শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

আমেরিকা, আইসিস আর আলকায়দা

তসলিমা নাসরিন
অনলাইন ভার্সন
আমেরিকা, আইসিস আর আলকায়দা

১.
আমেরিকা বলেছে আইসিসের চেয়েও ভয়ংকর  সন্ত্রাসী আছে পৃথিবীতে, ওদের নাম খোরাসান। ওসামা বিন লাদেনের ৩৩ বছর বয়সী ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা মুহসিন আল ফাদলি খোরাসানের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এই মুহসিন আমেরিকার টুইন টাওয়ার আক্রমণের নীল নকশা আগে থেকেই জানতো। সিরিয়ায় যাওয়ার আগে মুহসিন ছিল ইরানে। ইরানের ছোটখাটো আল-কায়দা দলটিকে চালাতো। মুহসিনকে জ্যান্ত ধরতে পারলে সাত মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। ইরান থেকে তার দলের লোকেরা পাকিস্তানে আর সিরিয়ায় পালিয়ে গেছে। সিরিয়ায় আল-কায়দার নুসরা ফ্রন্ট থেকে বেরিয়ে আসা দলটিই খোরাসান।  
এই খোরাসানগুলোর টার্গেট শুরু থেকেই ইওরোপ আর আমেরিকা। আইসিসের চেয়েও বর্বর যে কেউ থাকতে পারে পৃথিবীতে, তা আমার দুঃস্বপ্নের মধ্যেও ছিল না। খোরাসানদের নিশ্চয়ই পারমাণবিক বোমা নেই, নৌবাহিনী নেই, বিমান বাহিনী নেই, আধুনিক সব অস্ত্রশস্ত্র নেই, তবে কী কারণে তারা আইসিসের চেয়েও ভয়ংকর? সম্ভবত এই জন্যই ভয়ংকর যে আইসিস মধ্যপ্রাচ্যে সন্ত্রাস করেই স্বস্তিতে থাকবে কিন্তু খোরাসান নকশা আঁকছে কী করে ইওরোপ আর আমেরিকার মাটিতে সন্ত্রাস করা যায়।
ইওরোপ আর আমেরিকা এখনও পৃথিবীতে একটুখানি জায়গা- যেখানে বর্বরগুলোর সন্ত্রাস থেকে বাঁচার জন্য আশ্রয় নেওয়া যায়। এই নিরাপদ ভূমিটুকুকেও যদি সন্ত্রাসীরা ধ্বংস করে ফেলে, তবে সততা আর সাহস যাদের সম্বল, যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমাজটাকে সভ্য বানাবার চেষ্টা করছি, বিপদে আপদে তাদের আর কোনও জায়গা থাকবে না যাওয়ার। নিরাপত্তার সম্ভবত ছুট্টি হয়ে যাচ্ছে।
২.
না, একেবারে আশার কোনও আলো নেই চারদিকে, এমন বলবো না। কিছু আরব দেশকে সঙ্গে নিয়ে আমেরিকা এখন আইসিস আর আল-কায়দার সন্ত্রাস বন্ধ  করার  দল বানিয়েছে। এর মধ্যেই সিরিয়ার আলকায়দার ঘাঁটিগুলোয় বোমা  ফেলতে শুরু করেছে।  এই দুই ভয়ংকর সন্ত্রাসী দলকে অকেজো করতে না পারলে এরা  আমাদের পৃথিবীকে নিশ্চিতই একটা  হত্যা আর হিংসার পৃথিবী বানিয়ে ফেলবে।
অনেকের মতো আমিও ইরাকে আর আফগানিস্তানে আমেরিকার বোমা ফেলা  সমর্থন করিনি।  ইরাকের এই ছিন্নভিন্ন অবস্থার জন্য আমি আমেরিকাকে দায়ী করি। আমেরিকার বিদেশ নীতিতে প্রচুর ভুল। এই নীতির শিকার অনেক দেশ, অনেক মানুষ। আমেরিকার বিদেশ নীতির প্রতিবাদ সবসময়ই আমি করি।  কিন্তু আইসিস আর আল-কায়দার বিরুদ্ধে আমেরিকার আক্রমণকে  আমি একশ ভাগ সমর্থন জানাচ্ছি।  
অনেকে বলে আমেরিকা ইরাকের যে সর্বনাশ করেছে,   মধ্যপ্রাচ্য সমস্যায় তাদের একেবারেই নাক  গলানো উচিত নয়,  আরব  দেশগুলোই করবে যা করার, আরব দেশের সমস্যা আরব দেশই সমাধান করবে, আইসিস আর আল-কায়দার বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরব দেশই করবে।  শুনতে চমৎকার। কিন্তু আইসিস আর আল-কায়দা শুধু আরব দেশের সমস্যা নয়, ওরা সারা পৃথিবীর সমস্যা। ওরা সারা পৃথিবীকে নিজেদের সাম্রাজ্য বানাতে চায়, সারা পৃথিবীর প্রতিপক্ষদের নিশ্চিহ্ন করতে চায়। ওদের দুষ্ট দূষিত আইডিওলজি দ্বারা মুসলিম যুব-সমাজের মগজধোলাই হচ্ছে প্রতিদিন। ওরা সারা পৃথিবীর জন্য খুব বড় এক হুমকি। আরব দেশকে দায়িত্ব দেওয়া হলে তারা কিছুই করবে না এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। আরব দেশের মৌলবাদীরাই আইসিস আর আল-কায়দাকে টাকা-পয়সা আর  সঙ্গী-সমর্থন দিয়ে  বাঁচিয়ে রাখছে। অনেকে এও বলে, আমেরিকা ইরাকে আর আফগানিস্তানে বোমা ফেলেছিল বলে ব্যাকল্যাশ হয়েছে, সারা পৃথিবীতেই  মুসলমানরা দলে দলে মৌলবাদী হয়েছে আর জঙ্গি হয়েছে, সুতরাং আইসিসকে খতম করার জন্য ফের যদি বোমা ফেলে আমেরিকা, তবে ফের  পৃথিবী জুড়ে আইসিসপন্থীদের সংখ্যা বাড়বে।
আমি এই যুক্তি মানি না। যদি আইসিস  গলা কাটতেই থাকে মানুষের, যেভাবে কাটছে; ইউটিউবের মাধ্যমে যদি মুণ্ডু কাটার কীর্তিকলাপ দেখাতেই থাকে, যেভাবে দেখাচ্ছে; সারা পৃথিবী থেকে মানুষ যদি যোগ দিতে থাকে আইসিসে,  যেভাবে দিচ্ছে, তাহলেই যথেষ্ট। তাহলেই আইসিসপন্থীদের জন্ম রোধ করার শক্তি কারও থাকবে না। দিকে দিকে তো আইসিসপন্থী গজাচ্ছিলই, আমেরিকার মাথায় আইসিস ধ্বংসের চিন্তা আসার অনেক আগে থেকেই। যতদিন ধর্ম আছে, ততদিন কিছু মানুষ একে ব্যবহার করবেই নিজেদের ব্যবসায়িক এবং  রাজনৈতিক স্বার্থে।  আমেরিকা নাক গলাক বা না গলাক। বোমা ফেলুক বা  না ফেলুক।
৩.
আল-কায়দার নুসরা ফ্রন্টের বাংলা-শাখা  থেকে একজন আমাকে টুইট করেছিল কিছুদিন আগে, যেহেতু আমি লিখেছিলাম আইসিসদের মেরে ফেলা হলে আমি আপত্তি করবো না। কয়েকটি কাটা মুণ্ডুর ছবি পাঠিয়ে আমাকে বলেছিল, ‘অপেক্ষা করো যদ্দিন না তোমার মুণ্ডু কাটা হচ্ছে’। ওই টুইট দেখে আমি সত্যিই ভয় পেয়ে গেছিলাম। ওরা না করতে পারে, হেন জিনিস দুনিয়ায় নেই। আমি তখনও জানি না যে এই নুসরা ফ্রন্ট বড় ভয়ংকর, এদেরই আন্তর্জাতিক শাখাটির নাম খোরাসান, যে শাখাটিকে আমেরিকা মনে করছে আইসিসের চেয়ে বীভৎস।
মুণ্ডু কাটার ছবি অনেকের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়। আমি কিন্তু দেখেছি বেশ কিছু। দেখেছি কী করে ওরা মানুষের গলায় ছুরি বসাচ্ছে। দেখেছি কী করে সারি বেঁধে মানুষকে হাঁটু গেড়ে বসিয়েছে,  আর মাথায় গুলি করেছে। গলায় হাত বুলোতে বুলোতে আমি প্রায়ই বলি, তার চেয়ে মাথায় গুলি করো,  ঢের ভালো। জবাই হওয়াটা কিছুতেই চাই না। আমি অনুভব করি যাদের জবাই করা হয়েছে তাদের কী রকম লেগেছিল যখন জবাই হচ্ছিল।
৪.
আইসিস আর আল-কায়দার মধ্যে পার্থক্য হলো, আইসিসের মতো আল-কায়দা মুণ্ডু কাটার ভিডিও ইউটিউব বা টুইটারের মাধ্যমে সারা বিশ্বকে দেখায়  না। যে আমেরিকা গণতন্ত্র আর মানবাধিকারের কথা বলে বেড়াচ্ছে, সেই আমেরিকা কী করে সৌদি আরবকে বন্ধু বলে মানতে পারে, যে সৌদি আরবে গণতন্ত্র আর মানবাধিকারের চিহ্ন বলতে কিছু নেই? আর,  সৌদি আরবই যদি আইসিসকে ফাণ্ড দিচ্ছে, তবে আইসিস নিধনে আমেরিকাকে সৌদি আরব কেন সহযোগিতা করছে?  জানি অনেক হিসেব মিলবে না। রাজনীতির হিসেব অনেক সময় আমাদের মতো নিরীহ সুবুদ্ধির মানুষ মেলাতে পারে না। আমাদের মতো নিরীহ সুবুদ্ধির মানুষ আপাতত যেটা চাইছি সেটা হলো সন্ত্রাসমুক্ত পৃথিবী।  আমেরিকা সন্ত্রাসের রাজা!  তা মানি, ভুল কাজ অনেক করে আমেরিকা, মাঝে মাঝে কিন্তু সঠিক কাজও করে। সন্ত্রাস করে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধও করে। আমেরিকা এ পর্যন্ত পৃথিবীর কোনও বড় সন্ত্রাসী গোষ্ঠিকে নির্বংশ  করতে পারেনি, ঠিক। কিন্তু চেষ্টা তো করেছে।  তাদের এই আইসিস আল-কায়দা নিধনের চেষ্টায় আমি তাই অভিনন্দন জানাই।      লেখক : নির্বাসিত লেখিকা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়