আঞ্চলিক নিরাপত্তা, আমেরিকার নয়া সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, ইরান নীতি এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় পাকিস্তানের ভূমিকা সম্পর্কে ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।

পাকিস্তানের নৌবাহিনীর আয়োজনে 'আমান-টুয়েন্টি ওয়ান' শীর্ষক বহুজাতিক মহড়ার আয়োজন এবং সেখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে ইরানের সামরিক প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি প্রসঙ্গে বলেন, পাকিস্তানের সরকার ও সশস্ত্র বাহিনী আঞ্চলিক দেশগুলোর সহযোগিতায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:৫৮
প্রিন্ট করুন printer

৫০ বছরে পাকিস্তান রেলের ক্ষতি ১.২ ট্রিলিয়ন রুপি

অনলাইন ডেস্ক

 ৫০ বছরে পাকিস্তান রেলের ক্ষতি ১.২ ট্রিলিয়ন রুপি

পাকিস্তান রেলওয়ে ১.২ ট্রিলিয়ন রুপি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে গত ৫০ বছরে। ধসে পড়া এই প্রতিষ্ঠানকে পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। রেলের এই লোকসানের ৯০ ভাগই হয়েছে গত দুই দশকে।

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী মুহাম্মদ আজম খান স্বাতী বলেছেন, 'সম্প্রতি রেলওয়ের পোর্টফোলিও  টি জানা যায় বছরে রেলের গড় লোকসান ৩৫ থেকে ৪০ বিলিয়ন রুপি।'

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সরকার আগের যে কোনো প্রশাসনের মতো রেলের পুনরুজ্জীবনের কৌশল সম্পর্কে অজ্ঞ। রেলের উন্নয়নে পাকিস্তান চীনের ওপর নির্ভর করে আছে। আশা করা হচ্ছে করাচি থেকে পেশোয়ারের সংযোগকারী মেইন লাইন-১ (এমএল-১) উন্নয়নে ৬.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে চীন। কিন্তু প্রকল্পটি ইতোমধ্যে চীনা অর্থায়নের শর্তে সমস্যায় পড়েছে, যার ফলে প্রকল্পের কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।

রেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিসার মেমন বলেন, 'বিভিন্ন সময়ে রেলের মুনাফা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তাদের ধারাবাহিকতার অভাবে তারা মাঝপথে পড়ে যায়।'

তিনি আরও বলেন, 'রেলওয়ে অবকাঠামো ও সেবার অবনতি এবং মালবাহী ব্যবসা হারানোর প্রধান কারণ ছিল অবকাঠামো, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, অতিরিক্ত কর্মসংস্থান এবং জাতীয় পরিবহন নীতির অভাবে পণ্য পরিবহন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।'


বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

চীন

সাংসারিক কাজের জন্য স্ত্রীকে অর্থ পরিশোধের নির্দেশ আদালতের

অনলাইন ডেস্ক

সাংসারিক কাজের জন্য স্ত্রীকে অর্থ পরিশোধের নির্দেশ আদালতের
প্রতীকী ছবি

চীনের বেইজিংয়ের ফাংশান জেলা আদালত (Fangshan District Court) আদালত সম্প্রতি একটি ব্যতিক্রমী রায় দিয়েছেন। চেন নামের এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ওয়াংকে তালাক দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্ত্রী তাতে রাজি হচ্ছিলেন না। পরে তিনি রাজি হন। তবে তিনি জানান, ৫ বছরের সংসার জীবনে স্বামী সংসারের কাজ ভাগাভাগি করেননি। সব কাজ তাকে করতে হয়েছে। সে জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেন তিনি।

গত বছর দায়ের করা সে মামলার রায় এবার স্ত্রীর পক্ষে এসেছে। ওই নারী তাঁর পাঁচ বছরের বৈবাহিক জীবনে করা গৃহকর্মের জন্য ৫০ হাজার ইউয়ান পাবেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা সাড়ে ছয় লাখ টাকার বেশি। এছাড়া মাসিক খোরপোশ হিসেবে ২ হাজার ইউয়ান পাবেন স্ত্রী। আজ বুধবার বিবিসি অনলাইন এ খবর প্রকাশ করেছে।

মামলা ও আদালতের রায় নিয়ে চীনে ব্যাপক তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে। অনেক বলছেন, আদালত পাঁচ বছরের পারিশ্রমিক হিসেবে ওই নারীকে যে পরিমাণ অর্থ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, তা খুবই কম।

চীনে নতুন দেওয়ানি আইন চালুর পর বেইজিংয়ের বিচ্ছেদ আদালত থেকে ঐতিহাসিক রায়টি এল। চলতি বছরই চীনে নতুন দেওয়ানি আইন কার্যকর হয়। সেই আইনের আলোকে রায় দিলেন আদালত।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর