শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৫

লাঠি মণির কুদরতে- মেলা মিলে ফুটপাতে!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
লাঠি মণির কুদরতে- মেলা মিলে ফুটপাতে!

আমার বালক পুত্রটি যখন তার মাকে প্রশ্নটি করল তখন আমি দন্ত মাজন করছিলাম। ছেলেটি আমার সবে পঞ্চম শ্রেণি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে উঠেছে। বাংলাদেশের এই বয়সী সাধারণ ছেলেমেয়েদের তুলনায় তার রাজনৈতিক সচেতনতা একটু বেশি। সময়-অসময়ে তার বাহারি প্রশ্নের ধরন দেখে বুঝতে পারি- দেশ-বিদেশের রাজনীতি নিয়ে সে যথেষ্ট চিন্তাভাবনা করে। তার নানা প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে আমি মাঝে-মধ্যে বিরক্ত ও বিব্রত হই। আর এ কারণেই সে ইদানীং আমাকে প্রশ্ন না করে তার মাকে করে। অন্যদিকে তার মা যে উত্তর দেয় তাতে আমার মনোবেদনা আরও বেড়ে যায়। কারণ সে সরাসরি জবাব না দিয়ে আকার-ইঙ্গিতে এমনভাবে বলে যে, তাতে অনেক কিছুই আমার গায়ে চলে আসে।

আমার সংসারে সাম্প্রতিককালে একটি ফোবিয়া শুরু হয়েছে, সব কিছুর সঙ্গে মণি শব্দ যোগ করে কথা বলা। ছেলেমেয়েদের নামের সঙ্গে মণি যোগ করার পাশাপাশি আমরা প্রায়ই টাকা মণি, মন্ত্রী মণি, ছ্যাচামণি, বিলাই মণি, হরতাল মণি, বুয়ামণি ইত্যাদি শব্দমালা ব্যবহার করি। ছেলে রিশাদ মণির প্রশ্ন শুনে আমার স্ত্রী মণি বললেন, লাঠি মণির কুদরতে-মেলা মিলে ফুটপাতে। ছেলের প্রশ্ন না শুনলেও স্ত্রীর উত্তর শুনে আমার কান খাড়া হয়ে গেল। গভীর মনোযোগ দিয়ে ভাবতে লাগলাম- আমাকে কিছু বলল না তো? রিশাদ আমার কাছে এলে জিজ্ঞাসা করলাম, বাবা! তোমার আম্মু ও কথা বললেন কেন? সে বলল, আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম বিএনপি এতদিন ধরে একটি সমাবেশ করার অনুমতি চাইল অথচ পুলিশ দিল না। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ মহাসমাবেশের অনুমতি চাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পেয়ে গেল! আমি পাল্টা প্রশ্ন করে জানতে চাইলাম, তোমার আম্মুর কথায় কি বুঝলে? বালক উত্তর করল, যাদের হাতে ক্ষমতা, তাদের ইচ্ছামতোই সব কিছু হয়।

আমি অনেক্ষণ ধরে নিজেকে নিজে বকা দিলাম এই বলে যে, একটি চিরায়ত সত্য ঘটনা নিয়ে আমি কেন নিজেকে ব্যস্ত রাখলাম। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই চলে আসছে জোর যার মুল্লুক তার। জোর করেই মানুষ অন্যের রাজ্য, ধনসম্পত্তি; সুন্দরী স্ত্রী, কন্যা বা বোনকে হরণ করেছে। পিরিতের ডালা সাজিয়ে কেউ কোনো দিন তার লোভ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা প্রতিহিংসা চরিতার্থ করেনি। মহাপুরুষদের কেউ কেউ অবশ্য সংঘাত-সংঘর্ষের পরিবর্তে প্রেম-ভালোবাসা ইত্যাদির মাধ্যমে জয়লাভের কথা বলেছেন। কিন্তু সেই সুন্দর কথাগুলো কেবল পাঠ্যপুস্তক এবং কবিতার বর্ণনাকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে- বাস্তব জীবন বা চলমান ইতিহাসকে নয়।

যেদিন থেকে রাজনীতি শুরু হয়েছিল সেদিন থেকেই মিথ্যাচার, অনাচার, দম্ভ, অহংকার প্রভৃতি মন্দ জিনিস নিজেদের অলঙ্কার বানিয়ে রাজপুরুষরা বা রাজমহিলারা নিজেদের জাহির করার চেষ্টা করে আসছে। ব্যতিক্রম অবশ্য আছে। কিন্তু তার সংখ্যা একেবারেই কম, আর তাই ব্যতিক্রমকে কখনো উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না। মানুষ সৃষ্টির শুরু থেকেই তলোয়ারকে বেছে নিয়েছে নিজেদের অর্জনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে। প্রতিপক্ষের লাশ, মাথার খুলি কিংবা রক্তই হয়েছে বিজয়ীর বিজয় উৎসবের প্রধান অলঙ্কার এবং উপকরণ। কাজেই মানব জাতির ধারাবাহিক দাঙ্গা-হাঙ্গামার ইতিহাসের তুলনায় বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষিত যে বেশি একটা মন্দ নয় তা আমার বালক মণি না বুঝলেও আমি বুঝি বেশ ভালোভাবে।

দেশের বর্তমান রাজনীতির প্রধান উপসর্গ হয়ে পড়েছে হত্যা, গুম, অগ্নিসংযোগ, মিথ্যাচার, বড়াই, অন্যের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এবং অহংকার করতে করতে নিজেকে দেবতার পর্যায়ে উন্নীত করা এবং প্রতিপক্ষকে জানোয়ারের পর্যায়ে নামিয়ে আনা। আর এসব মন-মানসিকতার জন্য আমাদের নেতা-নেত্রীদের মধ্যে কেউ কেউ শয়তানকেও ছাড়িয়ে গেছে। অনেকে আবার সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছে ফেরাউনকে পেছনে ফেলে দেওয়ার জন্য। কারণ ফেরাউন ছিলেন আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ। তিনি সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিলেন কূটকৌশল ও বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করার জন্য। তিনি একটি দিনের জন্যও হত্যা, সন্ত্রাস বা গুম-খুনের রাজনীতি করেননি। তার প্রতিপক্ষ হজরত মুসা (আ.) এবং ১০ লাখ বিদ্রোহী বনি ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে তিনি তলোয়ার উঁচু করে ফয়সালা করতে চাননি। তিনি হজরত মুসা (আ.)-এর সঙ্গে বার বার সংলাপে বসেছেন। তর্ক-বিতর্ক করেছেন। নিজের স্বার্থ রক্ষায় নানা কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন, হম্বিতম্বি করেছেন কিন্তু ধৈর্য হারাননি। তিনি হজরত মুসা (আ.) এবং তার ভাই হজরত হারুন (আ.) উভয়ের প্রতি সব সময় সম্মান রেখে কথা বলেছেন এবং দেখা-সাক্ষাতের সময় যথেষ্ট পরিমাণে সৌজন্যতা দেখিয়েছেন।

আল্লাহর হুকুমে হজরত মুসা (আ.) মিসর দেশে বসবাসরত ১০ লাখ অবহেলিত বনি ইসরায়েলির মুক্তি দাবি করে বসলেন। এসব বনি ইসরায়েলিরা শত শত বছর ধরে ক্রীতদাস হিসেবে মিসরীয় ভূমিপুত্র কিবতিদের সেবা করে আসছিলেন। সমাজ, সংসার, রাষ্ট্রের নিত্যদিনকার ছোটখাটো কাজ থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সব কাজের ভারই ছিল এসব দাস-দাসীর ওপর। সেই ১০ লাখ দাস-দাসীকে মুক্তি দিয়ে দেশত্যাগ করার অনুমতি দিলে পুরো মিসর দেশের দৈনন্দিন কর্মযজ্ঞে মারাত্দক ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে। দেশের নাগরিকরা বিদ্রোহ করে বসবে, এমনকি রাজপ্রাসাদ ও রাজদরবারের কর্মকাণ্ডও বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ পিয়ন-আর্দালি, ঝাড়ুদার, মুচি, নাপিত, মেথর, শ্রমিক, পাঁচক, গৃহকর্মী প্রভৃতি কাজ বনি ইসরায়েলিরাই করত। মুসা (আ.) যখন তাঁর ভাই হারুন (আ.)কে নিয়ে ফেরাউনের দরবারে উপস্থিত হয়ে তার দাবিনামা পেশ করলেন তখন রাজা জিজ্ঞাসা করলেন, এটা কী করে সম্ভব?

এখানে একটা কথা উল্লেখ না করলেই নয়, ফেরাউন কিন্তু আমাদের মতো সাধারণ পরিবারের সাধারণ মানুষ ছিলেন না। তার পরিবার এক হাজার বছর ধরে মিসর সাম্রাজ্য শাসন করে আসছিল। সাম্রাজ্যের আয়তন ছিল বর্তমানের বাংলাদেশের আয়তনের প্রায় একশটি দেশের সমান। অন্যদিকে ক্ষমতা বিত্তবৈভব, প্রভাব-প্রতিপত্তি এবং মান-মর্যাদায় মিসর ছিল দুনিয়ার একমাত্র সুপার পাওয়ার রাষ্ট্র। এমনি এক রাষ্ট্রপ্রধানের সামনে দাঁড়িয়ে দিনের পর দিন দেশের অবহেলিত, দরিদ্র ক্রীতদাসদের মুক্তির ব্যাপারে একজন মানুষ তার ভাইকে সঙ্গে নিয়ে কথা বলছেন, হুমকি দিচ্ছেন, আল্লাহর গজবের ভয় দেখাচ্ছেন, তারপরও সম্রাট ধৈর্যর্সহকারে সব কিছু শুনছেন এবং লোকটির সঙ্গে পাশাপাশি বসে সংলাপ করছেন, ভাবা যায়? ২০১৪ সালের প্রেক্ষাপট কল্পনা করলে আমি খেই হারিয়ে ফেলি। পবিত্র কোরআনে যেভাবে ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে তা পড়লে আমার মন-মস্তিষ্ক যেন এলোমেলো হয়ে পড়ে।

আগেকার দিনে মহান রাজপুরুষরা মিথ্যা কথা বলতেন না। প্রজাদের ধোঁকা দিতেন না। তারা মনে করতেন, ধোঁকা দেওয়া হলো শয়তানের কাজ। তারা জনগণকে বোকা বানানোর চেষ্টা করতেন না। অন্তর দিয়ে অধীনস্থদের ভালোবাসতেন। তারা সর্বত্র ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতেন। ন্যায়বিচার করতে গিয়ে অনেক রাজপুরুষ নিজ সন্তান, পিতা-মাতা, স্ত্রী কিংবা ভাইকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়েছেন কেবল একজন নিঃস্ব, রিক্ত মজলুম ফরিয়াদীর বিচার প্রার্থনার কারণে। এসব কারণে জনগণও ন্যায়পরায়ণ রাজা-বাদশাহদের নিজেদের জীবন-ধন-সম্পত্তি এবং আত্দীয়-পরিজনের চেয়ে বেশি ভালো বাসতেন। রাজার কথায় দেশের শত্রুর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন, হাসিমুখে নিজের জীবন বিসর্জন দিতেন নতুবা শত্রুর প্রাণ সংহার করে ঘরে ফিরতেন। ইতিহাসের স্বর্ণালি সেই দিন, অনুক্ষণ আর উদাহরণ এখন আর অবশিষ্ট নেই। এখন বোঝা যাচ্ছে না, কে আসলে সত্য বলছে? চলমান হরতাল-অবরোধে দেখছি প্রতারণা এবং মিথ্যা নাটকের নতুন নতুন উপাখ্যান মঞ্চস্থ হচ্ছে। পুরানা পল্টন মোড়, শাহবাগের মোড় কিংবা আরও দুই-একটি ট্রাফিক পয়েন্টে সরকারের পুলিশের সিপাহি পদমর্যাদার লোকজন অকারণে বাস গাড়ি দাঁড় করিয়ে বিরাট যানজট লাগিয়ে লোকজনকে বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যে, রাস্তায় বিনা বাধায় যানবাহন চলছে। এই দৃশ্য দেখে আরও দুই-চারজন লোক যেইনা সাহস করে তাদের গাড়ি বের করল ওমনি ভাঙচুর কিংবা পেট্রলবোমার শিকার হয়ে সর্বস্ব হারাল।

মিডিয়ার মালিকরা বৈঠক করে বিবৃতি দিচ্ছেন, তারা স্বাধীন মতো কাজ করতে পারছেন না। এর অর্থ মিডিয়াগুলোতে আমরা সঠিক সংবাদ পাচ্ছি না। সারা দেশের সহিংসতার বাস্তব চিত্র এবং এসব নিয়ে গণমানুষের ক্ষোভ-বিক্ষোভের বাস্তব চিত্র গণমাধ্যমে ফুটে উঠছে না। ফলে সাধারণ মানুষ হয় বিভ্রান্ত হচ্ছে নতুবা প্রতারিত হচ্ছে। এর দায়-দায়িত্ব কে নেবে? সুরক্ষিত অট্টালিকার বাসিন্দারা কি অনুভব করতে পারবে সেই হতভাগ্য বাসযাত্রীর মর্মবেদনা, যিনি টেলিভিশনের খবরে দেখলেন যে, সরকার র্যাব, বিজিবি এবং পুলিশের পাহারায় নিরাপদে সড়ক-মহাসড়ক দিয়ে যানবাহন প্রায় স্বাভাবিকভাবে চলাচল করাচ্ছে। সরকারের কথায় হতভাগ্য যুবক ছেলেটি তার শিশুকন্যা এবং স্ত্রীকে নিয়ে রংপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলেন। মাঝপথে বগুড়া এসে দুর্বৃত্তদের পেট্রলবোমার আঘাতে নিজে পুড়ল এবং শিশুকন্যা ও স্ত্রীকেও পোড়াল।

দেশবাসী বুঝতে চেষ্টা করছে, কে বেশি মিথ্যা বলছে? খালেদাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়নি, তার অফিসের সামনে বালু, ইট এবং খোয়াভর্তি যে ১৩টি ট্রাক রাখা হয়েছে তা খালেদা জিয়াই ফোন করে এনেছেন তার বাড়ি মেরামত করার জন্য। তার অফিসের গেটে তালা লাগানো হয়নি, দেশে পুরোদমে গণতন্ত্র চলছে, যে যার মতো বলতে এবং ইচ্ছামতো চলতে পারছে। খালেদা ইচ্ছা করেই অফিসে থাকছেন ইত্যাদি কথাবার্তা যারা বলছেন তারা কি সত্য বলছেন নাকি তাদের প্রতিপক্ষের অভিযোগগুলোই সত্য?

সার্বিক বিবেচনায়, দেশবাসী এখন কাউকে বিশ্বাস করছে না। কাউকে শ্রদ্ধার আসনে বসাতে পারছে না। দুঃসহ অপমান এবং একরাশ বেদনা নিয়ে কেবল দিন-রাত মিথ্যাচার শুনছে এবং ক্ষোভে ফুঁসছে। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা কোনদিকে মোড় নেবে তা কেউ বলতে পারছে না, কারণ বর্তমানের রাজনীতি কোনো ব্যাকরণ মেনে পরিচালিত হচ্ছে না। নিজেদের ইচ্ছামতো অদ্ভুত সব তথ্য-উপাত্ত সূত্র এবং ব্যাখ্যা দাঁড় করাচ্ছে এবং নিরীহ দেশবাসীর ওপর চাপ প্রয়োগ করছে তাদের মতাদর্শ মেনে নেওয়ার জন্য। ফলে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাস হয়ে উঠেছে প্রচণ্ড বিভীষিকাময় এক অধ্যায়, যার প্রতিটি মুহূর্তের দায় শোধ করতে হচ্ছে মানুষের রক্ত, কিংবা গলিত মাংসপিণ্ড অথবা অস্থি-মজ্জার খণ্ডিত অংশ দ্ধারা।

দেশের এই ক্রান্তিলগ্নেও বাঙালির রসবোধের কোনো কমতি নেই। এক মন্ত্রীমণি বললেন, সেইদিন আমি লুঙ্গিমণি পইরা, কুটুমণি ধইরা বাইর হমু! পারলে সামনে আইস। আরেক নেতামণি বলল- আর পায়ে নয়, এবার বুক ফুটা কইরা দিমু গুলিমণি দিয়া। এসব কথাবার্তার মাঝে আবার শুরু হয়েছে আত্দঘাতী সন্দেহ, অবিশ্বাস এবং প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের গৃহদাহ। সরকার মনে করছে, তাদের মধ্যে ঘাপটি মেরে আছে বিএনপির লোক। অন্যদিকে বিএনপিও মনে করছে সরকারি এজেন্টরা দলের কার্যক্রমকে মারাত্দকভাবে ব্যাহত করছে। ফলে পুরো রাজনৈতিক অঙ্গন হয়ে উঠেছে ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধের ময়দান। কে যে কখন কাকে মারে কিংবা পেছনের দরজা দিয়ে আঘাত হানে তা কেবল একমাত্র আল্লাহপাকই বলতে পারেন।

এখন প্রশ্ন করা হতে পারে, বর্তমান অবস্থা কি অনাদিকাল চলবে? কিংবা বর্তমান হানাহানিতে কে বেশি লাভবান হবে? আওয়ামী লীগ নাকি বিএনপি? আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধি বলছে, বর্তমান হানাহানিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের গণতন্ত্র, সাধারণ মানুষ এবং দেশের সার্বিক অর্থনীতি। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি- উভয় দলই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একথা সবাই বলছে, আওয়ামী লীগ ৫ জানুয়ারির ক্ষত নিয়ে বেশি দূর এগুতে পারবে না। মুখ থুবড়ে পড়বে, হয়তো নিজেদের ভারে নয়তো বিএনপি-জামায়াতের কারণে। অন্যদিকে আমার ভয় হচ্ছে, হঠাৎ করে যদি আওয়ামী লীগের পতন হয় সেক্ষেত্রে বিএনপির উত্থানের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তাহলে কী হবে? কী আর হবে, ধৈর্যমণি সহকারে সময়মণির ওপর নির্ভর করে ভাগ্যমণির ওপর সব কিছু ছেড়ে দিতে হবে।

লেখক : কলামিস্ট।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়