শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০১ জুলাই, ২০১৪

মাগো, আমার ময়না পাখির খাঁচাটা কেন আনলে না?

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
মাগো, আমার ময়না পাখির খাঁচাটা কেন আনলে না?

আজ দ্বিতীয় রমজান। গত বছর যারা পবিত্র রমজান পেয়েছিলেন তাদের কতজন এবার রমজান পেলেন না। আবার যারা এবার রমজানে আছেন তারা হয়তো আল্লাহর মহা বরকতে আগামী রমজান পাবেন না। আল্লাহ আমাদের এই রমজানে সব পাপ-তাপ থেকে পবিত্র করুন, মুক্ত করুন- আমিন।

সেদিন পত্রিকা খুলেই দেখি বেগুনের কেজি ৮০ টাকা। অন্য কিছু না হয়ে বেগুন হওয়ায় ছেলেবেলার কথা মনে পড়ল। তখন আমার বয়স ১৪-১৫, '৬১-'৬২ সালের কথা। আমাদের শহরের বাড়িতে বেশ ফাঁকা জায়গা ছিল। প্রতি বছর বইল্যা হাট থেকে বাবা বেগুন, মরিচ, টমেটো, ঢেঁড়সের চারা আনতেন। কেন জানি বুনলেই ছেয়ে যেত। সেবার পাড়া-প্রতিবেশীদের দিয়ে নিজেরা খেয়ে শেষ হচ্ছিল না। তাই ২৫-৩০ কেজি বেগুন দিয়ে বাবা আমাদের দুই ভাইকে বাজারে পাঠিয়েছিলেন। বাজারে গিয়ে দেখি বেগুনের সের দুই পয়সা। দুই পয়সা হলেও আমাদের বেগুন ৫০-৬০ পয়সা হওয়া উচিত। অনেক চেষ্টা করলাম এক সেরও বেচতে পারলাম না। আমাদের বেগুন বেচে সংসার চালানোর প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু বাবার হুকুম ফেলার পথ ছিল না। ঘণ্টা দুই চেষ্টা করে এক দোকানির কাছে ২৫-৩০ কেজি বেগুন দুই আনা মানে ৮ পয়সায় বেচে লতিফ ভাই আর আমি চার আনা দিয়ে রিকশায় চেপে বাড়ি ফিরেছিলাম। তখন এমন বুদ্ধিমান ছিলাম বেগুন নিয়ে যাওয়ার পথে হেঁটে গেছি। দুই ভাই ছালার দুই দিক ধরে, কিছু পথ পিঠে এবং মাথায় করে নিয়েছি। বেগুন নিয়ে যাওয়ার সময় রিকশায় গেলে ভালো হতো। যাওয়ার পথে না গিয়ে ফেরার পথে রিকশায় চড়েছি। আজকাল জিনিসপত্রের দাম শুনলে খুবই অবাক লাগে। কষ্ট-ভালো দুটোই লাগে। আমাদের গ্রামের বাড়ির পাশে আউলিয়াবাদ হাটে যে কাঁঠাল এক পয়সায় বিক্রি হতো সেটা নাকি এখন ঢাকায় ৩০০-৪০০ টাকা। ৮০ তোলায় সেরের সময় ১০৫ তোলার সেরে দুই পয়সা সের দুধ দেখেছি। এখন সেই দুধের দিকে তাকানো যায় না। সাদা দুধে অনেকে সরিষার ফুল দেখে।

আমাদের প্রাণের প্রাণ মা কুশিমণির বাঁ পায়ে ১৭ জুন বেশ বড়সড় একটা অপারেশন হয়েছে। কীভাবে যে পা উঁচু করে এতদিন বিছানায় পড়ে আছে, কোনো ঝুট-ঝামেলা করছে না। মাঝে-মধ্যে যা একটু আধটু বিরক্ত হওয়া ছাড়া তেমন কোনো ভয়ের কারণ এখনো হয়নি। যে মেয়ে সারা বাড়ি মাথায় তুলে রাখত, সে আজ দুই সপ্তাহ পা লটকে বিছানায় পড়ে আছে। ক্ষণে ক্ষণে ওর কাছে গিয়ে বসি। মাথায় হাত বুলাই। পায়ের কাছে বসলে কোলে পা তুলে দেয়। মা'র যেমন পা টিপতাম, মা মনে করে ওরও টিপি, বড় ভালো লাগে। মায়ের স্পর্শই অনুভব করি। ও যেদিন আবার ছোটাছুটি করতে শুরু করবে সেদিন হবে আমাদের জন্য মহাআনন্দের দিন।

লিখতে চেয়েছিলাম ভারতের নতুন বিজেপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের প্রথম বাংলাদেশ সফর নিয়ে। ২৫ জুন তিন দিনের জন্য তার বাংলাদেশ সফর ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে যেমন বাংলাদেশে প্রথম, তেমনি বিদেশ সফরও প্রথম। তাই একটা তাৎপর্য অবশ্যই ছিল। সুষমা স্বরাজকে বহু বছর আগে থেকেই চিনি। '৭৭-এ জনতা পার্টির সরকার, তারপরে ভারতীয় জনতা পার্টি- এসবের জন্মকালে ভারতেই ছিলাম। জনতা পার্টির প্রাণপুরুষ সর্বোদয় নেতা শ্রী জয় প্রকাশ নারায়ণ আমায় ভীষণ ভালোবাসতেন, আদরযত্ন করতেন। তিনি সমাজবাদী নেতা রাম মনোহর লহিয়ার অনুরক্ত-ভক্ত ছিলেন। শ্রী জয় প্রকাশ নারায়ণের কারণেই জর্জ ফার্নান্ডেজ, শ্রী চন্দ শেখর, বিজু পট্টনায়েক, মধু লিমাই, সুরেন্দ্র মোহন, রাজ নারায়ণ- এরকম অসংখ্য নেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল। সুষমা স্বরাজ ছিলেন জর্জ ফার্নান্ডেজের খুবই ঘনিষ্ঠ নেত্রী। '৯০-এ আমি যখন দেশে ফিরি তখনই তিনি বেশ আলোচনায় ছিলেন। এখন তো সর্বভারতীয় নেতা, কেন্দ্রশাসিত দিলি্লর মুখ্যমন্ত্রিত্বসহ অনেক দায়িত্বপূর্ণ পদ অলঙ্কৃত করেছেন। এখন ভারতের কত সুবিধা। আগে এক দল ভারতপন্থি হলে আরেক দল থাকত বিরোধী। কিন্তু এখন কার আগে কে কত বেশি ভারতপ্রিয় হবে তা নিয়ে প্রতিযোগিতা। এ প্রতিযোগিতায় মনে হয় এখন আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপি কিছুটা এগিয়ে। সব সময়ই বলা হয় ভারত কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের সঙ্গে সম্পর্ক চায় না। মহান ভারত বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে একটা অর্থবহ দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক চায়। মুখে বললেও বাস্তবে অনেকদিন তা হয়নি। আশা করা যায় এখন হয়তো সেদিকেই যাবে। ২৬ জুন নারায়ণগঞ্জে উপনির্বাচন হয়েছে। নাসিম ওসমানের আকস্মিক মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন হলো। নাসিমের ছোট ভাই ব্যবসায়ী সেলিম লাঙ্গল মার্কা আওয়ামী লীগ হিসেবে জয়ী হয়েছে। অনেকে অনেক অভিযোগ করেছে। মারামারি কাটাকাটি ছাড়া নির্বাচন হওয়ায় আর কিছু না হোক জীবনহানি হয়নি। তাই ভোটারদের অভিনন্দন জানিয়েছি। বেশ কয়েক দিন নির্বাচনী প্রচারে নারায়ণগঞ্জ এবং বন্দরে ঘোরাফেরা করেছি, নানা ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। এতদিন আমারও মনে হতো নারায়ণগঞ্জের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী কৈলাশ থেকে দেবীমাতা হিসেবে নারায়ণগঞ্জে অবতীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু উপনির্বাচনে ঘোরাফেরা করে এখন আর তেমন মনে হচ্ছে না। কতজনের কাছে কত কথা শুনেছি লিখব বলে মনঃস্থিরও করেছি। একজন শামীম ওসমান, আরেকজন সেলিনা হায়াৎ আইভী। একজন খারাপ, আরেকজন ভালো। অথচ উভয়ই আওয়ামী লীগ। একজনকে বিএনপি বিরোধিতা করে, আরেকজনকে সমর্থন করে। এতদিন মোজেজা বুঝিনি। নারায়ণগঞ্জে মেয়র নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুরকে কোরবানি দিয়ে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জয়ী করা হয়েছিল। কথা ছিল সে বিএনপি হবে, হয়নি। এবার বিএনপিরা যে ক'জন ভোট দিয়েছে, অর্ধেক এস এম আকরাম, অর্ধেক সেলিম ওসমানকে দিয়েছে। দুই প্রার্থীই আড়ালে আওয়ামী লীগ। নারায়ণগঞ্জের বহু আলোচিত সাত খুনের রাস্তাঘাটে কত কথা শুনেছি। যে মরেছে সেও শামীম ওসমানের লোক, যারা আসামি হয়েছে তারাও শামীম ওসমানের। আলোচিত নূর হোসেন যেসব জায়গা থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা চাঁদা তুলে একে ওকে দিত সে জায়গাগুলো দেখলাম আর শুনলাম। ওসব ক্ষেত্রে যে মেয়রের কোনো হাত নেই তেমন মনে হলো না। বরং লোকজনের কথায় হাত থাকার ইঙ্গিতই বেশি মনে হলো। লড়াইটা জনগণের নয়, লড়াইটা জোহা পরিবার আর চুনকা পরিবারের। এক দল প্রতিক্রিয়াশীল হলেও ঢাকঢোলে প্রগতিবাদী। আরেক দলের অতীত প্রগতির আলোয় ঝলমলে হলেও প্রতিক্রিয়াশীল। এ দ্বন্দ্বের যা দেখেছি শুনেছি বুঝেছি পাঠকদের সামনে তুলে ধরার প্রবল ইচ্ছা আছে। কিন্তু এ যাত্রায় লেখা হলো না। সেদিন ময়নার কান্নায় সব এলোমেলো করে দিল। আমরা যে অতীত মনে রাখি না তার কত প্রমাণ দেব। হাজী শরীয়ত উল্যাহ, তিতুমীর, মাস্টার দা সূর্যসেন, প্রীতিলতাকে আমরা কতটা মনে রেখেছি? শেরে-ই-বাংলা একে ফজলুল হক, হুজুর মওলানা ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর অবদান কতটাইবা স্মরণ করি? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধের উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব জিয়াউর রহমান? এক দল আরেক দলের নেতার প্রতি কি বিদ্বেষই-না দেখাই। অথচ বঙ্গবন্ধু না হলে যে আমি হতাম না, জিয়াউর রহমান হতেন না। আজকাল যত বড় বড় নেতা, পাতি নেতা, ব্যবসায়ী, সম্পদশালী কেউ হতো না- সেসব কেউ মনে রাখে না। সমালোচনা গালাগাল ছাড়া কত সহজে কত বড় বড় মানুষদের ভুলে যাই। ইদানীং প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কল্যাণে কত রাত দিন হয়, জ্বলজ্বলে করোজ্জ্বল দিন অন্ধকারে তলিয়ে যায়, যার হিসাব রাখা ভার। এমনই আমাদের ময়না। আমার এক ভাগনী শেলি মুক্তিযুদ্ধে হানাদারদের ঘরে আগুন দেওয়া নিয়ে লেখা 'মাগো, আমার ময়না পাখির খাঁচাটা কেন আনলে না?' বড় দরদ দিয়ে গাইতো। '৭২ সালে আমাদের সাংস্কৃতিক দলের সঙ্গে সে কলকাতার গড়ের মাঠে, বনশ্রী সিনেমা হলে, রবীন্দ্র সদনে 'মাগো, আমার ময়না পাখির খাঁচাটা কেন আনলে না? যখন ঘরে জ্বললো আগুন কেন মনে করলে না...' গেয়ে কলকাতা মাতিয়েছিল। আমাদের এ ময়না সেই ময়না নয়। এ ময়না ১৪-১৫ বছরের এক হতভাগিনী। একেবারে হতদরিদ্র ঘরের সন্তান। বিথী আক্তার ইভার নামে এক দুশ্চরিত্রা বাটপাড়ের খপ্পরে পড়ে। নাটক থিয়েটারে অভিনয় করার সুযোগ করে দেবে বলে তার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ খুইয়েছে। মধুপুরের গভীর জঙ্গলে চার দিন আটকে রেখে মো. শাহজাহান আলী, এসএম নূরুজ্জামান গেদা, হারুনর রশিদ, মনিরুজ্জামান মনির- এই চার নরপশু তার ওপর পাশবিক নির্যাতন করে তাদের বাড়ির কাছে রেললাইনের ওপর ফেলে যায়। রেল চলে গেলেই তাতে কাটা পড়ে সব ঝুট-ঝামেলা চুকেবুকে যেত। কিন্তু মানুষের চোখে পড়ায় সে বেঁচে যায়। গ্রামের হতদরিদ্র অসহায় অশিক্ষিত আধা উন্মাদ মা খবর পেয়ে মেয়েকে নিয়ে যায় তার বাবার বাড়ি চিনামুড়া। স্বামী আরও উদ্ভট। শিশু মেয়ে নির্যাতিত হয়েছে তাকে ছায়া দেবে- তা না দিয়ে লোকজন কী বলবে সেই ধান্ধায় মেয়ের মুখ দেখবে না। স্ত্রীকে গালাগাল, মারধর করে। যায় চার-পাঁচ দিন। একেবারে মরণাপন্ন হলে পেটের ব্যথার কথা বলে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। গরিবের কি কঠিন লজ্জা! অবিরাম রক্তক্ষরণ সেখানে পেটের ব্যথার চিকিৎসা করলে হয়? তিন-চার দিন পর মানবাধিকার ও সমাজকল্যাণের যুব ভলান্টিয়াররা কীভাবে কীভাবে রোগী এবং মাকে বলে-কয়ে আসল তথ্য বের করে। রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হলে ঢাকা মেডিকেলের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়। সেখানে প্রায় দুই-তিন মাস চিকিৎসা হয়। মেয়েটি প্রায় এক মাস মুখে খাবার তুলেনি। ঢাকার ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে আমি বেশ কয়েকবার সাথী আক্তার ময়নাকে দেখতে গেছি। আমার দৃষ্টিতে এ যুগের বিধান রায় প্রফেসর বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বিকল্প ধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, তখনকার মহিলাবিষয়ক মন্ত্রী বর্তমান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ কতজন দেখতে গেছে, কতজন তাকে কত ফুলচন্দন দিয়ে মাথায় তুলে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। দুই-তিন মাস পত্রিকার প্রথম পাতার খবর, চ্যানেলের শিরোনাম। আজ দেড় বছর কেউ তার খবর নেয়নি। আমি একা একা কতটা কি করতে পারি? দুই মাস আগে ঠাকুরগাঁওয়ে আবু হানিফের পরিবারকে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের পক্ষ থেকে চার লাখ টাকার একটা স্থায়ী জামানত দিতে গিয়েছিলাম। আগের দিন হঠাৎই ময়না এসেছিল। ওর আকুল করা কান্না আমায় এলোমেলো করে দিয়েছিল। মনে হয়েছিল নিহত হানিফের স্ত্রী, তার দুই বছরের অবুঝ সন্তানকে চার লাখের জায়গায় তিন লাখ দিয়ে এক লাখ ময়নাকে দিলে কেমন হয়! তাই ময়নার জন্য এক লাখ টাকা রেখে দিয়েছি। আজ দেই, কাল দেই করে দেওয়া হয়নি। সেই ময়না পরশু এসেছিল। ওর কান্না সহ্য করতে পারিনি। তার কান্না কেন যেন আমার মায়ের কান্না, আমার সন্তানের কান্নার মতো মনে হয়েছে। কী হয়েছে? কাঁদিস কেন? অনেকক্ষণ জবাব দিতে পারেনি। পরে যা বলল, তাতে সভ্য জগতের অসভ্যতায় হৃদয় ভেঙে খানখান হয়ে গেছে। যেখানে পাকিস্তান হানাদার দানবেরও অধম চার পশুর জন্য কোর্টে কোনো উকিল দাঁড়ানো উচিত ছিল না, সেখানে সম্পদশালী আসামিদের উকিল ছোট্ট মেয়েটির ওপর একবার চার পশু পাশবিক নির্যাতন করে ক্ষতবিক্ষত তো করেছেই, আবার প্রকাশ্য কোর্টে নতুন ধর্ষকরা শত শত মানুষের মাঝে বাক্যবাণে ধর্ষণের চেয়েও বেশি জেরবার করেছে। বলিহারি যাই দেশের বিচার ব্যবস্থার। যে ঘটনা সারা দুনিয়া জানে সেই ঘটনা সাক্ষী প্রমাণের জন্য কোর্টে এমন পরিবেশের সৃষ্টি করা হয়েছে যে মেয়েটির মরে যাওয়াই ভালো। সরকারি পক্ষের উকিল মিন্টু তার মুহুরি পয়সা চায়। যদিও মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম ভিকটিমের পক্ষে শক্তভাবে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আসামি পক্ষের প্রধান উকিল আরফান মোল্লার কথা ভেবে অবাক হই। আসলে টাকার কি এতই দরকার! তার আত্দীয়স্বজনও তো ময়নার মতো নির্যাতিত হতে পারত! ভবিষ্যতেও তো হতে পারে! দুর্ভাগ্য আর কাকে বলে! আমার ছোট চাচা ওয়াদুদ সিদ্দিকীর একমাত্র ছেলে রাসেল সিদ্দিকী, সে আবার আরফান মোল্লার জুনিয়র ময়নার মামলার বিপক্ষ উকিল। রাসেলকে খুবই স্নেহ করি, যত্ন করি। তাকে ডেকে বলেছি, শুনেছি তোর মেয়ের বয়স আড়াই বছরের মতো। আল্লাহ না করুন তার যদি ময়নার ভাগ্যবরণ করতে হয় সেদিনও কি তুই আইনের ফাঁকফোকর খুঁজবি?

নির্যাতনকারীরা সবাই ধনী এবং রাজনৈতিক দলের সদস্য- কেউ আওয়ামী লীগ, কেউ বিএনপি। কুকাজে দলমতের পার্থক্য নেই- দারুণ মিল। ৩ জুলাই আবার সাক্ষীর তারিখ। ওরকম বিশ্রীভাবে ভরা কোর্টে একটি ১৪-১৫ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ মামলায় উকিলদের নাহোক জেরা ধর্ষণেরই নামান্তর। যে ঘটনা লাখ লাখ, কোটি কোটি মানুষ মাসের পর মাস পত্র-পত্রিকায় ও টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে জেনেছে।

বিশেষ করে বর্তমান মাননীয় স্পিকার মহিলা মন্ত্রী থাকতে ঢাকা মেডিকেলের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে তাকে সব রকম সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলো তার পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিল- এরকম অবস্থায় আমরা আশা করব সরকার ভালোভাবে এই অসহায় মেয়ের পাশে দাঁড়াবে। রাজনৈতিক পরিচয় অথবা টাকার জোরে ধর্ষকরা যদি পার পেয়ে যায় তাহলে সামাজিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে- এ ব্যাপারে আমি সবার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

লেখক : রাজনীতিক।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়