শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০১৪

বেশি কথা বলবি না- এমপি বানাইয়া দিমু!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
বেশি কথা বলবি না- এমপি বানাইয়া দিমু!

ঘটনার দিন আমি কি মনে করে যেন গাড়ি ছাড়াই বের হলাম। আমার অফিস থেকে নেমে হাঁটতে হাঁটতে প্রেসক্লাবের সামনে চলে গেলাম। রোজার মাসের ক্লান্ত বিকাল। শত শত লোক দাঁড়িয়ে আছেন বাস বা রিকশার জন্য। লক্ষণ দেখে মনে হলো দুই-তিন ঘণ্টা দাঁড়ালেও একটা রিকশা হয়তো পাওয়া যাবে না। আমি আবার হাঁটা শুরু করলাম। প্রেস ক্লাবকে বাঁয়ে রেখে ফুটপাত ধরে আমি হাঁটছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে মনের আনন্দে একদম শিক্ষা ভবনের কাছাকাছি চলে এলাম। আমার মনে আনন্দ হচ্ছিল এ কারণে যে, তোপখানা রোডের অফিস থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত হেঁটে আসতে আমার সময় লাগল সাকুল্যে ১১ মিনিট। অথচ যারা গাড়ি, বাস বা রিকশায় বসেছিল তারা এ ১১ মিনিটে হয়তো ১১ গজও অতিক্রম করতে পারেনি ট্রাফিক জ্যামের কারণে। আমার এ সফলতায় মনে মনে আমি ভীষণ পুলক অনুভব করলাম এবং পদচালনায় নতুন মাত্রা যোগ করলাম। আমি ধীরে ধীরে চ্যাগাইয়া ব্যাগাইয়া হাঁটতে থাকলাম এবং আশপাশে কে কি বলছে এবং কে কি করছে তা দেখা এবং শোনার জন্য চোখ-কানকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখলাম।   

আমি দেখলাম প্রচণ্ড ট্রাফিক জ্যামে আটকা পড়েও মানুষ বিরক্ত হচ্ছে না। রিকশার আরোহীরা মজা করে নানান কথা বলছে। এক রিকশাওয়ালা আরেক রিকশাওয়ালার সঙ্গে গায়কী ভঙ্গিতে রঙ্গ রসের কথা বলছে। বাসের কন্ডাক্টররা বাস থেকে একে অপরের হাত ধরে কি সব যেন বলাবলি করছে। অন্যদিকে দুটি বাসের ড্রাইভার গলা বাড়িয়ে নিজেদের বউ আর শালীদের নিয়ে কিছু দুষ্ট দুষ্ট কথা বলল। ঠিক এ সময়ে দুই রিকশাওয়ালা একজন আরেকজনের সঙ্গে মৃদু খটমটানী লাগিয়ে দিল- একজন আরেকজনকে বলছে, আমারে চিনসনি! বেশি বাড়াবাড়ি করবি না। শরীরে রক্ত টগবগ করতাছে। অন্যজন একটু বয়স্ক এবং রসিক বলে মনে হলো। সে বলল, আরে তোমারে চিনব না ক্যান, তুমি তো আমাদের এমপি সাব! সালাম এমপি সাব! আমার ভুল হইয়া গ্যাছে, মাফ কইরা দিয়েন। অন্যজন আর মেজাজ ঠিক রাখতে পারল না। বলল এই শালা ঠাট্টা মারো কোথাকার! বয়স্ক রিকশাওয়ালা এবার সত্যিই মজা পেল। সে বলল, ও মামা রাগ কর ক্যান। আমি কি মন্দ কিছু বললাম? আমি কি তোমারে বাপ-মা বা বউয়ের নাম তুইল্লা গাইল দিচ্ছি! তোমারে এমপি সাব কইছি। তরুণ রিকশাওয়ালা এবার তেড়ে এলো এবং বলল আর একবার যদি এমপি বইল্যা গাইল দ্যাস তোর মাইরে...। বয়স্ক লোকটি খুব দক্ষতার সঙ্গে অতি দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিল। সে তরুণ রিকশাওয়ালার কলার চেপে ধরে কষে এক থাপ্পড় বসিয়ে দিল। তারপর বলল- 'এই ব্যাটা! বেশি কথা বলবি না, তাইলে এমপি বানাইয়া দিমু। এমন সিল পিডা দিমু যে সারা জীবন সুইয়া সুইয়া এমপিগিরি করন লাগব।'  

উল্লিখিত ঘটনা ওখানেই শেষ হলো সম্ভবত দুটি কারণে। প্রথমত সিগন্যালের কারণে, গাড়ি চলতে শুরু করল। দ্বিতীয়ত সিল পিটানোর ঝক্কি ঝামেলায় তরুণ রিকশাওয়ালাটি হয়তো জড়াতে সাহস পাচ্ছিল না। সে লেজ গুটিয়ে তার রিকশার নিকট ফিরে এলো এবং মুদ্রণের অযোগ্য কিছু গালাগাল করতে করতে চলে গেল। তারা তো চলে গেল কিন্তু সমস্যা হলো আমার। আমি এতক্ষণ মনের আনন্দে যেভাবে চ্যাগাইয়া-ব্যাগাইয়া হাঁটছিলাম তা অটোমেটিক বন্ধ হয়ে গেল। মনে হলো বয়স্ক রিকশাওয়ালাটি যেন প্রকারান্তরে আমার কান মলে দিয়ে গেল! সিল পেটানোর কথার অন্তরালে আমার পিঠে ও পাছায় ছ্যাঁচা দেওয়ার হুমকি দিল। আমি আনমনে আমার কানে হাত দিলাম এবং পিঠ ও পাছায় হাত বুলিয়ে ওখানকার গরম গরম ভাবসাব বোঝার চেষ্টা করলাম।  

এমপিজাতীয় শব্দটির সঙ্গে প্রায় পাঁচটি বছর আমার এক ধরনের আত্দিক সম্পর্ক ছিল। এমপি হওয়ার স্বপ্ন আমি লালন করছিলাম ১৯৮৬ সাল থেকে। এমপি হওয়ার যুদ্ধে অবতীর্ণ হই ২০০১ সালে। আট বছরের মাথায় নমিনেশন পাই ২০০৮ সালে। ২০ বছরের লালিত স্বপ্ন এবং আট বছরের নির্বাচনপূর্ব মনোনয়নযুদ্ধে আমার জীবনের অনেক স্বর্র্ণালি সময় এবং শ্রমলব্ধ অর্থ ব্যয় করতে গিয়ে আমি যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম ঠিক তখনই সুযোগ আসে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১৩ পটুয়াখালী-৩ আসনে আমার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বয়ং আমার মামা শ্বশুর।     

সেকি ভয়ঙ্কর অবস্থা, তিন-চারটি ইউনিয়নে প্রায় হাজার চল্লিশেক রক্ত সম্পর্কীয় আত্দীয়স্বজন তাদের শত বছরের পারিবারিক ঐক্য এবং রক্ত সম্পর্ক ভুলে নৌকা এবং ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গেল। আমার ছোট ছোট ছেলে-মেয়ে পর্যন্ত ধানের শীষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে নানাবাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দিল। আমার শ্বশুর মহাশয় তার শ্যালকের সঙ্গে নেমে গেলেন আর আমার শ্যালক তার বাবা ও মামার বিরুদ্ধে দুলাভাইয়ের পক্ষে নেমে গেল। চারদিকে টান টান উত্তেজনা। রোজই টুকটাক মারামারি লাগে। সব কিছু সামাল দিতে উভয় পক্ষই দুই হাতে টাকা উড়াতে লাগলাম। এভাবে প্রায় ৫০ দিবস ও রজনী নিদ্রাহীন উৎকণ্ঠা এবং ঘাম ঝরানোর পর যখন জয়লাভ করলাম তখন সত্যিই আনন্দিত হয়েছিলাম। এমপি পদটিকে মনে হয়েছিল আমার পরম পাওনা এবং একান্ত যক্ষের ধন। সেই সম্মানিত পদটি যখন একজন রিকশাওয়ালার তাচ্ছিল্যের বস্তু হয়ে যায় তখন নিজের কাছে কেমন লাগে সেই অনুভূতি প্রকাশের ভাষা আমি এখনো রপ্ত করতে পারিনি কিংবা সেই অনুভূতি লিখে প্রকাশ করার মতো শক্তি আমার কলম এখনো অর্জন করতে পারেনি।   

একজন লুটেরার দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আমার দলের প্রভাবশালীরা যখন আমাকে রাস্তার একজন ছিনতাইকারী বা ছিঁচকে চোরের মতো টেনেহিঁচড়ে জেলে নিল তখনো অতটা অপমানিত হইনি। কিন্তু যখন রিকশাওয়ালা আমার এত সাধের অর্জনটি নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করল তখন মনের গভীর থেকে গভীরতম স্থানে প্রচণ্ড আঘাত অনুভব করলাম। শিক্ষা ভবনের সামনের রাস্তা পার হয়ে হাইকোর্ট মাজারের প্রবেশদ্বারের সামনে দিয়ে হাঁটতে থাকলাম। অনেকে এগিয়ে এসে সালাম বিনিময় করলেন। অন্যদিকে যারা চিনলেন না তারা চিন্তায় পড়ে গেলেন এবং ভাবতে থাকলেন অল্প বয়সী লোকটি কে? কেনইবা এত লোকজন তাকে সালাম দিচ্ছে? দু'একজন ফিসফিসিয়ে সালাম প্রদানকারীদের জিজ্ঞাসা করলেন- ভদ্রলোক কে? তারা বললেন এমপি রনি। মাজার গেটের সামনে বাবরি চুলওয়ালা বিভিন্ন ভাবের ফকির ও ভিক্ষুক সারাক্ষণ হল্লা করে। এদের অনেকের মাথার চুল ভীষণ হিজিবিজি এবং ময়লাযুক্ত। অনেকের চুলে আবার লম্বা লম্বা জটও রয়েছে। অনেকের মুখের অপরিচ্ছন্ন লম্বা দাড়ি এবং ঘন মোচে মিতালী করে এমনভাবে জড়াজড়ি করে থাকে যে ওগুলোর ফাঁক দিয়ে তাদের ঠোঁট দেখা যায় না। আমি ওই এলাকা দিয়ে হেঁটে পার হওয়ার সময় প্রায়ই একটু দাঁড়াই এবং মনে মনে ভাবি আহারে বেচারারা এত বড় দাড়ি আর মোচ নিয়ে কীভাবে দই খায়? সেদিনও ওমনটি ভাবতে যাচ্ছিলাম আর তখনই আমাকে শুনতে হলো আরেকটি মন্দ শব্দ। এমপি শব্দটি একজন পথচারীর মুখ থেকে শোনার সঙ্গে সঙ্গে একজন জটাধারী ফকির বলে উঠল- 'শালা গুয়ামারা এমপিরে আবার সালাম দ্যান ক্যা।' আমি কথাটি শুনলাম। কিন্তু ভয়ে পেছনে ফিরে তাকাতে সাহস পেলাম না। কেবল শুনলাম পথচারী বলছেন তিনি একজন সাবেক এমপি।  

আমি খুব দ্রুত ওই এলাকা পার হয়ে শিশু একাডেমির সামনে দিয়ে ডানদিকে মোড় নিয়ে টিএসসির দিকে এগুতে থাকলাম। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনের ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে গিয়ে হঠাৎ নজর পড়ল একটি মোটাতাজা ঘোড়ার দিকে। ওটি তখন পার্কের ভেতর ঘাস খাচ্ছিল। আমার মনটা বেশ ভারি ছিল। তাই একটু হালকা হওয়ার জন্য পার্কের ভেতর ঢুকে ঘোড়ার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আমার মনে পড়ল পুরান ঢাকার লোকেরা এক সময় বলতেন- সাব ও কতা আর কইয়্যেন না, ঘোড়ায় হাসব। আমি ঘোড়ার হাসি নিয়ে ভাবছিলাম এবং বেশ মনোযোগ সহকারে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ঘোড়া দেখছিলাম। কিন্তু মনের বেদনা দূর হচ্ছিল না। বারবার মনে পড়ছিল- সিল পিডাইয়া এমন এমপি বানাইয়া দিমু যে সারা জীবন সুইয়া সুইয়া এমপিগিরি করণ লাগব এবং গুয়ামারা এমপিরে সালাম দ্যান ক্যা। আমি ঘোড়ার মুখের দিকে তাকালাম এবং গুয়ামারা কথাটির অর্থ বোঝার চেষ্টা করলাম। আমি আসলে শব্দটির আভিধানিক অর্থ জানি না। কিন্তু মনে হচ্ছে ওটি সম্ভবত একটি গালি। আমার হঠাৎ প্রচণ্ড হাসি পেল শিশুকালের একটি ঘটনা মনে পড়ার কারণে।  

আমার বয়স তখন বড়জোর পাঁচ-ছয় বছর হবে। প্রতিদিন সকালে সূর্য ওঠার আগে গ্রামের অন্যান্য শিশু ও বালক-বালিকার মতো আমিও মক্তবে যেতাম কোরআন পড়া শেখার জন্য। হুজুর বয়স্ক মানুষ। অত্যন্ত রাশভারী এবং রাগী হওয়ার কারণে আমরা তাকে যমের মতো ভয় পেতাম। বাচ্চারা অন্যায় করলে তিনি সপাৎ সপাৎ বেত মারতেন। ফলে প্রায় ২০০ ছেলেমেয়েকে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে তিনি একাই পড়াতেন। কেউ টুঁ-শব্দটি না করে একসঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে পড়ত আলিফ জবর আ, বা জবর বা ইত্যাদি। সেদিনও আমরা পড়ছিলাম। হুজুর আমাদের সুুর করে একটি নতুন শব্দের বানান এবং উচ্চারণ শেখাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, বাচ্চারা বলো- গাইন পেশ গু, ওয়া নুন জবর ওয়ান- গুয়ান, নুন দুই পেশ নুন- গুয়াননুন। হঠাৎ কি হলো একটি বাচ্চা হেঁচকি তুলে জোরে বলল গুয়াননুন। আর যায় কোথায়! হাসির রোল পড়ে গেল। ২০০ বাচ্চা একসঙ্গে শুরু করল হাসি। হুজুর দুই-তিনবার জোরে ধমক দিলেন। তাতে কাজ হলো না, বরং হাসির মাত্রা বেড়ে গেল। একজন আরেকজনকে খোঁচা দেয় আর বলে ওরে আমার গুয়াননুন রে! হাসতে হাসতে একসময় শুরু হলো ধাক্কাধাক্কি, তারপর গড়াগড়ি। এতে অনেক বাচ্চা ছেলের লুঙ্গি খুলে গেল। অন্যরা সে দৃশ্য দেখে বলল- ও গুয়াননুন, ও গুয়াননুন। শেষমেশ ওস্তাদজী মক্তব ছুটি দিয়ে চলে যেতে বাধ্য হলেন।   

শৈশব স্মৃতি মনে করে হাসছিলাম আর ঘোড়াটির সঙ্গে খাতির জমানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু ঘোড়াটি আমাকে পাত্তা দিচ্ছিল না। আমিও নাছোড় বান্দা, ঘোড়ার কাছ থেকে আমাকে পাত্তা পেতেই হবে। এমন সময় বড্ড ছেলেমানুষের মতো বললাম- এমপি! ঘোড়াটি কিসে কি বুঝল বলতে পারব না, তবে জানোয়ারটি ঘাস খাওয়া রেখে আমার মুখের দিকে তাকাল। আমার মনে হলো ওটি আমার দিকে তাকিয়ে হালকা করে মুচকি হাসি দিল এবং চোখ টিপে বন্ধুত্বের ইঙ্গিত দিল। আমি পাত্তা পেয়ে বললাম, অটো এমপি, সিল পিডানো এমপি। এবার ঘোড়াটি মহাবিরক্ত হলো। মুখ দিয়ে ভুর ভুর, ভ্যার ভ্যার শব্দ করে এমন ভেটকি মারল যে, আমি ভীষণ ভয় পেয়ে গেলাম। এরপর জন্তুটি আমার দিকে তার পশ্চাৎদেশ ঘোরাতে আরম্ভ করল। আমি জানি ঘোড়া পেছনে ফিরে দুপা একসঙ্গে করে লাথি মারে। আমি বুদ্ধিমানের মতো পরিস্থিতি অনুমান করে দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করলাম।   

লেখক : রাজনীতিক।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়