শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ মার্চ, ২০২০ ২৩:৫০

ঢাকা গাইবান্ধা বাগেরহাটে উপনির্বাচন কাল

আগামীকাল চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। সচিব বললেন, ভোট কেন্দ্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার থাকবে, ভোটাররা হাত ধুয়ে ভোট দেবেন, ভোট দিয়ে হাত ধুয়ে বের হবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা গাইবান্ধা বাগেরহাটে উপনির্বাচন কাল

করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় জনসমাগম হয় এমন প্রায় সব অনুষ্ঠান স্থগিত করা হলেও ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন-ইসি। এ তিন উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে কাল শনিবার। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে গতকাল নির্বাচন ভবনে কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর। ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন এবং বগুড়া-১, যশোর-৩ আসনের উপনির্বাচনের ভোট হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন শনিবার নেবে বলে জানান সচিব। জানা গেছে, বৈঠকে প্রথমে তিন নির্বাচন কমিশনার ভোট বন্ধের পক্ষে থাকলেও পরে ভোট অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়। সচিব মো. আলমগীর বলেন, ঢাকা-১০ আসনসহ তিন উপনির্বাচন শনিবার হবে। সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, ভোট কেন্দ্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার থাকবে। তারা (ভোটাররা) হাত ধুয়ে ভোট দেবেন। আবার ভোট দিয়ে হাত ধুয়ে বের হবেন। আইন অনুযায়ী ভোটার উপস্থিতি কম হলে কিছু হয় না। যিনি ভোট বেশি পাবেন, তিনি নির্বাচিত হবেন। যদি একটা ভোটও পড়ে সেটাও নির্বাচন। এসব নির্বাচনের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ইভিএমে ভোট হওয়ার কথা। কিন্তু ইভিএমে ভোটারের আঙ্গুলের ছাপ মেলাতে হয় বলে অনেকেই ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কার কথা বলছিলেন। নির্বাচন পেছানোরও দাবি ছিল কারও কারও। ইসি সচিব মো. আলমগীর বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে যেহেতু একটু নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে, তাই প্রতিটি বুথে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকবে। প্রত্যেক ভোটার ভোট দেওয়ার আগে এবং পরে স্যানিটাইজেশন ইউজ করতে পারবেন। সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রতি কেন্দ্রের সামনে ব্যানার থাকবে। কী করতে হবে নির্দেশনা থাকবে। ইসি সচিব বলেন, প্রার্থীদের পক্ষ থেকে ভোট স্থগিত করার অনুরোধ নেই। তারা চান নির্বাচন হোক। তারা অনেক শ্রম ও টাকাপয়সা খরচ করেছেন। বন্ধ করা হলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। ইভিএমের মাধ্যমে ভোট হওয়ায় প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। এখানে অনেক অর্থের প্রয়োজন হয়েছে। এখন যদি নির্বাচন স্থগিত করা দেওয়া হয়, তবে আবার নতুন করে প্রশিক্ষণ দরকার হবে। এতে অনেক অপচয় হবে। এসব বিষয় এবং প্রার্থীদের অনুরোধ বিবেচনায় নিয়ে এটা করা হয়েছে। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের উপস্থিতি বাংলাদেশে পাওয়া গেছে। যেহেতু এখনো মহামারী আকারে ছড়ায়নি, মাত্র একটি দিন সামনে আছে, সেজন্য এ নির্বাচন করাটাই অধিকতর যুক্তিসংগত বলে মনে করেছে ইসি। তিনি বলেন, ৩১ মার্চ পর্যন্ত ভোটার আইডি সেবা বন্ধ থাকবে। অনেক প্রবাসী দেশে এসেছেন। তাদের অনেকে ভোটার হতে উপজেলা কার্যালয়ে যান। তাদের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে এ আশঙ্কায় ভোটার রেজিস্ট্রেশন, ভোটার আইডির সেবা বন্ধ থাকবে। সচিব বলেন, যেহেতু সাংবিধানিক বাধ্যবাধকাতা আছে সেটা করতে হবে। সরকার এখনো দুর্যোগ ঘোষণা করেনি। ভোটের কারণে করোনা ছড়িয়ে পড়লে ইসি দায় নেবে কিনা- প্রশ্নে তিনি বলেন, যেহেতু আপনারা বলছেন টার্নআউট কম হবে। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভা হয়েছে। সেখানে প্রায় দু-তিন শ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সবার জ্বর মাপা হয়েছে। একজন মন্ত্রীর তাপমাত্রা ৯৯ পাওয়া গেছে। উনাকে বলা হয়েছে বৈঠকে না থাকার জন্য। তিনি বলেন, স্কুল-কলেজ বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু অফিস বন্ধ হয়নি। বাস-ট্রেন চলছে।


আপনার মন্তব্য