শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৫

সংলাপ ডাকলে আপনি হারবেন না

মাহমুদুর রহমান মান্না
অনলাইন ভার্সন
সংলাপ ডাকলে আপনি হারবেন না

এক সপ্তাহ একদিন পার হলো বেগম জিয়ার ডাকা অবরোধের। ১২ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি বলেছেন, অবরোধের কারণে এক পোশাক খাতেই প্রতিদিন লোকশানের পরিমাণ সাড়ে চারশ' কোটি টাকা। একই দিন 'অবরোধে অর্থনীতি শেষ' এই শিরোনামে প্রথম পৃষ্ঠায় বাংলাদেশ প্রতিদিন লিখেছে, 'দেশে চলমান হরতাল-অবরোধের কারণে অর্থনীতির সব খাতে প্রতিদিন অন্তত ১৬০০-২০০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। এ হিসাবে গত সাত দিনের রাজনৈতিক সংঘাতে আর্থিক খাতেই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার কোটি। ব্যবসা-বাণিজ্যের আর্থিক খাতগুলোর বাইরেও শিক্ষাসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নানা পর্যায়ে ক্ষতির পরিমাণ বেশুমার। সব মিলিয়ে নতুন বছরের শুরুতেই চরম ঝুঁকিতে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। গত বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাতে বিশাল আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে না উঠতেই নতুন বছরের শুরুতে অবরোধে বড় ঝুঁকির সূত্রপাত ঘটেছে। নিঃসন্দেহে বলা যায়, এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিপর্যয় নেমে আসবে দেশের অর্থনীতিতে।

১২ তারিখ সন্ধ্যায় টকশো ফ্রন্টলাইনে প্রশ্নকর্তা দর্শকদের সবাই দেশের বর্তমান অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। জানতে চেয়েছেন কি হতে যাচ্ছে। হরতাল-অবরোধের কি অবসান হচ্ছে? প্রশ্নের জবাবে এ কথাও নিঃসন্দেহে বলা যায়, এ অবস্থার সহসা পরিবর্তন হবে বলে মনে হচ্ছে না। আওয়ামী লীগ এতদিন ধরে বিএনপির আন্দোলন করার যোগ্যতা নিয়ে বিদ্রূপ করত। বলত, আন্দোলন 'কাহাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি তাহা বিএনপি জানে না। আওয়ামী লীগের কাছে শিখতে হইবে।' কিন্তু এখন আর সে রকম বলে না। গাজীপুরের জনসভার ঘোষণা থেকে বিএনপির ব্যাপারে আওয়ামী লীগকে সিরিয়াসই দেখা যাচ্ছে। ঢাকায়ও তাদের জনসভা করার অনুমতি না দেওয়া, বেগম জিয়াকে ঘর থেকে বেরুতে না দেওয়া, তাকে একপ্রকার অফিসবন্দী করে রাখার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখায়নি সরকার। ফলে ধরে নেওয়া যেতে পারে বিএনপির জনসমর্থন আছে। তারা ডাকলে মানুষ তাদের সভায় আসে এটা সরকার জানে। এ জন্যই এ বাধা সর্বক্ষেত্রে।

সরকার হয়তো মনে করেছিল, গতবারের মতোই বেগম জিয়াকে আটকে রাখতে পারলে আর নেতাকর্মীদের দাবড়ালে গত বছরের মতোই আন্দোলন মরে যাবে। কিন্তু এবার তা হলো না। অবরোধ সফলভাবে পালিত হলো যা এখনো হচ্ছে এবং বিএনপি এমনকি ইজতেমাকে পর্যন্ত পাশ কাটিয়ে তাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখল। আওয়ামী লীগ নেতাদের ধারণা ছিল ইজতেমার কারণে খালেদা জিয়া আন্দোলন ধরে রাখতে পারবেন না। কিন্তু তাদের ধারণা মিথ্যা প্রমাণিত হলো। আট দিন পার হয়ে অবরোধ নবম দিনে পা দিল। আওয়ামী লীগ এ পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর জন্য তাদের সর্বাত্দক চেষ্টা চালাতে শুরু করল। তাদের নেতা-মন্ত্রীরা এমনভাবে কথা বলতে লাগলেন যেন খালেদা জিয়া একজন নাস্তিক আর আওয়ামী লীগ ইসলাম রক্ষা করার দল। কিন্তু এতেও কোনো কাজ হলো না। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে ধার্মিক সাজার চেষ্টা করলে মানুষ তাকে ময়ূরপুচ্ছধারী দাঁড়কাকই মনে করে। আওয়ামী লীগ তার ধর্মনিরপেক্ষতার পবিত্র পোশাকে ময়লা লাগিয়ে ফেলল।

এ কথাও এখন নিশ্চিতই বলা যায়, বিএনপি দ্বিতীয় দফা ইজতেমাতেও ছাড় দেবে না। আমি শুনেছি, দলটির নেতাদের কেউ কেউ ছাড় দেওয়ার পক্ষে ছিল। কিন্তু তৃণমূলের কর্মীরা মনে করেন, আন্দোলনে ঢিল দিলে সরকারের নির্যাতন এমন মাত্রায় বেড়ে যাবে যে তারা রক্ষা পাবেন না। অতএব কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে হবে। শুধু তাই নয়, ১২ তারিখে বাংলাদেশ প্রতিদিন লিখেছে, ১২ জানুয়ারি থেকে অবরোধ কর্মসূচি আরও কঠোর করার পরিকল্পনা ছিল বিএনপি জোটের। এদিকে অবরোধের পাশাপাশি সারা দেশে এবার শুরু হয়েছে হরতাল। এর মধ্যে সরকার দাবি না মানলে হরতালের পর আসবে টানা অসহযোগ।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে বিজিএমইএ প্রয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করবে বলে ভাবছে। তারা সংকট নিরসনে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন।

পরিস্থিতি সত্যি ভয়াবহ এবং তা দিনকে দিন মীমাংসার বাইরে চলে যাচ্ছে। ইজতেমাকেও ছাড় না দেওয়াতে বোঝা যায় বিএনপি এবার শেষ দেখতে চায়। যুক্তিতর্কের মধ্যে যাচ্ছি না। বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় থাকা দরকার। সরকার তুড়ি মেরে আর বিএনপিকে উড়িয়ে দিতে পারছে না। যদি পারত তাহলে ১০ দিন ধরে এই পরিস্থিতি চলতে পারত না। ১০ দিন পরে তা আরও গুরুতর রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিত না। কিন্তু পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝছে বলে মনে হয় না। যে কোনো একটি সংকটের সময় সরকার যেমন সবদিক বিশেষ করে দেশের স্বার্থের দিক বেশি বিবেচনায় রাখতে হয় সে রকম না করে একতরফাভাবে বিএনপির ওপর দায় চাপিয়ে কঠোরতার নীতি অবলম্বন করার চেষ্টা করছেন। আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা তোফায়েল আহমেদ বলছেন এদের নকশাল বাড়ির মতো দমন করা হবে। আর প্রধানমন্ত্রী ১২ জানুয়ারির জনসভায় বলেছেন আর সহ্য করা হবে না। এদের ঠেকাতে যা করার তাই করব।

কি অদ্ভুত না! বিএনপি কি নকশাল নাকি? তাদের নকশালি কায়দায় দমন করার মানে যে কত কঠিন তা নিশ্চয়ই কারও বুঝতে অসুবিধা হয় না। গত কয়েক দিন ধরেই দেখছি আওয়ামী লীগের নেতারা বিএনপিকে একটি জঙ্গিবাদী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রী তার জনসভার ভাষণে বলেছেন খালেদা জিয়া জঙ্গিদের রানী।

মানুষ অবশ্য এ ধরনের কথাবার্তা শুনতে চায় না। মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমন কিছু শুনতে চেয়েছিল যাতে তারা শান্তি পায়। দেশে যখন যা কিছুই ঘটে মানুষ তার জন্য সরকারের দিকেই চেয়ে থাকে। সে সরকার বৈধ কি অবৈধ নির্বাচিত কি অনির্বাচিত তাও ভেবে দেখে না। আমি নিজেও অন্তত এ মুহূর্তের পরিস্থিতিতে এ প্রশ্ন তুলতে চাইছি না। যে জনসভায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী এমন কড়া বক্তৃতা করলেন সেই জনসভাও কতটা গণতান্ত্রিক রীতিনীতিসম্পন্ন সেটা প্রশ্ন করা যায়। খুবই অবাক ব্যাপার প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জনসভার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এখন কি বিএনপিকে জনসভা করার অনুমতি দেওয়া হবে। পত্রিকায় যেভাবে খবর বেরিয়েছে তাতে মনে হচ্ছে জনসভা করার অনুমতি দিলে বিএনপি তাদের অবরোধ প্রত্যাহারও করতে পারে। যদি তা সত্যি হয় তবে আশা করব সরকার সেই পথে অগ্রসর হবে। অবশ্য জনসভার জন্য সেটাকে কোনো শর্ত হিসেবে আমি উল্লেখ করতে রাজি নই। বিএনপিকে অথবা যে কোনো দলকে জনসভা করতে না দেওয়ার তো কোনো কারণ নেই। যদি সত্যি সত্যি সরকার বিএনপিকে জনসভা করতে না দেয় সেটা একটি ইতিহাস হয়ে থাকবে। সেখানে লেখা থাকবে একটি জনসভার কারণে একটি দেশ অচল।

আবার আমি সরকারকে বলতে চাই জেদ ছেড়ে দিন। দেশের যে কোনো সংকট মোচনে ব্যর্থতার দায় শেষ পর্যন্ত সরকারের কাছেই আসে। সবাই চাইছে সরকার এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করুক। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী যদি উদ্যোগ নেন, তবে তার পরাজয় হবে না। বরং মানুষ তাকে সাধুবাদ জানাবে। বিগত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এবং পরের এই এক বছরে সরকার যত বিতর্কিত হয়েছে তার নিরসনের একটি বিরাট সুযোগ তৈরি হবে। একটি জাতীয় সংলাপ যদি শুরু হয় তবে রাজনীতির বর্তমান পথও পাল্টে যাবে। নতুন করে যাত্রা শুরু করা যাবে এবং তা সবাই মিলে।

লেখক : রাজনীতিক, আহ্বায়ক নাগরিক ঐক্য।

ই-মেইল : [email protected]

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়