শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

মোদি সরকারের তিন মাস

জগ্‌লুল আহ্‌মেদ চৌধূরী
অনলাইন ভার্সন
মোদি সরকারের তিন মাস

ভারতে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে নতুন সরকার তিন মাস সময় পার করেছে আশা-নিরাশা, সাফল্য-ব্যর্থতা এবং উচ্ছ্বাস-স্বপ্নের মৃত্যুর সম্ভাবনা সৃষ্টি করে। কেউ কেউ বলছেন, এ সরকার এক নতুন ধারার স্বপ্নানুভূতি সৃষ্টি করেছেন, যাতে করে সাধারণ মানুষ নিজেদের সত্যিকার অর্থেই শাসক ভাবতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ মনে করছেন যে, সীমাহীন সম্ভাবনার সঞ্চারণ ঘটিয়ে চলার পথে হোঁচট খাচ্ছে সরকার। আবার বিরোধী দল মন্তব্য করেছে যে, এ সরকার হলো 'স্বপ্নের ফেরিওয়ালা'। তিন মাস সময় একটি সরকারের কার্যক্রম বিবেচনার জন্য যথেষ্ট নয়। এ সময়সীমা কোনো নির্ধারক হওয়ার কথা নয় পাঁচ বছরের মেয়াদ পরিক্রমার দীর্ঘ প্রক্রিয়ায়। তা সত্ত্বেও এটাও সত্য, তিন মাস সময় গতিপথ এবং সক্ষমতার একটি ভিত্তি রচনা করতে পারে, যা আগামীর জন্য সুস্পষ্ট সংকেত দেবে। নরেন্দ্র মোদির সরকার অভ্যন্তরীণ এবং পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই একটা অবয়ব তৈরি করেছে এ সময়ে। চলার পথে তেমন কোনো বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়নি নরেন্দ্র মোদি এবং তার সহযোগীদের। তবে যে প্রত্যাশা এবং উন্নয়নের একটি চিত্র তিনি উপহার দেবেন বলে নির্বাচনের আগে ধারণার সৃষ্টি করেছিলেন সেটা যে রূঢ় বাস্তবতার সঙ্গে অনেকাংশেই সামঞ্জস্যহীন তা যেন বেশি করে সূর্যালোকের মতোই ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তথাপি, ১০ বছর পর পরিবর্তনের হাওয়ায় ভেসে আসা এবং গত কয়েক বছরের ব্যর্থতার স্তূপে দণ্ডায়মান নতুন সরকারের 'হানিমুন পিরিয়ড' এখনো অনেকটুকু সম্ভাবনায় পরিপূর্ণ।

২৬ মে শপথ নিয়েছিলেন ভারতের সাধারণ পরিবারের নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। নিজেকে 'চা বিক্রেতার' পুত্রের পরিচয় দিয়ে গণমানুষের সরকারপ্রধান হিসেবে তিন মাস পার করলেন ২৬ আগস্ট। মাঝখানে অর্থাৎ কিছু দিন আগে ১৫ আগস্ট দেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পুরনো দিল্লির ১৭ শতাব্দীর মোগলদের নির্মিত 'লালকেল্লা' থেকে জাতিকে দেওয়া ভাষণে একদিকে যেমন স্বকীয়তা সৃষ্টি করলেন, অন্যদিকে এটাও প্রতিভাত হয়েছে যে, প্রতিশ্রুতি সীমাবদ্ধতার চাদরে অনেকটাই ঢাকা। তবুও নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রত্যাশার পথ ধরেই হাঁটার প্রয়াস পাচ্ছে এবং প্রতিশ্রুতির কারণে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে প্রতিদিনই সংগ্রাম করতে হচ্ছে।

'লালকেল্লার' ভাষণে কোনো প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিরাপত্তার কারণে বর্তমান সময়ে ব্যবহৃত বুলেট প্রুফ কাচ ভাষণের সময় ব্যবহার করেননি। নিমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে এবারই বড় সংখ্যক সাধারণ মানুষ সেখানে প্রবেশাধিকার পেয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা শুধু সরকার সমর্থকদের নিয়ে সেই অনুষ্ঠানের শোভাবর্ধন করার চেষ্টা করেননি। নতুন ধারা সৃষ্টি করার প্রয়াস পেয়েছেন বক্তৃতার মাধ্যমে। দেশের চিরন্তন শত্রু বলে পরিচিত প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের প্রতি কটু মন্তব্য করেননি- যা এ দিনের প্রধানমন্ত্রীরা সাধারণত জনগণের বাহবা পাওয়ার জন্য করে থাকেন। দীর্ঘদিনের বৈরী চীনের ব্যাপারেও তেমন কিছু বলেননি। সার্ককে শক্তিশালী করার কথা বলেছেন। পাকিস্তানকে বলেছেন, আমরা একসঙ্গেই স্বাধীনতা পেয়েছি ১৯৪৭ সালে। আসুন একত্রে গণমানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করি। ভারতের জনগণকে বলেছেন, এখনো বড় সংখ্যক মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরোয়, নূ্যনতম 'টয়লেট' সুবিধা থেকে বিশাল জনগোষ্ঠী বঞ্চিত, এসব লজ্জা রাখি কোথায়?

সমাদৃত হয়েছে সত্যিকারের নেতৃত্বসুলভ বক্তব্য। গুজরাটের ১৩ বছরের সফল মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়নের স্বাদ সাধারণ মানুষের দ্বারে এবার জাতীয়ভাবে পৌঁছে দেবেন এ আশা সম্প্রসারিত হয়েছে সবক্ষেত্রে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা যে ক্ষয়িষ্ণু হয়ে উঠতে পারে, সে লক্ষণও ভিন্ন নামে অনুভূত হচ্ছে। বিরোধীরা বলছে, 'স্বপ্নের ফেরিওয়ালা কথার ফুলঝুরি দিয়ে কতদিন চলতে পারবেন?'

মোদি সরকারের ইতি ও নেতিবাচক উভয় দিকেই স্বাক্ষর রেখেছে প্রথম তিন মাসে যদিও বলা কঠিন কোনোদিকে পাল্লা ভারী। এটা অনেকটাই সত্য, নতুন সরকার সাবেক কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইউপিএ সরকারের গত দুই-তিন বছরের দুর্নীতি, শাসনের ব্যর্থতা এবং রাজনৈতিক হতাশার পটভূমিকার উৎসাহের সংকেত দেখাতে বেশ কিছুটা সক্ষম হয়েছেন। মূলত সেই ব্যর্থতার কারণে কেন্দ্রের রাজনীতিতে প্রায় অপরিচিত এবং বিশাল দেশের সরকারে অনভিজ্ঞ একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জনগণ গত নির্বাচনে বড় ম্যান্ডেট দিয়েছে। গুজরাটে তার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতার গুরুতর অভিযোগ থাকলেও রাজ্যে উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যই প্রধানত এ বিশাল গণরায় দেওয়া হয়। এটা অস্বীকার করা যাবে না যে, বহুলাংশেই মোদি এককভাবে এ জয় রচনা করেছেন। সে কারণে প্রত্যাশা যেমন সৃষ্টি হয়েছে সেই প্রত্যাশা পূরণে দক্ষিণ এশিয়ার গণতন্ত্রে জনগণ বেশি দিন অপেক্ষা করতে রাজি নয়। সে কারণে নতুন সরকার বিচরণ করছে অস্থিরতার মাঝে। কেননা, কোনো ক্ষেত্রেই সুষ্ঠু তেমন কিছু এখনো প্রদর্শন করা সম্ভব হয়নি, যদিও সময়টি মাত্র তিন মাস। অনেক সরকার এরই মাঝে আশার সঞ্চারণ ঘটাতে সক্ষম হয়, যা মোদির পক্ষে সেভাবে সম্ভব হয়নি। অবশ্য নতুন সরকারের ওপর আস্থা রয়েছে বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে যদিও সেটা কমছে বৈ বাড়ছে না।

ভালো দিকগুলোর মধ্যে আছে নতুন সরকার ক্ষমতা নিয়েই বিদেশ থেকে বিশাল অঙ্কের ভারতীয় কালো টাকা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছে। সরকারের মন্ত্রী, এমপি, বড় কর্মকর্তাদের মধ্যে ভয় ঢুকেছে যে দুর্নীতি কিংবা অনিয়ম করলে এর শাস্তির সম্ভাবনা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। মোদি ব্যক্তিগতভাবে এসবের ঊর্ধ্বে থাকার মানুষ বলেই মনে করা হয়ে থাকে এবং সেটা সরকারের জন্য সুবিধাজনক। সরকারের কর্মকাণ্ডে শিথিলতা কমেছে, গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। কোনো মন্ত্রী এবং কর্মকর্তাই নিয়মের ঊর্ধ্বে নন, এমনি একটি প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলাবোধ প্রশাসনে পরিলক্ষিত হচ্ছে। যারা বেশ সকালে অফিসে হাজির হতে অভ্যস্ত নন, তারা এখন তড়িঘড়ি করে হলেও সময়মতো হাজিরা দিচ্ছেন। মোদি আরও একটি ব্যাপারে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছেন যে, কোনো মন্ত্রী বা অন্য কেউ তার বিশেষভাবে ঘনিষ্ঠ নন, যদিও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন। এটা আমাদের মতো দেশগুলোতে বেশ প্রয়োজনীয়। সাবেক সরকারের সময়ে এ প্রবণতা যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছিল।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সরকার বিদেশি নিয়োগ উৎসাহ করতে বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে এবং নেবেই। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের ধারায় পরিকল্পনা কমিশন দীর্ঘদিন থেকেই ভারতে বিরাজ করে আসছে। সেটা পরিবর্তন হচ্ছে এবং সরকার মনে করছে এসব প্রতিষ্ঠান সময়োপযোগী করা বাঞ্ছনীয়। অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলি মনে করছেন তার ভাষায়, স্থবির অর্থনীতি আবার চাঙ্গা হওয়ার সংকেত স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

উল্লেখ্য, সাবেক সরকারের সময়ের শুরুতে প্রবৃদ্ধি ভালো হলেও শেষ কয়েক বছরে সেটা বেশ কমে যায়। কংগ্রেস সরকারে অব্যবস্থাপনা এবং সীমাহীন দুর্নীতি যে হ্রাস পাবে সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন দিল্লি বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয়টি বর্তমান সরকার বজায় রেখেছে। অরুন জেটলি যিনি প্রতিরক্ষার দায়িত্বেও আছেন, বলছেন এই ক্ষেত্রে কোনো শৈথিল্য হবে না।

এসব ইতিবাচক সংকেতের পাশাপাশি অন্য চিত্রও আছে। মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরপরই নৃপেন মিশ্রকে তার মুখ্য সচিব করার জন্য অর্ডিন্যান্স জারি করে পরে সেটা আইনে রূপান্তরিত করেন। আইনে মিশ্রের নিয়োগ জটিলতা ছিল। এটা হয়তো প্রধানমন্ত্রী এভাবে ত্বরিত গতিতে না করলেও পারতেন। তার মন্ত্রিসভায় ১৩ জন বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য আছেন, যারা ফৌজদারি মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত। হয়তো তাদের সাজা হয়নি- কিন্তু অভিযোগ আছে, অতি সম্প্রতি সুপ্রিমকোর্ট বলেছেন, তাদের মন্ত্রিসভায় রাখা ঠিক হবে না।

সুপ্রিমকোর্ট এসব মন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো সময় বেঁধে দেননি। তবে আশা করছে যে, প্রধানমন্ত্রীই দেশ ও জনগণের স্বার্থে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন শীঘ্রই। এটা মোদি সরকারের 'ইমেজের' প্রতি চপেটাঘাত। কয়েক দিন আগে বিহার ও কর্ণাটকসহ কয়েকটি রাজ্যের উপ-নির্বাচনে মোদির দল ভালো করেনি। পক্ষান্তরে ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলো এমনকি কংগ্রেস তুলনামূলকভাবে ভালো করেছে। এতে মনে হচ্ছে 'মোদি ঝড়' তিন-চার মাস আগের তীব্রতা হারাচ্ছে। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ হোসেন স্বয়ং বলেছেন যে, এটা শুভ সংকেত নয়। তিনি বিহারের মানুষ। সেখানে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বেশ ভালো করলেও রাজ্য বিধান সভার উপ-নির্বাচনে সেই সফলতা দেখাতে ব্যর্থ।

সাম্প্রদায়িকতার ক্ষেত্রে মোদি এই প্রশ্নে তাদের 'ইমেজ' বিঘি্নত, সেই অমিত শাহদেরই প্রাধান্য দিচ্ছেন এবং তিনিই হলেন দলের নতুন প্রধান। লোকসভার ভোটে বিশাল রাজ্য উত্তর প্রদেশে বিজেপির বড় জয়ের নায়ক হলেন অমিত শাহ। কিন্তু দল ক্ষমতায় আসার পর উত্তর প্রদেশের শাহারনপুরসহ অনেক স্থানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সংঘটিত হয়েছে। যদিও উত্তর প্রদেশের রাজ্য সরকার হলো ধর্মনিরপেক্ষ সমাজবাদী দল। অভিযোগ উঠেছে যে কেন্দ্রীয় সরকার এ বিষয়ে নির্লিপ্ততা প্রদর্শন করেছে। মোদি ও তার ঘনিষ্ঠরা দলের প্রবীণ নেতা এল কে আদভানি ও ডা. মুরলি মনোহর যোশিদের কোণঠাসা করে রেখেছেন এবং ধারণার সৃষ্টি হচ্ছে যে, মোদি নিজে সংগঠন ও সরকারে একচ্ছত্র কণ্ঠস্বর হতে চাচ্ছেন।

পররাষ্ট্র ক্ষেত্রে মোদি ব্রাজিলে BRICS সম্মেলনে নতুন ব্যাংক গঠন করার ব্যাপারে ভূমিকা নিতে সমাদৃত হয়েছেন। তবে এই উদ্যোগ নিয়ে বিভ্রান্তিও বিদ্যমান। প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের সঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে সভা স্থগিত করেছেন এই বলে যে, পাকিস্তানের হাইকমিশনার নতুন দিল্লিতে কাশ্মীরের 'হুরিয়াত' নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন। এতে এমনি একটি ধারণার সৃষ্টি হয়েছে যে, পাকিস্তানের সরকারের বর্তমান রাজনৈতিক সমস্যার তিনি সুযোগ নিচ্ছেন। বিরোধী কংগ্রেস দল পর্যন্ত বলেছে যে, এটা নতুন সরকার সস্তা বাহ্বা নেওয়ার জন্য করেছেন। অথচ মোদিই সব সার্ক দেশের নেতৃবৃন্দকে তার শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ফিলিস্তিনি ইস্যুতে ভারতের দীর্ঘদিনের লালিত নীতিও এবার যেন ধাক্কা খেয়েছে। শুরুতে অনীহা দেখানোর পর পরবর্তীতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেছেন যে, তারা ফিলিস্তিনিদের পক্ষেই আছেন। ইসরায়েলের সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা থাকলেও আগের সরকারগুলো বৃহত্তরভাবে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি এরই মাঝে ভুটান ও নেপাল সফর করেছেন। সুষমা স্বরাজকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছিলেন। ঢাকা নতুন দিল্লি সম্পর্কের স্বার্থে বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ থেকে কয়েকটি অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে নতুন সরকার প্রতিশ্রুতি দিলেও সেটা কতদূর বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে সংশয় আছে। চীনের সঙ্গে ঢাকার ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা ভারত এখন কীভাবে দেখছে সেটা নিয়েও ভারতের পত্রপত্রিকায় মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। চীনের সঙ্গে সম্প্রতি লাদাখ অঞ্চলে কিছুটা উত্তেজনা প্রত্যক্ষ করা যায় যখন চীনা সৈন্যরা ভারতের অভ্যন্তরে বেশ ঢুকে পড়েছিল বলে সংবাদে প্রকাশ পায়।

অভ্যন্তরীণভাবে মোদি সরকার স্বীয় রাজনৈতিক দর্শনকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে অনেক কিছু পাল্টে দিচ্ছে। হিন্দু মহাসভা কিংবা এমনি আদর্শের ব্যক্তিদের প্রাধান্য দিতে গিয়ে অনেক কংগ্রেসি, বামপন্থি ও অন্যদের খাটো করার প্রয়াস পাচ্ছে। এটা আকাঙ্ক্ষিত নয়।

গত লোকসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার জন্য আমি আগ্রাসহ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছিলাম। আগ্রায় 'তাজমহলের' কাছে একটি বড় স্লোগান ছিল- 'খতম কর ভ্রষ্টাচার- কায়েম কর মোদি সরকার।' একজন বৃদ্ধ সেদিকে তাকিয়ে বলেছিল- 'মোদি জরুর জিতেগা-মগর আচ্ছা দিন আয়েগা কিয়া?' মোদির সেই প্রতিশ্রুতি 'আচ্ছা দিন' অর্থাৎ সুন্দর সময়ের অপেক্ষায় ভারতবাসী। তবে বাস্তবে সত্যিকারের জনকল্যাণ দেখাতে না পারলে তারা অধৈর্য হয়ে উঠবে।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ের বিশ্লেষক।

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়