শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১৫

৫ জানুয়ারি কে জিতল কে হারল

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
৫ জানুয়ারি কে জিতল কে হারল

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের গেটে লীগ সরকার একবার তালা লাগাচ্ছে আবার খুলছে। লীগ সরকার বললাম এ কারণে যে, সরকারের সিদ্ধান্ত ছাড়া পুলিশ এমন কাজ নিশ্চয়ই করছে না। আমাদের সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদে বলা আছে, 'জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা... করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।' বেগম খালেদা জিয়ার এই সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করেছে সরকার। ৫ জানুয়ারির পর একবার নয়, একাধিকবার এই বেআইনি ও অরুচিকর কাজটি হয়েছে। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বরও বেগম জিয়াকে একই কায়দায় তার বাসভবনের গেটে তালা লাগিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। সেদিন তিনি ঢাকায় 'মার্চ ফর ডেমোক্রেসি'র ডাক দিয়েছিলেন। কোনো প্রকার সভা-সমাবেশে যাতে তিনি যোগদান করতে না পারেন সে জন্যই সরকার ওই অন্যায় ব্যবস্থাটি নিয়েছিল। সেদিনের 'মার্চ ফর ডেমোক্রেসি'র ঢাকা সমাবেশ সফল করতে পারেনি বিএনপি এবং তার মিত্ররা। জোটে দলের সংখ্যা অনেক, তখন ছিল ১৮ এখন ২০। কোনো দেশে স্বৈরতন্ত্র বা একনায়কতন্ত্রবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে এ ধরনের বড় ছোট দল নিয়ে বৃহৎ জোট গঠনের একটা রাজনৈতিক মূল্য অবশ্যই আছে। বৃহত্তর ও মহত্তর কোনো সংগ্রামে অনেক ব্যক্তিবিশেষও কখনো কখনো অনেক বড় ভূমিকা বা অবদান রাখতে পারেন। ২০ দলীয় জোটের মধ্যে মাঠের লড়াইয়ে বিএনপি ছাড়া জামায়াতে ইসলামীই কিছু করতে সক্ষম হলেও ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তারাও কোনো ভূমিকা রাখেনি। এবার ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারির কর্মসূচিতেও সাংগঠনিক শক্তির তুলনায় জামায়াতিদের ভূমিকা একেবারেই নগণ্য।

৫ জানুয়ারি এখন শুধু বাংলাদেশেই আলোচিত ঘটনা নয়। গণতান্ত্রিক বিশ্বে ৫ জানুয়ারি উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে দিয়েছে। লীগ সরকারের এবারের ভূমিকা আরও ন্যক্কারজনক। বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান অফিসেই শুধু নয়, তাদের নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও তালা ঝুলিয়ে দিয়ে শত শত পুলিশের পাহারা বসানো হয়েছে। প্রস্তুত ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, জলকামান ইত্যাদি। বেগম জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের সামনে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সশস্ত্র সদস্যের সাজ সাজ 'রণপ্রস্তুতি' দেখে মনে হয়েছে এই বুঝি যুদ্ধ শুরু হলো! এবার আর দুই ট্রাক নয়, গোনে গোনে তেরো ট্রাক। শুধু বালুর ওপরও ভরসা রাখতে পারেনি অবরোধকারী সরকারি বাহিনী, কয়েক ট্রাক ইটও এনে রেখেছিল। সঙ্গে জলকামানসহ অন্যান্য প্রস্তুতি তো ছিলই। কিন্তু কেন? বেগম খালেদা জিয়া তো 'কাগুজে বাঘ' বা সরকারি দলের কারও কারও ভাষায় 'মিডিয়া টাইগার'। তো এই কাগুজে বাঘ বা মিডিয়া টাইগার একজন বেগম জিয়াকে মোকাবিলার জন্য এমন যুদ্ধ প্রস্তুতি কেন? নয়াপল্টনে বিএনপি অফিসের সামনে দিয়ে কাকপক্ষি উড়ে যেতেও সরকারি বাহিনী রাইফেলের ট্রিগারে আঙ্গুল দিয়েছে। এত ভয়! বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান অফিসের সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কী সভ্যতা বর্জিত কাজ করেছে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সুবাদে দেশ-বিদেশের মানুষ তা সরাসরি প্রত্যক্ষ করেছে। যা ঘটেছে তা লজ্জার, নিন্দার। বেগম খালেদা জিয়াকে বেরই হতে দেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, বেরুতে না পেরে ভিতরে গাড়ির পা-দানিতে দাঁড়িয়ে তিনি যখন সাংবাদিকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছিলেন, তার ওপর মানবদেহের জন্য মারাত্দক ক্ষতিকর পিপার স্প্রে নিক্ষেপ করা হয়। অসহ্য জ্বালায় বারবার কাশিতে তার বাক রুদ্ধ হয়ে আসছিল, ছটফট করছিলেন তিনি এবং এক সময় অসুস্থও হয়ে পড়েন। শোনা যাচ্ছে, এখনো সেই ধকল সইছেন তিনি।

ভারতের বহুল প্রচারিত আনন্দবাজার পত্রিকা তাদের সম্পাদকীয় মন্তব্যে বলেছে, 'কার্যত জরুরি অবস্থা কায়েম করেছেন হাসিনা।' তাতে বলা হয়, 'বাংলাদেশ অবশ্যই দরিদ্র দুনিয়ায় গণতন্ত্র অনুশীলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। কিন্তু সে কারণেই সে দেশে গণতন্ত্র যেভাবে খণ্ডিত হচ্ছে তাতে উদ্বেগের বড় কারণ আছে। এক বছর আগের নির্বাচন বিরোধীরা বয়কট করলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাতে বিজয়ী হয়। বিরোধী বিএনপি ওই নির্বাচনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সারা দেশে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিলে তা বানচাল করতে হাসিনা ওয়াজেদের সরকার গোটা দেশে কার্যত জরুরি অবস্থার অনুরূপ নিরাপত্তার কড়াকড়ি আরোপ করে, বিরোধী দলনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তারই নিরাপত্তার নামে কার্যত অন্তরীণ করা হয়। প্রতিবাদী আন্দোলন উত্তাল হইয়া উঠিয়াছে।... বিএনপি নেতৃত্ব যদি তাহার বয়কট করা নির্বাচনকে অবৈধ আখ্যা দিয়া প্রতিবাদ জানাইতে চায় এবং নতুন করিয়া নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের তত্ত্বাবধানে নির্বাচনের নামে আন্দোলনে নামে, তবে তাহা নিষিদ্ধ করা ও নেতাদের গ্রেফতার করা কেমন গণতন্ত্র?'

এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী ম্যাগাজিন 'দ্য ইকোনমিস্টে' 'ড্রামা কুইন্স' শিরোনামে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'ফের বাংলাদেশে দুই বেগমের লড়াই শুরু হয়েছে। এর মূল্য দিতে হচ্ছে দেশকে। দেশে রাজনীতির গতিপথ দেখে মনে হচ্ছে, এ বছরটি এমনই চলবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি আগামী নির্বাচনের আগে বিএনপিকে ধ্বংস করে দিতে চান। বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এতে দেশের নিরপেক্ষ ভোটারদের সহানুভূতি বাড়ছে তার প্রতি। বাংলাদেশে এ অবস্থার দৃশ্যত কোনো সমাধান নেই। ৫ জানুয়ারি ফের ঢাকার রাজপথে দেখা মিলেছে বালুভর্তি বর্ণিল ট্রাক। এ দিনটি ছিল মারাত্দক ত্রুটিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচনের প্রথম বছর।... আওয়ামী লীগ অর্থনৈতিক যে দক্ষতার দাবি করে তা অপ্রাসঙ্গিক হতে শুরু করেছে। খালেদা জিয়ার মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া ও তাকে খেয়ালখুশি মতো অবমাননার কারণে নিরপেক্ষ ভোটাররা তার দিকেই ঝুঁকছেন।'

বাইরে এমন অনুকূল জনমত গড়ে ওঠার মধ্যে আমেরিকার ছয় কংগ্রেসম্যানের ফলস স্টেটমেন্ট ও খালেদা জিয়া-অমিত শাহ্ টেলিফোন আলাপের কাহিনী প্রচার বিএনপির জন্য কী খুব জরুরি ছিল? বেগম জিয়ার বোঝা উচিত যারা এসব করেছে, তারা সেবোটেজিয়ার। এদের ব্যাপারে তার ভাবা উচিত।

লীগ সরকার, শাসক লীগ এবং তাদের ধামাধরা বিটিম, সিটিম ইনুপন্থি জাসদ ও মেননপন্থি ওয়ার্কার্স পার্টির সঙ্গে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটসহ অন্য সব সরকারবিরোধী দলসমূহের বিরোধ বেঁধেছে ৫ জানুয়ারি 'গণতন্ত্রের বিজয় দিবস' এবং 'গণতন্ত্র হত্যা দিবস'-এর কর্মসূচি নিয়ে। ৫ জানুয়ারির লড়াইটা মূলত ছিল ক্ষমতার লড়াই। নবম সংসদে দানবীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে বদলে দিয়ে এবং নানা ছলচাতুরি ও প্রশাসনযন্ত্রকে ব্যবহার করে ক্ষমতার নাটাই লীগ সরকার নিজেদের হাতে রেখে দিয়েছে। সংবিধানের দোহাই দিয়ে তারা 'বজ্র কণ্ঠে' বলছে, তাদের সিংহাসন লাভ বা ক্ষমতারোহণ বৈধ। কিন্তু সর্বদল সমর্থিত একটি সাংবিধানিক পদ্ধতি একদলীয় সিদ্ধান্তে বদলে দেওয়ার অনৈতিকতার কথা তারা এবং তাদের পক্ষে পত্র-পত্রিকা এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় 'ঢোল পেটানো' 'দলদাসরা' নানাভাবে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনটি ছিল একটি একপক্ষীয়, পাতানো এবং ভোট ছাড়াই আসন ভাগাভাগির নির্বাচন। ৩০০ আসনের সংসদে ১৫৩ আসনে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে কোনো নির্বাচনই হয়নি। অথচ আমাদের সংবিধানের ৬৫(২) অনুচ্ছেদে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট বাধ্যবাধকতা আছে। তাই এ নির্বাচন ও সংসদ এবং তার ওপর দাঁড়িয়ে গঠিত সরকারের বৈধতার প্রশ্নটি তুলেছে বিএনপি ও অন্যরা। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার কথা বলছে সরকার পক্ষ। প্রতিপক্ষ বলছে, সংসদ গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে সংবিধানের নির্দেশ (৬৫(২)-একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিনশত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে (সংরক্ষিত মহিলা আসন) লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন) অমান্য করেছে সরকার। সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন করেছে। তাই এই নির্বাচন বৈধ হয়নি। বিষয়টি একেবারেই স্পষ্ট বলে মনে হয়। প্রাবন্ধিক ফরহাদ মযহার ব্যারিস্টার রফিক-উল হককে উদ্ধৃত করে গত ৯ জানুয়ারি প্রকাশিত এক লেখায় মন্তব্য করেছেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন, বর্তমান সংসদ ও সরকার প্রশ্নে বিএনপিসহ অন্য সরকারবিরোধী দলসমূহের অবস্থান যুক্তিযুক্ত। দশম সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, এই নির্বাচন নিয়ম রক্ষার নির্বাচন, এই নির্বাচন শেষেই দ্রুত একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে সংলাপ হবে; অর্থাৎ ব্যবস্থা হবে। এখন তিনি কথা ফিরিয়ে নিয়েছেন। বলছেন ২০১৯ সালের আগে কোনো নির্বাচন নয়। এমন কী কোনো আলোচনাও নয়।

আমার মনে হয়, বর্তমান সংঘাত-সংক্ষুব্ধ পরিস্থিতির উদ্ভব এখান থেকেই। এক বছর রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ শান্তই ছিল বলা চলে। লীগ সরকারের লোকজন উপহাস করে বলেছে, কিছু করার ক্ষমতা বিএনপির নেই। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেছেন, সমঝোতার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তারা সরকারকে এক বছর সময় দিয়েছেন। এ ব্যাপারে সত্যি যাই হোক, বর্তমান সত্য হচ্ছে, বেগম জিয়া লীগ সরকারকে আর সময় দিতে চান না, শেখ হাসিনা এবং তার সরকারও বেগম জিয়া, তার দল ও জোটকে দেখে নিতে চান। উভয় পক্ষের দেখে নেওয়ার রাজনীতি এর আগে আরেকবার হয়েছিল ১৯৯৪-৯৬ সালে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবিতে বেগম জিয়ার বিএনপি সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বে লীগ-জামায়াত-এরশাদের জাতীয় পার্টি। হেরেছিলেন বেগম জিয়া, হেরেছিল বিএনপি। '৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো একটা একপক্ষীয় নির্বাচন করে ১৫ দিনও সেই সংসদ টেকাতে পারেনি বিএনপি; তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাও মানতে বাধ্য হয়েছিল। ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, এবার জিতল কে? ৫ জানুয়ারি ছিল পারস্পরিক চ্যালেঞ্জ-পাল্টা চ্যালেঞ্জ। তবে এটা বলে নেওয়া দরকার যে, ৫ জানুয়ারি উভয় পক্ষের লক্ষ্য ছিল দুটি- এক. তাৎক্ষণিক (ইমিডিয়েট), দুই. চূড়ান্ত (আলটিমেট)। রাজনীতির এই চূড়ান্ত খেলার হার-জিৎ নিয়ে আগাম মন্তব্য না করাই এখন উত্তম। তবে ৫ জানুয়ারির জয়-পরাজয় নিয়ে মন্তব্য করাই যায়। এক কথায় বলতে গেলে, সেদিন শাসক লীগ ও লীগ সরকার পরাজিত হয়েছে। ঘটনা বিশ্লেষণ করলে এটাই স্পষ্ট হয় যে, বেগম খালেদা জিয়াকে সেদিন জনসভা করার অনুমতি দিলে তাতে তিনি যতটা লাভবান ও সরকার যতটা ক্ষতিগ্রস্ত হতো, অবরুদ্ধ করে বেগম জিয়াকে জনসভা করতে না দেওয়ায় তিনি বেশি লাভবান ও সরকার অধিকতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার সেদিন গৃহীত পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে সর্বত্র (দলীয় লোকজন ও বেনিফিশিয়ারিরা ছাড়া) তার অগণতান্ত্রিক চরিত্রই উন্মোচন করেছে। সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা বাংলাদেশের সংবিধানেই স্বীকৃত। ৩৭ অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করে বলা আছে, 'জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হইবার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।' বিএনপি চেয়ারপারসন নিজে এবং তাদের দলের অন্য দায়িত্বশীলরা বলেছেন তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করবেন। কিন্তু তাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সভা-সমাবেশ করার বিষয়টি কোনো কর্তৃপক্ষীয় করুণার বিষয় নয়, এটা ব্যক্তি বা সংগঠনের অধিকার। বিএনপিকে এই অধিকার ভোগ করতে বাধা দিয়ে সরকার অন্যায় করেছে বলেই প্রতিভাত হয়। দৃষ্টিকটু এবং নিন্দনীয় বিষয় ছিল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবড়ে বিএনপি ও তার মিত্ররা স্বাধীনভাবে রাজপথে নামতে পারেনি, সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছিল ডিএমপি; কিন্তু শাসক লীগের বিভিন্ন বাহিনী-সংগঠন ঠিকই রাস্তায় ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায়। এটাও সরকারের অগণতান্ত্রিক চরিত্রই স্পষ্ট করেছে। বিএনপি জনসভা করতে পারেনি, শাসক লীগও ডিএমপির নিষেধাজ্ঞার ঢাল ব্যবহার করে নিজেদের কর্মসূচি বাতিল করেছে। অর্থাৎ তারাও প্রধানমন্ত্রীর সভা করতে শঙ্কায় ছিল। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সভা করেনি বলা হলেও আসলে ওইদিন জনরোষের ভয়টাই সরকারি দলে বেশি কাজ করেছে বলে বলছেন অনেকে। সে জন্য সরকারি-বেসরকারি এত বাহিনী থাকা সত্ত্বেও জনসভার ঝুঁকি নেয়নি শাসক লীগ। ৫ জানুয়ারি ২০১৫ কিন্তু ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বরের মতো ছিল না। বিএনপির লোকজন মাঠে নামেনি, এ কথা এবার বলা যাচ্ছে না। জনসভা করতে পারেনি তারা কিন্তু রাস্তায় ছিল কম-বেশি। প্রচণ্ড প্রতিবন্ধকতার মুখে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে তাদের লোকজন। ঢাকার বাইরের জেলাসমূহ তো কাঁপিয়েছে বিএনপির লোকেরা। এখানে বলা দরকার, জামায়াত এই কর্মসূচিতেও খুব একটা মাঠে নামেনি। বিএনপি মোটামুটি একাই লীগ সরকারের নীতিনির্ধারকদের কপালে ভাঁজ ফেলে দিয়েছিল। ৫ জানুয়ারি বিএনপি বোধহয় এমন একটা আশাজাগানিয়া বার্তা জনগণকে দিতে পেরেছে যে, তারা পারে। সেদিন তারা প্রশংসিত হয়েছে আর দেশ-বিদেশে নিন্দা কুড়িয়েছে শাসক লীগ ও সরকার। তবে এবারও দলের সিনিয়র-জুনিয়র নেতাদের মাঠে দেখা যায়নি। হ্যাঁ, কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতা আছেন, আন্দোলন পরিচালনার জন্য, যাদের সাবধানে থাকা দরকার। কিন্তু সেই রকম নেতা কজন? বাকিরা কোথায়?

৫ জানুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট চ্যালেঞ্জ বাউটে নেমেছে বলেই মনে হয়। বেগম খালেদা জিয়া এখনো অবরুদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী ও নেতা বেগম জিয়া অবরুদ্ধ নন বলে যে ঘোষণা বার বার দিচ্ছেন তা যে সত্য নয় তা তো বোঝা যায় বার বার তার কার্যালয়ের গেটে তালা লাগানো থেকে। বেগম জিয়া চাইলে তার বাসায় যেতে পারেন, এতেও বোঝায় না যে, তিনি অবরুদ্ধ নন। তিনি তার দলের নয়াপল্টন অফিসে বা অন্য কোথাও যেতে পারছেন না বা পারবেন না কেন? 'কাগুজে বাঘ'র ভয়ে যে সরকার অনেকটাই ভীত হয়ে পড়েছে তা বোঝা যাচ্ছে সারা দেশে গ্রেফতার অভিযান থেকে। কঠোর অবস্থান ও নানা ব্যবস্থা গ্রহণের পরও বেগম জিয়া আহূত অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ভাঙতে পারছে না সরকার। মনে হচ্ছে, গণতন্ত্র ও দেশের সংবিধানের শর্ত পূরণে সরকারকে বাধ্য করে সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি অর্থবহ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অমীমাংসিত বিষয়ের চূড়ান্ত ফায়সালার লড়াই-ই শুরু করেছে ২০ দলীয় জোট। ইতিমধ্যে বিকল্পধারাসহ আরও কিছু সংগঠন ও ব্যক্তির সমর্থন থেকে মনে হয়, সরকারবিরোধী চলমান আন্দোলনের পক্ষে সমর্থন আরও বাড়বে এবং লীগ সরকার 'একঘরে' হয়ে পড়বে।

পরিস্থিতি বলছে, উদ্ভূত সংকট মোকাবিলায় সরকার দিন দিন তার সক্ষমতা হারাচ্ছে। জনমত ও জনগণ জেগে উঠলে কোনো অনুগত বাহিনী কাজে লাগে না। তারাও মত ও পথ বদলায়। সরকার এবং বিরোধী পক্ষের উচিত হবে, দেশকে দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষয়ী সংঘাতের দিকে ঠেলে না দিয়ে সংলাপের মধ্যমে একটা শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানো। সময় যত বেশি যাবে ক্ষত ও ক্ষতি তত বাড়বে।

এর পরও কথা আছে। সমাধান যদি হতে হয় সমঝোতা হবে কার সঙ্গে? বিএনপির সঙ্গে শাসক লীগের বা ২০ দলীয় জোটের সঙ্গে মহাজোট সরকারের? তা হলে তো একদল বা এক জোটের জায়গায় আরেক দল ও জোট প্রতিস্থাপিত হবে। তাতে দেশ ও জনগণের কী লাভ? বিষয়টা এখন থেকেই ভাবা দরকার এ কারণে যে, উভয় পক্ষকেই জনগণের দেখা আছে। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য বিএনপি নেত্রীকে তার দলের ও জোটের বাইরের দেশপ্রেমিক, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল অন্যান্য দল, সংগঠন, প্রতিষ্ঠান এমন কী ব্যক্তিবিশেষের সঙ্গেও আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত। যে কোনো সমঝোতা উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট রাখা উচিত প্রয়োজনীয় ও যোগ্য ব্যক্তিদের। লুটেরা, দুর্নীতিবাজ, দুর্বৃত্ত হিসেবে পরিচিত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা দলীয় বড় পদধারী হলেও তাদের বাদ দেওয়ার ব্যাপারে অঙ্গীকার থাকা দরকার। মানুষ শান্তি-নিরাপত্তা চায়, গণতন্ত্র ও সুশাসন চায়, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি চায়। এসবই মহৎ কাজ। অসৎ লোক দিয়ে কিন্তু মহৎ কাজ হয় না।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।

ই-মেইল : [email protected]

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়