Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৩ মে, ২০১৯ ০০:০৪

খোলেনি সামনের চাকা পাইলটের দক্ষতায় রক্ষা

খোলেনি সামনের চাকা পাইলটের দক্ষতায় রক্ষা
মুখ থুবড়ে পড়েছিল বিমানটি। কিন্তু চালকের প্রাণান্ত চেষ্টায় রক্ষা পায় এর আরোহীরা -এএফপি

ল্যান্ডিং গিয়ার কাজ না করায় সামনের চাকা ছাড়াই মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী একটি বিমানকে এর চালক নিরাপদে অবতরণ করাতে সক্ষম হয়েছেন। এ নিয়ে মিয়ানমারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি বিমান দুর্ঘটনায় পড়ল। এর আগে বুধবার ইয়াঙ্গুনে অবতরণের সময় তীব্র বাতাসের ধাক্কায় বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজ রানওয়ে থেকে ছিটকে গেলে ১৭ আরোহী আহত হয়েছিলেন। গতকাল স্থানীয় সময় সকালে যান্ত্রিক ত্রুটি সত্ত্বেও এমব্রায়ের ১৯০ উড়োজাহাজটিকে মান্দালয় বিমানবন্দরে নিরাপদে নামানোয় পাইলটের প্রশংসা করেছেন মিয়ানমার সরকারের যাতায়াত ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। এ ঘঁনায় কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব। দেশটির রাষ্ট্রীয় ক্যারিয়ার-মিয়ানমার ন্যাশনাল এয়ারলাইনস জানিয়েছে, গতকাল ইয়াঙ্গুন থেকে ছেড়ে আসা উড়োজাহাজটি মান্দালয়ে নামার সময় চালক এর সামনের চাকা অবমুক্ত করতে পারেননি। অবতরণের আগে বিমানটির চালক ক্যাপ্টেন মিয়াত মোয়ে অং বিমানবন্দরের উপর দিয়ে উড়োজাহাজটিকে দুই দফা উড়িয়েও নেন- যেন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার বিমানটির ল্যান্ডিং গিয়ার নিচের দিকে আছে কিনা তা দেখতে পায়। মিয়ানমার ন্যাশনাল এয়ারলাইনস বিবৃতিতে বলেছে, ‘চালক এরপর জরুরি ব্যবস্থাপনায় যা যা দরকার তা করা শুরু করেন, উড়োজাহাজটির ভার কমানোর জন্য তিনি জ্বালানিও পুড়িয়ে ফেলেন।’ ভিডিওতে দেখা গেছে, অবতরণের সময় বিমানটির পেছনের চাকা প্রথমে ভূমি স্পর্শ করে, এরপর সামনের অংশ নামিয়ে আনা হয়। ওই অবস্থায় কিছুদূর যাওয়ার পর ধোঁয়া উড়িয়ে বিমানটি থেমে যায়। ক্রুরা পরে জরুরিভিত্তিতে যাত্রীদের বের করে আনেন। বিমানটির যাত্রীসংখ্যা জানায়নি মিয়ানমার ন্যাশনাল এয়ারলাইনস। এ ধরনের বিমানে সাধারণত ৯৬ থেকে ১১৪টি আসন থাকে বলে এমব্রায়েরের ওয়েবসাইটে লেখা আছে। বিবিসি


আপনার মন্তব্য