শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৯ জুন, ২০১৪

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য নেই!

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য নেই!

সুস্থ সবল এবং চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ আমরা পেয়েছিলাম একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে। ৯ মাসের যুদ্ধে দেশের সব কিছু ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সুস্থ সবল বলছি এ কারণে যে, সদ্য জন্ম নেওয়া রাষ্ট্রটির শরীরে কোনো রোগবালাই বা ক্ষত চিহ্ন ছিল না, অভাব-অনটন ছিল। আর চেতনার শক্তির কাছে কামান, বন্দুক যে কত অসহায় সেটি তো আমরা প্রমাণ করে দিলাম ২৩ বছর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং একাত্তরের ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। এ জন্য নেপোলিয়ন তার শেষ জীবনে সেন্ট হেলনার নির্জন প্রকোষ্ঠে বসে ছেলেকে চিঠিতে জানিয়েছিলেন, 'এই পৃথিবীতে দুটি ক্ষমতা আছে, যার একটি হলো তলোয়ার আর অন্যটি চেতনা। শেষ বিচারে চেতনার কাছে তলোয়ারের পরাজয় অনিবার্য।' ইন্দ্রিয় হলো মানুষের সব কাজের চালিকাশক্তি। এটি প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত- জ্ঞানেন্দ্রিয়, কর্মেন্দ্রিয় এবং অন্তরিন্দ্রিয়। এই তিন ক্যাটাগরির ইন্দ্রিয়ের আওতায় আবার অনেক উপ-ইন্দ্রিয় মানুষকে পরিচালিত করে। সে হিসাবে মানুষের ইন্দ্রিয় মোট ১৪টি। জ্ঞানেন্দ্রিয়ের আওতায় চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, ত্বক ও জিহ্বা এই পাঁচটি উপ-ইন্দ্রিয়। কর্মেন্দ্রিয়ের আওতায় আছে আরও পাঁচটি- বাক, হস্ত, পদ, পায়ু, উপস্থ। আর অন্তরিন্দ্রিয়ের আওতায় কাজ করে- মন, বুদ্ধি, অহংকার এবং চিত্ত। এই ১৪টি ইন্দ্রিয় শক্তির মূল পরিচালকের আসনে আছে মন। মন তাড়িত হয় চেতনার দ্বারা, যার অপর নাম মনের অনুভূতি। চেতনার বহুবিধ দিক থাকে। প্রেম-ভালোবাসা, আশা-আকাঙ্ক্ষা থেকে শুরু করে দেশপ্রেম, মানবপ্রেম ইত্যাদি। চেতনার মধ্যে শুভ, অশুভ দুটো দিকই আছে। তাই দেখা যায় অশুভ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মানুষ খুনখারাবি, রাহাজানি, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, লুটতরাজে লিপ্ত হয় এবং সারা জীবন উঠতে-বসতে ঘুষ দুর্নীতিতে লিপ্ত থাকার পরেও নিজের জেল্লা নিজেই প্রকাশ করতে সামান্য লজ্জাবোধ পর্যন্ত থাকে না। একই কারণে ধর্মান্ধ জঙ্গিদের মুখে শোনা যায় অমুককে হত্যা করেছি ইসলাম কায়েম করার জন্য। অথচ সব ধর্মেই মানুষ হত্যা মহাপাপ। দেশপ্রেমের চেতনার উৎসস্থল নিজ নিজ দেশের ঐতিহাসিক গৌরবোজ্জ্বল ঘটনাপ্রবাহ। সে জন্য দেখা যায়, যেসব জাতি আজ উন্নতির উচ্চ শিখরে পৌঁছেছে তারা তাদের ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল ঘটনাগুলোকে শত শত বছর ধরে রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে দিপ্যমান রেখেছে, যাতে অনাগত কাল ধরে আগত নতুন প্রজন্মের মনে দেশপ্রেমের চেতনা সৃষ্টিতে উৎসস্থলের কোনো ঘাটতি না থাকে। বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের মনে দেশপ্রেমের চেতনার উৎসস্থল প্রোথিত রয়েছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৩ বছরজুড়ে সংগ্রামের ঘটনাসমূহ, একাত্তরের ১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ঘটনাপ্রবাহ এবং তারপর ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের বিশাল ক্যানভাসের মধ্যে। কিন্তু অর্ধসত্য, সত্যমিথ্যার মিশ্রণ ও পরিপূর্ণ মিথ্যা দ্বারা ওই সব চেতনার উৎসস্থলগুলোকে কলঙ্কিত করা হয়েছে এবং নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পঁচাত্তর পরবর্তী দুই সামরিক শাসক দ্বারা এবং জামায়াত-বিএনপি সরকারের মেয়াদে। তারা এখনো সেই চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তাই লন্ডনে অবস্থিত এক ফেরারি আসামির মুখে শোনা যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নাকি রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন! একটা দেশকে স্বাধীন করে দেওয়ার চেয়ে বড় কোনো রাজনৈতিক অর্জন আর থাকে নাকি? অর্বাচীনতা এবং মূর্খতারও একটা সীমা আছে বলে এতদিন জানতাম। একজন মানুষ যেমন শরীরের আঘাতের চিহ্ন বা ক্ষত নিয়ে আরেকজন পরিপূর্ণ ক্ষতহীন মানুষের মতো বেড়ে উঠতে পারে না, তেমন রাষ্ট্রের গায়ে যদি ক্ষত চিহ্ন থাকে তাহলে সেই রাষ্ট্রও প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোতে পারে না। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির গায়ে প্রথম গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয় বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে। এই ক্ষত যাতে শুকাতে না পারে এবং দিন দিন তা যেন আরও গভীরতর হয় তার জন্য স্বঘোষিত খুনিদের বিচার না করার আইন করা হয় এবং তাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদাসহ বাংলাদেশের দূতাবাসে চাকরি দেওয়া হয়। সভ্য দেশের কোনো মানুষের সঙ্গে আলোচনাকালে এ প্রসঙ্গ এলে আমাদের লজ্জা পেতে হয়। তারপর জাতীয় চার নেতা, যারা মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের কর্ণধার ছিলেন তাদের ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে জেলখানার মধ্যে হত্যা করে রাষ্ট্রের গায়ে দ্বিতীয় ক্ষতটি তৈরি করা হয়। তৃতীয় ক্ষতটি তৈরি করেন পঁচাত্তরের রক্তাক্ত অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়া প্রয়াত জেনারেল জিয়াউর রহমান। তিনি গণমানুষ বা সংসদের অপেক্ষা না করে এককভাবে সামরিক অর্ডিনেন্সের মাধ্যমে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৩ বছর সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের দর্শন ও চেতনাবাহী প্রায় চলি্লশটি শব্দ, বাক্য ও ধারা বাহাত্তরের সংবিধান থেকে বাদ দিয়ে দেন। বাংলাদেশের মানুষকে ভাবতে হবে প্রধান সামরিক প্রশাসক হয়ে জিয়াউর রহমান কেন এত তাড়াহুড়া করে, এত নগ্নভাবে রাষ্ট্রের সংবিধানকে ক্ষতবিক্ষত করলেন। স্বাভাবিক পরিস্থিতি ও পার্লামেন্টের জন্য তিনি অপেক্ষা করতে পারলেন না কেন? এ প্রশ্নের সঠিক উত্তরের মধ্যে নিহিত আছে স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরেও বাংলাদেশের রাজনীতি এখনো কী কারণে ভয়ানক বিপরীতমুখী ও সাংঘর্ষিক হয়ে আছে। কেন সেখান থেকে রাজনীতি আজও বের হতে পারছে না। এই তৃতীয় ক্ষতের জায়গাটি আরও ভয়াবহ ও গভীরতর হয় সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম বানানোর মধ্য দিয়ে। যে জামায়াত, রাজাকার, আলবদর বাহিনী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে একত্রিত হয়ে একাত্তরে সারা বাংলাদেশে হত্যা, ধর্ষণ, অগি্নসংযোগ ও লুটতরাজ চালিয়েছে তাদের ১৯৭৬ সালে পুনরায় বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ পাওয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের গায়ে চতুর্থ ক্ষতটি তৈরি হয়। দ্বিতীয় সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদ এই ক্ষতের আরও বিস্তৃতি ঘটিয়েছেন। বিএনপি তাদের ২০০১-২০০৬ মেয়াদে জামায়াতের দুজন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীকে পূর্ণ মন্ত্রী বানিয়ে রাষ্ট্রের এই চতুর্থ ক্ষতটিকে ভয়াবহ স্থানে নিয়ে যায়। ২০০৯ সালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতায় এসে বহু বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করে ওই ক্ষতগুলো থেকে বাংলাদেশকে বের করে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু এ পর্যন্ত বেশ কিছু দূর অগ্রসর হলেও আরও অনেক পথ যেতে বাকি। এই বাকি পথের মধ্যে সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার দ্রুত সুসম্পন্ন করা একান্ত অপরিহার্য ও জরুরি হয়ে পড়েছে। সব সম্ভবের বাংলাদেশে কখন যে কী হয় তা অনুমান করা কষ্টকর। ২০১০ সালে এই বিচার শুরু হওয়ার পর জামায়াত-শিবিরের স্পর্ধা ও ঔদ্ধত্য আমরা দেখেছি। বিচার বানচাল করার জন্য ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ৩ তারিখে মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় তাণ্ডব চালিয়ে পার্কিং করা অগণিত গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে ত্রাসের সৃষ্টি করে ওই জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা। পরের দিন ৪ ফেব্রুয়ারি শাপলা চত্বরে সমাবেশ করে হুমকি দেয় তাদের নেতাদের কিছু হলে সারা দেশে আগুন জ্বলবে এবং গৃহযুদ্ধ বাধিয়ে দেওয়া হবে। পরের দিন ৫ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালের রায়ে কাদের মোল্লার প্রত্যাশিত ফাঁসির দণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন হলে সারা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম ফুঁসে উঠে। উত্তাল হয় ঢাকার শাহবাগ চত্বর। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আরেক মশহুর যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন বিকাল থেকে জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী দেশব্যাপী সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর চালায় নির্মম পাশবিক নির্যাতন এবং জ্বালাও-পোড়াও। তারা বিশ্রামরত পুলিশের ওপর আক্রমণ চালিয়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে। পুলিশের পাল্টা গুলিতে নিহত হয় শিবিরের কয়েকজন ক্যাডার। ১ মার্চ ২০১৩, সিঙ্গাপুরের এক সংক্ষিপ্ত সফর শেষে দেশে ফেরেন বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ওইদিন বিকালে তিনি হুকুম দেন বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য। তার পরিণতিতে কয়েক দিন ধরে দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের ভয়াবহ তাণ্ডব চলে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিদ্যুৎকেন্দ্র তারা ভস্মীভূত করে। এতসব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে গত ডিসেম্বর মাসে কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর হলে বাংলাদেশের মানুষ আবার আশান্বিত হয়। কিন্তু ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকেন্দ্রিক ঘটনা এবং সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ ও ফেনীর ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের বিষয়গুলোর জের ধরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি কেন যেন সবার দৃষ্টির আড়ালে চলে যাচ্ছে। মানুষের মনে সৃষ্টি হচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি, যার থেকে ফায়দা উঠানোর চেষ্টায় নেমেছে সেসব রাজনৈতিক দল যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না এবং মুক্তিযুদ্ধের সব গৌরবকে ম্লান করতে চায়। এ পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ থেকে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পর একটি মাত্র বিচারের রায় কার্যকর হয়েছে। এখন শুধু দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর চূড়ান্ত রায় আপিল বিভাগে অপেক্ষমাণ। আরও পাঁচ-ছয়টি কেস আপিল বিভাগে শুনানির জন্য পেন্ডিং আছে। ট্রাইব্যুনালে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ আছে আরও দুই-তিনটি কেস। তার মধ্যে আলবদর বাহিনীর প্রধান মতিউর রহমান নিজামীর রায় ট্রাইব্যুনালে অপেক্ষমাণ দুই মাসেরও অধিক সময় ধরে। এর পূর্বে আপিল বিভাগে কাদের মোল্লার রায় এত দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষমাণ ছিল না। ইতোপূর্বে ট্রাইব্যুনালেও অপেক্ষমাণ রায় এত বেশি দিন পেন্ডিং থাকেনি। দেশের অভ্যন্তরে এই যুদ্ধাপরাধীদের নিজেদের অর্থনৈতিক ও ক্যাডার শক্তি, তাদের দোসরদের রাজনৈতিক শক্তি, বিদেশে কোটি কোটি ডলারের লবিং নিয়োগসহ পাহাড়সম বাধা অতিক্রম করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মতো অসীম নৈতিক সাহস ধারণ করেন বিধায় এই বিচার হচ্ছে এবং একটি ফাঁসির রায়ও কার্যকর হয়েছে। বাকি বিচারও সম্পন্ন হবে এবং রায়ও কার্যকর হবে, শেখ হাসিনার প্রতি এ বিশ্বাস মানুষের আছে। কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। বিলম্বের কারণে বিএনপি এটি নিয়ে রাজনীতির মাঠকে ঘোলা করার চেষ্টা করছে এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ পাচ্ছে। আর দিন যত যাচ্ছে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডার বাহিনী পরিকল্পনার জাল বিস্তার করার বেশি সুযোগ পাচ্ছে। তারা রায় বেরোনোর পর কীভাবে দেশব্যাপী তাণ্ডব চালাবে, যেমনটি তারা করেছিল ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে, তার প্রস্তুতি চলছে।

সময় যত পাবে জামায়াত-শিবির তাদের বিশাল অর্থের ভাণ্ডার ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডসহ বড় বড় নাশকতামূলক কাজ চালিয়ে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত রাখবে, সুযোগমতো নাস্তানাবুদ করে ছাড়বে। টাকার কাছে সরকারের প্রশাসন ও সরকারি দলের লোকজনও যে কাবু হয়ে যায় তা তো আর নতুন করে বলার দরকার নেই। টাকার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় সদস্যের নৈতিক পদস্খলন ঘটাতে পারলে তখন তাদের আরও পোয়াবারো। বহুমুখী প্রোপাগাণ্ডায় ফোর্সের মনোবল ভেঙে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য, যাতে যুদ্ধাপরাধীদের রায় কার্যকর হওয়ার পর তারা যে ভয়াবহ তাণ্ডব চালাবে সেই ভয়ে রায় কার্যকর করা থেকে সরকার যেন বিরত থাকে। যত সময় যাবে, সেই সময়ের তারা বেশি বেশি অপব্যবহার করবে। ওই একই লক্ষ্যে তারা অঢেল টাকা ঢেলে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাবে। ইতিপূর্বে সাঈদী ও অন্যদের রায়কে কেন্দ্র করে তারা যে তাণ্ডব চালিয়েছিল সেটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল র‌্যাব। নারায়ণগঞ্জের মর্মান্তিক ঘটনায় র‌্যাবের তিনজন সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার সুযোগে বিএনপির পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ বাহিনীকে বিলুপ্তির দাবি জানানো হচ্ছে। আক্কেলমান্দের জন্য ইশারাই কাফি হ্যায়! কার মনে যে কী আছে তা একমাত্র ভবিতব্যই বলতে পারেন। আর আগামীতে কে কী করবেন তাও আমরা জানি না। তবে বিগত দিনের উদাহরণ যদি ভবিষ্যৎ বোঝার জন্য কোনো গাইডলাইন হয় তবে তা কোনো শুভ বার্তা দিচ্ছে না।

জামায়াত-শিবির তো আছেই, অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তি যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে তারা বসে নেই। তারা দেশে-বিদেশে যত না প্রকাশ্যে তার চেয়ে অনেক বেশি গোপন তৎপরতা চালাচ্ছে। সুতরাং বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যারা যুদ্ধাপরাধের বিচার চায় তাদের শুধু সরকারের দিকে তাকিয়ে বসে থাকলে চলবে না। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো সংঘবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হলে সংগঠনের দরকার। নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার মতো সাংগঠনিক নেতৃত্ব দরকার। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য সবচেয়ে বেশি সরব হওয়ার কথা ছিল যে সংগঠনটির, সেই মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের (মুক্তিযোদ্ধা সংসদ) কোনো অস্তিত্ব নেই এক বছর যাবৎ। আর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখার সংগ্রাম বাদ দিয়ে যদি শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্য হাজার-পাঁচশ করে টাকা বিলিবণ্টনে ব্যস্ত থাকে তাহলে তো আর কথা নেই। বিগত দিনে আমরা তাই-ই দেখেছি। সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম গঠিত হওয়ার পরে দারুণ প্রশংসনীয় কাজ করেছিল তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য। কিন্তু গত দুই-তিন বছর তাদের কোনো উপস্থিতি আর নেই বললেই চলে। বাঙালি চেতনার ধারক-বাহক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো এ বিষয়ে বিগত সময়ে ব্যাপক কাজকর্ম করেছে। মনে হয় তারাও যেন এখন নীরব নিস্তব্ধ ভূমিকা নিয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীকে সংগঠন হিসেবে বিচার করার বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি আইনি বিতর্ক শুরু হয়েছে। আইনে কি আছে সেটি দেখার প্রধান দায়িত্ব রাষ্ট্রের এবং তারপর যারা আইন বিশারদ আছেন তাদের। কিন্তু তাদের সবার জানা উচিত এবং আমি মনে করি তারা জানেন যে, দেশের তরুণ সমাজসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ জামায়াতের মতো বিষফোঁড়া বাংলাদেশের গায়ে আর একদিনও রাখতে চায় না। মানুষের এই চাওয়াকে মূল্য দেওয়ার জন্য বিচারের পক্ষে অবস্থানকারী সব সংগঠন ও মানুষকে সোচ্চার হয়ে গগনবিদারি আওয়াজ তোলা এখন জরুরি।

লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

ই-মেইল : [email protected]

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়